30/11/2025
দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয়।
কারণ এতে খাদ্যের ছয়টি মৌলিক উপাদান—কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি—সঠিক অনুপাতে উপস্থিত থাকে।
পুষ্টি উপাদানসমূহ দুধে উচ্চমানের স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রোটিন রয়েছে, যাতে দেহের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় এবং এর পরিমাণ প্রায় ৩.৪ শতাংশ।
এছাড়া ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ হাড় ও দাঁত মজবুত করে, যখন ভিটামিন এ, ডি, বি চোখ, হাড় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
স্বাস্থ্য উপকারিতানিয়মিত দুধ পান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কারণ এতে পরিমিত ফ্যাট ও প্রোটিন শক্তি যোগায় কিন্তু অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগে না।
শিশুদের ক্ষেত্রে মায়ের দুধ সংক্রমণ, হাঁপানি বা ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমিয়ে মেধা ও শারীরিক বিকাশ ত্বরান্বিত করে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যপ্রতিদিন ২৪০ মিলিলিটার দুধ প্রায় ১৪৯ কিলোক্যালোরি শক্তি সরবরাহ করে এবং গরু বা ছাগলের দুধ সকল বয়সের জন্য উপযোগী।
এটি সহজপাচ্য এবং প্রাকৃতিকভাবে সুষম খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
দুধের প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো হলো কার্বোহাইড্রেট (প্রধানত ল্যাকটোজ), প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন (এ, ডি, বি১২, রিবোফ্লাভিন), খনিজ লবণ (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম) এবং পানি।
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট সমূহ এক গ্লাস (প্রায় ২৪০ মিলি) গরুর দুধে প্রায় ৮ গ্রাম ফ্যাট, ৮ গ্রাম প্রোটিন এবং ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শক্তি সরবরাহ করে এবং দেহের বিকাশে সহায়তা করে। পানির পরিমাণ ৮৭% এর কাছাকাছি, যা হজম সহজ করে।
ভিটামিন সমূহ দুধে ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে এবং ভিটামিন বি১২ ও রিবোফ্লাভিন (বি২) স্নায়ু স্বাস্থ্য ও শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে।
খনিজ পদার্থ সমূহ ক্যালসিয়াম (৩১% দৈনিক চাহিদা), ফসফরাস, পটাশিয়াম (৩৭৫ মিলিগ্রাম) ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়-দাঁত মজবুত করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া সামান্য লোহা ও সোডিয়াম উপস্থিত।
ধন্যবাদ।