T.N.S Agro Culture

T.N.S Agro Culture Fishari, Poultry, Dairy and agriculture eny kind of things are available here. fishary, poltry, dairy and agriculture things are grow up and sale from here

Forget all the sadness, pain, anger, pride, hatred, pain of the past. Let's move forward, have a good new year for every...
01/01/2022

Forget all the sadness, pain, anger, pride, hatred, pain of the past. Let's move forward, have a good new year for everyone.

05/11/2018

টি.এন.এস এগ্রো কালচার এর সকল ফলোয়ার এবং ব্যবসায়ী দের জানাই পাণঢালা ভালবাসা।
আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

14/08/2018

The Mourn may be transformed into power,
In power Bangladesh will become glorious.
শোক রূপান্তরিত হোক শক্তিতে
সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক বাংলাদেশ

On 15th August, 2018, on the National Mourning Day, a humble tribute for Bangabandhu.
১৫ ই আগস্ট ২০১৮ জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর জন্য বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী.

 #লেয়ারের_নির্দিষ্ট_অালোকসূচীঃলেয়ার মুরগীতে ডিম উৎপাদনে লাইটিং অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়। সাধারনত প্রোডাকশন পিরিয়ডে ১৫...
19/11/2017

#লেয়ারের_নির্দিষ্ট_অালোকসূচীঃ
লেয়ার মুরগীতে ডিম উৎপাদনে লাইটিং অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়। সাধারনত প্রোডাকশন পিরিয়ডে ১৫-১৬ ঘন্টা লাইট দিতে হয়। সর্বোচ্চ ডিম উৎপাদনের জন্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে ১৫-১৬ ঘন্টা অালোর পাশাপাশি আলো প্রদানের সময়ও নির্দিষ্ট বা স্থির করা উচিত। উদাহরন স্বরূপঃ আজ ১০ টা পর্যন্ত অালো দিলেন, কাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত, পরেরদিন আবার ১০ টা পর্যন্ত দিলেন এমন বিক্ষিপ্ত আলোকসূচীতে সর্বোচ্চ প্রোডাকশন বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই আলো দেবার সময় স্থির করে আলোক প্রদান করতে হবে।

আবার, আমাদের দেশে প্রতি ১-২ দিন পর পর ১ মিনিট করে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় পরিবর্তিত হয়। ফলে দেখা যায় প্রায় ১ মাসে ২০-৩০ মিনিট করে সূর্যোদয়ের সময় পরিবর্তিত হয়। এরকম অবস্থায় অালো প্রদানের জন্য সূর্যোদয়ের উপর নির্ভর না করে সকালে একটি সময় নির্দিষ্ট করে আলো প্রদান করতে হবে। যেমন ধরেন ভোর ৫:০০ টায় আলো প্রদান শুরু করবেন। এখন সূর্যোদয় যখনই হোক আপনি ভোর ৫:০০ টা থেকে অালো দেয়া শুরু করবেন এবং সূর্য অস্ত যাবার সাথে সাথে আলো প্রদান করে ১৬ ঘন্টা পূর্ন করতে হবে।
এতে করে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে আলোকসূচী মেনে চলতে পারবেন।

#নির্দিষ্ট_আলোকসূচীর_সুবিধাঃ
১. এতে আপনার মুরগীর ওভুলেশন প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে হবে।
২. মুরগীগুলো প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে ডিম দিবে।
৩. ব্যবস্থাপনাগত সুবিধা বাড়বে।
৪. সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

04/11/2017

সকল পোল্ট্রি খামারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ । যারা দেশি মুরগি পালন করছেন বা নতুন খামার করতে চান তাদের জন্য আজ দেশী মুরগির ভ্যাকসিন প্রদানের নিয়মাবলী ও সময়সূচি প্রদান করা হলো। আশাকরি সকলের জন্যই উপকারে আসবে!

1: ভ্যাকসিন রাণীক্ষেত : প্রথমবার 5 দিন বয়সে চোখে অথবা পানিতে দিয়ে খাওয়াতে হবে। তবে যারা একেবারেই নতুন খামারী আপনারা হোমীও ঔষধের ড্রপ দিয়ে যতগুলো বাচ্চা তার থেকে কয়েক ফোটা পানি বেশী নিয়ে একটি পাত্রে ভ্যাকসিন গুলিয়ে প্রতিটি বাচ্চাকে 1 ফোটা করে খাইয়ে দিবেন।

দ্বিতীয় বার : 21 দিন বয়সে 1 ঘন্টা খাইতে পারে এতটুকু পানিতে ভ্যাকসিন গুলিয়ে দিবেন ওরা নিজেরাই খেয়ে নিবে।

তৃতীয় বার : 60 দিন বয়সে একই নিয়মে খাইয়ে দিবেন।

ভ্যাকসিন গামব্রো : প্রথম বার 10 দিন বয়সে। যতগুলো বাচ্চা তার থেকে কয়েক ফোটা বেশি পানিতে গুলিয়ে প্রতিটি বাচ্চাকে 1 ফোটা করে খাইয়ে দিবেন।

দ্বিতীয় বার 25 দিন বয়সে 1ঘন্টার পানিতে গুলিয়ে খাইয়ে দিবেন।

ভ্যাকসিন ফাউল ফক্স : প্রথম বার 35 দিন বয়সে 500 বাচ্চার জন্য 20মিলি পানিতে ভ্যাকসিন গুলিয়ে ডানার চামড়ায় সুচ দিয়ে ফুটিয়ে দিবেন। বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন সুচ যেন মাংস / হাড্ডিতে কোন অবস্থাতেই আঘাত না লাগে।

দ্বিতীয় বার : 55 দিন বয়সে। একই নিয়মে

03/06/2017
খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস পালন লেয়ার মুরগীর চেয়েও বেশ লাভজনক =========================================১. বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দ...
16/04/2017

খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস পালন লেয়ার মুরগীর চেয়েও বেশ লাভজনক
=========================================

১. বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দেয়। ২-৩ বছর বয়স পর্যন্ত ডিম দেয়, সেখানে লেয়ার মুরগি ডিম দেয় দেড় বছর পর্যন্ত।
২. সবাই হাঁসের ডিম খেতে পছন্দ করেন।
৩. হাঁসের বাচ্চার দাম খুব কম ৩২ টাকা সেখানে মুরগির বাচ্ছার দাম ৬০-৬৫ টাকা।
৪. হাঁসের ডিমের সাইজ বড়।
৫. ১ হাজার মুরগির চেয়ে ১ হাজার হাঁস পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যাবে।
৬. ডিম উৎপাদন কমে গেলে ৩ বছর পর হাঁসগুলো মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করা যাবে। হাঁসের মাংস মুরগির চেয়ে সুস্বাদু।
৭. মুরগি সব দিন ধরে ডিম দেয় কিন্তু হাঁস সকাল ৯টার মধ্যে ডিম পাড়া শেষ করে। ফলে নজরদারির খরচ কম লাগে।
৮. খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস ১৭-১৮ সপ্তাহ বয়সেই ডিম দেয়।
৯. নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা ও ফেনী সরকারি হাঁস প্রজনন খামার থেকে ১ দিনের বাচ্চা সংগ্রহ করা যাবে।

হাঁসের বাসস্থান
=========
মুরগির মতো ততো ভালো বাসস্থান না হলেও চলে। আলো বায়ু চলাচল ভালো থাকতে হবে। বয়স্ক হাঁসপ্রতি জায়গা লাগবে ২-৩ বর্গফুট। উঠতি হাঁসা-হাঁসীর জন্য ১ বর্গফুট জায়গাই যথেষ্ট। বন্য জন্তু বিশেষ করে শেয়ালের হাত থেকে রৰার ব্যবস্থা করতে হবে। থাকার জায়গায় মুরগির লিটারের মতো বিচুলি, তুষ, কাঠের গুঁড়া বিছিয়ে দিতে হবে, এতে আরামে থাকবে পাখিগুলো, ডিম গড়িয়ে যাবে না, ভাঙবে না।
ঘর পূর্ব-পশ্চিম লম্বা করতে হবে। বাণিজ্যিক খামারের ভিতরের ঘরের প্রস্থ ১৮-২০ ফুট, উচ্চতা ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য হাঁসের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করতে হবে। ঘর দেশি সামগ্রী – বাঁশ, টিন, ছন, খড় প্রভৃতি দিয়ে তৈরি করা যায়। ঘরের তাপমাত্রা ৫৫-৭৫% ও আর্দ্রতা ৩০-৭০% হাঁসের জন্য অনুকূল। লেয়ার হাঁসের জন্য ১৪-১৬ ঘণ্টা আলো দরকার। ৩০০ বর্গফুট স্থানের জন্য ১টি ৬০ওয়াটের বাল্ব দরকার। ঘরের চারপাশে তারের জাল দ্বারা ঘিরে দিতে হবে।

পানি ছাড়া হাঁস পালন
==============
মানুষের খুব একটা ভুল ধারণা আছে হাঁস পালনে পানি লাগে। প্রজননের জন্য হাঁস পুষলে পানি অবশ্যই দরকার। যে কোনো অগভীর ডোবা বা ট্যাংক, গভীরতা যার ৯ ইঞ্চি আয়তন ৫। এ ধরনের মাপে ১০টি হাঁস অনায়াসে পালন চলবে। শুধু ডিমের জন্য হাঁস পালন করলে মুরগির মতো ‘ডিপলিটার’ পদ্ধতিতে অর্থাৎ মেঝেতে ৩ ইঞ্চির মতো শুকনো কাঠের গুঁড়া, তুষ বিছিয়ে হাঁস পালন চলবে। এভাবে পালন করলে মুরগির মতো হাঁসকেও সেই সুষম খাদ্য দিতে হবে।

বাচ্চা ব্রুডিং
========
হাঁসের বাচ্চা ৩ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ব্র্বডিংয়ের জন্য ব্রুডার ব্যবস্থা করতে হয়। ব্রুডার -কাম গ্রোয়ার হাউসে হোভায়ের সঙ্গে ১০০ ওয়াটের ৩/৪টি বাল্ব সংযোজন করে তাপ উৎপাদন করা হয়। ৪ দিন বয়স পর্যন্ত ব্র্বডারে কাগজের ওপর খাদ্য দিতে হবে।
প্রতি লিটার পানিতে ৮০ গ্রাম গ্লুকোজ ৪ গ্রাম ভিটামিন সি মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে পানিতে নামানো যাবেনা।

উন্মুক্ত বা ছাড়া অবস্হার হাঁসের খাদ্য ব্যাবস্হাপনাঃ===================================মুক্ত এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে দিনের ব...
16/04/2017

উন্মুক্ত বা ছাড়া অবস্হার হাঁসের খাদ্য ব্যাবস্হাপনাঃ
===================================
মুক্ত এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে দিনের বেলায় ছাড়া অবস্তায় থাকবে এবং সেখানে খাবে,রাতের বেলায় ঘরে আসে।জলাশয়ে যদি খাবার কম পায় তাহলে সকালে এবং সন্ধায় প্রতি হাঁসের জন্য ৬০-৮০ গ্রাম খাবার দিতে হয় ,পরিমান নির্ভর করে কতটুকু খাবার কম পেল তার উপর।
ছাড়া অবস্থায় প্রতি হাঁসের জন্য দেড় থেকে ২ বর্গফুট জায়গা লাগবে।

বাচ্চা পালন :
======= হাঁসের বাচ্চা পালন মুরগির বাচ্চা পালনের মত। হাঁসের বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হচ্ছে- ১ম সপ্তাহে ৩২ সে.,
২য় সপ্তাহে ২৯ সে.,
৩য় সপ্তাহে ২৬ সে.,
৪র্থ সপ্তাহে ২৩ সে.,
৫ম সপ্তাহে ২১ সে. তাপমাত্রা প্রয়োজন।
বাচ্চা ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগে ব্রুডারের তাপমাত্রা ঠিক করতে হবে। গরমকালে ৪ সপ্তাহ এবং শীতকালে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে তাপ দিতে হয়।

বাচ্চার খাবারঃ
========= প্রতিটি বাচ্চা হাঁসকে ১ম সপ্তাহে ১০-২০ গ্রাম,
২য় সপ্তাহে ২১-৩১ গ্রাম,
৩য় সপ্তাহে ৩১-৪১ গ্রাম,
৪র্থ সপ্তাহে ৪১-৫৫ গ্রাম
৫ম সপ্তাহে ৫৫-৬৫ গ্রাম খাদ্য দিতে হয়।

খাদ্যঃ
========= হাঁস প্রধানত দুই রকমের খাদ্য খায়। যেমনঃ প্রাকৃতিক খাদ্য ও সম্পূরক খাদ্য।

প্রাকৃতিক খাদ্যঃ
========== হাঁস প্রাকৃতিক ও সম্পূরক খাদ্যের মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে। জলাশয়ের আগাছা, ক্ষুদেপানা, পোকামাকড়, কচি ঘাস পাতা, ঝিনুক, শামুক ও ছোট মাছ ইত্যাদি খেয়ে অর্ধেক খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়।

সম্পূরক খাদ্যঃ
========= পুকুর, খাল-বিল, নদী ইত্যাদিতে হাঁস চড়ে বেড়ায় এবং সেখান থেকেই তারা খাদ্য জোগাড় করে খেয়ে থাকে। আর এসব এলাকা থেকে প্রাপ্ত খাদ্যের উপরই এদের উৎপাদন নির্ভর করে। আবার অনেক খামারি প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি গম ভাঙা, চালের কুড়া, গমের ভূষি ইত্যাদি খেতে দেন।
তবে দেখা গেছে বেশিরভাগ খামারিদেরই হাঁসের জন্য সুষম খাদ্য তৈরি ও খাওয়ানোর পদ্ধতির সম্পর্কে সঠিক ধারনা নেই। ফলে পরবর্তীতে হাঁসের ডিম উৎপাদন কমে যায়। আবার ডিম পাড়ার সময় অধিক হারে পুষ্টি ডিমের মাধ্যমে চলে যায় বলে কিছু দিন পরে দেখা যায় হাঁসের ওজন কমে যাচ্ছে।
হাঁস ভিজা খাবার পছন্দ করে। এজন্য হাঁসের খাদ্যে সবসময় পানি মিশিয়ে দিতে হয়।সম্পূরক খাদ্য হিসাবে সকালে এবং সন্ধায় প্রতি হাঁসের জন্য ৬০-৮০ গ্রাম নিম্নলিখিত হারে দিতে পারি।


নিচে বিভিন্ন বয়সের হাঁসের জন্য সুষম খাদ্য তৈরির একটি ফরমোলেশনঃ
=============================================
*******টেবিল-১******

খাদ্য উপাদান (%) > > > বাচ্চা হাঁস(০-৬ সপ্তাহ) > > > বাড়ন্ত হাঁস(৭-১৯ সপ্তাহ)

গম ভাঙা ------------- ৩৬.০০ ------------------------ ৩৮.০০
ভুট্টা ভাঙা ------------ ১৮.০০ ------------------------- ১৮.০০
চালের কুঁড়া ---------- ১৮.০০ ------------------------- ১৭.০০
সয়াবিন মিল --------- ২২.০০ ------------------------- ২৩.০০
প্রোটিন কনসেনট্রেট - ২.০০ ---------------------------- ২.০০
ঝিনুক চূর্ণ ------------ ২.০০ ---------------------------- ২.০০
ডিসিপি --------- ------১.২৫ ---------------------------- ১.২৫
ভিটামিন প্রিমিক্স ---- ০.২৫ ---------------------------- ০.২৫
লাইসিন --------------- ০.১০ --------------------------- ০.১০
মিথিওনিন ------------ ০.১০ -------------------------- ০.১০
লবণ ------------------- ০.৩০ ------------------------- ০.৩০
---------------------------------------------------------------------------------
মোট === ======১০০.০০ ------------------------ ১০০.০০

এসব খাদ্য উপাদান পোল্ট্রির খাদ্য বিক্রেতার কাছে পাবেন। আর যদি তাও না পান তবে আরো সহজে নিম্নলিখিত উপায়ে খাদ্য তৈরি করতে পারবেনঃ
===========================================

**********টেবিল-২*********

খাদ্য উপাদান পরিমান (%)
---------------------------------
গম ভাঙা ৪৫
চালের কুঁড়া ২০
গমের ভুষি ১২
তিলের খৈল ১২
শুটকি মাছের গুঁড়া ১০
লবন ০.৫
ভিটামিন ০.২৫
----------------------------
মোট ১০০

ডিম পাড়া শুরুর ২ সপ্তাহ আগে থেকে শেষ পর্যন্ত
বা ডিম পাড়া হাঁস(২০ সপ্তাহ থেকে তদুর্ধে) হাঁসকে খাওয়ানোর চার্টঃ

***************টেবিল-৩******************

খাদ্য উপাদান >>>> পরিমান (%)
-------------------------------------
গম ভাঙা ৪০
চালের কুঁড়া ২৫
গমের ভুষি ৫
তিলের খৈল ১২
শুটকি মাছের গুঁড়া ১০
ঝিনুক ভাঙা ৭.২৫
লবন ০.৫
ভিটামিন ০.২৫
--------------------------------
মোট ১০০


খাওয়ানোর নিয়মঃ
============ বর্ষা মৌসুমে অর্ধছাড়া অবস্থায় পালনকৃত বাচ্চা হাঁসকে দৈনিক ৪০ গ্রাম এবং বয়স্কগুলোকে ৬০ গ্রাম হারে সুষম খাদ্য দিতে হবে। তবে শুষ্ক মৌসুমে প্রাকৃতিক খাদ্যের পরিমান কমে যায় বলে এসময় ছেড়ে খাওয়ানোর পাশাপাশি ৭০ থেকে ৮০ গ্রাম খাদ্য সরবরাহ করা দরকার। তবে প্রাকৃতিক খাদ্য না দিতে পারলে খাকী ক্যাম্পবেল হাঁসকে দৈনিক ১৭৬ গ্রাম হারে এবং জিন্ডিং হাঁসকে দৈনিক ১৬০ গ্রাম হারে খাদ্য দিতে হবে।

*তথ্য সূত্রঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বার্ষিক প্রাণিসম্পদ & Livestock website

05/11/2016

তারুণ্যের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষি........

*** কৃষিকাজে জড়িতদের ৬০ শতাংশ তরুণ...
*** নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা কৃষকদের গড় বয়স ৩৫

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।

26/09/2016

@ পোকামাকড় ও রোগবালাই @
পেঁপের তেমন কোন ক্ষতিকর পোকা মাকড় নেই। রোগবালাই এর মধ্যে ঢলে পড়া রোগটি প্রধান। এ রোগে প্রচুর চারা গাছ মারা যায়। তাছাড়া এ রোগের জীবাণুর আক্রমণে বর্ষা মৌসুমে কান্ড পঁচা রোগ হয়ে থাকে।

প্রতিকারঃ
১.গাছের গোড়ার পানি নিষ্কাশনের ভাল ব্যবস্থা রাখতে হবে।
২. রেডোমিল এমজেড -৭২ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭দিন পর পর গাছের গোড়ার চারি পার্শ্বের মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

পাউডারী মিলডিউ
এ রোগে পাতার উপর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ফুলের গায়ে ধুসর বা সাদা পাউডারের আবরণ পড়ে। এ রোগে আক্রমনের কারনে ফলন কমে যায়।
প্রতিকার:
১। আক্রান্ত গাছের মরা ডাল ও পাতা পুড়ে ফেলতে হবে।
২। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে থিয়োভিট বা ওয়েটেবল সালফার ৩০০ গ্রাম প্রতি ১০০ লিটার পানিতে বা ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে ১৫ দিন অন-র ২ থেকে ৩ বার সেপ্র করে এ রোগ দমন করা যায়।

কান্ড পঁচা রোগ
এ রোগ হলে গাছের গোড়ায় বাদামি বর্ণের ভেজা দাগের সৃষ্টি হয় এর ফলে আক্রান- চারা গাছ ঢলে পড়ে এবং মরে যায়।
প্রতিকার:
১। আক্রান্ত চারা গাছ উঠিয়ে পুড়ে ফেলতে হবে।
২। রিডোমিল এমজেড-৭২ ০.২ মি.লি হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে ছিটিয়ে দিলে সুফল পাওয়া যায়।

মোজাইক রোগ
এ রোগ হলে আক্রান্ত গাছের পাতায় সবুজ ও হলুদ রংয়ের দাগ দেখা যায়। পাতা খর্বাকৃতির ও আকারে ছোট হয়। জাব পোকা এ রোগ ছড়িয়ে থাকে।
প্রতিকার:
১। আক্রান্ত গাছ উঠিয়ে পুড়ে ফেলতে হবে।
২। বাহক পোকা দমনের জন্য মেলাথিয়ন প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি হারে মিশিয়ে ৫-৭ দিন পর পর ষেপ্র করতে হবে।
৩। জিংকের ঘাটতির জন্য মোজাইক লক্ষণ দেখা দিলে গাছের গোড়ায় গাছ প্রতি ১৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করলে এ সমস্যা দুরীভূত হয়।
এ্যানথ্রাকনোজ
ফলের বোটার দিকে গোলাকার দাগ দেখা যায় যা কালো হয়ে পচন ধরে। ডাইথেন এম-৪৫ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে ষেপ্র করে এ রোগ দমনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

@ ফল সংগ্রহ @
ফল ধরার দু’মাস পরেই সবজি হিসেবে এগুলো বাজারজাতকরণের জন্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। পাকা খাওয়ার জন্য যখনই পেঁপের গায়ে একটু হলুদ রং দেখা দেয় তখনই সংগ্রহ করা উচিত। ফল ধরার ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহের উপযুক্ত হয়ে থাকে।

গাছে ৩০-৪০ টি ফল আসার পর আর ফল ধরতে না দিয়ে পরবর্তী ফুলগুলো ভেঙ্গে দিতে হয়। তাহলে শেষ ফলটি ধরার ৬০ দিন পর যদি গাছ থেকে সব ফল সংগ্রহ করা হয় তবে এগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ পাকা ফল হিসেবে বাজারজাত করা যায়। এভাবে ১৪-১৫ মাস পরেই পেঁপে বাগান ভেঙ্গে ফেলা যেতে পারে।

@ ফলন @
পেঁপের ফলন গাছ প্রতি ১৫-২০ কেজি এবং হেক্টর প্রতি ৩০-৫০ টন হতে পারে। যদিও বর্তমান গড় ফলন ৭ টন মাত্র।

@ তথ্য সূত্র @
এন.সি.ডি.পি লীফলেট।

26/09/2016

সঠিক পরিচর্যায় পেঁপে চাষের জন্য করনীয়.. (১)

@ পেপেঁর পরিচিতি @
পেঁপে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফল। সবজি হিসেবেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। পেঁপে অত্যন্ত সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং ওষুধি গুনসম্পন্ন। বৃহত্তর রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, নাটোর, নরসিংদী, খুলনা ও যশোরে বেশি পেঁপে উৎপাদিত হয়। বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁপের চাষ হয় এবং মোট উৎপাদন প্রায় ৪০ হাজার টন কিন্তু তা আমাদের চাহিদার মাত্র ১/৫ অংশ পূরণ করে।
তুলনামুলকভাবে পাকা পেঁপে কাঁচা পেঁপের চেয়ে পুষ্টিমানের দিক থেকে উন্নত। আমের পরই ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ এর প্রধান উৎস হল পাকা পেঁপে। এছাড়া ক্যালসিয়াম ও খনিজ লবন প্রচুর পরিমানে থাকে। কাঁচা পেঁপেতে পেপেইন নামন হজমকারী দ্রব্য থাকে যা রোগীর পথ্য। কাঁচা পেঁপেতে বেশি আয়রন থাকে।
পেঁপে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার যেমন হালুয়া, পায়েশ, চাটনি, আচার, স্যুপ ও সালাদ ইত্যাদি তৈরী করা যায়।

@ জলবায়ু ও মাটি @

উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় পেঁপে ভাল জন্মে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় পেঁপে সর্বত্রই লাভজনক ভাবে চাষ করা যেতে পারে। পানি দাঁড়াতে পারেনা এমন উর্বর জমি পেঁপের জন্য নির্বাচন করতে হয়।

@ পেপেঁর জাত @
পেঁপের জাত
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট শাহী পেঁপে (বারি পেঁপে-১) নামে একটি পেঁপের জাত ১৯৯২ সালে উদ্ভাবন করেছে। এছাড়া ওয়াশিংটন, হানিডিউ, রাঁচি, ইত্যাদি জাতের চাষ হয়ে থাকে। পুষাজায়েন্ট, পুষা ম্যাজেষ্টি, সলো ইত্যাদি জাতগুলো উল্লেখযোগ্য।

@ বংশ বিস্তার @
সারা বিশ্বে পেঁপের বংশবিস্তার বীজ দ্বারাই হয়। বীজের গায়ে যে পিচ্ছিল পদার্থ ( Aril) থাকে তা অঙ্কুরোদগম রোধ করে। সুতরাং পাকা ফল থেকে বীজ সংগ্রহের পর ছাইয়ের সাথে মিশিয়ে পাটের বস্তার উপর ঘষে পানিতে ধুয়ে নিলে পিচ্ছিল পদার্থ চলে যায়। এর পরপরই বীজ রোপণ করলে দু’সপ্তাহের মধ্যে চারা বের হয়। বীজ পরিষ্কার করার পর ভালভাবে শুকিয়ে নিচ্ছিদ্র পাত্রে (যাতে বাতাস ঢুকতে পারে না) সংরক্ষণ করলে অনেক বছর ধরে বীজ ভাল থাকে। সংরক্ষণ করা বীজের অংকুরোদগম হতে দুই থেকে চার সপ্তাহ সময় নেয়। বীজতলায় বীজ না ফেলে সরাসরি ছোট ছোট পলিব্যাগে ও রোপণ করা হয়। প্রতি পলিব্যাগে ৪-৫ টি বীজ ফেলা হয় এবং বীজ গজানোর পর ৩ টি চারাকে বাড়তে দিতে হয়। বীজ তলায় চারা উৎপাদনের বেলায় ১০-১৫ সে.মি উঁচু ১ x ৩ মি. আকারের বীজতলা তৈরী করতে হয়। বীজ তলার মাটির মিশ্রণ হবে এক-তৃতীয়াংশ জৈব সার, এক-তৃতীয়াংশ বালি এবং এক-তৃতীয়াংশ মাটি। এর সাথে ৫০০ গ্রাম টিএসপি সার মিশালে ভাল হয়। এরকম বীজতলায় ১ সে.মি মাটির গভীরে বীজ ফেলার পর ঝরনা দিয়ে পানি দিতে হয়। চারা না গজানো পর্যন্ত বীজতলা ১৫ সে.মি উঁচু করে খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া ভাল। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে চারা বের হয়। বীজ বপনের পর ৫০-৬০ দিনের বয়সের চারা জমিতে রোপণের উপযুক্ত হয়। সাধারণত জুন – জুলাই এবং অক্টোবর – নভেম্বর মাস পেঁপের চারা উৎপাদন সময়। এক হেক্টর জমিতে রোপণের জন্য প্রায় ২০০ গ্রামে বীজের প্রয়োজন হয়।

Address

Boailmari, Santhia
Pabna

Opening Hours

06:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when T.N.S Agro Culture posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category