অনলাইন কবুতরের হাট

অনলাইন কবুতরের হাট কবুতর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য নিয়মিত পোস্ট করা হবে

✨দোকান নাম্বার:02✨বিক্রয়যোগ্য কবুতর: ৭ জোড়া✨লোকেশন:বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া✨মোবাইল:01891489310
05/10/2022

✨দোকান নাম্বার:02
✨বিক্রয়যোগ্য কবুতর: ৭ জোড়া
✨লোকেশন:বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
✨মোবাইল:01891489310

✨দোকান নাম্বার:01✨লফটের নাম: Sobuj Hossain (সবুজ)✨যোগাযোগ:মোবাইল:0174286227001912731274FB ID Link:https://www.facebook.c...
04/10/2022

✨দোকান নাম্বার:01
✨লফটের নাম: Sobuj Hossain (সবুজ)
✨যোগাযোগ:
মোবাইল:
01742862270
01912731274
FB ID Link:
https://www.facebook.com/sobuj.hosain.71271

26/06/2021
কবুতরের পক্স রোগের ঔষধ
06/05/2021

কবুতরের পক্স রোগের ঔষধ

কবুতর বা পাখির প্রয়োজনীয় ঔষধসমূহ এবং এগুলোর ব্যবহারবিধি ও প্রয়োগমাত্রা 👇Calplex পাখির ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন ডি ...
03/01/2021

কবুতর বা পাখির প্রয়োজনীয় ঔষধসমূহ এবং এগুলোর ব্যবহারবিধি ও প্রয়োগমাত্রা 👇

Calplex পাখির ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন ডি -এর অভাব পূরণ করে। ১ লিটার পানিতে ২.৫ মিলি টানা ৫ দিন।

Immolyte পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ২.৫ মিলি ১ লিটার পানিতে টানা ৫ দিন।

E-Sel ভিটামিন -ই ও সেলেনিয়াম। পাখি ব্রিডিং মুডে আসতে এবং ডিম জমাট বাধতে সহয়তা করে। ১ লিটার পানিতে ১ মিলি টানা ৫ দিন।

Ozinc/Zis vet জিংক এর অভাব পূরন করে (ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি, ডিমের খোসা শক্ত হওয়া, দৈহিক বৃদ্ধি, পালক গজানো, পালকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, দেহের হাড় শক্ত করা)। ১ লিটার পানিতে ১ মিলি টানা ৫ দিন।

Liva-vit / Liva tone পাখির যকৃত সবলকারী ভিটামিন। ১ লিটার পানিতে ১ মিলি টানা ৫ দিন।

Hiprachok Amino/ Panamin Liquid/ AD3E ১ লিটার পানিতে ১ মিলি টানা ৫ দিন।
Azin vet এন্টিবায়োটিক। পাখির ঠাণ্ডাজনিত রোগ ভাল করতে সহায়তা করে। ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টানা ৫ দিন।

Tetrax 500 এন্টিবায়োটিক। পাখির সবুজ পায়খানা/সালমোনেলোসিস হলে। আধা লিটার পানিতে ১টি ক্যাপসুল ৫ দিন। (মানুষের ঔষধ)।
Tylovet এন্টিবায়োটিক। ঠান্ডাজনিত সমস্যা ভাল করতে ব্যবহার করা হয়। ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম ৫ দিন।

Avinex-Vet/ Elcaris-Vet powder পাখির কৃমিনাশক। ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম তিন মাস পর পর ১ দিন ।

Rena WS/ Multivet WS/ Stress-Kill Powder মাল্টিভিটামিন। ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টানা ৫ দিন।

Renamox এন্টিবিয়োটিক। ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টানা ৫ দিন।

Doxy-Oxy কম্বাইন্ড এন্টিবায়োটিক। পাখির ঠান্ডা জনিত সমস্যায় ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টানা ৫ দিন।

Erisen Vet/ Micronid Vet/ Erocot Vet কম্বাইন্ড এন্টিবায়োটিক। ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম টানা ৩-৫ দিন।

Prithi WS ভিটামিন B1, B2, B6 এর ঘাটতিপূরন ও অভাব জনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহ্রত হয়। কুবুতর/পাখির পক্ষাঘাত বা টাল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। ১ গ্রাম ১ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ৫-৭ দিন।

Civodex Vet Eye Drops চোখের
জীবানুনাশক। কবুতর/পাখির চোখের সংক্রমনে ব্যবহার করা হয়। সংক্রমিত চোখে ১ ফোটাঁ করে সকালে ও বিকালে টানা ৫ দিন।

Ciprocin Eye Drops চোখের
জীবানুনাশক। কবুতর/পাখির চোখের সংক্রমনে ব্যবহার করা হয়। সংক্রমিত চোখে ১ ফোটাঁ করে সকালে ও বিকালে টানা ৫ দিন। (মানুষের ঔষধ)।

A-Mectin Vet কবুতর/পাখির বহিঃপরজীবীনাশক (মাইটস, উকুন, আটুলী) ।

Viodin Ointment এন্টিবায়োটিক/জীবানুনাশক অয়েন্টমেন্ট। (মানুষের ঔষধ)।

Hameco-PH / Apple Cider Vinegar (ACV) ১ লিটার পানিতে ২ মিলি প্রতি সপ্তাহে ১ দিন। ঔষধ মেশানাে পানি ৬ ঘণ্টা পর ফেলে দিতে হবে।

Two Plus এন্টিফাঙ্গাল এন্টিবায়োটিক।
#এন্টিজার্ম_স্প্রেঃ
Timsen / এন্টিজার্ম স্প্রে
Virostop / এন্টিজার্ম স্প্রে
Virocid / এন্টিজার্ম স্প্রে
Viodin Vet 10 solution / এন্টিজার্ম স্প্রে

েনে_রাখুন_পাখির_প্রয়োজনীয়_আরো_কিছু_ঔষধের_নামঃ
#ভিটামিনসমূহঃ
Allvit MA, Germany / মাল্টিভিটামিন
Maxi Grow-P / মাল্টিভিটামিন
Maxifort / মাল্টিভিটামিন
Megavit / মাল্টিভিটামিন
Rhodivit WS / মাল্টিভিটামিন
APSA B-Complex, Spain / ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স
Rena B+C/ ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স
B-Complex / ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স
Revital-7 / ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স
Hicom-B, Holland / ভিটামিন B1, B2, B6
Thiavin / ভিটামিন বি১, বি২ পাখির টাল রোগের জন্য
Cod Liver Oil / ভিটামিন এ, ডি ও ই
Caltat tab / ক্যালসিয়াম
Vitamin C / ভিটামিন সি
KEVIST DS / Vitamin K3 premix
Rena K / ভিটামিন কে
Riboson / পক্স ও অন্যান্য ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহৃত
Thiovit / টাল রোগের জন্য
Berin / শারীরিক সক্ষমতা/ উর্বরতা বাড়াবে
Availa Z-M / Grit Premix
Pigeon Minerals / Grit Premix
Grit / বিভিন্ন কোয়ালিটির
Pigeon Mixed Food / বিভিন্ন কোয়ালিটির

#প্রয়োজনীয়_এন্টিবায়োটিক_ঔষধসমূহঃ
AMPI coli / কম্বাইন্ড এন্টিবায়োটিক
4 IN 1 Mix / কম্বাইন্ড এন্টিবায়োটিক
Bactitab / এন্টিবায়োটিক
Chemonid / এন্টিবায়োটিক
Cipryl-solution/ এন্টিবায়োটিক
Cosumix Plus / এন্টিবায়োটিক
Doxacil-Vet/ এন্টিবায়োটিক
Enrocin / এন্টিবায়োটিক
ESB 30 / কম্বাইন্ড এন্টিবায়োটিক
Moxacil / এন্টিবায়োটিক
New-Floxin / এন্টিবায়োটিক
Two Plus / এন্টিফাংগাল এন্টিবায়োটিক

#স্যালাইনঃ
Electromin / স্যালাইন
Glucolyte / স্যালাইন

#লিভারটনিকঃ
Liva Tone / লিভার টনিক
Liva-Vit / লিভার টনিক
All Enzyme / হজম শক্তি ও খাবারে রুচি বাড়াতে ব্যবহার করা হয়।

#প্রোবায়োটিকসঃ
Guardizen-M / প্রোবায়োটিকস
Lisovit / রোগ প্রতিরোধক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
Apple Cider Vinegar / রোগ প্রতিরোধক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

#হামদর্দের_ভেষজ_ঔষধঃ
Fevnil / হামদর্দ, জ্বর ও সালমোনেলা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
Icturn / হামদর্দ, লিভার টনিক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
Marbelus / পাতলা পায়খানা ও সালমোনেলা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
Safi / মাল্টিভিটামিন ও সালমোনেলা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
Disney / পাতলা পায়খানা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

#কৃমিনাশক_ঔষধঃ
Avinex Vet / কৃমিনাশক
Elcaris Vet / কৃমিনাশক
Wormazole / কৃমিনাশক

(Collected)

আজ আমরা কবুতরের ডিম এবং ডিমের যত্ন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জানবো। নিয়মিত কবুতর সম্পর্কে তথ্য পেতে এখনি pigeons ...
02/12/2020

আজ আমরা কবুতরের ডিম এবং ডিমের যত্ন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জানবো। নিয়মিত কবুতর সম্পর্কে তথ্য পেতে এখনি pigeons Helpline page এ লাইক দিন।https://www.facebook.com/Pigeons-Helpline-111387487426156/
🚩Start🚩
💧সাধারনত ১০ পর ঝরার পর জোড়া দিলে ৮-১৫
দিনের মধ্যে কবুতর ডিম পাড়ে। ( ব্যতিক্রম
হতে পারে)।ডিম পাড়ার ১-২ দিন আগে মাদি কবুতর ডিম পাড়ার জন্য হাড়িতে বসে থাকে, আর যদি ছাড়া কবুতর হয় তাহলে নর মাদি উভয়ই মিলে খড় কুটা, পাতা, গাছের ছোট ডাল
দিয়ে বাসা তৈরী করে এবং মাদি সেই বাসায়
বসে থাকে। কবুতর সাধারনত বিকালে বা সন্ধার পর ডিম পাড়ে। প্রথম ডিম পাড়ার ১ দিন পর দ্বীতিয় ডিমটি পাড়ে। ডিম পাড়ার পর ১৭-১৯ দিন নর মাদি উভয় কবুতর মিলে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়।

💧আমাদের যা করনীয়ঃ
১> ডিমের জন্য কবুতরকে একটি পরিস্কার
হাড়ি দিন। হাড়িতে কাপর বা ঝুট বা খড়
বা কুরা বা ভুসি মধ্যখানটা একটু নিচু রেখে সমান ভাবে বিছিয়ে দিন, তবে কাপর বা ঝুট হলে ভাল হয়।
কারন খড় বা কুরা বা ভুসিতে পোকা হওয়ার
সম্ভবনা থাকে।
২> অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই ডিম পাড়ার তারিখ লিখে রাখবেন।
৩> প্রথম ডিমটি পাড়ার পর একটি প্লাস্টিকের
ডিম দিয়ে কবুতর যে ডিমটি পেড়েছে তা সরিয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন এটা খুব জরুরি।
৪> দ্বীতিয় ডিমটি পাড়ার পর প্রথম
ডিমটি হাড়িতে দিয়ে প্লাস্টিকের
ডিমটি সরিয়ে ফেলুন। দুটি ডিম একসাথে তা দেয়া শুরু করলে দুটি বাচ্চা বাচার সম্ভবনা ৮০% বেড়ে য়ায়। কারন প্রথম ডিমটি বেশির ভাগ সময়ই নর বাচ্চা থাকে আর আগে ফুটার কারনে বাচ্চার সাইজটা বড় হয়ে যায়। তাই স্বাভাবিক ভাবেই পরের বাচ্চাটি আকারে একটু ছোট থাকে। এই ছোট বড়র কারনে বড় বাচ্চাটি বেশি খাবার পায় এবং ছোট বাচ্চাটি কম খাবার পাওয়ার কারনে দুর্বল হয়ে এক
সময় মারা যেতে পারে। তাই সবসময় দুটি ডিম
একসাথে তা দিতে দিন।
৫> অনেক সময় কবুতর পাতলা খোসাযুক্ত ডিম
পাড়ে। এই ডিমে সাধারনত বাচ্চা হয় না। আর
এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। প্রথমবার ডিম পাড়ার সময় এমন হতে পারে। আর ডিম পাড়ার
আগে যদি কবুতর ভয় পায় তাহলেও অনেক সময় এরকম ডিম পাড়ে। ভিটামিনের অভাবজনিত কারনেও এটা হতে পারে। পাতলা খোসা যুক্ত একটা আর
একটা যদি স্বাভাবিক ডিম হয়
তাহলে পাতলা খোসার ডিমটি ফেলে দিন
না হলে এটা ফেটে গিয়ে ভাল ডিমটিও নস্ট
হয়ে যেতে পারে। মোট কথা পাতলা খোসার ডিম চোখে পড়া মাত্র সরিয়ে ফেলুন আর ফেলে দিন।
৬> ডিম পাড়ার ৪-৫ দিন পর ডিম দুটি টর্চ
বা আলোতে নিয়ে পরিক্ষা করুন ডিম
জমছে বা ফার্টেইল হয়েছে কিনা। যদি দেখেন ডিমের মধ্যে শিরা বা রগের মত দেখা যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন ডিমগুলি ফার্টেইল বা এতে বাচ্চা হবে। আর যদি দেখেন ডিমের কুসুম দেখা যাচ্ছে বা ডিমের
ভিতরে কোন পরিবর্তন হয় নাই তাহলে এই
ডিমে বাচ্চা হবে না। তখন এই ডিম ফেলে দিন
এতে কবুতর আবার ডিম পাড়ার জন্য দ্রুত
তৈরী হবে।
৭> ডিম চেক করার সময় বিশেষ
সাবধানতা অবলম্বন করুন।ডিমে বসা কবুতর
কোন কারনে বিরক্ত হলে খুব রাগান্বিত
থাকে এবং যে কোন ভাবে ডিম রক্ষার চেস্টা করে।
৮> যখন ডিম চেক করবেন তখন
হাড়িতে বসা কবুতরের বুকের নিচে হাত
দিয়ে কবুতরটা সরিয়ে হাড়িটা বের করে নিয়ে আসুন।
খুব সাবধানে ডিম নাড়াচাড়া করবেন। ভুলেও
ডিমে ঝাকি দিবেন না। চেক
করা হয়ে গেলে সাবধানে হাড়িটা যথাস্হানে রেখে দিন।
৯> ষোলো দিনে ডিমগুলি আরেকবার চেক করুন।
যদি ডিমের ভিতরের বাচ্চা সুস্হ
থাকে তাহলে ডিমটা কানে দিলে কট কট শব্দ
সুনতে পাবেন (ব্যাতিক্রম হতে পারে)।
ডিম গুলি রাখার আগে ভেজা নেকড়া বা ঝুট
দিয়ে মুছে দিতে পারেন এতে ডিমের খোসা নরম
হবে এবং খুব সহজে বাচ্চা ডিম থেকে বের
হতে পারবে।
১০> যদি আপনি দ্বীতিয় ডিম দেয়ার
তারিখটি ধরেন তা হলে সতেরতম
দিনে ডিমে বাচ্চা ফুটার কথা। আর বাচ্চা ফুটার
সময় একটু বিশেষ নজর দেয়া দরকার। অনেক সময়
কবুতর ডিমের খোসা সরায় না, এ ক্ষেত্রে এ
কাজটা আপনাকে করতে হবে,
খোসা গুলিকে হাড়ি থেকে সরিয়ে দিন। খালি খোসার কারনে বাচ্চার মৃত্যু ঘটতে পারে।
১১> অনেক সময় বাচ্চা ডিম থেকে বের
হতে পারে না এ ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ
ভুমিকা নিতে হবে এবং খুব
আলতো করে ধরে ধিরে ধিরে ডিমের চারিদিক
গোলাকার ভাবে ভেংগে বাচ্চাটিকে বের
করতে হবে আর বাচ্চা বের হবার পর এর
নাভি এন্টিসেপটিক জাতিয় ঔষধ দিয়ে মুছে দিন,
এতে নাভিতে ইনফ্যাকশনের সম্ভবনা অনেক
কমে যাবে।
১২> হাত দিয়ে ডিম থেকে বাচ্চা বের করার সময়
যদি দেখেন কুসুম এখনো বাহিরে বা রক্ত বের
হচ্ছে তাহলে ঐ অবস্হায় ডিমটা রেখে দিন ৬-৮
ঘন্টা পর বাচ্চাটি আবার ডিম থেকে বের করে নিন।
১৩> অসাবধানতার কারনে যদি কখনো ডিমের
উপরি ভাগ ফেটে যায় কিন্তু ডিমের পর্দা ঠিক
থাকে তাহলে চিন্তার কিছু নাই সাদা টেপ
ফাটা যায়গায় লাগিয়ে দিন আর মনে রাখবেন যত
কম টেপ ব্যবহার করবেন ডিমে বাচ্চা জমার
সম্ভবনা তত বেশি। যদি ডিমের পর্দা ফেটে যায়
তাহলে ঐ ডিম ফেলে দিন।

💧পরিশেষে একটা কথা না বললেই নয়। আমাদের অনেকেরই একটা ভুল ধারনা আছে ডিমে হাত দিলে বা ভিজে গেলে ডিম নস্ট হয়ে যায়।এটা সম্পুর্ন ভুল ধারনা। যদি কখনো ডিম
ভিজে যায় তাহলে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ডিমটি কবুতরের নিচে দিয়ে দিতে পারেন
তবে ডিমটি যদি অতিরিক্ত সময় পানির
মধ্যে থাকে তাহলে ডিমটি নস্ট হয়ে যেতে পারে।
🇧🇩End 🇧🇩

কবুতরের বিভিন্ন রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।🚩🚩রোগের নাম : ডিফথেরো স্মল পক্স (বসন্ত রোগ)।কারণ...
02/12/2020

কবুতরের বিভিন্ন রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
🚩🚩
রোগের নাম : ডিফথেরো স্মল পক্স (বসন্ত রোগ)।
কারণ : বোরেলিয়া কলাম্বরি ভাইরাস।
লক্ষণ : পালকহীন ত্বক বিশেষ করে চোখ, ঠোঁটের চারপাশে এবং পায়ে ক্ষত বা পক্স দেখা যায়।
চিকিৎসা : অ্যান্টিবায়োটিক, এমাইনো এসিড, ভিটামিন এ এবং সি, ইমিউনো স্টিমুলেটর, টপিক্যাল আইওডিন।
প্রতিরোধ : জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে।

রোগের নাম : সালমেনেলোসিস/ প্যারাটইফোসিস।
কারণ : সালমোনেলা টাইফিমিউরিয়াম।
লক্ষণ : শ্লেষ্মাযুক্ত আঠালো, ফেনা ও দুর্গন্ধযুক্ত ডায়রিয়া দেখা দেয়। দেহ ক্রমাগত শুকিয়ে যায়। ভারসাম্য হীনতা ও পক্ষাঘাত দেখা দেয়।
চিকিৎসা : এন্টিবায়োটিক সেনসিটিভিটি টেস্ট করে সঠিক এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে। আর ভিটামিনস ও মিনারেলস খাওয়াতে হবে।
প্রতিরোধ : ১। জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ২। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : পাসটিউরেলা মালটোসিডা
লক্ষণ : ডাইরিয়া, জ্বর, কোনো লক্ষণ ছাড়াই ২৪-৪৮ ঘন্টা মধ্যে কবুতর মারা যায়।
চিকিৎসা : এন্টিবায়োটিক সেনসিটিভিটি টেস্ট করে সঠিক এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে। সঙ্গে ভিটামিনস ও মিনারেলস খাওয়াতে হবে।
প্রতিরোধ : ১। জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ২। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : করাইজা অথবা আউল'স হেড।
কারণ : হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা।
লক্ষণ : সর্দি, চোখের পাতা ফুলে প্যাঁচার মাথার মতো দেখায়। চোখ দিয়ে (muco-purulent) পদার্থ বের হয়।
চিকিৎসা : অ্যান্টিবায়োটিক সেনসিটিভিটি টেস্ট করে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে। সঙ্গে ভিটামিনস ও মিনারেলস খাওয়াতে হবে।
প্রতিরোধ : ১। জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ২। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : মাইকোপ্লাজমোসিস।
কারণ : মাইকোপ্লাজমা কলাম্বিনাম।
লক্ষণ : সর্দি, চোখ ও নাক দিয়ে প্রথমে পানি এবং পরে muco-purulent পদার্থ নির্গত হয়। মুখ ও কন্ঠ অত্যধিক প্রদাহে স্ফীত থাকে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। শ্বাসকষ্ট হয়।
চিকিৎসা : টিয়ামুলিন, টাইলোসিন এনরোফ্লুক্সসিন, স্পাইরামাইসিন, লিনকোমাইসিন গ্রুপের অষুধ।
প্রতিরোধ : ১। জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ২। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : ক্ল্যামাইডিওসিস অথবা অরনিথোসিস।
কারণ : ক্ল্যামাইডিয়া সিটাসি।
লক্ষণ : চোখ ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। স্বাস্থ্যে অবনতি ঘটে। আর রোগ ভোগের পর মারা যায়।
চিকিৎসা : ক্লোরটেট্রাসাইক্লিন, টাইলোসিন, লিনকোমাইসিন, স্পাইরামাইসিন ইত্যাদি
প্রতিরোধ : ১। জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ২। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : নিউক্যাসল অথবা প্যারামিক্সো ভাইরাস-১।
কারণ : প্যারামিক্সো ভাইরাস টাইপ-১।
লক্ষণ : সবুজ রংয়ের ডায়রিয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, মুখ হা করে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। ভারসাম্যহীনতা, মাথা ঘোরা, পাখা ও পায়ের পক্ষাঘাত ইত্যাদি।
চিকিৎসা : এন্টিবায়োটিক, এমাইনো এসিড, ভিটামিন, ইমিউনো স্টিমুলেটর।
প্রতিরোধ : জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। টিকা প্রদান করতে হবে।

রোগের নাম : পরজীবী রোগ
কারণ : আইমেরিয়া, এসকারিস, ক্যাপিলারিয়া, ট্রাইকোমোনা।
লক্ষণ : দুর্বলতা, খাদ্য গ্রহণে অনীহা, শুকিয়ে যাওয়া, ডাইরিয়া (মলে রক্ত থাকে ককসিডিয়া), পুষ্টিহীনতা ও অবশেষে মৃত্যু ঘটে।
চিকিৎসা : কৃমিনাশক, ভিটামিন ও মিনারেল প্রিমিক্স, এমাইনো এসিড।
প্রতিরোধ : জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে।

অপুষ্টিজনিত ও বিপাকীয় রোগ
ভিটামিন-এ এর ঘাটতি : দেহে ক্ষত হয়, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায় এবং অক্ষিঝিল্লির প্রদাহ দেখা দেয়। ক্ষুধা কমে যায়, দৈহিক বৃদ্ধি ও পালকের গঠণ ব্যাহত হয়। উৎপাদ ও ডিম তা দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
নিয়মিত ভিটামিন, প্রিমিক্স ও মিনারেল প্রদান অথবা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান করতে হবে।
ভিটামিন ডি এর ঘাটতি : অস্থি নরম ও বাঁকা হয়ে যায়, ডিম উৎপাদন ও তা দেওয়ার ক্ষমতা কমে।
ভিটামিন ডি ও মিনারেল প্রিমিক্স প্রদান, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার (কডলিভার অয়েল, ফিস মিল) প্রদান করতে হবে।
ভিটামিন ই : এনসেফালোম্যালাশিয়া রোগ হয়, পক্ষাঘাতের ফলে চলতে অসঙ্গতি দেখা দেয়। বুক ও পেটের নিচে তরল পদার্থ জমে, ইডিমা হয়। ডিমের উর্বরতা কমে যায়।
সেলিনিয়ামসহ ভিটামিন ই প্রদান করতে হবে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার (শস্য দানা, গম, চাউলে কুড়া, শুটকি মাছ) খাওয়াতে হবে।
ভিটামিন কে : রক্তক্ষরণের কারণে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
ভিটামিন কে প্রিমিক্স ও মিনারেল প্রদান। ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান (সবুজ শাকসবজি ও মাছের গুঁড়া)।
ভিটামিন বি ১ : পা, ডানা ও ঘাড়ে পক্ষাঘাত হয়। ঘাড়ের পক্ষাঘাতের ফলে ঘাড় পেছন দিকে করে আকাশের দিকে মুখ করে থাকে, চলনে অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়। ভিটামিন বি ১ সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও মিনারেল প্রদান (চাউলের কুড়া, গমের গুঁড়া, শাক সবজি)
ভিটামিন বি ২ : ছানার পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়। পরে নখ বা আঙ্গুল বাঁকা হয়ে যায়। ছানার দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ভিটামিন বি ২ সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও মিনারেল (সবুজ শাক সবজি, ছোলা, খৈল, আলফা-আলফা, ঈষ্ট)
ভিটামিন বি ৬ : ক্ষুধামন্দ্যা দেখা দেয়। ছানার বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। প্যারালাইসিস ও পেরোসিস হতে পারে। ভিটামিন বি ৬ সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও মিনারেল (শস্য, মাছের গুঁড়া, আলফা-আলফা, ঈষ্ট ইত্যাদি)
ভিটামিন বি ১২ : বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও রক্তশূন্যতা দেখা দেয় ডিমের উর্বরতা হ্রাস পায়। ভিটামিন বি ১২ সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও মিনারেল প্রদান। ভিটামিন বি ১২ সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান (যকৃত, মাংস ফিসমিল ইত্যাদি)
ফলিক এসিড : রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও পালক কম গজায়। ০.০১৪ মিগ্রা প্রতিদিনের প্রয়োজন। ফলিক এসিড সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও সাথে ম্যানগানিজ (সহ) প্রদান করতে হবে। ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান (যকৃত, ঈষ্ট)।
ম্যানটোথেনিক এসিড : বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও চর্ম রোগ হয়। পা ও চোখের চারিপাশে নেক্রোসিস হয়। ডিমের উর্বরতা হ্রাস। ০.৩৬ মিগ্রা প্রতিদিনের প্রয়োজন। প্যানটোথেনিক এসিড সমৃদ্ধ ভিটামিন প্রদান (চীনাবাদাম, আখের গুড়,ঈষ্ট, চাউলের কুড়া, গমের ভূষি ইত্যাদি)
বায়োটিন : পেরোসিস, ডিমের উর্বরতা হ্রাস ও চর্ম প্রদাহ দেখা দেয়। ০.০০২ মিগ্রা প্রতিদিনের প্রয়োজন। বায়োটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন ও খাদ্য প্রদান।
খনিজ পদার্থ (সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়োডিন, ম্যানগানিজ, কপার এন্ড কোবাল্ট, আয়রন : হাড় গঠন ও বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ডিমের খোসা নরম হয়। রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। পেরোসিস ও প্যারালাইসিস হয়।
পাখিকে নিয়মিত ভিটামিন, খনিজ সমৃদ্ধ প্রিমিক্স ও খাদ্য প্রদান করতে হবে।
এমাইনোএসিড
আমিষ বিভিন্ন প্রকার এমাইনো এসিড সরবরাহ করে যা দেহ গঠনের জন্য অত্যাবশ্যক। সুতরাং পাখিকে এমাইনো এসিড সমৃদ্ধ খাদ্য (শুটকি মাছের গুড়া, সরিষা, তিল ও চীনাবাদামের খৈল) সরবরাহ করতে হবে।
🇧🇩End 🇧🇩
🖐️🖐️🖐️
(Collected)

🖐️আসসালমুয়ালাইকুম কবুতর প্রেমী বন্ধুরা।আজ আমরা আলোচনা করবো কবুতরের টাল রোগ সম্পর্কে।প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে বিষয়ট...
01/12/2020

🖐️আসসালমুয়ালাইকুম কবুতর প্রেমী বন্ধুরা।আজ আমরা আলোচনা করবো কবুতরের টাল রোগ সম্পর্কে।প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে বিষয়টা পুরোপুরি বুঝতে পারবেন ইনশা আল্লাহ ♥️

☑️টাল বা ঘাড় পক্ষাঘাত কবুতর সেক্টরের অতি সাধারন একটি রোগ। যদিও এটিকে অনেকেই রানিখেত রোগ বা New Castle বা PMV ভাইরাস বলে ভুল করে থাকে। শুধু তাই না, কিছু খামারি ও পশু চিকিৎসক এটিকে ভাইরাল বলে গন্য করেন ও ঘোষণা দিবার পরও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়টিক প্রয়োগের পরামর্শ দিয়া থাকেন। যা খুবই আশ্চর্য জনক। এই রোগে কোন প্রকার ঔষধ প্রয়োগে বিপরীত ফল বয়ে আনে। অনেকেই আবার মনে করেন এই রোগটি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন ঔষধের ক্রিয়ার ফলে হয়। আসলে এই ধারনাও অমুলক, প্রতিটি প্রাণীর শরীরে ভাল ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর জীবাণুর বা খারাপ ব্যাকটেরিয়ার পরিমান যখন বেড়ে যায় চিকিৎসার বিলম্বের কারনে, তখন সেগুলো নার্ভাস সিস্টেম এ আক্রান্ত করে ফেলে, এই সময় এর প্রতিকারের ঔষধ প্রয়োগের সঙ্গে রোগের লক্ষন প্রকাশ হয়ে পড়ে। আর তার ফলে আমরা সেই ব্যাবস্থাকেই দোষী করি যেটা শেষে নিয়া হয়েছিল।

☑️কবুতরের টাল (TAL) একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ (Salmonellosis / Paratyphoid সংক্রমণ) দ্বারা সৃষ্ট হয়। প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর শরীরে সহনীয় মাত্রায় এই জীবাণু থেকে, কিন্তু সেটা যখন বেশী হয়ে যায়। তখন এটি মারাত্মক আকার ধারন করে, আর অনতিবিলম্বে এর চিকিৎসা শুরু না করলে সেই কবুতর টাল হবার সম্বাবনা বেশী থাকে। এটা কোন অঙ্গ আক্রান্ত হয়েছে তার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়। বাচ্চা কবুতরের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার খুবই বেশি তবে সময় মত চিকিৎসা ব্যাবস্থা না নিলে বড় কবুতর ও মারা যায় । তবে এই রোগে যত না জীবাণু ঘটিত কারনে মারা যায় তার থেকে পানিশূন্যতা ও খাদ্য ঘাটতি বা ক্রপ সঙ্ক্রমনে বেশী মারা যায়।

☑️Salmonellae বিশেষ ফর্ম দ্রুত খাদ্য সংক্রমনে মাধমে বেঁচে থাকে যা কবুতরের অন্ত্রে এই জীবাণু সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অন্ত্রের দেয়াল এর মাধ্যমে তারা রক্তধারায় সহজেই মিশে যায়। সেখান থেকে রক্ত পুরো শরীর জুড়ে রোগ বহন করে। রোগ সংক্রমণকারী জীবাণু স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে ফলে অন্ত্রে বেদনাদায়ক প্রদাহ হতে পারে। অনেক সময় কবুতরের জয়েন্ট গুলো তে ফস্কার মত দেখা যায় বা জয়েন্টগুলোতে মধ্যে ফুলে যায়। এই জয়েন্টগুলোতে তরল পদার্থের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও পরে সংকলন দ্বারা ক্ষীণভাবে এর প্রদাহ হয়। পায়রার দ্বারা নিজেই জয়েন্টগুলোতে মুখ দিয়ে ব্যথা উপশমের বার্থ চেষ্টা করে। এই রোগে এক সময় খামারিরা কবুতর কে জবাই করে দিয়ে ফেলে দিত বা অনেকেই খেয়ে ফেলত। একটু আশার কথা হল, এখন আর তার দরকার পড়ে না। কারণ এখন এটি চিকিৎসা অতি সহজেই করা সম্ভব, যদি আপনি সচেতন হন। আর তাই অনেক খামারি বাজার বা অন্য খামার থেকে সস্তাতে টাল কবুতর কিনে চিকিৎসা করে তা থেকে ডিম বাচ্চা করাচ্ছেন। আর এর উদাহারন নেহাত কম না। যদিও অনেকেরই এখনও ধারনা এই রোগে কখনও কবুতর ঠিক হয় না অনর্থক পরিশ্রম ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি তাদের বলব তাদের সঠিক জ্ঞান নাই, আপনাদের জ্ঞান চক্ষু একটু মেলে ধরেন। আর এই চিকিৎসা ব্যাবস্থা অনুসরণ করেন। আশা করি আপনি ভাল ফলাফল পাবেন।

☑️ অনেকেই এই চিকিৎসা থেকে ভাল ফল না পাবার কারণ হিসাবে বলা যায়ঃ
১) ঔষধ সংরক্ষন করতে পারেন না বা ঔষধ/ভায়াল ভাঙ্গার পর সেটা মুখ বন্ধ না করে সংরক্ষন করা।
২) সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে না পারা। অনেকেই কবুতরের বুক বলতে পাকস্থলি বুঝেন তা ঠিক না।
৩) ভাল মানের ঔষধ কিনতে ব্যর্থ হাওয়া।
৪) একই সিরিঞ্জ দিয়ে সব গুলো কে ঔষধ প্রয়োগ করা।
৫) মাতারিক্ত প্রয়োগ বা পরিমানের থেকে কম প্রয়োগ।
৬) ট্যাঁপের পানি/পুকুর বা পুরানো ডিপ টিউবওয়েল পানি সরাসরি ব্যাবহার করা বা খাওয়ান।
৭) বিভিন্ন ধরনের ক্যাসিয়াম ও ভিটামিন প্রয়োগ চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে।
৮) এই রোগের অন্যতম চিকিৎসা হল বমি করানোর ব্যাবস্থা করা, তাই চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে নান ধরনের বমির ঔষধ প্রয়োগ করা।
৯) কবুতর কে বড় খাঁচাতে না রাখা, বা পানি শূন্যতা রোধ না করা।
১০) চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে অ্যান্টিবায়টিক প্রয়োগ ইত্যাদি।
রোগের কারনঃ
১) সাল্মনেল্লা এর জীবাণু আক্রান কবুতর খামারে প্রবেশ করালে।
২) বুনো পায়রা সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ।
৩) জুতা বা পায়ের পাতার নিচের অংশে সংক্রমিত ধুলোর মাধ্যমে ।
৪) তীক্ষ্ণদন্ত প্রাণী দ্বারা সংক্রমিত হয় (যেমন ইঁদুর), তেলেপোকা ইত্যাদি এটি সংক্রামক প্রাণী দ্বারাও এ রোগ উত্পাদিত হতে পারে।
৪) খাদ্য বিষক্রিয়াগত কারনে, দূষিত মাটি বা জল থেকে, তেলাপোকা বা খাদ্য থেকে বা আক্রান্ত একটি প্রাণীর থেকে খাদ্য খাওয়া, লালা, বায়ু, কাশি ইত্যাদি থেকেও হতে পারে।
৫) নতুন পায়রা খামারে প্রবর্তনের মাধ্যমে হতে পারে।
৬) সংক্রমিত মলের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।
৭) বাইরের পাখি খামারে অবাধ প্রবেশ বা খামারের কবুতর বাইরের কবুতরের সংস্পর্শে ।
৮) খামার পানির পাত্রে পায়খানা করলে সেই পানি যথা সময়ে না সরিয়ে নিলে সেই পানি পান করলে এই রোগ ছড়াবে।
৯) সরাসরি ট্যাঁপ/নদী পুকুর বা জীবাণু যুক্ত পানি সরবরাহ করলে।
১০) আক্রান্ত কবুতরের সংস্পর্শে, এই রোগ ১৫ দিন পর্যন্ত জীবাণু ছড়াতে পারে। যদিও অনেকেই এই ধারনার সাথে দ্বিমত পোষণ করে থাকেন।
লক্ষণঃ
১) গাড় সবুজ পায়খানা বা সবুজ ও সাদা পায়খানা বা পাতলা সবুজ বা পাতলা সবুজ ও সাদা পায়খানা ।(অথবা সবুজাভ মল, আমাশয় ভাব, সবুজাভ পাতলা মল)
২) অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক কবুতর কিছুটা শিথিল হয়ে যাবে ও দ্রুত ওজন কমে যাবে ও বুকের হাড্ডি বের হয়ে যাবে।
৩) পায়ের সন্ধি/জয়েন্ট বা পায়ে ফুলে যেতে পারে।
৪) গরূৎ বা গরল boils হতে পারে যা কবুতরের গায়ে ফোস্কা বা ফোড়া বা গতার মত দেখা যেতে পারে।
৫) বমি ভাব বা বমি করবে। খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে খাঁচার এককোণে চুপ করে লোম ফুলিয়ে বা এক পা উচু করে অথবা গায়ে মুখ গুঁজে বসে থাকবে।
৬) বাচ্চা কবুতর প্রায়ই শ্বাস সমস্যা দেখা দিতে পারে বা ডিম ফুটার পরে দ্বিতীয় সপ্তাহ আগে বাচ্চা মারা যেতে পারে অথবা ডিমের মধ্যে মৃত্যুর আরেকটি উপসর্গ হতে পারে। অথবা অনুউর্বর ডিম। এই রোগে ভিটামিন D শোষিত হয় না। কিন্তু তারপরও অনেকেই না ধরনের ক্যালসিয়াম প্রয়োগ করে ত্থাকেন।
৮) এই রোগে বা অবস্থায় খাদ্য থেকে পুষ্টি না পেয়ে কবুতর দিন দিন খুব দুর্বল হয়ে মারা যেতে পারে ।
৯) কবুতরের পাখা ঝূলে যেতে পারে, ঝিমানো,খাদ্য না খাওয়া, দ্রুত চিকিৎসা না করলে ৪/৫ দিনের মধ্যে কবুতর মারা যেতে পারে ।
১০) প্রচণ্ড বমি করা ও সবুজ ধরনের বমি করা।
১০) এই রোগে শক্ত খাদ্য হজমে সমস্যা হয় বা খাবার খেতে পারেন না।
১১) বর্ষা ও শীতে এই রোগের দিব্রতা বা প্রকপ বেশি হয়।
১২) ঘাড় বেকে যাওয়া বা মুচড়ান বা ঘাড় উল্টে যাওয়া বা ভুতের মত মাথা ঘুরান বা মাথা কাপতে থাকা ইত্যাদি।
১৩) উল্টে পড়ে যাওয়া বা খাবারের সঠিক জায়গায় ঠোকর দিতে না পারে। বাকা ভাবে উড়া বা উড়তে গিয়ে পড়ে যাওয়া। একই জায়গায় ঘুরে তে থাকা বা হাঁটার সময় শরীরের ভারসাম্য না থাকা বা হাঁটতে গিয়ে আরও সাথে বারি খাওয়া ইত্যাদি।
১৪) মাথা কাপতে থাকা বা একই জায়গায় ঘুরতে থাকা এই রোগের সবচেয়ে খারাপ পর্যায় এটি তে চিকিৎসা ব্যাবস্থা একটু দীর্ঘ করতে হয় অর্থাৎ ১৫ দিন পর্যন্ত চিকিৎসা চালানর পর ১০-১৫ দিন বিরতি দিয়ে আবার চিকিৎসা চালান। এইভাবে অনেকদিন চিকিৎসা চালাতে হয়।

☑️চিকিৎসা/প্রতিকার ও প্রতিরোধঃ
১) সাল্মনেল্লা এর প্রতিরোধের ব্যাবস্থা করা।
২) নিয়মিত বি কমপ্লেক্স প্রয়োগ করতে হবে। আর সেটি যেন অবশ্যই প্রতি মাসে ৫ দিন আপনার দৈনন্দিন তালিকাতে থাকে। মনে রাখবেন বি কমপ্লেক্স শরীরে জমা থাকে না এটি ৩০%-৪০% শরীর শোষণ করে বাকিটুকু পায়খানার সাথে বের হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত কবুতর টাল রোগে এক্রান্ত হলে যেহেতু কবুতরের হজম শক্তি কমে যায় তাই এ অবস্থায় কোন প্রকার ভিটামিন ও মিনারেলস না দিয়া ভাল। আর যেহেতু এই রোগে প্রতিরোধ ও প্রতিকারের অন্যতম উপাদান
বি কমপ্লেক্স তাই ভাল মানের ওষুধ প্রয়োগ করার চেষ্টা করেবেন। আর আক্রান্ত কবুতর কে বি কমপ্লেক্স খাওয়ানোর থেকে পুশ করা অনেক বেশী কার্যকরী।
৩) লেবু+লবন পানি বা অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আপনার কবুতর খামারের ছকে যেন স্থান থাকে ১-২ দিন প্রতি মাসে।
৪) খামার প্রতিদিন বা একদিন পর পর বা অন্তত পক্ষে সপ্তাহে ২ দিন পরিস্কার করে জীবাণু মুক্তকারী ঔষধ ছিটান উচিৎ।
৫) খাবার অবশ্যই পরিস্কার করতে হবে আর ১৫ দিন পর পর সম্ভব হলে চুলাতে হালকা গরম করে ঠাণ্ডা ভাবে খাবার সংরক্ষণ করতে হবে।
৬) প্রতিদিন দিনে দুই থেকে তিন বার আক্রান্ত কবুতরটির ঘার হালকা ভাবে ধীরেধীরে মালিশ করে দিন।
৭) আক্রান্ত কবুতর কে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ান ও সম্ভব হলে হালকা গরম পানি সহযোগে লম্বা নল যুক্ত ফিডারের সাহায্যে খাওয়ান। রাইস স্যালাইন দিতে পারেন কুসুম গরম অবস্থায় ৫-১০ মিলি করে। এতে আপনার কবুতরের পানিশূন্যতা কমে যাবে। অনেকের ধারনা যে যে সব কবুতর খাওয়া দাওয়া করে সেগুলো কে এটি দিবার কি দরকার? আসলেই তারা জানেন না বলেই এই ধারনা পোষণ করে থাকেন। রাইস স্যালাইন একদিকে যেমন খাবারের অভাব পুরন করবে তেমনি পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করবে যেটা আপনার কবুতরের জন্য বেশী জরুরী।
৮) আক্রান্ত কবুতর নিয়মিত রোদে দিন কমপক্ষে ১ ঘণ্টা করে।
৯) প্রতিদিন খাঁচা পরিষ্কার করুন প্রয়োজনে খাঁচায় ছালা বা কাপড় বিছিয়ে দিন।
১০) আক্রান্ত কবুতরকে লফ্টের অন্যান্য কবুতর থেকে আলাদা রাখুন ।
১১) Neuro B বা Neurobion বা Neuraljin বা Thovit etc ইঞ্জেক্সন ইনসুলিন সিরিঞ্জ , ১ সিসির তিন ভাগের ১ ভাগ অর্থাৎ ইনসুলিন ১০০ ইউনিট সিরিঞ্জের ৩০ ইউনিট থেকে ৩৫ ইউনিট করে বুকের মোটা গোস্তে প্রয়োগ করেতে হবে। প্রতিদিন সকালে দিনে ১ বার করে ১০ থেকে ১৫ দিন। এটি প্রয়োগ করার ফলে বমির উপসর্গ হতে পারে কিন্তু পরে আস্তে আস্তে তা ঠিক হয়ে যাবে। আর যেহেতু বমি করান এই রোগের অন্যতম চিকিৎসা তাই এক্ষেত্রে কোন প্রকার বমি ঔষধ প্রয়োগ করা যাবে না। এটি সকালে খালি পেটে প্রয়োগ করা ভাল। এই ঔষধটি কবুতরের একমাত্র সফল ও কার্যকরী ঔষধ এই রোগ ভাল করার জন্য।
১২) হোমিও Cal. Phos. 12X ট্যাবলেট দিনে ১-২ টা করে দিতে খাওয়াতে পারেন। সহযোগী ঔষধ হিসাবে।
১৩) এই রোগের ইনজেকশন এর কোর্স শেষ হয়ে যাবার পর ৭ দিন কডলিভার অয়েল ১ টা করে খাওয়াবেন।
সতর্কতাঃ
১) এই রোগের প্রথম ৭-১০ দিন গাড় সবুজ ধরনের পায়খানা করে ফলে অনেকেই অ্যান্টিবায়টিক প্রয়োগ শুরু করে দেন। এটি খুবই মারাত্মক এটি কখনও করবেন না অনুগ্রহ করে।
২) ইনজেকশন প্রয়োগের মাত্রা যেন কোন মতেই ৩৫ ইউনিট এর বেশী না হয়। কারণ এটি হলে কবুতরের হিট স্ট্রোক হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে।
৩) কবুতর যদি ডিপথেরিয়াতে আক্রান্ত হয়ে টাল হয় বা অনেক রোগের লক্ষন থাকে তাহলে ইঞ্জেক্সন দিয়া থেকে দূরে থাকুন এ পর্যায়ে আগে সেই রোগটি নির্মূল করতে হবে পড়ে টাল এর চিকিৎসা করবেন।
৪) কুবতরের পাখনার সংযোগ স্থলে বা জয়েন্টের যে পয়েন্ট সেখানে প্রয়োগ করবেন না। তাহলে আপনার কবুতরের জীবনের মায়া তৎক্ষণাৎ পরিত্যাগ করতে হতে পারে।
৫) তরল কোন খামার প্রদান কালে খেয়াল রাখবেন পরিমান টা যেন বেশী না হয় বা প্রয়োগ কালে নাক মুখ দিয়ে যেন বের না হয়ে আসে। মনে রাখতে হবে কবুতর না খেয়ে মরে না খেয়ে মরে।

☑️এই রোগটি তেমন মারাত্মক কিছু না। এই রোগটি খামারের ব্যাবস্থার উপর নির্ভর করে অর্থাৎ আপনি কততুকু সচেতন খামারি সেটাই নির্দেশ করে। আর দ্বিতীয়টি আপনার কততুকু ধৈর্য আছে সেটার একটা চরম পরীক্ষা হয়ে যায়। মানুষের শরীরে চুলকানি যেমন তার অসচেতনতা ও নোংরা স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা নির্দেশ করে তেমনি সাল্মনিল্লা ও টাল রোগ একটি খামারের তেমন ব্যাবস্থাপনার নির্দেশ করে থাকে। মনে রাখবেন এই রোগ থেকে ১০০% আরোগ্য সম্ভব যদি আপনি সঠিক ভাবে চিকিৎসা করেন। আর একথাটি কতটুকু সত্য সেই সব সচেতন কবুতর খামারিরা জানেন যারা এর ব্যাবহার সঠিক ভাবে করেছেন। এর থেকে উপকৃত হয়ে আর এই রোগ থেকে একটি কবুতর ভাল হয়ে গেলে।তার ডিম বাচ্চা করার প্রবনতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়।প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ ভাল আর সে জন্যই আপনি সব সময় খেয়াল রাখবেন যেন এই রোগটি থেকে আপনার কবুতর সব সময় নিরাপদ থাকে।

Collected

কবুতর ও কবুতর এর জীবনকাল সম্পর্কিত কিছু তথ্য🚩কবুতর পালন করার জন্য অতিরিক্ত কোনো খরচ হয় না। কবুতরকে সহজেই পোষ মানানো যা...
30/11/2020

কবুতর ও কবুতর এর জীবনকাল সম্পর্কিত কিছু তথ্য
🚩
কবুতর পালন করার জন্য অতিরিক্ত কোনো খরচ হয় না। কবুতরকে সহজেই পোষ মানানো যায়। বাড়ির যেকোনো কোণ বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ কিংবা কার্নিশের মতো ছোট বা অল্প জায়গাতে ও কবুতর পালন করা যায়। এমনকি ছাদের সঙ্গে ঝুড়ি ঝুলিয়েও কবুতর পালন করা সম্ভব।
কবুতরের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু এবং শক্তি বর্ধক। অন্যান্য পাখির মাংসের চাইতে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। ফলে আমিষের পাশাপাশি বাড়তি চাহিদা পূরণের জন্যেও কবুতরের মাংস খাওয়া হয়ে থাকে।
বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করে অনেকেই অল্প সময়ে লাভ জনক ব্যবসা হিসেবে দাঁড় করাতে পেরেছেন। কবুতর সাধারণভাবে জোড়ায় বেঁধে বাস করে। প্রতি জোড়ায় একটি পুরুষও একটি স্ত্রী কবুতর থাকে। এরা ১২ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে। যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন এরা ডিমের মাধ্যমে বাচ্চা প্রজনন করে থাকে। ডিম পাড়ার পর স্ত্রী ও পুরুষউভয় কবুতরই পর্যায়ক্রমে ডিমে তা দেয়। কবুতরের কোনো জোড়া হঠাৎ ভেঙে গেলে সেই জোড়া তৈরি করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। নতুন জোড়া তৈরি করার জন্য স্ত্রী ও পুরুষ কবুতরকে একঘরে কিছুদিন রাখতে হয়।
কবুতর পালনের বিভিন্ন সুবিধা ও বাসস্থান
ভালো বাসস্থান কবুতর পালনের জন্য খুবই দরকারী। উত্তম নিষ্কাশন, পর্যাপ্ত সূর্যের আলো এবং বাতাস চলাচল আছে এরকম উঁচু এবং বালুময় মাটিতে কবুতরের ঘর করতে হয়। যা খামারির আবাসস্থল থেকে ২০০ থেকে ৩০০ ফুট দুরে ও দক্ষিণমূখী হওয়া উচিত।
মাটি থেকে ঘরের উচ্চতা ২০ থেকে ২৪ ফুট এবং খাচার উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট হওয়া ভালো।
একটি খামারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ জোড়া কবুতর আদর্শ। কবুতরের খোপ ২ বা ৩ তলা বিশিষ্ট করা যায়। খোপের মাপ প্রতিজোড়া ছোট আকারের কবুতরের জন্য ৩০ সে. মি. x ৩০ সে.মি. x ২০ সে.মি. এবং বড় আকারের কবুতরের জন্য ৫০ সে. মি. x ৫৫ সে.মি. x ৩০ সে.মি.।
অল্প খরচে সহজে ঘর তৈরি এবং স্থানান্তরযোগ্য যা কাঠ, টিন, বাঁশ, খড় ইত্যাদি দিয়ে তৈরি করা যায়। খামারের ভিতরে নরম, শুষ্ক খড়-কুটা রেখে দিলে তারা ঠোঁটে করে নিয়ে নিজেরাই বাসা তৈরি করে নেয়।
ডিম পাড়ার বাসা তৈরির জন্য ধানের খড়, শুকনো ঘাস, কচি ঘাসের ডগাজাতীয় উপাদান দরকার হয়। খোপের ভিতর মাটির সরা বসিয়ে রাখলে কবুতর সরাতে ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফুটায়।
সাধারণত একটি ভালো জাতের কবুতর বছরে ১২ জোড়া ডিম দিতে সক্ষম। এই ডিমগুলোর প্রায় প্রতিটি থেকেই বাচ্চা পাওয়া যায়। এই বাচ্চা ৪ সপ্তাহের মধ্যেই খাওয়া বা বিক্রির উপযোগী হয়।
একটি পূণাঙ্গ বয়সের কবুতর ডিম দেবার উপযোগী হতে ৫ থেকে ৬ মাস মসয় লাগে।
কবুতরের ডিম থেকে মাত্র ১৮ দিনেই বাচ্চা সাধারণ নিয়মে ফুটে থাকে। এই বাচ্চাই ৫ থেকে ৬ মাস পরে নিজেরাই ডিম প্রদান শুরু করে। ফলে কবুতর বংশ পরম্পরায় প্রাকৃতিক নিয়মে নিজেরাই বাড়াতে থাকে নিজেদের সংখ্যা।
দেশি কবুতরের মাংস প্রচুর চাহিদা রয়েছে। একটি খুব ভালো প্রজাতির কবুতর লালন করলে ১ বছরের মধ্যে সেই জোড়া থেকে কয়েক জোড়া কবুতর পাওয়া খুব বেশি আর্শ্চযজনক বিষয় নয়।
কবুতরের প্রজনন, ডিম উৎপাদন ও ডিম ফুটানো
হাঁস-মুরগির মতো যে কোনো মর্দা কবুতর মাদী কবুতরের সঙ্গে সহজে জোড়া বাঁধে না। এদেরকে একসঙ্গে ১ সপ্তাহ রাখলে জোড়া বাঁধে।
ডিম পাড়ার পর থেকে মর্দা ও মাদী কবুতর পর্যায়ক্রমে ডিমে তা দিতে শুরু করে। মাদী কবুতর প্রায় বিকেল থেকে শুরু করে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ডিমে তা দেয় এবং বাকী সময়টুকু অর্থাৎ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মর্দা কবুতর তা দিয়ে থাকে। তা দেয়ার পঞ্চম দিনেই ডিম পরীক্ষা করে উর্বর বা অনুর্বর ডিম চেনা যায়।
আলোর সামনে ধরলে উর্বর ডিমের ভিতর রক্তনালী দেখা যায়। কিন্তু অনুর্বর ডিমের ক্ষেত্রে ডিমের ভিতর স্বচ্ছ দেখাবে।
জন্মের প্রথম দিন থেকে ২৬ দিন বয়স পর্যন্ত কবুতরের বাচ্চার ক্রমবর্ধমান অবস্থা থাকে। প্রথমে সারা দেহ হলুদ পাতলা বর্ণের লোম দিয়ে ঢাকা থাকে।
এই সময় নাক ও কানের ছিদ্র বেশ বড় দেখায়। প্রায় ৪-৫ দিন পর বাচ্চার চোখ খোলে বা ফুটে। ১৫ দিনে সমস্ত শরীর পালকে ছেয়ে যায়। প্রায় ১৯-২০ দিনে দু'টো ডানা এবং লেজ পূর্ণতা লাভ করে ও ঠোঁট স্বাভাবিক হয়। এই ভাবে ২৬-২৮ দিনে কবুতরের বাচ্চা পূর্ণতা লাভ করে।
পিজিয়ন মিল্ক
কবুতরের খাদ্যথলিতে পিজিয়ন মিল্ক উৎপাদিত হয়। কবুতরের ছানার জন্য একটি আদর্শ খাবার।
কবুতরের খাবার
হাঁস-মুরগির মতো কবুতরের খাবারে শ্বেতসার, চর্বি, আমিষ, খনিজ, ভিটামিন প্রভৃতি থাকা প্রয়োজন। কবুতর তার দেহের প্রয়োজন এবং আকার অনুযায়ী খাবার খায়। প্রতিটি কবুতর দৈনিক প্রায় ৩০-৫০ গ্রাম পর্যন্ত খাবার খেয়ে থাকে। প্রধানত গম, মটর, খেশারী, ভুট্টা, সরিষা, যব, চাল, ধান, কলাই ইত্যাদি শস্যদানা খেয়ে থাকে।
((Collected))

✔️প্রিয় কবুতর প্রেমী বন্ধুরা। আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা এবং আপনাদের প্রিয় কবুতর ভালো আছে।আজ আমরা কবুতরের বিভিন...
25/11/2020

✔️প্রিয় কবুতর প্রেমী বন্ধুরা। আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা এবং আপনাদের প্রিয় কবুতর ভালো আছে।আজ আমরা কবুতরের বিভিন্ন জাত সম্পর্কে জানবো।আর কবুতর সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে সবসময় Pigeons Helpline এর পাশে থাকবেন🕊️
✔️জাত বা ধরন গুলো কোন নির্দিষ্ট কিছু নয়। বিভিন্ন রং, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, চোখ ইত্যাদি এর উপর ভিত্তি করে নামকরণ বা জাত ঠিক করা হয়। এছাড়া ক্রস ব্রিডিং -এর মাধ্যমেও নতুন জাত তৈরি হয়ে থাকে। বহুবিচিত্র ধরনের নানা জাতের কবুতরের মধ্যে নিম্নে প্রধান কয়েকটি জাত সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

হোমার: হোমিং পিজিয়ন থেকে হোমার। উড়াল প্রতিযোগিতায় ব্যবহার হয়।
গোলা (দেশি কবুতর): এই জাতের কবুতরের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। আমাদের দেশে এ জাতের কবুতর প্রচুর দেখা যায় এবং মাংসের জন্য এটার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। ঘরের আশেপাশে খোপ নির্মাণ করলে এরা আপনাআপনি এখানে এসে বসবাস করে। এদের বর্ণ বিভিন্ন সেডযুক্ত ধূসর এবং বারড-ব্লু রংয়ের। এদের চোখের আইরিস গাঢ় লাল বর্ণের এবং পায়ের রং লাল বর্ণের হয়।
গোলী: গোলা জাতের কবুতর থেকে গোলী জাতের কবুতর ভিন্ন প্রকৃতির। এ জাতের কবুতর পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের কলকাতায় বেশ জনপ্রিয় ছিল। এদের লেজের নিচে পাখার পালক থাকে। ঠোঁট ছোট হয় এবং পায়ে লোম থাকে না। এদের বর্ণ সাদার মধ্যে বিভিন্ন ছোপযুক্ত।
ফ্যানটেল/লাক্ষা: সৌখিন, লেজগুলো দেখতে ময়ূরের মত ছড়ানো। ভারত থেকে এসেছে। এটি অতি প্রাচীন জাতের কবুতর। ফ্যানটেল জাতের কবুতরের উৎপত্তি ভারতে। এ জাতের কবুতর লেজের পালক পাখার মত মেলে দিতে পারে বলে এদেরকে ফ্যানটেল বলা হয়। এদের রং মূলত সাদা তবে কালো, নীল ও হলুদ বর্ণের ফ্যানটেল সৃষ্টিও সম্ভব হয়েছে। এদের লেজের পালক বড় হয় ও উপরের দিকে থাকে। পা পালক দ্বারা আবৃত থাকে। এ জাতের কবুতর প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয় এবং দেশ-বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
লাহোরী/সিরাজী (শৌখিন): লাহোর নামে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে এই কবুতরটি শিরাজী কবুতর হিসেবে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল লাহোর। এদের চোখের চারদিক থেকে শুরু করে গলার সম্মুখভাগ, বুক, পেট, নিতম্ব, পা ও লেজের পালক সম্পূর্ণ সাদা হয় এবং মাথা থেকে শুরু করে গলার পিছন দিক এবং পাখা রঙিন হয়। সাধারণত কালো, লাল, হলুদ, নীল ও রূপালি ইত্যাদি বর্ণের কবুতর দেখা যায়।
কিং: এ জাতের কবুতরের মধ্যে হোয়াইট কিং এবং সিলভার কিং আমেরিকাসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলিতে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিং জাতের কবুতর প্রদর্শনী এবং স্কোয়াব উৎপাদনে ব্যবহার হয়। এছাড়াও রয়েছে ব্লু রেড এবং ইয়েলো কিং। এই জাতের কবুতর মূলত প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয়।
প্রিন্স
টাম্বলার/গিরিবাজ: (উড়ানোর জন্য বিখ্যাত) - এসব জাতের কবুতর আকাশে ডিগবাজি খায় বলে এদের টাম্বলার বলে। আমাদের দেশে এই জাতটি গিরিবাজ নামে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের দেশে এদের যথেষ্ট কদর রয়েছে। বিভিন্ন গিরিবাজের মধ্যে অন্যতম:
বাঘা
চুইনা: সমস্ত শরীর সাদা কিন্তু সমস্ত চোখ কালো নয়।
কাগজি: সমস্ত শরীর সাদা কিন্তু সমস্ত চোখ কালো।
চিলা, সাফ চিলা
গোররা (শরীর সাদা কালো মিশ্রণ, যেমন মাথা সাদা, পিঠ কালো, ডানা সাদা), সিলভার গোররা, কালো গোররা।
সোয়া চন্দন
ঘিয়া-সুল্লি, লাল-সুল্লি
জাক/কালো গলা
কালদম, লালদম, মুসালদম (সমস্ত শরীর কালো কিন্তু দম বা লেজগুলো সাদা)।
খাকি, লাল খাকি
খয়রা/লাল গলা/লালপেটি
সবজি
সবুজ গলা
রান্ট
পটার: গলার নিচটা ফুটবলের মতো।
মুকি: এ জাতের কবুতরের গলা রাজহাঁসের মত পিছন দিকে বাঁকানো এবং কম্পমান অবস্থায় থাকে। মুকি জাতের কবুতরের উৎপত্তি ভারতে বলে ধারণা করা হয়। এদের উভয় ডানার তিনটি উড়বার উপযোগী পালক সাদা হয় যা অন্য কোনো কবুতরে দেখা যায় না। এ জাতের কবুতরের মাথা সাদা, বুক খুব একটা চওড়া নয় তবে উঁচু ও বেশ কিছুটা সামনের দিকে বাড়ানো থাকে। সাদা, কালো এবং নীল বর্ণের এই কবুতরের পায়ে লোম থাকে।
ফ্রিল ব্যাক
জ্যাকোবিন: এই কবুতরের মাথার পালক ঘাড় অবধি ছড়ানো থাকে যা বিশেষ ধরনের মস্তকাবরণের মত দেখায়। এদের উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা যায় না। তবে এদের আদি জন্মস্থান ভারত বলেই ধারণা করা হয়। এই কবুতর সাধারণত সাদা, লাল, হলুদ, নীল ও রূপালি বর্ণের হয়। এদের দেহ বেশ লম্বাটে। চোখ মুক্তার মত সাদা হয়।
স্ট্রেসার
মডেনা
লোটান/নোটন/রোলিং (Rolling): লোটান/নোটন কবুতরকে রোলিং (rolling) কবুতরও বলা হয়। গিরিবাজ কবুতর যেমন শূন্যের উপর ডিগবাজি খায়, তেমন লোটন কবুতর মাটির উপর ডিগবাজি খায়। সাদা বর্ণের এই কবুতরের ঘোরানো ঝুঁটি রয়েছে। এদের চোখ গাঢ় পিঙ্গল বর্ণের এবং পা লোমযুক্ত।

Collected

Address

Lakshmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনলাইন কবুতরের হাট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অনলাইন কবুতরের হাট:

Share

Category