নৈশ প্রহরী

নৈশ প্রহরী আসসালামু আলাইকুম,

নৈশ প্রহরী পেইজে আপনাকে স্বাগতম।

এই পেজের মাধ্যমে বেয়ারিশ কুকুর ও বিড়াল দেখাশুনা করা হয় ।

বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে মেসেজ করুন।

If you are upset, who loves a helpless animal will feel better even if you have a little bit
যদি মন খারাপ হয় তাহলে অসহায় জীবজন্তুকে ভালোবাসেন তাহলে আপনার অল্প হলে ও মনটা ভালো লাগবে

07/06/2026

বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের প্রধান খাদেম সংবাদ সম্মেলনে করছেন কুমির কে পুনরায় মাজারের দিঘি তে ফিরিয়ে আনার জন্য। তাহার বক্তব্য হচ্ছে- কুমির ৬০০ বছরের ঐতিহ্য বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের এবং নানান দর্শনার্থীরা কুমির কে দেখতে আসে ইত্যাদি।

এইটা ভুল-- অধিকাংশ মানুষ আসে মানতের নামে শিরকে লিপ্ত হওয়ার জন্য। খাদেমদের কথার ধোঁকায় জড়িয়ে👉 হাস- মুরগী-ছাগল ইত্যাদি দেওয়ার জন্য। আর এই ৬০০ বছর এই সমাজের অজস্র মানুষ এই কুমিরের দ্বারা শিরকে লিপ্ত হয়ে মুশরিক হয়ে গিয়েছে।

মূল বিষয় হচ্ছে-- ঐ মাজারের দিঘিতে কুমির থাকলে বছরের পর বছর- যুগের পর যুগ- মূর্খ মানুষদের নিকট থেকে মানতের নামে যে- হাস, মুরগী, গরু, ছাগল ইত্যাদি লাভ করে বিক্রি করার যেই বড় সুযোগ সুবিধা তারা ভোগ করে এসেছে, সেইটা চলমান থাকবে।

ধলা পাহাড় এবং কালা পাহাড় নামে যেই কুমির ছিল, সেই কুমির অনেক আগেই মারা গিয়েছে।
পরবর্তী তে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য নুতুন কুমির দিঘিতে রেখেছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে 👉এই কুমির দিয়ে ব্যবসা করা।

যদি সব কিছু জেনে বুঝেও প্রশাসন যদি পুনরায় কুমির কে দিঘিতে ফেরত দেয়- তাহলে মনে রাখবেন --শিরকের কাছে ইসলাম পরাজিত হবে। খাদেম প্রতারকদের ভণ্ডামির কাছে জাতি হেরে যাবে😔😔

01/06/2026

"তবুও কি তোমরা বলবে আমরা খুব হিংস্র? আমাদের কাছে কেউই নিরাপদ নয়?"
একবার চারপাশে তাকিয়ে দেখুন।
যে পথকুকুরগুলোকে অনেকেই ভয়ের চোখে দেখে, সেই তারাই দিনের পর দিন একই এলাকায় মানুষ, শিশু, দোকানপাট আর বাড়িঘরের পাশে বসবাস করে। হাজারো মানুষ তাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যায়, অথচ অধিকাংশ সময় তারা কারও ক্ষতি করে না।
রাতের অন্ধকারে যখন রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যায়, তখন এই পথকুকুরগুলোর অনেকেই নীরব প্রহরীর মতো এলাকার নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে। অপরিচিত কাউকে দেখলে সতর্ক করে, সন্দেহজনক নড়াচড়ায় ঘেউ ঘেউ করে, আবার পরিচিত মানুষদের সঙ্গেও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করে।
হ্যাঁ, অসুস্থ, আতঙ্কিত বা নির্যাতিত কোনো প্রাণী আক্রমণাত্মক হতে পারে। কিন্তু কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার জন্য সব পথকুকুরকে হিংস্র বলা যেমন অন্যায়, তেমনি কয়েকজন অপরাধীর জন্য পুরো মানবজাতিকে অপরাধী বলা অন্যায়।
পথকুকুরদেরও ক্ষুধা লাগে, তৃষ্ণা লাগে, ব্যথা লাগে, ভয় লাগে। তারা ভালোবাসা বুঝতে পারে, আবার নিষ্ঠুরতাও অনুভব করে।
যদি তারা সত্যিই এত হিংস্র হতো, তাহলে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের পাশ দিয়ে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারত না।
ভয় নয়, সচেতনতা দরকার। ঘৃণা নয়, মানবিকতা দরকার। হত্যা নয়, টিকাদান, স্টেরিলাইজেশন ও সহাবস্থানই হতে পারে স্থায়ী সমাধান।
কারণ একটি সভ্য সমাজের পরিচয় শুধু মানুষকে নয়, অসহায় প্রাণীকেও কতটা মানবিকভাবে দেখে—সেখানেই লুকিয়ে থাকে। 🐾❤️

> এটা একটি মুসলিম দেশ, মায়া-মমতা ও মানবতার দেশ হওয়ার কথা ছিল। অথচ দিন দিন যেন নিষ্ঠুরতা আমাদের বিবেককে গ্রাস করছে।শিশু...
30/05/2026

> এটা একটি মুসলিম দেশ, মায়া-মমতা ও মানবতার দেশ হওয়ার কথা ছিল। অথচ দিন দিন যেন নিষ্ঠুরতা আমাদের বিবেককে গ্রাস করছে।

শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্বল ও অসহায়ের ওপর অত্যাচার—এসবের খবর আমাদের প্রতিনিয়ত শুনতে হচ্ছে। একইভাবে নির্বাক পশুপাখির ওপর নির্যাতন, পিটিয়ে হত্যা, বিষ প্রয়োগ বা অমানবিক আচরণও যেন অনেকের কাছে স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।

সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, এসব অন্যায়ের সময় অনেকেই নীরব থাকেন। কেউ প্রতিবাদ করেন না, কেউ বাধা দেন না, কেউ দায়িত্ব নিতে চান না।

মনে রাখতে হবে, নিষ্ঠুরতা কখনো একটি প্রাণীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। যে হৃদয় একটি অসহায় প্রাণীর আর্তনাদে কাঁপে না, সেই হৃদয় একদিন মানুষের কান্নাতেও নির্লিপ্ত হয়ে যেতে পারে।

আজ যদি আমরা একটি নির্যাতিত পশুর পাশে না দাঁড়াই, কাল হয়তো কোনো অসহায় মানুষ, কোনো শিশু, কিংবা আমাদের নিজের আপনজন অন্যায়ের শিকার হবে—আর তখন আমরা প্রশ্ন করব, "মানুষ কোথায়?"

কিন্তু সেই প্রশ্নের উত্তর আমাদের নিজেদের কাছেই থাকবে।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা কখনো নিরপেক্ষতা নয়; অনেক সময় তা অন্যায়কে শক্তি জোগায়।

আসুন, মানুষ হই। দুর্বল, অসহায় ও নির্বাক সকল প্রাণীর প্রতি দয়া দেখাই। কারণ দয়া শুধু একটি গুণ নয়, এটি একটি সভ্য সমাজের পরিচয়।

“তোমার ধর্ম কী?”অনেকে প্রশ্ন করে।হিন্দু? মুসলমান? খ্রিস্টান? নাকি বৌদ্ধ?কারণ তারা আমাকে মন্দিরে কম দেখে,মসজিদের সামনে কম...
28/05/2026

“তোমার ধর্ম কী?”
অনেকে প্রশ্ন করে।
হিন্দু? মুসলমান? খ্রিস্টান? নাকি বৌদ্ধ?
কারণ তারা আমাকে মন্দিরে কম দেখে,
মসজিদের সামনে কম দেখে,
গির্জা বা প্যাগোডাতেও হয়তো খুঁজে পায় না।

কিন্তু তারা একটা জিনিস দেখে না—
রাতের অন্ধকারে ক্ষুধায় কাঁপতে থাকা একটা প্রাণীর পাশে কে দাঁড়ায়।
রাস্তায় গাড়িচাপা পড়ে ছটফট করা কুকুরটার মাথায় হাত কে রাখে।
পাথর মারা, লাথি খাওয়া, অবহেলিত প্রাণীগুলোর জন্য কে নিজের ঘুম, সময় আর টাকা খরচ করে।

আমি মনে করি,
সৃষ্টিকর্তা আমাকে শুধু নামের ধর্ম পালন করার জন্য পাঠাননি,
তিনি আমাকে হৃদয় দিয়েছেন—
আর সেই হৃদয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো দয়া।

সারা জীবন মানুষের সেবা করেছি।
আজ না হয় সেই বোবা প্রাণীগুলোর পাশে দাঁড়াই,
যাদের ব্যথার ভাষা নেই,
কিন্তু কষ্ট ঠিকই আছে।

মানুষ আজ ধর্ম খোঁজে পোশাকে, দাড়িতে, টুপিতে, তিলকে, নামের শেষে।
আমি ধর্ম খুঁজি ক্ষুধার্ত প্রাণীর চোখে,
আহত কুকুরটার কান্নায়,
এক মুঠো খাবার পেয়ে লেজ নাড়ানো সেই নীরব কৃতজ্ঞতায়।

মনে রাখবেন—
যে মানুষ অসহায় জীবের প্রতি দয়া দেখাতে পারে না,
সে শুধু ধর্মের পরিচয় বহন করে,
ধর্মের সৌন্দর্য বহন করে না।

আমি কে?
আমি সেই মানুষ,
যে এখনো বিশ্বাস করে—
মানবতা মরে যায়নি।
আর যতদিন রাস্তায় ক্ষুধার্ত একটা প্রাণী থাকবে,
ততদিন আমার ধর্ম হবে তার পাশে দাঁড়ানো।

🐾মানুষের সেবা যেমন মহৎ, তেমনি অসহায় প্রাণীর প্রতিও দয়া দেখানো মানবতার অংশ।প্রায় সব ধর্মই শেখায়— সৃষ্টির প্রতি করুণা,...
27/05/2026

🐾
মানুষের সেবা যেমন মহৎ, তেমনি অসহায় প্রাণীর প্রতিও দয়া দেখানো মানবতার অংশ।
প্রায় সব ধর্মই শেখায়— সৃষ্টির প্রতি করুণা, দয়া ও সহমর্মিতা মহান গুণ।

কিন্তু ভালো কাজের পথে বাধা, অপবাদ, কষ্ট বা বিপদ আসতেই পারে।
ধর্মীয় ভাষায় একে বলা হয়—
পরীক্ষা, ধৈর্য, ত্যাগ ও মানবতার পথের সংগ্রাম।

🌿
ইসলাম বলে রহমত ও সবর।
হিন্দু ধর্ম বলে দয়া ও অহিংসা। Ahimsa
বৌদ্ধ ধর্ম শেখায় করুণা। Buddhism
খ্রিস্টধর্ম শেখায় ভালোবাসা ও সহমর্মিতা। Christianity
শিখ ধর্ম শেখায় সেবা ও মানবতা। Sikhism

তাই প্রাণীদের জন্য কাজ করতে গিয়ে যদি কষ্ট আসে,
তবে সেটাকে ঘৃণার কারণ নয়—
বরং ধৈর্য, দায়িত্ব ও মানবতার পরীক্ষা হিসেবে দেখা উচিত।

🖤
“দয়ার পথ কখনো সহজ নয়,
তবুও দয়া পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলে।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবকিছুর জন্য শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে, আমরা নিজেরাও চাইলে পথের কুকুরদের জন্য অনেক কিছু কর...
27/05/2026

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবকিছুর জন্য শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে, আমরা নিজেরাও চাইলে পথের কুকুরদের জন্য অনেক কিছু করতে পারি।
কারণ এই প্রাণীগুলোও আমাদের শহর, রাস্তা আর রাতের নীরবতারই অংশ।

“নৈশ প্রহরী” শুধু একটি নাম নয় — এটি হতে পারে মানবিকতার একটি ছোট আন্দোলন।

আমরা চাইলে —
রাস্তায় থাকা কুকুরদের জন্য ছোট আশ্রয়ঘর তৈরি করতে পারি,
গরমে এক বাটি পানি রাখতে পারি,
ক্ষুধার্ত প্রাণীগুলোর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে পারি,
আহত হলে চিকিৎসার জন্য ছোট একটি ফান্ড গড়ে তুলতে পারি।

প্রতিটি এলাকার মোড়ে যদি একটি “নৈশ প্রহরী” আশ্রয়ঘর থাকে,
যেখানে বৃষ্টি এলে একটি কুকুর মাথা গুঁজে থাকতে পারে,
শীতের রাতে একটু নিরাপদে ঘুমাতে পারে —
তাহলেই হয়তো আমরা একটি প্রাণের কষ্ট কিছুটা কমাতে পারবো।

মানবিকতা শুধু মানুষের প্রতি নয়, অসহায় প্রাণীর প্রতিও দায়িত্ববোধের নাম।
একটি সমাজ তখনই সুন্দর হয়, যখন দুর্বল প্রাণীগুলোকেও সেখানে বাঁচার জায়গা দেওয়া হয়।

হয়তো আমরা সবাই বড় কিছু করতে পারবো না,
কিন্তু সবাই মিলে ছোট ছোট কাজ করলে
বাংলাদেশের পথের প্রাণীদের জীবন অনেকটাই বদলে যেতে পারে।

“একটি ছোট আশ্রয়,
একটু খাবার,
একটু মায়া —
এটাই হতে পারে একটি প্রাণের পুরো পৃথিবী।”

— নৈশ প্রহরী 🐾

25/05/2026

এটা আমার হলো সোনা বসার স্টাইলটাই সবারথেকে আলাদা

25/05/2026
20/05/2026

নিজে বাঁচুন এবং অন্য প্রাণীদের বাঁচতে দিন। মনে রাখবেন পৃথিবীটা শুধু মানুষের জন্য নয়। সকল প্রাণীর বাঁচার অধিকার আছে তাই সঠিক টা জানান এবং পরিবেশ ও প্রাকৃতিক কে সুন্দর রাখতে সবাই এগিয়ে আসুন

Address

63/1 OUTter By Pass
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01712842957

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নৈশ প্রহরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share