Disease Consulting Society of Animalia - DCSA

Disease Consulting Society of Animalia - DCSA To enhance the knowledge about treatment ,control ,prevention, public awareness,
To fulfill the aspirations of an veterinarian of our local area .

19/03/2019

ব্রিটিশরা চায়ের নেশা পেয়েছিল চীনাদের কাছ থেকে। এ এমন এক নেশা,
ব্রিটিশদের রাজকোষ ফাঁকা হওয়ার জোগাড়। চীন রৌপ্যমুদ্রা ছাড়া অন্য কিছুর
বিনিময়ে চা রপ্তানি করতে রাজি ছিল না। সাদা চোখে দেখলে--চীনারা বাক্স
ভর্তি গাছের পাতার গুঁড়া দিচ্ছে, বিনিময়ে নিচ্ছে টনকে টন রূপা!
আমিই শুধু কিনব, তুমি কিছু কিনবা না, তা তো হবে না। আমার পকেটের টাকায় শুধু
তোমার পকেট ভারী করব কেন? আমিও কিনি, তুমিও কেনো। তুমি যদি না কেনো,
এমন সিস্টেম করব, কিনতে বাধ্য হবা।
ব্রিটিশদের মতো ধুরন্ধর ব্যবসায়িক বুদ্ধি আর কারও ছিল না। এই বুদ্ধি খাটিয়ে
আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে ছোট একটা দেশ ইংল্যান্ড পৃথিবীর অর্ধেকটার
মালিক হয়ে গিয়েছিল।
ব্রিটিশরা চীনাদের ধরিয়ে দিল আফিমের নেশা। এক ১৮৫৮ সালে চীনে সাড়ে ৪
হাজার টন আফিম রপ্তানি হয়েছিল, যা এখনকার হিসাবে সারা পৃথিবীতে ১০ বছর
ধরে উৎপাদিত আফিমের সমান! এবার চীনের রাজকোষের রৌপ্যমুদ্রা জমতে থাকল
ব্রিটেনে!
চা বনাম আফিমের নেশার এই বাণিজ্য চক্রটা বুঝলে পৃথিবীর এখনকার রাজনীতির
হিসাবও সহজে বুঝতে পারবেন। বুঝতে পারবেন, ইসলাম, জঙ্গিবাদ এসব আসলে
চোখের ঠুলি। পেছনে আছে কয়েক লাখ কোটি টাকার ব্যবসা!
৫ মিনিট লাগবে পুরোটা পড়তে। পড়বেন?
***
২০ শতকের মাঝামাঝিতে এটা স্পষ্ট হয়ে গেল, পৃথিবীর মূল জ্বালানি হবে তেল।
আর এই তেলের প্রচুর পরিমাণ মজুদ আছে মধ্যপ্রাচ্যে। ব্রিটেন-আমেরিকাসহ
পশ্চিমা দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু তেল কিনবে আর বিনিময়ে ঢালবে
ডলারের পর ডলার? রাজকোষ ফাঁকা করবে শুধু শুধু?
আরবদের নেশা ধরিয়ে দাও। যুদ্ধের নেশা। যে নেশা আফিমের নেশার চেয়েও
ভয়াবহ!
গত বছর গ্রিনপিসের একটি প্রতিবেদন (Data: How guns and oil dominate UK-Saudi
Arabia relationship) বলছে, ২০১৫ সালে ব্রিটেন সৌদি আরবের কাছ থেকে ৯০০
মিলিয়ন পাউন্ডের তেল কিনেছে। ওই বছর অক্টোবর পর্যন্ত অস্ত্র বিক্রি করেছে
৮৭২ মিলিয়ন পাউন্ড! কী অদ্ভুত ভারসাম্য!
***
'মধ্যপ্রাচ্যের সংকট' এই শব্দ দুটি শুনে শুনে বড় হওয়া প্রজন্ম আমরা। আরও কিছু শব্দ
শুনতাম বিটিভির খবরে: পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় আজও বড় ধরনের সংঘর্ষের
খবর...।
মধ্যপ্রাচ্যে এখনকার সংকটের সূচনা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ থেকে। যার
বীজটা রোপন করেছিল ব্রিটেন।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন জেরুজালেম ও এর সংলগ্ন অঞ্চলটা তিনটা পক্ষকে
দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল! আরবদের বলেছিল, ভাই, এ তো তোমাদেরই জায়গা।
তুমিই পাবা।
ইহুদীদের বলেছিল, আরেহ, তোমাদের স্বপ্নের স্বদেশভূমি তো এখানেই হবে।
অবশ্যই তুমি পাবা।
আর ফ্রান্সকে বলেছিল, দোস্ত ভাগাভাগিতে তোমাকে দিলাম সিরিয়া, আর
আমি এই দিকটা রাখলাম, কেমন।
সবকিছু ঠিকমতো চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ইউরোপ থেকে জাহাজে করে হাজার
হাজার ইহুদী চলে আসতে থাকে এই অঞ্চলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যা কয়েক
লাখে পৌঁছায়। এই ইহুদিদের সঙ্গী ছিল ইউরোপে ভয়াবহ বিভীষিকার শিকার
হওয়ার টাটকা স্মৃতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিরা ৬০ লাখ ইহুদীকে মেরে
ফেলেছিল।
নিজেদের স্বতন্ত্র আবাসভূমি, একটা দেশের স্বপ্ন; একটা নিরাপদ মানচিত্র তাদের
টেনে এনেছিল ইসরায়েল নামের নতুন গঠিত এই রাষ্ট্রে।
সেখানে হাজার হাজার বছর ধরে আরব-ইহুদীরা সুখে-শান্তিতেই ছিল, পাশাপাশি।
প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া তখনই বাঁধে, যখন প্রতিবেশীর বাড়ির দেয়ালটা সরতে
সরতে আপনার বাড়ির ভেতরে ঢুকতে থাকে। এই সহজ ব্যাপারটাই মধ্যপ্রাচ্যে জটিল
আকার ধারণ করল।
নতুন ভিড় করা এই জনগোষ্ঠীর জন্য আরবদের বাধ্য করা হলো ছেড়ে দিতে।
ফিলিস্তিনিদের ভিটেমাটি ছাড়া করা হলো। কোণঠাসা হতে হতে এখন তারা
কেবল গাজা আর পশ্চিম তীরে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিনিরা পাল্টা
প্রতিরোধ হিসেবে শুরু করল গুপ্ত হামলা।
বিশ্বজুড়ে আজকের দুনিয়ার ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের পেছনে বড় ভূমিকা আছে এই
অধ্যায়টির। যেটা কার্যত ছিল জমি-জমা নিয়ে বিরোধ, যার সঙ্গে ধর্মের কোনো
সম্পর্কই নেই। যার প্রমাণ মিলবে এই তথ্যে, ফিলিস্তিনিদের সেই আন্দোলনে শুরুর
দিকে ছিল জমি হারানোর অনেক খ্রিষ্টানও!
সেই লড়াইটা বদলাতে বদলাতে আজ রূপ নিল।
কে করল? কারা করল? রাশিয়াকে ঠেকাতে আল কায়েদা তৈরি করেছিল কারা?
অন্যায় ইরাক যুদ্ধের ফসল হিসেবে আইএস জন্ম যে নিল, এর দায় কাদের?
যাদের মধ্যপ্রাচ্যে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি করতে হবে।
ভাই তেল কি শুধু কিনেই যাব, তুমি কিছু কিনবা না? তোমার তেল সম্পদ, তোমার
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে। যাকে ভাই ভাবছ, সে-ই তো তোমার আসল শত্রু।
মনে নাই, ৩০০ বছর আগে সে তোমার দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার....দাদাকে
খুন করছিল। ভুলে কেন যাচ্ছ, তুমি সুন্নি, আর ও শিয়া। তোমরা কীভাবে এক হও! ও
কখনোই তোমার বন্ধু হবে না। কাল যে তোমার দেশ আর তেলখনিগুলো দখল করে
নিবে না, তুমি নিশ্চিত?
ইয়ে শোনো, আমার কাছে ভালো ফাইটার জেট আছে, দারুণ সব স্বয়ংক্রিয়
রাইফেল, মিসাইল, লঞ্চার, হেলিকপ্টার, ড্রোন, ট্যাংক...। কিনবা নাকি? তোমার
জন্য একেবারে স্পেশাল প্রাইসে দিব, হাজার হোক তুমি আমার বন্ধু। তোমার সাথে
কি আর বিজনেস করব? হে হে হে...।
***
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা ও উদ্যোগের নামে যা কিছু আমরা শুনি, সব
ভাঁওতাবাজি, ভন্ডামি। বরং বারবার উসকে দেওয়া হয় এই ক্ষত। অ্যান্ড্রু মারের
হিস্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ড দেখার সময় এই পণ্ডিত মানুষটার একটা কথা আমাকে নাড়া
দিয়েছিল। মার দেখিয়ে দিয়েছিলেন, পৃথিবী আসলে শান্তি চায় না, যুদ্ধ চায়।
কারণ যুদ্ধই হচ্ছে আসল ব্যবসা। শান্তি জিনিসটা যে কেউ টাকা খরচ করে কিনতে
চায় না!
সারা পৃথিবীতে যুদ্ধ বনাম শান্তি বনাম বাণিজ্যের এই যে অদ্ভুত এক চক্র; এ নিয়ে
গবেষণায় সবচেয়ে বিখ্যাত সংস্থা হলো স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ
ইন্সটিটিউট। তাদের এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ইউএসএ টুডে (10 companies profiting
the most from war) দেখিয়েছিল, ২০১১ সালে পৃথিবীর বড় ১০০ অস্ত্র ব্যবসায়ী মিলে
৪১০ বিলিয়ন ডলারের (33050100000000 টাকা, হিসাব করে দেখেন কত) ব্যবসা
করেছিল।
মাত্র ১০টি কোম্পানি পৃথিবীর অস্ত্র ব্যবসার ৫০ শতাংশ (২০৮ বিলিয়ন ডলার)
নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে ৭টি কোম্পানি আমেরিকার (লকহিড মার্টিন, বোয়িং,
জেনারেল ডায়নামিকস, রেথিওন ডায়নামিকস, নর্থ্রপ গ্রুমান, এলথ্রি
কমিউনিকেশন, ইউনাইটেড টেকনোলজিস)। ব্রিটেনের বা ইউরোপের তিনটি (বিএই
সিস্টেম, এয়ারবাস, ফিনমেকানিকা)।
এরা শুধু যুদ্ধের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে না, যুদ্ধও নিয়ন্ত্রণ করে। যুদ্ধ বাঁধায়।
রাজনীতিবিদদের ব্যবহার করে। এই কোম্পানিগুলো ২০১০ সালে ১৬৬.৪ মিলিয়ন
ডলার খরচ করেছে মার্কিন রাজনীতিবিদদের সঙ্গে লবিয়িং বা ডোনেশন নামের
ঘুষের পেছনে।
***
আজকের এই চেহারা, ইরাক, সিরিয়া, আইসিল...সবকিছুর মূলে বুশ প্রশাসনের
চাপিয়ে দেওয়া ইরাক যুদ্ধ। এখন যেটা পরিষ্কার হয়ে গেছে, আল কায়দার সঙ্গে
সাদ্দাম হোসেনের কল্পিত যোগসূত্র তৈরি করে ইরাক দখল করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
এর পেছনেও তেল আর যুদ্ধের ব্যবসা।
কীভাবে?
ইরাক যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আর্থিক লাভজনক প্রতিষ্ঠানের নাম হলিবার্টন। সে সময়
৪০ বিলিয়ন ডলারের কন্ট্রাক্ট পেয়েছিল তারা। জর্জ বুশের ভাইস প্রেসিডেন্ট
ডিক চেনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এই হলিবার্টনের প্রধান নির্বাহী
ছিলেন। ২০০১ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ায় সেই পদ ছাড়েন। যদিও সিএনএন পরে
ফাঁস করে দেয়, চেনি ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ও বছরে দেড় লাখ ডলার
হিসেবে পেতেন হলিবার্টনের কাছ থেকে!
এই চেনিই বুশ সিনিয়রের আমলে বলেছিলেন, ইরাক যুদ্ধে যাওয়া ঠিক হবে না। তার
ফল হবে ভয়াবহ। মাঝখানে হলিবার্টনে চাকরি করলেন। ব্যস্, পাল্টে গেল তাঁর মত!
চেনি আসলে কার স্বার্থ উদ্ধার করতে চেয়েছিলেন?
মিস্টার চেনি, লাখ লাখ নিরীহ মানুষের রক্ত হাতে মেখে সেই হাতে খাবার খান
কী করে আপনি! লাখ লাখ ঘূমন্ত শিশুর ওপর রাতের আঁধারে নেমে আসে যে বোমা;
সেই রাতে কী করে ঘুমান আপনি!
***
ট্রাম্প একই পথে হাঁটছেন। গত কিছুদিন ধরে যা ঘটছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড়
যুদ্ধের আলামতই পাচ্ছি।
মুসলিমদের গালিগালাজ করে ক্ষমতায় আসা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রীয়
বিদেশ সফর ছিল মুসলিম দেশ সৌদি আরবেই। সেখানে মুসলিম দেশগুলোর
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন। মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানে ওপর জোর দিয়ে
বেশ গালভরা বক্তব্য দিয়েছেন। এরপর ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি ধরিয়ে
দিয়েছেন সৌদি আরবকে।
লকহিড মার্টিনের সঙ্গে সৌদি সরকারের এই চুক্তির দর-কষাকষি করেছেন
ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার (সিএনএন: Trump signs Kushner-negotiated $100B
Saudi arms deal)।
***
ইউরোপে অস্ত্র বিক্রি কমছে। আর হু হু করে অস্ত্র বিক্রি বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে,
আমাদের এশিয়ায়। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, গত পাঁচ বছরে সৌদি আরবের অস্ত্র ক্রয়
২৭৫ শতাংশ বেড়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলোতে কমেছে ৪১ শতাংশ। আর ২০১৫ সালের
১৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের একটি খবরের
শিরোনাম: Sale of U.S. Arms Fuels the Wars of Arab States।
***
পৃথিবীতে শান্তি থাকলে অস্ত্র বিক্রি হবে না। পৃথিবীকে অশান্ত করা তাই খুব
জরুরি। আরও অনেক হিসাব-নিকাশ আছে। আছে অনেক গুটি চালাচালি। অন্যের
যুদ্ধে দূর থেকে কলকাঠি নাড়া। যাকে বলে প্রক্সি ওয়ার। যে অঞ্চলে যে ভাইরাস
ছড়িয়ে দিলে কাজ হবে, সেখানেই তা-ই করা হচ্ছে। এক সময় পৃথিবীকে উত্তপ্ত
করা হয়েছিল জাতীয়তাবাদের বড়ি খাইয়ে। মধ্যপ্রাচ্যে এই ব্যবসায়িরাই কাজে
লাগাচ্ছে ধর্মকে!
যে মানুষটা জিহাদের জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করছে, সে জানছেও না, দাবার
ছকে সে আসলে সামনের সারির গুটি। যাকে প্রথম দফায় স্যাক্রিফাইস করাই দাবা
খেলার ছক!
***
জানি না এই দৃশ্যপট কবে বদলাবে। জানি না এই পৃথিবীতে আদৌ শান্তি আসবে কি
না। মনস্টার ইঙ্ক নামের একটা অ্যানিমেশন সিনেমা অদ্ভুত একটা ধারণার সঙ্গে
পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।
দৈত্যদের রাজ্যে মূল জ্বালানি হলো ভয়। বাচ্চাদের ভয় দেখালে যে এনার্জি
তৈরি হয়, সেটা দিয়েই চলে দৈত্যদের কল-কারখানা; পুরো দেশ।
হঠাৎ একদিন জানা গেল, ভয় পেয়ে বাচ্চারা চিৎকার করে কাঁদলে যত বিদ্যুৎ তৈরি
হয়, তার কয়েক শ গুণ বেশি বিদ্যুৎ তৈরি হয় বাচ্চারা খিলখিল করে হাসলে।
তখন থেকে মনস্টার ইঙ্ক নামের সেই কোম্পানিটি ভয়ের বদলে বাচ্চাদের
হাসানোর প্রতিযোগিতায় নামল।
আমাদের পৃথিবীর বড় বড় মনস্টার ইঙ্করাও যদি কখনো বোঝে, অশান্তি নয়,
শান্তিতেই তৈরি হয় সবচেয়ে বেশি এনার্জি...। এটুকুই শুধু আশা!
# Collected

09/03/2019

√Inspiration
ক্যাডার হতে চাচ্ছেন? কিন্তু নিজের সাধ এবং সাধ্যের সাথে একবার ফারাকটা
মিলিয়ে দেখেছেন। জানেন সফল হয়েছেন যারা, তারা কি করেছেন??? আর আপনি
কি করছেন!!! সুতরাং তাদের আত্মত্যাগের সাথে নিজের জীবনের গল্পকে মিলিয়ে
নিন; আপনার ভবিষ্যতের অবস্থান জেনে যাবেন। ভবিষ্যতে সচিবালয়ের আমলা
হবেন; না সুমাইয়ার বাড়ির কামলা হবেন। নিজেই স্বচক্ষে দেখতে পাবেন।
☆প্রায় ১২ বছর ধরে এক টুকরা রুটি এবং এক চুমুক পানি পান করে; হেরা পর্বতের
গুহাতে ধ্যান করার পুরস্কার স্বরুপ কুরআন পেয়েছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)!! আপনি
কত বছর ধরে একটানা বিসিএস এর প্রিপারেশন নিচ্ছেন? না ১-২ বছরেই হাল ছেড়ে
দিলেন?
☆বুদ্ধত্ব বা জ্ঞান লাভের জন্য নিরঞ্জনা নদীতে গোসল করে; বোধিবৃক্ষের নিচে
একটানা খাদ্য পানীয় ছাড়া ৬ বছর ধ্যান করার মাধ্যমে 'ত্রিপিটক' নামক
জ্ঞানগ্রন্থ পেয়েছিলেন গৌতম বুদ্ধ । আপনি কয় ঘন্টা একটানা পড়াশুনা
করেছেন???
☆টোরা নামক গ্রন্থ পেতে মোজেস (মুসা আ.) পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়া তুর পর্বতে,
একটানা ৪০ দিন জ্বলন্ত কয়লার ওপর পড়ে থেকে; নবুওয়াতের জন্য নিজের ধৈর্য্যের
প্রমাণ দিয়ে ছিলেন? আর আপনি বলেন বই ধরলেই ঘুম আসে!!! Gain করতে চান; কিন্তু
Pain সহ্য করতে চান না!! মনে রাখবেন যত বেশি Pain; তত বড় Pain. No pain no gain.
☆বাইবেল নামক ধর্মগ্রন্থ পেতে, জিসাস ক্রাইস্ট ৪০ দিন একটানা প্যালেস্টাইনের
তপ্ত মরুভূমিতে উপুড় হয়ে পড়ে থেকে, নিজের সংযমের পরিচয় দিয়েছিলেন !!
আপনি কত ঘন্টা একটানা ক্লাস বা লাইব্রেরিতে বসে থাকেন? মনে রাখবেন
আপনার মত লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী প্রস্তুতি নিচ্ছে। সুতরাং পরিশ্রমে তাদেকে
অতিক্রম করতে না পারলের আপনি সফল হবেন না।
☆সুশান্ত পাল মরণপণ পরিশ্রম করেছিলেন এবং প্রথম বিসিএস-এ, এ যাবৎ কালের
সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। সুতরাং অবশ্যয় তিনি অন্য সকল পরীক্ষায় চান্স
পাওয়ার যোগ্য ছিলেন। কিন্তু কোন দিকে না তাকিয়ে জীবনে শুধুমাত্র ১ টা
আবেদন করেছিলেন; আর সেটি বিসিএস। আর ১ম হয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন।
আর আপনি কুটির শিল্প প্রাইভেট থেকে শুরু করে সকল ছোট ছোট আয় বর্ধক
কার্যক্রমে এখনও লিপ্ত!!! একমাত্র আত্মত্যাগই পারে আপনাকে সফলতার শীর্ষে
পৌছাতে।
☆শচীন টেন্ডুলকারকে তাঁর বিশ্ববিদ্যালেয়ের প্রফেসর বাবা ও বিখ্যাত মারাঠি
কবি রমেশ টেন্ডুলকার বলেছিলেন; শচীনকে ক্রিকেট অথবা পড়াশুনা দুটির মধ্যে
একটি বেছে নিতে হবে। টেন্ডুলকার শুধু বেছে নিয়েছিলেন ক্রিকেটকে। সারা
জীবন শুধু ক্রিকেট খেলেই তিনি আজ গড অব ক্রিকেট। তাই আপনি বেছে নেন যে
কোন একটি। আর তাতেই হাঙরের মত তীব্র গতিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।
☆ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্রের সর্ব্বোচ পুরস্কার পাওয়া নায়ক-প্রযোজক-প
রিচালক আমির খান তার একটি সিনেমা ‘দাঙ্গাল’এর জন্য ২৩ কেজি ওজন
বাড়িয়েছিলেন !!!
আবার ৫ মিনিটের একটি রোলের জন্য ২৭ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন মাত্র ৩ মাসে।
কি দরকার আমির খানের?? কি চাই?? তার দাদা কংগ্রেসের ৩ বারের সভাপতি ও
ভারতে শেষ নিযাম ‘ইন্ডিয়া উইন্স ফ্রিডম’ গ্রন্থের লেখক মাওলানা আবুল কালাম
আজাদ। তার বাবা তাহির হোসেন খান বলিউডের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তার চাচা
নাসির খান ভারতে অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রযোজক। কিন্তু মাল্টি বিলিয়নার আমির ৫১
বছর বয়সে এসে ৫ মিনিটের রোল পারফেক্ট করতে ২৭ কেজি ওজন কমায়।
আর আপনার সারা জীবন, যে ক্যারিয়ারের ওপর নির্ভর করছে; তার জন্য আপনি কি
পরিশ্রম করছেন একবার ভাবুন!!!
গা ঝাড়া দিয়ে ওঠেন। বলে উঠুন উপরের সকলেই মানুষ; আমার মতই মানুষ। তারা
পারলে আমিও পারব। ঝরে পড়ার জন্য আমার জন্ম হয়নি। বিগ ব্যাং এর মত প্রচন্ড
নিনাদের সাথে জেগে উঠে, নিজেকে প্রমাণ করার জন্যই আমার সৃষ্টি।
লড়াই করুন সেই মায়ের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য; যিনি নিজের ওষুধের পয়সা
বাঁচিয়ে দিনরাত শ্বাসকষ্ঠ-কাশিতে ভুগছে। অথচ আপনার টাকা ঠিকই পাঠাচ্ছে।
না জানি কত রোগকে গোপন রেখে অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করে যাচ্ছে; শুধু একটি
স্বপ্নের জন্য। মানুষ তাকে বলবে অমুক ক্যাডারের মা; অমুক অফিসারের মা।
লড়াই করুন সেই বাবার জন্য; যিনি আপনাকে পাঠানোর জন্য দুটি টাকা বাঁচাতে, ৩
কিলোমিটার হেঁটে বাজারের ব্যাগ বহন করে আনে। আপনার চাহিদা টাকা
পাঠাতে যিনি একের পর এক জমি গোপনে বন্ধকে রেখেছে এই আশাতে; আপনি
ক্যাডার হয়ে যেগুলোকে মুক্ত করবেন। লোকে বলবে উনি ক্যাডারের বাবা।
কিন্তু আপনার একটু ব্যর্থতাই এই বৃদ্ধ মানুষগুলোর ৩০ বছরের লালিত স্বপ্নকে হত্যা
করবে। তারা শুধু আর একটি স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য পথ চেয়ে আছেন; সেটি
আপনার সফলতা। আর আপনি ব্যর্থ হলে তাঁরা মৃত্য ছাড়া আর কিছুই কামনা করবেনা।
সুতরাং এই লড়াই আপনাকে লড়তে হবে ‘সংসপ্তক’ এর মত। হয় মন্ত্রের সাধন নয়ত
শরীর পাতন। চিন্তা করুন সেই সখিনার কথা; যে শত ডাক্তার
ইঞ্জিনিয়ারের বিয়ের প্রস্তাবকে উপেক্ষা করে, আপনার পথ চেয়ে ক্রমশ বুড়ি
হয়ে যাচ্ছে। শেষে এসে তাকে কি জবাব দিবেন?
মিঞা আপনার সফলতার জন্য আপনার বাবা-মা, আপনার সখিনা, আপনার কুতুব,
আপনার আত্মীয়-স্বজন সকলেই প্রাণান্তকর আত্মত্যাগ করে চলেছে...। শুধু গরুর মত
সময় গুলোকে নষ্ট করছেন আপনি। সুতরাং সূর্যের মত জ্বলে উঠুন; জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
সব ছারখার করে দিন। যা আপনার ক্যাডার হবার পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে।
জ্বলে উঠুন নিজের ভিতরের সুপ্ত আগ্নেগিরির উদগিরণের মাধ্যমে।

11/01/2019

স্কলারশিপ/বৃত্তির লিস্ট - European Full funded Scholarship Information...
স্কলারশিপ পেতে হলে কোথায় এপ্লাই করতে হবে তা জানতে হবে। সেই সূত্রে
ইউরোপে প্রদত্ত স্কলারশিপগুলোর কথা এক জায়গায় আনার চেষ্টা করা হল।
European Full Funded Probable Scholarship links are below:
………..
1. Erasmus Mundus – ( 3 semester in 3 different countries )
http://eacea.ec.europa.eu/erasmus_mundus/
2. EIT Digital ICT school – ( 2 year in 2 different countries )
http://www.masterschool.eitdigital.eu/application/tuition-fees-scholarships/
3. KIC InnoEnergy Scholarship – ( 3 semester in 3 different countries )
http://www.innoenergy.com/education/master-school/
4. DAAD scholarship – Germany
https://www.daad.de/medien/deutschland/stipendien/formulare/epos_deadlines_2
017-2018.pdf
5. All German Masters Program (English, approved by DAAD) – 786 programs till today !!
https://www.daad.de/deutschland/studienangebote/international-programs/en/
6. SI Scholarship – Sweden (IELTS not mandatory but highly recommended for sure)
https://eng.si.se/areas-of-operation/scholarships-and-grants/the-swedish-institute-study-sch
olarships/
7. Eifel Scholarship – France
http://www.campusfrance.org/en/eiffel
8. NFP Scholarship – Netherlands
https://www.studyinholland.nl/scholarships/highlighted-scholarships/netherlands-fellowship-
programmes
9. Quota Scholarship – Norway (Not sure whether this scholarship is still there or not)
https://www.lanekassen.no/nb-NO/Languages/The-Quota-Scheme/about-the-quota-scheme/
10. Commonwealth Scholarships – UK
http://cscuk.dfid.gov.uk/apply/scholarships-developing-cw/
11. Chevening Scholarship – UK
http://www.chevening.org/
12. VLIR- UOS scholarship – Belgium
http://www.vliruos.be/scholarships
13. Turkiye Burslari Scholarship- Turkey
https://www.turkiyeburslari.gov.tr/en/english-home/
14. Italian Govt Scholarship – Italy
http://www.esteri.it/mae/en/ministero/servizi/stranieri/opportunita/borsestudio_stra
nieri.html?LANG=EN
15. Russian Government Scholarship
http://studyinrussia.ru/en/study-in-russia/scholarships/
16. Swiss Governance Excellence Scholarships
https://www.sbfi.admin.ch/sbfi/en/home/topics/swiss-education-area/scholarships-and-
grants/
17. Danish Govt Scholarships- Denmark
http://studyindenmark.dk/study-options/tuition-fees-scholarships
18. Austrian Govt. Scholarships – Austria
http://www.grants.at/home/EN/
19. Government of Ireland Postgraduate Scholarship – Ireland
http://www.research.ie/scheme/government-ireland-postgraduate-scholarship-scheme-2017
20. Govt. Scholarships for developing countries , Czech Republic
http://www.msmt.cz/eu-and-international-affairs/government-scholarships-developing-
countries?lang=2
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা সবার জন্য।
( # সংগৃহীত_পোষ্ট )

13/07/2018

উচ্চ মাধ্যমিক এর ICT বই থেকে ২৬০ টি গুরুপ্তপূর্ন প্রশ্ন:
১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই – ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 88.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান
(১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় – বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে – ১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর(1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Di
electric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access
৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz
১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps
১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে
১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে
১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায়
১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে
১১১.MMS ও SMS চালু হয় 2G তে
১১২.3G চালু হয় ১৯৯২ সালে
১১৩.3G এর ব্যান্ডউইথ 2MHz
১১৪.3G Mobile প্রথম ব্যবহার করে জাপানের NTT Docomo (২০০১)
১১৫.4G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার
১১৬.4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি
১১৭.4G এর প্রকৃত ব্যান্ডউইথ 10Mbps
১১৮.টার্মিনাল দুই ধরনের
১১৯.ভৌগলিকভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ৪ ধরনের
১২০.PAN সীমাবদ্ধ ১০ মিটারের মধ্যে
১২১.PAN এর ধারণা দেন থমাস জিমারম্যান
১২২.LAN সীমাবদ্ধ ১০ কিলোমিটারের মধ্যে
১২৩.LAN এ ব্যবহৃত হয় Co-axial Cable
১২৪.কেবল টিভি নেটওয়ার্ক- MAN
১২৫.NIC=Network Interface Card
১২৬.NIC কার্ডের কোডে বিট সংখ্যা-48
১২৭.মডেম দুই ধরনের
১২৮.Hub হল দুইয়ের অধিক পোর্টযুক্ত রিপিটার
১২৯.স্বনামধন্য রাউটার কোম্পানি- Cisco
১৩০.ব্রিজ প্রধানত ৩ প্রকার
১৩১.নেটওয়ার্কে PC যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে নোড বলে।
১৩২.Office Management-এ ব্যবহৃত হয়- Tree Topology
১৩৩.বানিজ্যিকভাবে Cloud Computing শুরু করে- আমাজন (২০০৬)
১৩৪.Cloud Computing এর বৈশিষ্ট্য- ৩টি
১৩৫.সংখ্যা পদ্ধতিরর প্রতীক- অংক
১৩৬.সংখ্যা পদ্ধতি দুই ধরণের
১৩৭.Positional সংখ্যা পদ্ধতিরর জন্য প্রয়োজন- 3টি ডাটা
১৩৮.সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশে ভাগ করা হয় Radix Point দিয়ে
১৩৯.Bit এর পূর্ণরুপ- Binary Digit
১৪০.Digital Computerএর মৌলিক একক- Bit
১৪১.সরলতম গণনা পদ্ধতি- বাইনারী পদ্ধতি
১৪২. “O” এর লজিক লেভেল : 0 Volt থেকে +0.8 Volt পর্যন্ত
১৪৩. “1” এর লজিক লেভেল : +2 Volt থেকে +5 Volt পর্যন্ত
১৪৪.Digital Device কাজ করে- Binary মোডে
১৪৫.n বিটের মান 2^n টি
১৪৬.BCD Code = Binary Coded Decimal Code
১৪৭.ASCII=American Standard Code for Information Interchange
১৪৮.ASCII উদ্ভাবন করেন- রবার্ট বিমার (১৯৬৫)
১৪৯.ASCII কোডে বিট সংখ্যা- ৭টি
১৫০.EBCDIC=Extended Binary Coded Decimal Information Code
১৫১.Unicode উদ্ভাবন করে Apple and Xerox Corporation (1991)
১৫২.Unicode বিট সংখ্যা- 2 Byte
১৫৩.Unicode এর ১ম 256 টি কোড ASCII কোডের অনুরুপ
১৫৪.Unicode এর চিহ্নিত চিহ্ন- ৬৫,৫৩৬টি (২^১৬ )
১৫৫.ASCII এর বিট সংখ্যা- 1 Byte
১৫৬.বুলিয়ান এলজেবরার প্রবর্তক- জর্জ বুলি (১৮৪৭)
১৫৭.বুলিয়ান যোগকে বলে- Logical Addition
১৫৮.Dual Principle মেনে চলে- “and” ও “OR”
১৫৯.এক বা একাধিক চলক থাকে Logic Function এ
১৬০.Logic Function এ চলকের বিভিন্ন মান- Input
১৬১.Logic Function এর মান বা ফলাফল- Output
১৬২.বুলিয়ান উপপাদ্য প্রমাণ করা যায়- ট্রুথটেবিল দিয়ে
১৬৩.Digital Electronic Circuit হলো- Logic Gate
১৬৪.মৌলিক Logic Gate – ৩টি (OR, AND, NOT)
১৬৫.সার্বজনীন গেইট- ২টি (NAND,NOR)
১৬৬.বিশেষ গেইট- X-OR,X-NOR
১৬৭.Encoder এ 2^nটি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট হয়
১৬৮.Decoder এ nটি ইনপুট থেকে 2^nটি আউটপুট দেয়
১৬৯.Half Adder এ Sum ও Carry থাকে
১৭০.Full Adder এ ১টি Sum ও ২টি Carry থাকে
১৭১.একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ হলো- রেজিস্ট্রার
১৭২.Input pulse গুনতে পারে- Counter
১৭৩.Web page তৈরি করা হয়- HTML দ্বারা
১৭৪.ছবির ফাইল-. jpg/.jpeg/.bmp
১৭৫.ভিডিও ফাইল-.mov/.mpeg/mp4
১৭৬.অডিও ফাইল- mp3
১৭৭.ওয়েবসাইটকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহৃত হয়-.css
১৭৮.বর্তমানে চালু আছে- IPV4
১৭৯.IPV4 প্রকাশে প্রয়োজন- 32bit
১৮০.IP address এর Alphanumeric address- DNS
১৮১.সারাবিশ্বের ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে- InterNIC
১৮২.জেনেরিক টাইপ ডোমেইন- টপ লেভেল ডোমেইন
১৮৩.http = hyper text transfer protocol
১৮৪.URL = Uniform Resource Locator
১৮৫.HTML আবিষ্কার করেন- টিম বার্নার লী(১৯৯০)
১৮৬.HTML তৈরি করে W3C
১৮৭.ওয়েব ডিজাইনের মূল কাজ- টেমপ্লেট তৈরি করা
১৮৮.প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা- ৫স্তর বিশিষ্ট
১৮৯.Machine Language(1G)-1945
১৯০.Assembly Language(2G)-1950
১৯১.High Level Language(3G)-1960
১৯২.Very High Level Language(4G)-1970
১৯৩.Natural Language(5G)-1980
১৯৪.লো লেভেল vaSha-1G,2G
১৯৫.বিভিন্ন সাংকেতিক এড্রেস থাকে- লেভেলে
১৯৬.C Language তৈরি করেন- ডেনিস রিচি(১৯৭০)
১৯৭.C++ তৈরি করেন- Bijarne Stroustrup(১৯৮০)
১৯৮.Visual Basic শেষবার প্রকাশিত হয়- ১৯৯৮ সালে
১৯৯.Java ডিজাইন করে- Sun Micro System
২০০.ALGOL এর উদ্ভাবন ঘটে- ১৯৫৮ সালে
২০১.Fortran তৈরি করেন- জন বাকাস(১৯৫০)
২০২.Python তৈরি করেন- গুইডো ভ্যান রোসাম(১৯৯১)
২০৩.4G এর ভাষা- Intellect,SQL
২০৪.Pseudo Code- ছদ্ম কোড
২০৫.Visual Programming- Event Driven
২০৬.C Language এসেছে BCPL থেকে
২০৭.Turbo C তৈরি করে- Borland Company
২০৮.C ভাষার দরকারী Header ফাইল- stdio.h
২০৯.C এর অত্যাবশ্যকীয় অংশ- main () Function
২১০.ANSI C ভাষা সমর্থন করে- 4 শ্রেণির ডাটা
২১১.ANCI C তে কী-ওয়ার্ড- 47 টি
২১২.ANSI C++ এ কী-ওয়ার্ড- 63 টি
২১৩.ডাটাবেজের ভিত্তি- ফিল্ড
২১৪.Database Modelএর ধারণা দেন- E.F.Codd (১৯৭০)
২১৫.সবচেয়ে জনপ্রিয় Query- Selec Query
২১৬.SQL = Structured Query Language
২১৭.SQL তৈরি করে- IBM(১৯৭৪)
২১৮.ERP = Enterprise Resource Planning
২১৯.বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়- ২১ মে, ২০০৬
২২০.MIS = Management Information System
২২১।ভুয়া মেইল জমার স্থান- Spam
২২২।CD= Compact Disk
২২৩।MS Excel হলো Spreadsheet Software
২২৪।বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয়- ১৯৯৬ সালে
২২৫।বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার- ENIAC
২২৬।ল্যাপটপ প্রথম বাজারে আসে-১৯৮১ সালে
২২৭।ROM=Read Only Memory
২২৮।বর্তমান প্রজন্ম- 4G
২২৯।টুইটারের জনক- জ্যাক ডরসি
২৩০। MODEM এ আছে – Modulator + Demodulator
২৩১।UNIX হলো Operating System
২৩২।CPU= Central Processing Unit
২৩৩।IC দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটার- IBM360
২৩৪।ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষতা ১০০%
২৩৫।১ম প্রোগ্রামার- লেডি অগাস্টা
২৩৬।১ম প্রোগ্রামিং ভাষা-ADA
২৩৭।কম্পিউটারে দেয়া অপ্রয়োজনীয় তথ্য- গিবারিশ
২৩৮।কম্পিউটার ভাইরাস আসে-১৯৫০ সালে
২৪০।কম্পিউটার ভাইরাস নাম দেন-ফ্রেড কোহেন
২৪১। Mother of All Virus-CIH
২৪২।VIRUS=Vital Information Resources Under Seize
২৪৩।প্রোগ্রাম রচনার সবচেয়ে কঠিন ভাষা-মেশিন ভাষা
২৪৪।NORTON-একটি এন্টিভাইরাস
২৪৫।মুরাতা বয়-জাপানি রোবট
২৪৬। 1nm=10^(-9) m
২৪৭।স্বর্ণের পরমাণুর আকার- 0.3nm
২৪৮।আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় লাগে শূন্য সেকেন্ড
২৪৯।অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ডায়ামিটার- ৮-১০ মাইক্রন
২৫০।১ম Wireless ব্যবহার করেন-Guglielimo Marconi(1901)
২৫১। ASCII-7 কোডের প্রথম 3bitকে জোন এবং শেষ 4bitকে সংখ্যাসূচক বলে
২৫২।ASCII সারণি মতে,
0-3 & 127 = Control Character
32-64 = Special Character
65-96 = Capital Letters & Some Signs
97-127 = Small Letters & Some Signs
২৫৩। EBCDIC কোডে-
0-9 = 1111
A-Z = 1100,1101,1110
Special Signs = 0100,0101,0110,0111
২৫৪। EBCDIC কোডে ২৫৬টি বর্ণ,চিহ্ন ও সংখ্যা আছে
২৫৫। EBCDIC কোড ব্যবহৃত হয়- IBM Mainframe Computer ও Mini Computer- এ।
২৫৬। Unicode উন্নত করে-Unicode Consortium
২৫৭। ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরিতে ব্যবহৃত অন্তরক পদার্থ- সিলিকন ডাই অক্সাইড ও Muli
Component Glass (Soda Boro Silicet, NaOH Silicet etc.)
২৫৮।Real Time Application এর Data Transfer এ বেশি ব্যবহৃত হয় Isochronous
২৫৯।Radio Wave এর Data Transmission Speed – 24 Kbps
২৬০।Wifi এর দ্রুততম সংস্করণ-IE
collected

29/06/2018

“মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা"-
রবীন্দ্রনাথ
“চাষার ছেলেরা যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে তাহলে ক্ষেতে ক্ষামারে কাজ করবে কারা? -
রবীন্দ্রনাথ
যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েটের
মতো দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দাঁড়িয়ে আছে। অথচ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীত
ে এইসব প্রতিষ্ঠানে কোন দোয়ার আয়োজন করা হয়নি। করা হয়নি কোনো স্মৃতিচারণামূলক
অনুষ্ঠান। অন্যদিকে তৎকালীন সময়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাঙালি বিদ্বেষ এবং ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধীতার কথা কমবেশি সবারই জানা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় শুধু কঠোরভাবে বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হননি বরং
সে ব্রিটিশদের সাথে রীতিমতো দেন-দরবার করেছিল যাতে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় না করা হয়।
সেসময় রবীন্দ্রনাথ এক অনুষ্ঠানে দাম্ভিকতার সাথে বলেছিল “মূর্খের দেশে আবার
কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা!”
অন্যত্র এক অনুষ্ঠানে এদেশের মানুষকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করে রবী ঠাকুর বলেছিল
“সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করোনি”।
অথচ সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন, মৃত্যুদিন, সাহিত্য উৎসবসহ আরো অনেক অায়োজন
ধুমধামের সাথে পালন করা হয়।
আর যে বঙ্গসন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপকার সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে আজকের
শিক্ষার্থীদের অনেকেই চেনাতো দূরের কথা নামটাও জানেনা। আমরা এতোটা অকৃতজ্ঞ
যে বলতেও লজ্জা লাগে!

27/06/2018

22years 7 months 13 day , I have complete my undergraduate.

05/05/2018

যুবক তুমি আলীর মতো হও ঈমান জাগরণী ,,
কপালে জুটবে ফাতিমার মতো জান্নাতি রমনী।

07/04/2018

Don’t panic and lose hope even if there’s a mountain in your path…talk to the One who
created the mountains.
-Dr.Bellal Philips

28/11/2017

ধরে নিচ্ছি আপনি বিসিএস জগতে একেবারেই নতুন। এবারই প্রথম প্রিলি দিচ্ছেন।
এবং এটাও ধরে নিচ্ছি আপনি তেমন কিছুই এখনও পড়েননি। হাতে সময় বেশিদিন
নেই, কি করবেন? আজ আপনার জন্যই লিখছি :
বিসিএস এমন একটি পরীক্ষা, যেখানে সবার জন্যই কিছু কিছু সাবজেক্ট সহজ আবার
কিছু কিছু সাবজেক্ট মহা সমুদ্রের মতো! তাই, আমাদের জন্য যেগুলো সহজ সেগুলো
ভালো করে বেশি বেশি পড়তে হবে, আর যেগুলো কঠিন সেগুলো থেকে বেছে
বেছে যতদূর পারা যায় প্রস্তুতি নিতে হবে!
যেহেতু সময় বেশি নেই এবং ধরে নিচ্ছি আপনি তেমন কিছু পড়েননি, তাই পুরো
সিলেবাস এখন পড়তে পারবেন না, সময় পাবেন না। আমি আজ আলোচনা করবো, কি
কি বাদ দিয়ে পড়বেন এবং কি কি পড়বেন—কোথা হতে পড়বেন!
যেগুলা একেবারেই বাদ দেবেন :
নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন এই টপিক একেবারেই বাদ দেবেন। এবং প্রিলিতে
দাগাবেন না। এই ১০ মার্ক ফাঁদ, যত দাগাবেন তত ফাঁদে পড়বেন।
গণিত : পার্টিগণিত অংশ, ৩ নম্বরের জন্য এতো এতো জিনিস পড়ার কোন মানেই হয়
না! ভাগ্য ভালো থাকলে ২/১ টা এমনি পারা হয়ে যাবে!
# ইংরেজি : Synonyms and Antonyms, আগে যদি পড়া না থাকে এখন নতুন করে পড়ে
লাভ নেই, মাথাই নষ্ট হবে শুধু শুধু কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না। ৩-৪ মার্কস
আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিতে হবে, ভাগ্য ভালো থাকলে ১/২ টা পেরে যেতে পারি,
নাইলে কি আর করা!
# বাংলাদেশ বিষয়াবলি : ইতিহাসের ক্ষেত্রে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ ছাড়া বাকি সব
প্রাচীন কালের ইতিহাস বাদ দিতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস পড়ে ১/২ মার্কস
পাওয়ার থেকে না পাওয়াই ভালো!
# আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি : ইতিহাস পার্টে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ, চুক্তিগুলো ছাড়া বাকি
ইতিহাস বাদ দেয়া যেতে পারে।
সাম্প্রতিক ইস্যু : গত তিন মাসের কারেন্ট এফেয়ারস ছাড়া অন্য দিকে নজর দেয়া
বন্ধ করতে হবে!
কি কি পড়বো?
কই থেকে পড়বো?
জব সলিউশন : ‘বিসিএস বাইবেল’ বলা যেতে পারে এই বই খানাকে। কিন্তু এতো বড়
বই এখন পড়া সম্ভব না। কিন্তু একেবারেই না পড়লে হবেও না। বিসিএস ১০-৩৬, এই ২৬
সেট প্রশ্ন এবং পিএসসি নন-ক্যাডার ১০৮ সেট প্রশ্ন; মোট ১৩৪ সেট প্রশ্ন থেকে
আমরা নিচের বিষয় গুলো
চোখ বন্ধ করে পড়বো-
আন্তর্জাতিক, ইংরেজি গ্রামার ও সাহিত্য, বিজ্ঞান এই তিন টপিক আর অন্য কোন
জায়গা থেকে পড়ার দরকার নেই।
ইংরেজি গ্রামার রুলসগুলো English for Competitive Exam by Md. Fazlul Hauqe এর বই
থেকে পড়ে নেয়া যেতে পারে কিন্তু প্র্যাকটিস করবো উপরে উল্লেখিত ১৩৪ সেট
প্রশ্ন থেকে! আর আন্তর্জাতিক পড়ার সময় যেসব টপিক এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়,
তখন ছিল– ঐগুলো বাদ দিয়ে পড়বো!
Easy Computer by MP3 George/ যে কোন ডাইজেস্ট/ ডাঃ জামিলস এর বই : এই তিন বই
যার কাছে যেটা আছে সেটা থেকে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ভাঁজা ভাঁজা করে
ফেলব পড়ে। খুবই সহজ, বড়জোর ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে পড়তে কিন্তু ১৫ মার্কস
একদম হাতে চলে আসবে!
মানসিক দক্ষতা by MP3 George বই অনেক শর্ট-কাট নিয়ম দেয়া আছে। পারলে পুরো
বইটা প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা করে পড়ে শেষ করলে অনেক উপকার হবে। এই বই পড়লে শুধু
যে মানসিক দক্ষতাতেই ভালো করা যাবে সেটা নয়, একই সাথে গণিতের কিছু
অংশ, বাংলা ২য় পত্রের কিছু টপিকস, ইংরেজি গ্রামার, Analogy, Synonyms and
Antonyms ও পড়া হয়ে যাবে!
Professor’s MCQ Review- বাংলা এই বই থেকে বাংলা সাহিত্যের শুধু MCQ
প্র্যাকটিস, মুখস্থ করতে হবে।
বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর
বাংলা গ্রামারের জন্য খুবই দরকারি একটি বই। বাক্য শুদ্ধির নিয়ম, বানান শুদ্ধি,
সন্ধির জন্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি গুলো, সমাসের ক্ষেত্রে মধ্যপদলোপী ও বহুব্রীহি
সমাস, প্রকৃতি-প্রত্যয়ের এর জন্য দেয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি-প্রত্যয় গুলো ভালো করে
পড়ে ফেলতে হবে। আর ধ্বনি ও বর্ণ অংশটুকু MP3 বাংলা বই/ বোর্ড বই থেকে
পড়লে ভালো। সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এই গুলা মানসিক দক্ষতার যে বই
বললাম, সেই বই পড়ার সময় হয়ে যাবে!
যে কোন গাণিতিক যুক্তি বই পার্টিগণিত পার্ট বাদ দিয়ে যে কোন প্রকাশনীর
গাণিতিক যুক্তি বই থেকে প্রতিদিন ১/২ ঘণ্টা করে প্র্যাকটিস করতে হবে। এই
ক্ষেত্রে ৮ম থেকে দশম শ্রেণির বোর্ড বইগুলো হাতের কাছে রাখলে ভালো!
Professor’s MCQ Review- বাংলাদেশ বিষয়াবলি
এই বই থেকে ইতিহাসের ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ ছাড়া বাকি সব প্রাচীনকালের ইতিহাস
বাদ দিয়ে অন্য টপিকসগুলোর MCQ পড়ে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলতে হবে!
আর সংবিধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলঃ ১-৭, ১২, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৫,
২৭, ২৮, ২৯, ৩৩, ৩৯, ৪১, ৪৭, ৬৪, ৬৬, ৭৭, ৮১, ৯৩, ১১৭, ১১৮, ১২৭, ১৩৭, ১৪১
তাছাড়া সংবিধানের সংশোধনীসমূহ, মোট কয়টি অনুচ্ছেদ, সংবিধান সৃষ্টির
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস! ইংরেজি সাহিত্য গত দশ বছরের বিসিএস, পিএসসি নন-
ক্যাডারে আসা প্রশ্নগুলো পড়ে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলতে হবে।

Address

Hajee Mohammad Danesh Science & Technology University
Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Disease Consulting Society of Animalia - DCSA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share