Racer pigeon pet

Racer pigeon pet সব ধরনের পিওর রানিং জোড়া ক্রয় বিক্রয় করা হয়।

19/05/2020
ভূমিকাঃ কবুতরের পক্স রোগের জন্য কবুতর সেক্টরে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় তা অন্য কোন রোগের কারণে হয় না। এটি একটি মশা বাহিত ভাইরা...
28/04/2020

ভূমিকাঃ কবুতরের পক্স রোগের জন্য কবুতর সেক্টরে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় তা অন্য কোন রোগের কারণে হয় না। এটি একটি মশা বাহিত ভাইরাল রোগ এবং শীতে প্রকোপ বেশি হলেও প্রায় সব মৌসুমে কম বেশি এর উৎপাত দেখা যায়।
পিজিয়ন পক্সঃ কবুতরের পক্স বা বসন্ত একটি মশাবাহিত রোগ যা মশা বাহিত Poxvirus হতে সৃষ্ট সংক্রমণ থেকে হয়। এটি Cutaneous বা ডিপথেরিয়া আকারেও হতে পারে।অন্তত ১৬ টি বিভিন্ন প্রজাতির Avipox virus আছে।এটি অসুস্থ পাখি বা যান্ত্রিক সংক্রমণের (খাবার,পানির বাটি অন্যান্য) মাধ্যমেও ঘটতে পারে। মশা ছাড়াও অন্যান্য কীটপতঙ্গের কামড় দ্বারাও এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে।
লক্ষণঃ পালকহীন ত্বক বিশেষ করে চোখের পাতা, ঠোঁটের চারপাশে, গলা গহ্বরের মধ্যে (Canker বলে ভূল হতে পারে), নেভিগেশান (পায়ুপথ) এরিয়ার চারপাশে, ডানায় পশম বা পালকহীন অংশে, বা,পায়ে ছোট Papules হিসেবে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে বড় বড় Scap হয়। পরে Scap গুলো খসে পড়া এবং নিরাময় হতে সংক্রমণের ৪ সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যায়।
প্রতিরোধঃ মনে রাখতে হবে পক্সের মূল কারণহলো মশা। পক্স প্রতিরোধে মশা নিয়ন্ত্রনের কোন বিকল্প নেই। অনেক সময় দেখা যায় একটু অসাবধানতার জন্য একরাতের মধ্যে অনেক মশা কামড়িয়ে কবুতরের বাচ্চার এত পক্স হয়ে যায়, যা থেকে কবুতরকে বাচ্চাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে যায়।
১) এন্টি মশকিটো ক্রিম অডমস ( Odmos ১০০ মিগ্রাম ৭৫ টাকা) লোমহীন জায়গা- চোখ ও ঠোঁটের পাশে, পায়ুপথের আশে পাশে, ডানায় লাগিয়ে দিলে ১২ ঘন্টা মশা থেকে কবুতর নিরাপদে থাকবে।
২) নারিকেল তেল ১ নং এর মত লাগিয়ে দিলে কবুতরকে ১২ ঘন্টা মশার কামড় থেকে রক্ষা করা যায়। (পরীক্ষীত -আমি নিয়মিত ব্যবহার করছি)।
৩) রসুন বাটা পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে
করলে লফট ৬ ঘন্টা মশা মুক্ত থাকবে।
৪) নিম পাতা বাটা পানির সাথে মিক্স করে
স্প্রে করলে লফট ৬ ঘন্টা মশা মুক্ত থাকবে।
৫) কিছু কিছু অরগানিক স্প্রে আছে যেগুলো মশা মাছি ও অন্যান্য কীটপতঙ্গ দূরে রাখে।সেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করেও মশা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ৬) কিছু অত্যাধুনিক কিন্তু সস্তা ল্যাম্প বা লাইট আছে (৩০০ টাকা) যা লফটে ১০০% মশামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
৭) লফটে নিয়মিত নিম গাছ বা তুলসী গাছের
কাঁচা পাতা রেখেও লফটের মশা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৮) পুরনো মশারী কেটে লফটের দরজা
জানালায় লাগিয়েও মশার অনুপ্রবেশ ঠেকানো যায়।
৯) লফটের খোপ বা খাচার কোণায় কোণায় ছোট ছোট প্লাস্টিক বোতলে কপূরের গোটা/ম

★কবুতরের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা★কবুতর পালার কিছু নিয়ম আছে। শুধু পালার খাতিরে পালেন। একজন খামারি ১০০ কবুতর পাললে তাকে খামার...
28/04/2020

★কবুতরের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা★

কবুতর পালার কিছু নিয়ম আছে। শুধু পালার খাতিরে পালেন। একজন খামারি ১০০ কবুতর পাললে তাকে খামারি বলা যাবে না। যদি না তিনি সঠিক ভাবে খামারের পরিচর্যা করেন অথবা এই ব্যাপারে সঠিক পদক্ষেপ না নেন। কিন্তু আপনি যদি অল্প কবুতর সফল ভাবে পালেন তবেই আপনাকে একজন আর্দশ খামারি বলা যাবে। আর এটাই একজন খামারির সার্থকতা ও আনন্দ। কবুতর অসুস্থ হলে জবাই করে ফেলা বা কাওকে দিয়ে দিয়া অথবা অপেক্ষা করা কবে মারা যাবে এটা কখনই একজন সত্যিকার কবুতর প্রেমির কাজ হতে পারে না। তিনি যতই দাবি করেন না কেন!

যাই হোক প্রসঙ্গে ফিরে আসি। কথাই আছে প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ ভাল, আর সেই প্রতিরোধ টা সঠিক হতে হবে। প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার খামারে ধুলা না থাকে। কারন সকল রোগের সুত্রপাত হয় এখান থেকে। এর পর খেয়াল রাখতে হবে যেন সাল্মনিল্লার প্রতিরোধ কোর্স ঠিকমত করান হচ্ছে। কারন সাল্মনিল্লা কবুতরের অন্যতম সমস্যা আর যা থেকে অনেক রোগের সুত্রপাত হয়। মানুষের ক্ষেত্রে আছে যে যদি আমাশয় হয় তাহলে টা নির্মূল তাড়াতাড়ি করতে হয়। কারন আমাশয় হল ৯০ টি রোগের জন্মদাতা। তেমনি বলা হয় সাল্মনিল্লা হল কবুতরের জন্য ১০০ টা রোগের জন্মদাত্রী বা জননী । তবে এই সাল্মনিল্লা নিয়ে অনেকের ভুল ধারনা পোষণ করে থাকেন। কারন সাল্মনিল্লা যেকোনো জিবিত প্রাণীর মধ্যে কমবেশি থাকবেই। আর এটা ১০০% নির্মূল সম্ভব না,তবে এটাকে নিয়ন্ত্রন এ রাখাতাই বুদ্ধিমানের কাজ।

যেমন সবুজ পায়খানা শুরু করলে অনেকে অস্থির হয়ে যায়। কিন্তু সবুজ পায়খানা করলেয় যে সাল্মিনিল্লা আক্রান্ত টা সঠিক নয়। তবে যদি দেখা যায় যে সবুজ পায়খানার সাথে সাথে খাওয়া দাওয়াও যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে অনতিবিলম্বে কবুতরে এন্টিভাইটিক চিকিৎসা করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে, যা অনেক বার অনেক পোষ্ট এ বলেছি যে, প্রতিরোধ মুলক হিসাবে কখনই অ্যান্টিবায়টিক আদর্শ হতে পারে না। যদিও অনেকে সেটাই করে থাকেন। কবুতরের ৩ নম্বর যে সমস্যা যা নিরব ঘাতক হিসাবে কাজ করে টা হল। এক্সটারনাল(শরীরের পোকা) ও ইন্টারনাল প্যারাসাইট (ক্রিমি) নির্মূল করা। ক্রিমির ক্ষেত্রে অনেকেই মানুষের ঔষধ ব্যাবহার করতে পছন্দ করেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে ক্রিমির ঔষধ একটি খুবই উচ্চ ক্রিয়াশীল যা, কবুতরের শরীরে খুবই মারাত্মক প্রভাব পরে ও স্ট্রেস তৈরি করে। আর এই স্ট্রেস অনেক রোগের কারন হতে পারে। অনেকে হয়ত ভাবতে পারেন যে,এত কিছু কিভাবে বুঝবো?

কিভাবে রেসার কবুতরকে ট্রেনিং দিতে হয় তার বিস্তারিত ..❗❗যুগ যুগ ধরে সৌখিনতার বশে পৃথিবীর প্রয় সকল দেশেই কবুতর পালন হয়ে আ...
27/04/2020

কিভাবে রেসার কবুতরকে ট্রেনিং দিতে হয় তার বিস্তারিত ..❗❗

যুগ যুগ ধরে সৌখিনতার বশে পৃথিবীর প্রয় সকল দেশেই কবুতর পালন হয়ে আসছে। কবুতর পালনের শুরু থেকেই আজ অবধি কবুতর পালনের পাশাপাশি এটি উড়ানোর প্রতিযোগিতা একটি অন্যতম সৌখিনতা। যদিও এখন আর এই সৌখিনতা শুধু একটি দেশ বা স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।আধুনিক সময়ে বিভিন্ন দেশের কবুতর পালকরা আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।ধারনা করা হয় যে ২২০ খৃষ্টাব্দ থেকে এই রেসিং প্রতিযোগিতা হয়ে আসছে।এবং ১৯ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এটি বেলজিয়ামে খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলো।যাটি Voyageurs এবং Flemish ফেন্সিয়ার দের মাধ্যমে বিকাশ লাভ করেছিলো। সাধারণত একটি নিদিষ্ট শ্রেণীর কবুতরের প্রজাতির মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রজাতিটিকে বলা হয় রেসার,আর যখন তাকে দিয়ে রেস করানো হয় তখন তাকে রেসিং কবুতর বলে। প্রতিযোগী কবুতরগুলি প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) থেকে ১০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূরত্বে থেকে নিজ ঘরে ফিরে আসার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত হয়।
এদেরকে রেসিং বা রেসার কবুতর বলে। যাদের অনেক সময় ধরে উড়ার দক্ষতা রয়েছে এবং অনেক প্রতিকূল পরিবেশেউ ঘড়ে ফিরে আসার ক্ষমতা রয়েছে। কবুতরের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটা অনেক দুর থেকে পথ চিনে ঘরে ফিরে আসতে পারে,এদের কে মূলত রেসার কবুতর বলে।তবে এদের উরন্ত ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঘড়ে ফেরার দক্ষতা উন্নয়ন করার জন্য প্রয়োজন বিশেষ প্রশিক্ষণ।

আজ আমরা আলোচনা করবো কিভাবে রেসার কবুতরকে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কিভাবে আন্তজার্তিক মানের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।আপনি জেনে হয়ত অশ্চর্য হবেন যে রেসার কবুতরের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রায় ১০০১ টি পদ্ধতি বা মেথড রয়েছে। আপনি এই সমস্ত পদ্ধতির যে কোন একটি গ্রহণ করতে পারেন। তবে আজ আমি যে পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করবো তাকে "Simple Method" বলে।

এটিকে দুইটি ভাগে আমরা ভাগ করে আলোচনা করবো।
১/ অল্প বয়সি কবুতরের রেসিং ট্রেইনিং।
২/ বয়স্ক কবুতরের রেসিং ট্রেইনিং।

***অল্প বয়সি কবুতরের রেসিং ট্রেইনিংঃ-

রেস কবুতরের প্রশিক্ষণ কোন সহজ কাজ নয়। কবুতর অনুরাগীরা খুব অল্প বয়স থেকেই এদের প্রশিক্ষণ দিতে পছন্দ করেন। নিয়মিত পরিকল্পিত অনুযায়ী প্রশিক্ষণ আপনাকে ইতিবাচক ফলাফল এনে দিবে এর জন্য প্রয়োজন আপনার ধর্য্য এবং একাগ্রতা। যদি আপনি হাল ছেড়ে দেন তবে আপনি ব্যার্থ হবেন। এদেরকে প্রশিক্ষণ দেবার সময় অনেকগুলো বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় বিশেষত খাদ্য এবং এর পরিপূরক গুলো বিবেচনা করা উচিত। সর্ব প্রথম আপনাকে যে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সেটি হলো এদের খাবার ও পানি যাতে এরা ঘরে ফিরে এসেই গ্রহন করতে পারে।
আপনি খুব অল্প বয়সেই মূলত ২৪-৩০ দিনের বয়স থেকে এদের ট্রেইনিং করাতে পারলে সম্ভাব্য সেরা রেসিং কবুতরগুলি খুঁজে পাওয়া সম্ভব। রেসার কবুতরদের প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য পদ্ধতিগুলি রেসের ধরণ এবং দূরত্বের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। এছাড়াও খাবারের গ্রহণের ধরনের উপর নির্ভর করে পদ্ধতিগুলিও পরিবর্তিত হয়। বিভিন্ন ধাপে এদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়,চলুন ধাপ গুলো জেনে নেই।

#ধাপ ১ঃ- এদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো অল্প বয়স থেকেই শুরু করা। অল্প বয়সে এদেরকে লফ্টে একটি নেটের তারে ঘেরা অঞ্চলে রেখে প্রশিক্ষণটি শুরু করুন এবং লফ্টে খাবার রাখুন। এটি তাদের খাবার এবং জলের জন্য লফ্টে ফেরা নিশ্চিত করবে এবং লফ্ট চিনতে সাহায্য করবে। এই কাজটি প্রথম দুই থেকে তিন সপ্তাহ অনুসরণ করা যেতে পারে।

#ধাপ ২ঃ- এখন আপনি তারেঘেরা অঞ্চলটি উন্মুক্ত করে দিন এবং কবুতরগুলি মুক্ত করে দিন এবং এদেরকে স্বাধীন ভাবে উড়তে দিন। ভয় পাবেন না, এই পর্যায়ে কবুতরগুলি উড়তে শুরু করবে,ঝাঁক বেধে চলবে এবং খাবার ও পানির জন্য লফ্টে ফিরে আসবে।এভাবে প্রথম ২ থেকে ৩ সপ্তাহ অনুসরণ করুন।

#ধাপ ৩ঃ- এবার আপনি কবুতর গুলোকে নিয়ে ২ বা ৩ মাইল দূরে নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু করুন। কবুতরগুলি নিজে লফ্টে ফিরে আসা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত পরবর্তী কয়েক দিন এটি চালিয়ে যান। যখন আপনি নিশ্চিত হবেন যে তারা কয়েকবার লফ্টে ফিরে আসে, এখন ধীরে ধীরে এটিকে ৫, ১০, ১২, ১৫, ২০ মাইল এভাবে ধিরে ধিরে বাড়িয়ে দিন।এভাবে প্রতিটা স্টেজে একাধিক বার সময় নিন।কবুতরদের প্রশিক্ষণের জন্য এটি সহজতম পদ্ধতি। প্রতিদিন বা সপ্তাহে কমপক্ষে তিনবার নিয়মিত কবুতরগুলি বাইরে নিয়ে যান।

*** বয়স্ক কবুতরের রেসিং ট্রেইনিংঃ-

রেসিং কবুতর প্রশিক্ষণের বিভিন্ন উপায় এবং কৌশল রয়েছে তবে মূল বিষয়টি হলো এমন একটি কৌশল আপনাকে সন্ধান করতে হবে যা আপনার এবং আপনার পক্ষে সবচেয়ে উপযুক্ত হবে।
প্রশিক্ষণটি সকাল ৭ টা -৯.৩০ এই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া ভালো তখন বায়ু টাটকা থাকে। প্রশিক্ষণের পূর্বে এদেরকে ছেড়ে দেয়া যাবে না,এমনকি লফ্টে কোনও খাবার বা পানিও দেওয়া যাবেনা।কবুতরগুলো একটি নিদিষ্ট দুরত্বে নিয়ে ছারতে হবে। সেটি ২ কিলোমিটার থেকে শুরু করে ধিরে ধিরে ৫,৬,৮,১০, এভাবে ৫০,৬০ কিলোমিটার দুরুত্বে যেতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে একই দুরুত্বে যেন লফ্টে ফিরে আসা পুনরাবৃত্তি ঘটে।কবুতরগুলি ফিরে আসার পরে তারা তাদের খাবার এবং পানি পাবে। এবং প্রতিটি প্রশিক্ষণের দিনে আপনাকে এই কাজটির পুনরাবৃত্তি করতে হবে।

এই কৌশলটির প্রভাবগুলি হল যে আপনার কবুতরগুলি বাইরে মূল্যবান সময়টি ব্যায় করবেনা এবং দ্রুত লফ্টে খাবার উদ্দেশ্যে ফিরে আসবে। প্রশিক্ষণের জন্য পরিষ্কার নীল আকাশ বা ভালো আবহাওয়া হওয়া উচিত।

নিশ্চিত করুন যে রেসে বা প্রশিক্ষণের কবুতর গুলো যেন অবশ্যই ট্যাপ ডোর দিয়ে প্রবেশ করে এবং যদি তাতে রেকর্ড সেন্সর না দেয়া থাকে তবে তাদের আগমনের সময় সম্পর্কে ম্যানুয়ালি ( নিদিষ্ট স্থান থেকে কবুতরগুলো ছাড়ার সময় এবং লফ্টে প্রবেশের সময়)প্রতিটা কবুতরের জন্য আলাদা আলাদা নোট করতে হবে ট্যাগ নাম্বার অনুযায়ী ( ট্যাগ সম্পর্কে অন্য একটি পোস্টে আলোচনা করবো) । যদি আপনার কবুতরগুলি একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে ভাল রেজাল্ট সম্পাদন না করে তবে সঠিক সময়ে রিটার্ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশিক্ষণটি ২-৩ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

আপনি যখন আপনার পুরানো কবুতরগুলো কে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করবেন তখন আপনি সর্বপ্রথম কোন মেথর্ড টি অনুসরণ করবেন সেটি আগে চিন্তা করতে হবে। একটু নির্দিষ্ট মৌসুম রেসিং এর জন্য নির্বাচন করুন এবং সেই অনুযায়ী কবুতরগুলিকে প্রশিক্ষণ দিন।

আমি এখানে একজন আন্তর্জাতিক মানের কবুতর রেসার এর প্রশিক্ষক "Dacian Busecan"এর প্রশিক্ষণ পদ্ধতি গুলো উল্লেখ করবো।

তিনি তার প্রশিক্ষণ কে দুইটি ভাগে ভাগ করেছেন।
১/ গতি এবং মাঝারি দূরত্বের পরিক্ষা প্রশিক্ষণ।
২/ দীর্ঘ দূরুত্বের এবং সহ্যশক্তির পরিক্ষা প্রশিক্ষণ।

***গতি এবং মাঝারি দূরত্বের পরিক্ষা প্রশিক্ষণ পদ্ধতিঃ-

***প্রথম সপ্তাহঃ-

২০কিঃমি- প্রথম দিন

২৫কিঃমি- দ্বিতীয় দিন

৩০ কিঃমি- তৃতীয় দিন

৪০ কিঃমি- চতুর্থ দিন

৪৫ কিঃমি - পঞ্চম দিন

ষষ্ঠ এবং সপ্তম- ২ দিনের বিরতি।

*** দ্বিতীয় সপ্তাহঃ-

৪০কিঃমি- প্রথম দিন।

৭০কিঃমি- দ্বিতীয় দিন।

৯০কিঃমি- তৃতীয় দিন।

১০০ কিঃমি- চতুর্থ দিন।

১০০ কিঃমি - পঞ্চম দিন।

ষষ্ঠ এবং সপ্তম দিন -২ দিন বিরতি।

*** তৃতীয় সপ্তাহঃ-

১৫০ কিঃমি,পশ্চিম দিক থেকে - প্রথম দিন।

১৫০ কিঃমি,পূর্ব দিক থেকে- দ্বিতীয় দিন।

১৫০ কিঃমি,উত্তর দিক থেকে- তৃতীয় দিন।

১৫০ কিঃমি,দক্ষিণ দিক থেকে - চতুর্থ দিন।

১৫০ কিঃমি, রেসের গন্তব্যের দিক থেকে - পঞ্চম দিন।

ষষ্ঠ এবং সপ্তম দিন -২ দিন বিরতি।

***চতুর্থ সপ্তাহঃ-

-প্রথম রেসের জন্য এটি সত্যই গুরুত্বপূর্ণ (যেমন: ১০০ কিলোমিটার রেসের জন্য। )

৯০ কিঃমি - প্রথম দিন।

১০০ কিঃমি, (প্রতিযোগিতার মুল পয়েন্টের নিকটবর্তী স্থান থেকে)- দ্বিতীয় দিন।

৯০ কিঃমি- তৃতীয় দিন।

১০০ কিঃমি-(দ্বিতীয় দিন এর মতো)- চতুর্থ দিন

পঞ্চম দিন -কবুতরগুলি লফ্টের অভ্যন্তরে থাকবে - এটি Basketing এর দিন।

চতুর্থ সপ্তাহে আপনি কী কাজ সম্পন্ন করেছেন, আপনি চতুর্থ দিনে কবুতর গুলোকে যে ভাবে রেখেছিলেন ঠিক সেই ভাবেই প্রশিক্ষণ থেকে ফিরে আসার সময়ে সে কী আচরণ করবে তা আপনাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

সাধারণত রেসিং মৌসুমে যখন রেস প্রতিযোগিতা শুরু হয় এর আগে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার এদের রেসিং প্রশিক্ষণ দেয়া উচিৎ তবে ট্রেইনিং সপ্তাহের শেষ দিন এদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে।

***দীর্ঘ দূরুত্বের এবং সহ্যশক্তির পরিক্ষা প্রশিক্ষণ পদ্ধতিঃ-

দীর্ঘ দূরুত্বের এবং সহ্যশক্তির পরিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং গতি এবং মাঝারি দূরত্বের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি থেকে পৃথক হয়ে থাকে। এখানে আপনার প্রধান লক্ষ্য হলো, আপনার কবুতরগুলিকে নিদিষ্ট করা এবং লফ্টের ভেতর রাখা।

দীর্ঘ দূরুত্বের এবং সহ্যশক্তির পরিক্ষায় রেস হয় তবে প্রতি সপ্তাহে একই কবুতরটিকে রেসে পাঠানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়, কমপক্ষে ১০ দিন অন্তর রেসে পাঠানো উচিৎ।

রেসিং কবুতর প্রশিক্ষণের জন্য সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেস কবুতর এমন একটি জিনিস যাতে সফল হতে তৈরিতে সময় লাগবে, এবং প্রচুর জ্ঞান প্রয়োজন ।

প্রশিক্ষণের সময় কবুতর গুলিকে বিভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়া জরুরী, যাতে তারা লফ্টে ফিরে আসার উপায়টি নিজে সন্ধান করতে পারে। এভাবে আপনার রেসার কবুতরটি রেসিং এর জন্য উপযুক্ত হবে। মনে রাখবেন বৃষ্টি, ভারী বাতাস এবং কুয়াশার সময় প্রশিক্ষণের জন্য রেসিং কবুতরগুলি বের করবেন না। এসকল জলবায়ু পরিস্থিতি রেসিং কবুতরদের প্রশিক্ষণের জন্য উপযুক্ত নয় কারণ এটি তাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রথম দিকে ২ মাইল দূরে রেখে ধীরে ধীরে এটিকে ৫, ১০,১২ ১৫ এবং ২০ -এ বাড়িয়ে ছোটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। ততক্ষণে তারা ভাল গতি এবং আরও ভালো ভাবে লফ্টে ফিরে আসার বৈশিষ্ট্যগুলি রপ্ত করতে পারে।

রেসিং কবুতরদের একসাথে প্রশিক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধাগুলি হলো আপনি তাদের একত্রে টিকা দিতে সক্ষম হবেন এবং একই বয়সে বাবা মা থেকে আলাদা করতে পারা যায়। তাদের প্রশিক্ষণের সর্বোত্তম সময়টি সকাল ৯ টার আগে। যদিও প্রশিক্ষণের সময়সূচি এবং দূরত্বগুলি পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে। আপনার কবুতরগুলোর জন্য পৃথক প্রশিক্ষণের সময়সূচি থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কবুতর খুব আকর্ষণীয় হয় বিশেষত যদি আপনি আপনার কবুতরগুলি ভালবাসেন। যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং যত্নের সাথে, কবুতরগুলি এক ঘন্টায় ৬০+ গতিবেগের সাথে এক ঘন্টার মধ্যে ৯০ মাইলেরও বেশি উড়তে সক্ষম হবে। আরও ভাল ফলাফলের জন্য, প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ খাওয়ান এবং কৃত্রিম উপাদান পরিপূরকগুলি এড়িয়ে যেতে হবে।
Copy post.

কবুতর,কবুতরের ডিম ও বাচ্চা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।কবুতর এমন একটা প্রাণী যা কিনা হাজার বছর ধরে মানুষের পছন্দের তালি...
27/04/2020

কবুতর,কবুতরের ডিম ও বাচ্চা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

কবুতর এমন একটা প্রাণী যা কিনা হাজার বছর ধরে মানুষের পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে।শুধু তাই নয় কবুতরের বিষয়ে রয়েছে হাজারো ইতিহাস। যদিও আমরা এই বিষয় গুলো সম্পর্কে এলোমেলো ভাবে হলেউ কিছুটা ধরনা রাখি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা কবুতর বিষয়ক এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। হয়ত এই তথ্য গুলো আমরা অনেকেই জানি। তবুও আজ এই তথ্য গুলোকে আমরা ধারাবাহিক ভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করে উল্লেখ করবে। যা হয়ত নতুন বা পুরাতন অনেক কবুতর পালকদের উপকারে আসবে বলে আশাবাদী। চলুন তাহলে তথ্য গুলো জানা যাক।

ক) কবুতর।

খ) কবুতরের ডিম।

গ) কবুতরের বাচ্চা ।

চলুন তাহলে তথ্য গুলো জানা যাক।

ক) কবুতরঃ-

১। কবুতর হলো সবথেকে প্রাচীনতম সৌখিন গৃহপালিত পাখি।

২। বন্য কবুতর বা ফেরাল রক কবুতরকে পৃথিবীর সমস্ত কবুতরের বংশধর হিসেবে ধরা হয়।

৩। দুইটি কবুতর মিলে একটি জোড়া হয়। জোড়াতে একটি মাদি অর্থাৎ স্ত্রী ও একটি নর অর্থাৎ পুরুষ কবুতর থাকে।

৪। কবুতর সারাজীবন একই সঙ্গীর সাথে থাকতে পছন্দ করে।

৫। জোড়ায় থাকা কবুতর সমান অংশগ্রহণে তাদের বাচ্চা লালন পালন করে।

৬। কবুতরের নর ও মাদি উভয়েই বাচ্চা কে প্রতিপালন এর জন্য ক্রপ মিল্ক তৈরির তৈরি করে। যা শুধু মাত্র ফ্লেমিঙ্গ ও উন্নত জাতের পেঙ্গুইন এর মধ্যে দেখা যায়।

৭। কবুতর সাধারণত ১০ - ১৫ বছর বেঁচে থাকে।

৮। পাখিদের মধ্যে একমাত্র কবুতর কেই সরাসরি যুদ্ধে আংশগ্রহনের জন্য বীর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

৯। কবুতরের সৃতি শক্তি এতটাই প্রখর যে অনেক বছর পরও সে তার পূর্বের বাসস্থান চিনতে পারে।

১০। কবুতর হলো পৃথিবীর সব থেকে দ্রুত পোষ মানা পাখি। যারা মানুষের সহচার্যে থাকতে ভালো বাসে।

১১। কবুতর সাধারণত নিজের তৈরি করা বাসায় ডিমে বসতে স্বাদছন্দবোধ করে।

১২। কবুতর সুস্থ থাকার জন্য তারা নিজেরাই নিয়মিত গোসল করে।

১৩। কবুতর দীর্ঘ দিন এদের রোগ লুকিয়ে রাখতে পারে। এমন কি মৃত্যু অবধি।

১৪। কবুতর ঘরে ফেরার জন্য দুই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে। ম্যাপ সেন্স ও কম্পাস সেন্স। ম্যাপ সেন্সের ক্ষেত্রে তারা যেখানে বাস করে সেখানকার ভূমির চিহ্ন ও গন্ধ কাজে লাগায়। কম্পাস সেন্সের ক্ষেত্রে সূর্যের অবস্থান ও গতিবিধির ওপর নির্ভর করে।

১৫। কবুতর ঝাঁক বেঁধে থাকতে পছন্দ করে। এই ঝাঁকের নেতৃত্ব থাকে একটি কবুতর। বাকিরা তাকে অনুসরণ করে।

১৬। কবুতর কখনোই ভুলে না এবং ক্ষমাও করে না।কবুতর সম্পর্কে সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে বন্য কবুতর মানুষের চেহারা চিনতে পারে। তাদের বোকা বানানো খুব কঠিন।

১৭।কবুতর ৬০০০ ফিটের ও বেশি উচ্চতায় সাচ্ছন্দ্যে উড়তে পারে।

১৮। কবুতরের উড়বার গতি ঘন্টায় গড়ে ৭৭.৬ মাইল ( ১২৫.৮৬ কিলোমিটার) থেকে ৯২.৫ মাইল (১৪৮.৮৩ কিলোমিটার)।

১৯। কবুতর ১ দিনে ৬০০-৭০০ মাইল ( ৯৬৫-১১২৬ কিলোমিটার) পথ অতিক্রম করতে পারে।

২০। কবুতর মানুষের মত সব রং চিনতে পারে।

২১। কবুতর সাঁতার কাটতে পারে না তবে সমস্ত পালক ভেজা অবধি পানির উপর ভেসে থাকতে পারে।

২৩। কবুতরের কোন ব্লাডার এবং মুত্রথলি নেই।

২৪। কবুতর রাতে চোখে খুব কম দেখে।

২৫। কবুতরের জিহ্বা লম্বা ও শরু।

২৬। কবতর সব ধরনের আবহাওয়া ও পরিবেশে খাপখাওয়াতে পারে।

খ) কবুতরের ডিমঃ-

১। কবুতর সাধারণত ৫ মাস বয়সে প্রথমবার ডিম দেয়। সর্বচ্চ ৭ মাস সময় নিতে পারে।

২। কবুতর সাধারণত ৪৮ ঘন্টার ব্যাবধানে দুইটি ডিম দিয়ে থাকে।

৩। কবুতর সাধারণত বিকেলে বা সন্ধ্যার পর ডিম দেয়।

৪। সাধারণত ৪ থেকে ৫ দিনে ডিম জমতে শুরু করে।

৫। প্রথম ডিম দেয়ার পর মা কবুতর ওই ডিমের উপর দাঁড়িয়ে থাকে অর্থাৎ ডিমে তাপ দেয় না। এতে আপনি বুঝবেন কবুতরটি দ্বিতীয় ডিম দিবে। যদি দেখেন প্রথম ডিমে প্রথম থেকেই তা দিচ্ছে তবে বুঝবেন কবুতরের ২য় ডিম দেবার সম্ভাবনা নেই।

৬। মাঝে মাঝে কবুতর তিনটি ডিমও দিয়ে থাকে। তবে তৃতীয় ডিমটি প্রথম দুটি ডিমের তুলনায় ছোট হয়।

৭। কবুতরের একটা ডিমের গড় ওজন ১৪ - ১৫ গ্রাম হয়ে থাকে।

৮। ডিম দেয়ার পর নরমালি মা ও বাবা কবুতর পালাবদল করে ডিমে তা দেয়।

৯। কবুতরের ডিম সাধারণত ১৭ -১৯ দিনে ফুটে।

১০। কবুতরের ডিম যদি গরম পানিতে সিদ্ধ করা হয় তবে তা কাঁচের মত সচ্ছ দেখায়।

১১। ডিম ধরলে বাচ্চা হবে না এটা একটা কুসংস্কার।

গ) কবুতরের বাচ্চাঃ-

১। সাধারণত কবুতর ডিম দেবার ১৭-১৯ তম দিনে ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়।

২। সাধারণত কবুতরের বাচ্চা ডিমের একদম মাঝখান থেকে ভেংঙ্গে বের হয়।

৩। ১ দিন বয়সের কবুতরের বাচ্ছার ওজন গড়ে ১২/১৩ গ্রাম হয়।

৪। সাধারণত বাচ্চা ফোঁটার ৪ থেকে ৫ দিনে বাচ্চার চোখ খোলে।

৫। কবুতরের বাচ্চার পরিপূর্ণ হতে ২৬ থেকে ২৮ দিন সময় লাগে। এবং নিজে নিজে খেতে পারে।

৬। কবুতরের বাচ্চাকে স্কুইকার বলে।

৭। কবুতরের বাচ্চা ফোঁটার প্রথম ৪ দিন শুধু এক ধরনের দুধ খেয়ে বেঁচে থাকে, একে পিজন মিল্ক বা ক্রপ মিল্ক বলে। এবং এটি ৭ দিন পযন্ত চলে।

৮। কবুতরের বাচ্চা উড়া শিখতে ২৫- ৩০ দিন সময় লাগে।

এর বাইরে আপনার কোন তথ্য জানা থাকলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।আসা করি সাথেই থাকবেন। নতুন এবং প্রয়োজনীয় পোষ্ট গুলো পেতে আমাদের ব্লগটি Follow করুন এবং নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকুন। এছাড়াও কোথাও কোন ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।

আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।

আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।

আল্লাহ হাফেজ

তথ্য সংগ্রহে এবং লেখকঃ-

জাকারিয়া হাসান এমরান

Admin

Pigeon Healthcare In BD

*******Thank You *******

উন্মুক্ত
27/04/2020

উন্মুক্ত

19/09/2016

Address

কামরাঙ্গির চর, হাসান নগর, ঝাউলাহাটি চৌরাস্তা, ২নং: গলি, বাড়ি নং: ৪৮৯।
Dhaka
1211

Telephone

+8801856741117

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Racer pigeon pet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Racer pigeon pet:

Share