বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চে?

23/12/2018

Bangladesh Awami League (BAL) has massacred in Bangladesh. Bangladesh has never experienced such a civil war after 1971. It's time to raise voice against Awa...

13/12/2018

মদিনা সনদ দিয়ে দেশ চালানোর নমুনা দেখুন। মুসলমান তো দূরের কথা, যার মধ্যে সামান্য মনুষত্ব আছে, সে কোনো দিন আওয়ামীলীগকে সমর্থন করতে পারে না।

12/12/2018

ব্যালট দিয়ে বুলেটের জবাব দিন।

08/12/2018

বিসমিল্লাহহির রহমানীর রহীম। আপনি কিভাবে এই বিষয়গুলোকে পায়ে মাড়িয়ে আওয়ামীলীগকে ভোট দিতে পারবেন? একবার চিন্তা করুন, এটি শুধু আপনার ভোট নয়, এটি হচ্ছে হক ও বাতিলের যুদ্ধে আপনি কোন পক্ষকে সর্মথন দিলেন। মনে রাখবেন ইসলামকে বিজয় দেয়ার দায়িত্ব আমার বা আপনার নয়, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ওয়াদা করেছেন, তিনি তাঁর দ্বীনকে এবং মুমিনদেরকে বিজয়ী করবেন-ই তাতে আমার বা আপনার সমর্থন থাকুক বা না থাকুকা। ইসলামপন্থীদের পক্ষে একটা ভোট দিয়ে তাদের বিজয় হলো কিনা সেটা না দেখে, আপনি যে জিতলেন সেটা ভাবুন। আপনার যতটুকু ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছেন ততটুকুর উপরেই আপনার বিচার হবে। আর সেই ক্ষমতাটুকু আপনি কাদের পক্ষে দিবেন সেটা চিন্তা করেন।

১. আপনি কি তাদের পক্ষে ভোট দিবেন, যারা আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দিয়েছে এবং বাংলাদেশের সকল দলের গঠনতন্ত্র তথা মূলমন্ত্র সংবিধানে সেটা তুলে দিতে বাধ্য করেছে। যারা আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দেয় তাদেরকে এককথায় কি বলে সেটা আপনি ভেবে দেখুন।

২. "আল্লাহ সকল ক্ষমতার মালিক" এই কথাটি তারা শুধু নিজেরা তুলে দিয়নি বরং অন্য সকল দলকে বাধ্য করেছে সেটা তুলে দিতে। যেসব দল ঈমানের এই মূলমন্ত্র তুলে দিতে পারিনি, তাদের দলকে বাতিল করে দেয়া হয়েছে । এখন আপনি ভেবে দেখুন, এই কথাটি কি আপনি আপনার ঈমান থেকে তুলে দিতে পারবেন? আর যারা তুলে দিয়েছে, তাদেরকে সমর্থন দিতে পারবেন?

৩. ৫ই মে রাতের আঁধারে কোরআন মুখস্থ করা হাফেজদের কে গণহত্যা করা হয়েছে। আপনি ভিডিও চান? আমি দিতে পারবো। ওই গণহত্যার ভিডিওর সরকার মুছে ফেললে-ও সবজায়গা থেকে মুছে ফেলতে পারিনি। কি দোষ ছিল জানেন হাফেজদের? তারা চেয়েছিলো আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে যেভাবে নাস্তিক মুরতাদরা আল্লাহ ও রাছুল কে ব্যঙ্গ করছে তার বিরুদ্ধে একটা আইন করতে। সেটা কি আপনি চাননা? আপনি কি পারবেন সেই রক্তের উপর দিয়ে হেটে নৌকায় আবার ভোট দিতে?

৪. কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের একটা ন্যায্য দাবি ছিলো, কোটা কমিয়ে মেধাকে বেশি গুরত্ব দেয়া। সেখানে শেখ হাসিনা একটা মিথ্যা ওয়াদা করে, পরে যখন শেখ হাসিনা উল্টো ডিগবাজি দেয়, তখন ছাত্ররা মাঠে নামলে তাদের উপর কি নির্মম নির্যাতন হয়েছে। এখনো অনেক ছাত্রের মায়ের চোখের পানি মুছতে হয় শাড়ির আঁচল দিয়ে। আপনি কি পারবেন এই নিরীহ ছাত্রদের রক্তের উপর দিয়ে হেটে যেয়ে নৌকায় ভোট দিতে?

৫. স্কুলের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা চেয়েছিলো নিরাপদ সড়ক। আর তার জন্য বাচ্চা মেয়েদেরকে ধর্ষিত হতে হয়েছে, রক্ত ঝরেছে কোমলমতি শিশুদের। আপনি কি চাননা নিরাপদ সড়ক? মনে রাখবেন এই নিরাপদ সড়কের বিরোধিতা করা আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়ে আপনি নিজের সন্তানের মৃত্যু যেন বাস চাপায় হয় সেই পক্ষেই রায় দিলেন।

এখন ভেবে দেখুন কোন মার্কায় ভোট দিবেন। আমি বলিনি বিএনপি ধুয়া তুলসী পাতা। কিন্তু যখন দুটো খারাপের মধ্যে একটাকে বেছে নিতে হবে তখন ইসলামের নিয়ম হচ্ছে কম খারাপকে বেছে নেয়া। বিএনপি আর যেটা করুক নাস্তিকতাকে উস্কে দিয়নি। একজন মুসলিম হিসেবে, একজন বাংলাদেশী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে, আপনি কি পারবেন আওয়ামীলীগকে ভোট দিতে? মনে রাখবেন, আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে আপনার এই কর্মের। অন্যায়কারীদের সমর্থন দেয়ার অর্থ হলো সেই অন্যায়কে আপনি উৎসাহ দিলেন সেটার সমান ভাগ আপনাকে নিতে হবে। জাজাকাল্লাহু খাইরান। (ক্যানাডা থেকে লিখেছেন শাহাদ ভাই)

03/12/2018

"বাংলাদেশের মুসলিমদের কাছে প্রশ্ন"
---------------------------------------------
যে আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দেয় তাকে কাফের বলে। আল্লাহর প্রতি যার আস্থা আছে তাকে বলে আস্তিক, আর যার নেই তাকে বলে নাস্তিক। নাস্তিক শব্দের সরল আরবী হচ্ছে কাফের। আর তার বহুবচন হচ্ছে কুফ্ফার। যে দল বা সম্প্রদায় বা গোষ্ঠী বা সমিতি বা সংগঠন আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দেয় সেই দলকে সমষ্টিগতভাবে কুফ্ফার বলা হয়। সেই দলের নাম জামায়াত হোক, বিএনপি হোক, আওয়ামীলীগ হোক বা অন্য যাই হোক। কাফেরের কয়েকটি স্বরূপ আছে। যেমন: ব্যক্তি পর্যায়ে কাফের। এই জাতীয় কাফেররা নিজেকে কাফের বলে, এবং অন্য কেউ মুসলিম বা খ্রিষ্টান বা হিন্দু হলে তার কিছু আসে যায় না। সে নিজের কুফরী বিশ্বাসকে সমৰ্থন করে সাথে সাথে অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসকে-ও শ্রদ্ধা করে। এই জাতীয় কাফের ইসলামের জন্য খুব হুমকি স্বরূপ নয়। তবে এই জাতীয় কাফেরদের অনেকের এই রূপের কারণ সেখানে ক্ষমতার অভাব। যখন সে ক্ষমতা পায় বা ঐক্যবদ্ধ শক্তি পায় তখন তার আসল রূপ প্রকাশ পায়। কাফেরের পরের রূপটি হচ্ছে: ঐক্যবদ্ধ একটি দল বা সংগঠন। কাফেরদের এই রূপটি ইসলামের জন্য হুমকি স্বরূপ। তারা ইসলামের ক্ষতি করতে না পারলে-ও অনেক মুসলিমদের বিশেষ করে ইসলামিস্টদের ক্ষতি করে। তারা মুসলিম ব্যক্তিকে বা মুসলিম দলকে যে কোনো ভাবে পরাজিত করার জন্য সব রকম শৃঙ্খল ও সাংগঠিনকভাবে চেষ্টা করে। তারা নানাভাবে মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে ব্রেন ইয়াশ করে ইসলামের বিরুদ্ধে এবং বিশেষ করে ইসলামিস্টদের কে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে। এই জাতীয় কুফ্ফারদেরকে একাকী ব্যক্তিগত ভাবে প্রতিহত করা অনেক কঠিন কাজ। বরং তাদেরকে- সাংগঠিনক ও শৃঙ্খলভাবে প্রতিহত করা বাঞ্চনীয়।

কাফেরদের সবচেয়ে বড়ো ও ফাইনাল রূপটি হচ্ছে মুসলিমদেরকে ধ্বংস করেই তারা ক্ষ্যান্ত হয় না বরং পরবর্তীতে যেন কোনোভাবেই এমন একটি ইসলামিক প্রজন্ম কখনোই বের না হতে পারে সেইজন্য ইসলামকেই পরিবর্তন করার টার্গেটে কাজ করে। এরা ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে এবং সেই প্রক্রিয়ায় কৌশলগত ভাবে ইসলামের প্রিন্সিপ্যালকেই পরিবর্তন করে। পরবর্তী প্রজন্মের সামনে ইসলামের মূলধারা যেটা তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে বা তাদের মাতবরী শেষ হয়ে যেতে পারে এমন সব প্রিন্সিপ্যাল গুলোকে পরিবর্তন করে ইসলামের অন্য প্রিন্সিপ্যালের মধ্যে ঢুকিয়ে শিক্ষা দেয়, লক্ষ্য হচ্ছে, এমন একটি প্রজন্ম তৈরী করা যা "করে নাক ফোঁস ফাঁস, মারে নাক ঢুশ ঢাস"। মানে মাতবরি করবো আমরা, দুনিয়া চালাবো আমরা, অর্থনীতি চালাবো আমরা, রাষ্ট্র চালাবো আমরা, আইন প্রণয়ন করবো আমরা, আর এই মুসলিমগুলো আমাদের কথা মতো শান্ত শিষ্ট নাগরিক ধর্মপালন করবে মসজিদে মন্দিরে। এই কাফেররা এর জন্য সাংগঠনিক ভাবে পর্যায়ক্রমে প্রথম টার্গেট করে শিক্ষা ব্যবস্থা, তার পরে চলতে থাকে মিডিয়ার মাধ্যমে ব্রেইন ওয়াশ, তার পার্ট হিসেবে নাটকে, সিনেমায়, পাঠ্য বইয়ে সব জায়গায় তাদের প্রোপাগান্ডা। তাদের অন্য একটি ধাপ হচ্ছে মোল্লা ব্রাডলিকে সমাজে প্রচলন করে ইসলামের শিক্ষা দেয়া। মোল্লা ব্রাডলি মানে হচ্ছে তাদের ধারার মোল্লা, মানে যেখানেই দেখবা মোল্লা ওমর বলছে ইসলামী রাষ্ট্রের কথা, ইসলামী অর্থিনীতির কথা, কাফেরদেরকে খেদিয়ে দিয়ে মুসলিম মা ও বোনকে মুক্ত করার কথা, তার অপর পাশে তারা ঠিকই মোল্লা ব্রাডলিকে গড়ে তুলেছে যাকে বলতে শোনা যাচ্ছে "ইসলাম মানে শান্তি, জিহাদ মানে কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে লড়া, ইসলামে রাজনীতি হারাম, ইসলামে অর্থনীতি হারাম, ইসলাম হচ্ছে মিলাদ দাঁড়িয়ে পড়বা নাকি বসে পড়বা" এই সব হাবিজাবি। মোল্লা ব্রাডলিদের মাধ্যমে এই কাফেররা ইসলামকে পরিবর্তন করার টার্গেটে নেমেছে, এটা হচ্ছে তাদের ফাইনাল রূপ। আর আল্লাহ এদেরকে টার্গেট করে বলছেন, ইসলামের সংরক্ষক আল্লাহ নিজে। আল্লাহ বলছেন, ওরা ভাবছে আল্লাহর নূরকে ফু দিয়ে নিভিয়ে দিবে, কিন্তু এটা আল্লাহর ওয়াদা, আল্লাহ এই দ্বীনকে পৃথিবীর অন্য সকল মতবাদ, বিশ্বাস, ফিলোসফি, ওর্য়াল্ডভিউ, আদর্শ, তত্ব ইত্যাদিকে হারিয়ে তাঁর দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করবেনই, তাতে কাফেররা কি ভাবল বা কষ্ট পেলো তাতে কিছু যায় আসে না।

প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের কাফেররা কোন পর্যায়ে? আমি বলবো তারা কাফেরদের যে ফাইনাল রূপ সেটিতে অলরেডি প্রবেশ করেছে এবং নিজেরা শুধু আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দেয়নি, বরং অন্যদেরকে আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দিতে বাধ্য করছে। "সকল ক্ষমতার মালিক আল্লাহ" এই বিশ্বাস যারা পোষণ করে তাদেরকে সমাজে, রাজীনীতিতে, অর্থিনীতিতে নিষিদ্ধ করেছে। আল্লাহ সকল ক্ষমতার মালিক এটার বিরুদ্ধতা করাই কাফের হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আমি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে কাফের বলিনি, অনেকেই আমাকে বলতে পারেন, ভাই তাকফিরি একটা কঠিন ব্যাপার, আপনি কাউকে কাফের বলতে পারেন না, কারণ আপনি তেমন মাপের মুফতি না। কথা টা সঠিক, আমি কাউকে কাফের বলছি না, শুধু মাত্র জেনারেল ভাবে কাফেরের সংগা ও বৈশিষ্ট্য বলছি। আকাশে চরে যে, তাকে এক কথায় বলে খেচর, মিথ্যা কথা বলে যে তাকে বলে মিথ্যুক, আর আল্লাহর উপর ঈমান ও আস্থা তুলে দেয় যে তাকে বলে কাফের। কাফেরের এর চেয়ে সিম্পল ও সহজ সংগা আর কি হতে পারে? সেই সঙ্গায় আওয়ামীলীগ পড়লো নাকি বিএনপি পড়লো নাকি জামায়াত পড়লো সেটা আপনারা বিচার করবেন। তবে আমি এইটুকু বলবো, কুফরী আদর্শ জেনে শুনে ও বুঝে যারা সমৰ্থন করে, তা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে, তাদের পক্ষে ভোট দেয় বা টাকা দেয়, তারা সকলেই এই কুফরী আদর্শের ধারক ও বাহক। আর কুফরী আদর্শের ধারক ও বাহককে কাফের ছাড়া কি বলে? বাংলাদেশের মুসলিম ভাই ও বোনদের কাছে প্রশ্ন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এখন আপনাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। কোনো কিছুই এখন আর অস্পষ্ট নেই। এখন চয়েস আপনাদের, কুফরী শক্তিকে প্রতিহত করবেন নাকি সমর্থন করবেন? তবে মনে রাখবেন আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে একদিন। আপনার যতটুকু সামর্থ্য তটকুটু কোন পক্ষের সমর্থনে কাজে লাগিয়েছেন? আর-রহমানের দলের পক্ষে নাকি আশ-শয়তানের দলের পক্ষে। কারণ এই মাঝখানে কিছু নেই, হয় আপনি আর রহমানের ক্যাম্পের অন্যথায় আপনি শয়তানের ক্যাম্পের। সময় এসেছে আপনার চয়েস মেক করার। সুযোগকে কাজে লাগান। মনে রাখবেন আল্লাহ তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেনই তাতে আপনার সমর্থন থাকুক আর না থাকুক, বরং এই বিজয় প্রক্রিয়ায় আপনার অংশ গ্রহন, এই সুযোগটা নিবেন নাকি নিবেন না সেটা আপনার চয়েস। (Writer: Shahad, Canada)

13/02/2017
19/01/2017

"আর একটা কথা বললেই পিস্তল দিয়ে গুলি করবো". এই হচ্ছে স্বাধীন বাংলার স্বাধীন পুলিশের আচরণ। আসলেই ওরা স্বাধীন, কোনো জবাবদিহিতা বলতে কিছুই নেই। ইচ্ছা হলেই গুলি,...

16/10/2016

Hasbunallahu wa ni'mal wakeel. When Ibrahim (a.h) was thrown into fire, he said it. And when the Sahabah of Rasulullah (s.m) faced the most difficult time of their life, they said it. And Allah witness it in Qur'an (3:173). Indeed a powerful Duaa for the believers.

08/08/2016

১৫ই আগস্ট বার বার আসে, কিন্তু প্রিয় বাংলাকে বাকশাল মুক্তকরণ সেই ১৫ই আগস্ট আর আসেনা। বাকশালের আগুনে বন্দী ৭৫-এ যেমন লক্ষ জনতা বাকশাল মুক্তির আনন্দ মিছিল করেছে, আজ ২০১৬-তে-ও মানুষ তেমনি একটি আনন্দ মিছিলের প্রহর গুনছে। তবে অতীত থেকে শিক্ষা হলো, বাকশাল এমন জিনিস, এর কোনো জীবাণু-ও রাখতে নেই, কেননা সেই জীবাণু-ই একদিন আরেক বাকশালের জন্ম দেয়। কারোর জন্মদিন নয়, "বাকশাল নিপাত যাক" আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই দিনকে উদযাপন করার আহ্বান রইলো। ঈদ, পুজো ইত্যাদি দিনের পাশাপাশি, ১৫ই আগষ্টকে সরকারী ছুটির দিন ঘোষণা ছিলো লক্ষ প্রাণের দাবী। সেই দাবী পূরণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ইসলাম ধর্মে আল্লাহ সেই "যাদু" দিয়েছেন যার সংস্পর্শে মানুষ তার আত্মাকে খুঁজে পায়, তার অরিজিনাল রূপের সন্ধান পায়। বাই-ডিফল...
20/07/2016

ইসলাম ধর্মে আল্লাহ সেই "যাদু" দিয়েছেন যার সংস্পর্শে মানুষ তার আত্মাকে খুঁজে পায়, তার অরিজিনাল রূপের সন্ধান পায়। বাই-ডিফল্ট যে প্রকৃতিতে মানুষ মেড ইন, ইসলাম সেটার সন্ধান দেয় (ইসলামে এটাকে "ফিতরা" বলা হয়). আর পার্থিব্য জীবনে অসভ্য বেদুইন সমাজকে সভ্যতার আলো দিয়ে জ্ঞান বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ অবস্থানে নিয়ে যায়। এক ইয়াহুদী লেখক অপমান সূচক অর্থে লিখছেন, "ক্যামেল ড্রাইভাররা দখল করেছে সিজারের সিংহাসন।" ব্যাখ্যা একটাই, সিজারের মেকার, আপনার মেকার, আমাদের সবার মেকার যিনি, সেই সকল ক্ষমতার মালিক তিনিই তো ইসলাম ধর্মে এই "যাদু" দিয়েছেন, মুসলিমদের কি দোষ!

জাকির নায়েকের ভিডিও তদন্ত করতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করছেন তদন্তে নিযুক্ত একজন ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা।সরকারি ভাবে এই খবরটি প্রকাশ করতে দেয়া হয় নি।অবশেষে জিনিউজের একজন সাংবাদিক ফাস করেছেন এই খবরটি।জিন…

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category