Poultry Doctors BD । Dr.Md Shuhorab Hossain

Poultry Doctors BD । Dr.Md Shuhorab Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Poultry Doctors BD । Dr.Md Shuhorab Hossain, Veterinarian, Boteshwar, Belabo, Narshingdi, Dhaka.

পোল্ট্রি -ডেইরী কনসালটেন্ট |
ডা. মো. সোহরাব হুসাইন ।বিভিসি রেজিঃ৩৪১৯
পোল্ট্রি -ডেইরী ট্রেনিং • বই বিক্রি • সার্ভিস
✔ সার্ভিস (Poultry and Dairy)
✔ ডাক্তার ও খামারিদের জন্য ট্রেনিং
✔ পোল্ট্রি ও ডেইরি বই বিক্রয়
WhatsApp: 01717-300706 About You / আমাদের সম্পর্কে

Poultry & Dairy Consultant হিসেবে ডা. মো. সোহরাব হুসাইন বাংলাদেশজুড়ে পোল্ট্রি ও গবাদিপশু খাতে বৈজ্ঞানিক খামার ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত

্রণ, বায়োসিকিউরিটি, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা এবং প্রফেশনাল ট্রেনিং ও খামারি সার্ভিস প্রদান করে আসছেন।

সঠিক পদ্ধতিতে পোল্ট্রি—লেয়ার, ব্রয়লার, সোনালী, হাঁস, কবুতর, কোয়েল, টার্কি ও দেশী মুরগি—এবং গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন, চিকিৎসা ও খামার ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য ও পুষ্টিকর প্রাণিজ আমিষের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, অথচ এখনো প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি রয়ে গেছে। এই ঘাটতি পূরণে বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত প্রাণিসম্পদ খামার ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।

জেনে-বুঝে ও বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান নিয়ে খামারে বিনিয়োগ করলে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাত একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় কৃষি শিল্প হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সঠিক পরিকল্পনা এবং অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খামার স্থাপন করলে ঝুঁকি কমিয়ে লাভ নিশ্চিত করা সম্ভব।

Poultry / Dairy Problems & Solutions

By Dr. Shuhorab Hossain

পোল্ট্রি ও গবাদিপশু পালন, চিকিৎসা ও খামার ব্যবস্থাপনায় খামারিদের কাছে একটি বিশ্বস্ত নাম।

অনেক সময় পূর্ণাঙ্গ ধারণার অভাবে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনেকে খামার শুরু করতে পারেন না। আবার অনেকেই ভালো মানের, বাস্তবভিত্তিক ও প্র্যাকটিক্যাল বই খুঁজে পান না। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে আমরা ইতোমধ্যে—

📚 মোট ৫টি বই প্রকাশ করেছি, যার মধ্যে—

পোল্ট্রি পালন, চিকিৎসা ও খামার ব্যবস্থাপনার উপর ৩টি বই

গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন—ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা বিষয়ক ২টি বই

এই বইগুলোতে রয়েছে—

খামার স্থাপনা ও ঘর নির্মাণ

খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা

রোগবালাই, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

বায়োসিকিউরিটি

লাভজনক খামার পরিচালনার বাস্তব কৌশল

একজন খামারি বা ভেটেরিনারি ডাক্তার বইগুলো পড়ে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে খামার পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন।

বইয়ের অফার প্রাইস একদম নিচে দেয়া আছে।

ট্রেনিং ও সার্ভিস:

আমরা ভেটেরিনারি ডাক্তার ও খামারিদের জন্য প্রফেশনাল ট্রেনিং ও খামারিদের ব্যাচ ভিত্তিক /মাসিক সার্ভিস প্রদান করি।
👉 ট্রেনিং ও সার্ভিসগুলো পেইড।ট্রনিং প্রাইভেট গ্রুপে হয়।রেকর্ডেড ক্লাশ আপ্লোড আছে।যখন ইচ্ছে দেখা যাবে।আজীবন মেম্বারশিপ।মাসের শেষ শুক্রবার এবং শেষদিন একবার জুমে লাইভ প্রোগ্রাম আছে

ট্রেনিং ও সার্ভিসের আওতায় থাকে—

পোল্ট্রি ও গবাদিপশু খামার ব্যবস্থাপনা

রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা গাইডলাইন

বায়োসিকিউরিটি ও বায়োসেফটি

বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধান

যোগাযোগ ও ঠিকানা

ডা. মো. সোহরাব হুসাইন
বটেশ্বর, বেলবো, নরসিংদী

📞 মোবাইল: ০১৭১৭৩০০৭০৬

📚 বই অর্ডার করতে:
সরাসরি কল করুন অথবা WhatsApp করুন 👇
👉 https://wa.me/8801717300706

💳 বিকাশ / নগদ / রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করে
ঠিকানা দিলে সারা দেশে কুরিয়ারে বই পাঠানো হয়
(ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য)

বইয়ের নাম ও দাম ( অফার প্রাইস)
১।সহজে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা (লেয়ার,ব্রয়লার ও সোনালী) ১৭০০টা
২।সহজ ও আধুনিক পোল্ট্রি ব্যবস্থাপনা এবং পোল্ট্রি শিল্প ১৫০০টাকা
৩।সহজে পাখি পালন ও চিকিৎসা ( হাঁস,কবুতর,কোয়েল,টার্কি ও দেশি মুরগি) ৭০০টাকা
৪।সহজ ও আধুনিক ডেইরী ব্যবস্থাপনা এবং গরু মোটাতাজাকরণ ১২০০টা
৫।সহজে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা (গরু,ছাগল,ভেড়া ও মহিষ) ৭০০টাকা

14/06/2026

“একজন খামারি কেন ট্রেনিং নেবে?” — শুধু ব্যবস্থাপনা শেখার জন্য নয়!
অনেকেই মনে করেন—
“ট্রেনিং মানে শুধু মুরগি পালন শেখা।”
আসলে বিষয়টা এত সহজ না।
একজন খামারির জন্য ট্রেনিং শুধু ব্যবস্থাপনা শেখার বিষয় নয়, বরং ক্ষতি কমানো, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রতারণা থেকে নিজেকে রক্ষা করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের অধিকাংশ খামারি এই তিনটি বিষয়ই ভালোভাবে বোঝেন না।
১. সঠিক ব্যবস্থাপনা শিখে লাভ বাড়ানোর জন্য
ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে একজন খামারি শিখতে পারেন—
✅ ব্রুডিং
✅ ফিড ও পানির ব্যবস্থাপনা
✅ ভ্যাকসিন
✅ বায়োসিকিউরিটি
✅ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ
✅ রোগ প্রতিরোধ
ফলাফল?
✔ অযথা অ্যান্টিবায়োটিক কম লাগে
✔ খরচ কমে
✔ উৎপাদন বাড়ে
✔ ঝুঁকি কমে
✔ লাভ বাড়ে
২. ভুল তথ্য ও অপ্রয়োজনীয় খরচ থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য
যখন খামারির জ্ঞান কম থাকে, তখন—
ডিলার
অন্য খামারি
মেডিসিন কোম্পানি
বিভিন্ন পরামর্শদাতা
অনেক সময় ভুল তথ্য দিয়ে বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ও পণ্য বিক্রি করে খামারির খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে।
কিন্তু একজন প্রশিক্ষিত খামারি সহজে বিভ্রান্ত হন না।
তিনি জানেন—
কী দরকার, আর কী দরকার নেই।
৩. ডাক্তারের সাথে ভালোভাবে কাজ করার জন্য
অনেক সময় ভালো ডাক্তারও সঠিক তথ্য না পেলে সঠিক diagnosis করতে পারেন না।
একজন প্রশিক্ষিত খামারি—
✔ সঠিক history দিতে পারেন
✔ সমস্যাগুলো পরিষ্কারভাবে বুঝাতে পারেন
✔ চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন
✔ প্রয়োজনে চিকিৎসার সীমাবদ্ধতাও বুঝতে পারেন
এমনকি ডাক্তারের কোনো ভুল বা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেটা নিয়ে যুক্তিসঙ্গত আলোচনা করতে পারেন।
তাই ট্রেনিং মানে শুধু ব্যবস্থাপনা শেখা নয়
ট্রেনিং মানে—
📌 সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
📌 অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো
📌 প্রতারণা থেকে বাঁচা
📌 ডাক্তারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা
📌 ফার্মকে লাভজনক করা
শেষ কথা
একজন দক্ষ খামারি কখনো শুধু ওষুধের উপর নির্ভর করেন না।
তিনি জ্ঞান, দক্ষতা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করেন।
কারণ—
“ভালো খামার ভাগ্যের কারণে নয়, দক্ষতার কারণে তৈরি হয়।”
আর সেই দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ হলো—
ট্রেনিং। 🐔📚💙

পোল্ট্রি এবং ডেইরী ২টার জন্য ট্রেনিং এর সুযোগ আছে।
০১৭১৭৩০০৭০৬








13/06/2026

ফ্যাটেনিং বা বিফ রেয়ারিংঃ গরু কিনার পর করণীয়।
বর্তমানে গরু মোটাতাজাকরণ (Beef Fattening) একটি লাভজনক ব্যবসা। তবে হাট থেকে গরু কেনার পর সঠিক ব্যবস্থাপনা না করলে রোগের ঝুঁকি, ওজন কমে যাওয়া এবং আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই গরু খামারে আনার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
১. সুস্থ ও রোগমুক্ত গরু নির্বাচন করুন
গরু কেনার সময় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল করুন—
মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা ঝরছে কিনা।
ক্ষুরা রোগের লক্ষণ আছে কিনা।
নাক দিয়ে সর্দি বা অস্বাভাবিক নিঃসরণ হচ্ছে কিনা।
কানের দুই পাশে হাত দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক কিনা।
গরু স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা ও চঞ্চল আছে কিনা।
সামনের দিকে ঘাস ধরলে খেতে আগ্রহ দেখায় কিনা।
মল স্বাভাবিক আছে কিনা।
শরীরে হাত দিলে ত্বক স্বাভাবিকভাবে কেঁপে ওঠে কিনা।
২. খামারে আনার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন
গরুকে খামারে আনার পর ভালোভাবে গোসল করানো যেতে পারে। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক দ্রবণ ব্যবহার করে ক্ষুর, লেজ, মুখ ও নাকের অংশ পরিষ্কার করা যেতে পারে।
৩. ভ্রমণজনিত চাপ (Transport Stress) কমাতে ব্যবস্থা নিন
দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আনা গরুর ক্ষেত্রে—
পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি ও ইলেকট্রোলাইট সলিউশন সরবরাহ করুন।
গরুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন।
অসুস্থতা বা জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শ নিন।
৪. কোয়ারেন্টাইনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
সম্ভব হলে নতুন কেনা গরুকে ৭-১৪ দিন আলাদা ঘরে (Quarantine) রাখুন।
এ সময়—
শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।
খাবার গ্রহণ স্বাভাবিক আছে কিনা দেখুন।
ক্ষুরা, মুখ ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা আছে কিনা পরীক্ষা করুন।
এর ফলে সংক্রামক রোগ পুরো খামারে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।
৫. ধীরে ধীরে নতুন খাদ্যে অভ্যস্ত করুন
নতুন গরুকে প্রথম দিন থেকেই পূর্ণ রেশন দেওয়া উচিত নয়।
প্রথম দিকে—
কাঁচা ঘাস
খড়
অল্প পরিমাণ দানাদার খাদ্য
দিয়ে শুরু করুন।
পরবর্তীতে ধীরে ধীরে—
ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র (UMS)
ফারমেন্টেড কর্ন(এটা নিয়ে ভিন্নমত আছে)।এত গুরুত্বপূর্ণ না।
সাইলেজ
কনসেনট্রেট ফিড
খাওয়ানোর পরিমাণ বাড়িয়ে পূর্ণ রেশনে নিয়ে যেতে হবে।
হঠাৎ খাদ্য পরিবর্তন করলে বদহজম, এসিডোসিস, ফাঁপা রোগ (Bloat) এবং অন্যান্য পরিপাকজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৬. পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করুন
সব সময় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। গরমের সময় পানির চাহিদা আরও বৃদ্ধি পায়।
৭. টিকা ও কৃমিনাশক প্রয়োগ করুন
গরু সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে রেজিস্টার্ড পশুচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী—
ক্ষুরা রোগ (FMD)
গলাফুলা রোগ (HS)
অ্যানথ্রাক্স
ইত্যাদির টিকা প্রদান করতে হবে।
এছাড়া নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কৃমিনাশক ব্যবহার করে গরুকে কৃমিমুক্ত করা উচিত।
৮. ফ্যাটেনিং শুরু করার উপযুক্ত সময়
গরু নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার পর, সাধারণত ১৫-২০ দিন পর সুষম রেশন অনুসরণ করে মোটাতাজাকরণ কার্যক্রম শুরু করা ভালো।
সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে পারলে ৩-৪ মাসের মধ্যে সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
উপসংহার
হাট থেকে গরু কেনার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহের ব্যবস্থাপনাই পরবর্তী ফ্যাটেনিংয়ের সফলতা নির্ধারণ করে। তাই সুস্থ গরু নির্বাচন, কোয়ারেন্টাইন, ধীরে ধীরে খাদ্য পরিবর্তন, টিকা ও কৃমিনাশক প্রয়োগ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গরু মোটাতাজাকরণকে আরও লাভজনক করা সম্ভব।
সঠিক ব্যবস্থাপনাই সফল বিফ ফ্যাটেনিংয়ের মূল চাবিকাঠি।
FAQ
প্রশ্ন: হাট থেকে কেনা গরুকে কতদিন আলাদা রাখা উচিত?
উত্তর: সাধারণত ৭-১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা ভালো।
প্রশ্ন: নতুন গরুকে কি প্রথম দিন থেকেই পূর্ণ রেশন দেওয়া উচিত?
উত্তর: না। ধীরে ধীরে নতুন খাদ্যের সাথে অভ্যস্ত করতে হবে।
প্রশ্ন: ফ্যাটেনিং শুরু করার আগে কতদিন অপেক্ষা করা উচিত?
উত্তর: সাধারণত ১৫-২০ দিন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার পর ফ্যাটেনিং শুরু করা ভালো।
প্রশ্ন: নতুন কেনা গরুকে কখন টিকা দিতে হবে?
উত্তর: গরু সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্ট্রেসমুক্ত হওয়ার পর পশুচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টিকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: নতুন গরুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?
উত্তর: কোয়ারেন্টাইন, ধীরে ধীরে খাদ্য পরিবর্তন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ।







13/06/2026

এন্টিবায়োটিক নয়, আগে ডায়াগনোসিস:

ভাইরাল রোগে আতঙ্ক নয়, সঠিক রোগ নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনা।
পোল্ট্রি ফার্মে যত রোগ হয়, তার মধ্যে প্রায় ৫০% ভাইরাল রোগ। আর সবচেয়ে বেশি মর্টালিটি এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণও এই ভাইরাল রোগগুলো।
অথচ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
ভাইরাল রোগে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের দেশের ৯০-৯৫% খামারি হয় এ বিষয়টি জানেন না, অথবা জানলেও মানতে চান না। ফলে রোগ দেখা দিলেই এন্টিবায়োটিক শুরু হয়ে যায়।
অনেক ক্ষেত্রেই মনে হয়, আমরা মুরগির চিকিৎসার চেয়ে নিজেদের মনের চিকিৎসাই বেশি করছি!
মনে রাখতে হবে—
এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়।
তাই—
❌ নিউক্যাসল ডিজিজ (ND) বা আই বি হলে এন্টিবায়োটিক ভাইরাস ধ্বংস করবে না।
❌ গামবোরো বা IBD হলে এন্টিবায়োটিক ভাইরাস মারবে না।
❌ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (AI) বা অন্যান্য ভাইরাল রোগেও এন্টিবায়োটিক সরাসরি কাজ করে না।
তাহলে এন্টিবায়োটিক কখন প্রয়োজন?
কোন কোন ক্ষেত্রে ভাইরাল রোগের সাথে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন যুক্ত হতে পারে। তখন রোগ নির্ণয়, ইতিহাস, ক্লিনিক্যাল লক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।
কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—
ডায়াগনোসিস ছাড়াই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার।
এর ফলাফল—
✔ অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার
✔ চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি
✔ এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স
✔ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি
✔ ভবিষ্যতে কার্যকর এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা কমে যাওয়া
সফল পোল্ট্রি ব্যবস্থাপনার মূলমন্ত্র—
রোগের নাম জানার আগে এন্টিবায়োটিক নয়, আগে রোগ নির্ণয়।
আর ভাইরাল রোগ নিয়ন্ত্রণের মূল অস্ত্র হলো—
✅ বায়োসিকিউরিটি
✅ ভ্যাকসিনেশন
✅ সঠিক ব্যবস্থাপনা
✅ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ
✅ রোগ প্রতিরোধ
মনে রাখবেন—
সব রোগে এন্টিবায়োটিক লাগে না।
চিকিৎসার আগে ডায়াগনোসিস, আর ভাইরাল রোগ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো প্রতিরোধ।

#পোল্ট্রি রোগ
#ভাইরাল রোগ
#পোল্ট্রিতে ভাইরাল রোগ
#এন্টিবায়োটিক
#এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স #এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার
#পোল্ট্রি চিকিৎসা
#পোল্ট্রি ব্যবস্থাপনা
#বায়োসিকিউরিটি, #ভ্যাকসিনেশন
#নিউক্যাসল ডিজিজ
#মুরগির রোগ,
#মুরগির চিকিৎসা
Diseases

12/06/2026

গর্ভবতী গাভীকে অবশ্যই কৃমিনাশক দিতে হবে।না দিলে গাভী,বাচ্চা এবং খামারী সবার লস।






গাভী বীজ না ধরার (কনসিভ না করার) কারণ ও সমাধান।অধিকাংশ খামারী যে ভুল করে।আমাদের দেশের অধিকাংশ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতুচক্...
12/06/2026

গাভী বীজ না ধরার (কনসিভ না করার) কারণ ও সমাধান।
অধিকাংশ খামারী যে ভুল করে।

আমাদের দেশের অধিকাংশ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতুচক্র (Estrous Cycle) সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে তারা সঠিক সময়ে বীজ (AI) দিতে পারেন না, ফলে গাভী কনসিভ করে না।

👉 যদি একজন খামারি গাভীর হিট সাইকেল ভালোভাবে বুঝতে পারেন, তাহলে কনসিভ রেট অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়।

🔄 গাভীর ঋতুচক্রের ধাপসমূহ

গাভীর ঋতুচক্র সাধারণত ১৮–২৪ দিন (গড়ে ২১ দিন) এবং এটি ৪টি ধাপে বিভক্ত:

১. Pro-Estrous (প্রস্তুতি পর্ব)
২. Estrous (যৌন উত্তেজনা পর্ব / হিট)
৩. Meta-Estrous (কামত্তোর পর্ব)
৪. Di-Estrous (নিষ্ক্রিয় পর্ব)
🟡 ১. প্রস্তুতিপর্ব (Pro-Estrous)

এই ধাপটি হিট আসার প্রায় ২–৩ দিন আগে শুরু হয়।

🔍 লক্ষণ:
খাওয়া-দাওয়া কমে যায়
ঝিমুনি ভাব থাকে
যোনি থেকে স্বচ্ছ পাতলা ঝিল্লি (mucus) বের হয়

👉 এই পর্যায়ে বীজ দেওয়া উচিত নয়।

🔴 ২. যৌন উত্তেজনা পর্ব (Estrous / Standing Heat)

এই ধাপটি প্রায় ১২–২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

👉 অনেক খামারি এই সময়েই বীজ দেন, যা বড় ভুল।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

এই সময় বীজ দিলে কনসিভ না করার সম্ভাবনা খুব বেশি (প্রায় ৭০–৯০%), কারণ ডিম্বাণু তখনও পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে না।এই সময়েই ৮০% খামারী বীজ দিয়ে থাকে যা কনসিভ না হবার অন্যতম কারণ।

🔍 লক্ষণ:
ঘন ঘন প্রস্রাব করে
অন্য গাভীর উপর লাফিয়ে ওঠে বা অন্য গাভীকে উঠতে দেয়
যৌনাঙ্গ শুঁকে
দুধ উৎপাদন কমে যায়
অস্থির আচরণ করে
🟢 ৩. কামত্তোর পর্ব (Meta-Estrous) – ⭐ সঠিক সময়

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

⏱️ স্থায়িত্ব: ১–২ দিন

👉 এই সময় বীজ দিলে কনসিভ রেট সবচেয়ে বেশি (৮৫–৯৫% পর্যন্ত)।

🔍 লক্ষণ:
যোনি থেকে মাঝে মাঝে রক্ত মিশ্রিত ঝিল্লি বের হয় (metestrus bleeding)
📌 সঠিক নিয়ম (Golden Rule):

👉 হিট দেখার ১২ ঘণ্টা পর বীজ দিন

✔️ সকালে হিট → বিকালে বীজ
✔️ বিকালে হিট → পরদিন সকালে বীজ

👉 যদি আগের হিট মিস হয়ে যায়, তাহলে পরের দিন আবার বীজ দেওয়া ভালো

⚫ ৪. নিষ্ক্রিয় পর্ব (Di-Estrous)

⏱️ স্থায়িত্ব: প্রায় ১৪–১৫ দিন

কী হয় এই সময়ে:
ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে নষ্ট হয়ে যায়
জরায়ু ও জনন অঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে
নতুন চক্র শুরু হওয়ার প্রস্তুতি নেয়
❗ গাভী কনসিভ না করার অন্যান্য কারণ

শুধু সময় ভুল হলেই নয়, আরও কিছু কারণ আছে:

🔹 পুষ্টির অভাব
মিনারেল (Ca, P, Zn) ঘাটতি
প্রোটিন কম থাকা
🔹 জরায়ুর সংক্রমণ
metritis / endometritis
🔹 সাইলেন্ট হিট (Silent Heat)
লক্ষণ কম দেখা যায়
🔹 ভুল AI পদ্ধতি
অনভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান
খারাপ মানের সিমেন
🔹 বডি কন্ডিশন খারাপ
খুব রোগা বা খুব মোটা গাভী
✅ সমাধান ও পরামর্শ

✔️ গাভীর হিট নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন (দিনে ৩ বার)
✔️ সঠিক সময়ে AI দিন (AM-PM Rule)
✔️ সুষম খাদ্য ও মিনারেল দিন
✔️ প্রয়োজন হলে ভেটেরিনারি ডাক্তার দেখান
✔️ হিট রেকর্ড রাখুন

❓ FAQ (সাধারণ প্রশ্ন)
❓ ১. গাভী হিটে আসার কত ঘণ্টা পরে বীজ দিতে হয়?

👉 সাধারণত ১২ ঘণ্টা পরে (AM-PM rule)

❓ ২. হিটের সময় বীজ দিলে সমস্যা কেন হয়?

👉 তখন ডিম্বাণু পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে না, ফলে fertilization হয় না।

❓ ৩. গাভী বারবার হিটে আসে কেন?

👉 হতে পারে:

সঠিক সময়ে বীজ হয়নি
পুষ্টির অভাব
জরায়ুর সমস্যা
❓ ৪. Meta-estrous-এ বীজ দেওয়া কেন ভালো?

👉 এই সময় ডিম্বাণু ovulation-এর জন্য প্রস্তুত থাকে, ফলে কনসিভ রেট বেশি।

❓ ৫. গাভীর হিট কত দিন পর পর আসে?

👉 সাধারণত ১৮–২৪ দিন (গড়ে ২১ দিন)








কাজেই ট্রেনিং নিয়ে ফার্ম করুণ
কারণ
১. “ওষুধ নয়, জ্ঞানই বাঁচাবে আপনার খামার”
২. “শুধু চিকিৎসা চাইলেই হবে না, শিখতেও হবে”
৩. “খামার হারাচ্ছেন বাজারের কারণে, নাকি নিজের ভুলে?”
৪. “প্রতি বছর এত খামারি ঝরে পড়ে কেন?”
৫. “দামের উপর হাত নেই, কিন্তু দক্ষতার উপর তো আছে!”
৬. “সফল খামারি হতে চাইলে ওষুধের আগে ট্রেনিং নিন”
৭. “যে খামারি শেখা বন্ধ করে, তার লাভও একসময় বন্ধ হয়ে যায়”
৮. “ফার্মে লাভ চান? শুধু চিকিৎসা নয়, সিস্টেমে আসুন”
৯. “খামারে ভাগ্য নয়, দক্ষতাই সবচেয়ে বড় মূলধন”
১০. “চিকিৎসা দিয়ে নয়, জ্ঞান দিয়েই টিকে থাকবে খামার”
“খামার বাঁচাতে চাইলে শুধু চিকিৎসা নয়, শেখারও বিকল্প নেই”

কমেন্টে ট্রেনিং গ্রুপের লিংক দেয়া হয়েছে।ফি ১০০০টাকা

11/06/2026

দামের উপর হাত নাই কিন্তু নিজের দক্ষতার উপর ত আছে!

অনেকেই শিখতে চান না, শুধু চিকিৎসা চান।
কিন্তু খুব কম মানুষ জানতে চান—
কেন রোগ হলো?
কিভাবে ভবিষ্যতে এ সমস্যা এড়ানো যাবে?
ম্যানেজমেন্টে কোথায় ভুল ছিল?
বাস্তবতা হলো—
বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৯০% খামারির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেনিং নেই।
অনেকেই—
না পড়ে,
না শিখে,
না বুঝে,
শুধু অন্যের দেখে বা বাজারের কথায় ফার্ম শুরু করেন।
ফলাফল?
প্রতি বছর প্রায় ২০-২৫% খামারি ঝরে পড়েন।
হ্যাঁ, বাজারে দামের ওঠানামা একটা কারণ।
কিন্তু তার আগে নিজের দিকে তাকাতে হবে।
কারণ—
ডিম বা মুরগির দামের উপর আমাদের হাত নেই,
কিন্তু নিজের দক্ষতার উপর তো হাত আছে।
চিকিৎসা দিয়ে সব সমস্যার সমাধান হয় না
একজন সফল খামারি আর একজন ব্যর্থ খামারির পার্থক্য অনেক সময় ওষুধে না,
বরং—
✔ ব্রুডিং
✔ ফিড ম্যানেজমেন্ট
✔ বায়োসিকিউরিটি
✔ ভ্যাকসিন
✔ পানি
✔ লাইট
✔ পরিবেশ
✔ রেকর্ড রাখা
✔ সঠিক সিদ্ধান্ত
এর উপর নির্ভর করে।
চিকিৎসার চেয়ে ম্যানেজমেন্ট অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
কারণ—
ভুল ম্যানেজমেন্ট করে পরে ওষুধ দিয়ে লাভ করা যায় না।
তাই—
চিকিৎসা নয়, সঠিক ব্যবস্থাপনাই লাভের চাবিকাঠি।
দক্ষতার বিকল্প নেই
আজকের পোল্ট্রি সেক্টরে টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন—
📌 জ্ঞান
📌 দক্ষতা
📌 অভিজ্ঞতা
📌 সঠিক গাইডলাইন
দূরত্ব কোনো সমস্যা নয়
বর্তমানে—
✅ খামারিদের জন্য অনলাইন ট্রেনিং
✅ ভেটেরিনারি ডাক্তারদের জন্য বিশেষ ট্রেনিং
✅ গ্রুপভিত্তিক শিক্ষা
✅ সারা দেশে অনলাইন কনসাল্টেশন ও সার্ভিস
সবই সম্ভব।
কারণ—
দূরত্ব নয়, দক্ষতাই মূল বিষয়।
আমার অভিজ্ঞতা বলছে—
যেসব খামারি ও ডাক্তার নিয়মিত শিখছেন, ট্রেনিং নিচ্ছেন এবং সিস্টেম মেনে চলছেন,
তারা অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো করছেন।
কারণ—
“ভালো ফার্ম কখনো শুধু ভাগ্যের উপর চলে না, চলে দক্ষতার উপর।”
শেষ কথা
যদি সত্যিই লাভ করতে চান,
তাহলে শুধু চিকিৎসার পিছনে না ছুটে—
শিখুন।
ট্রেনিং নিন।
প্রয়োজনে সার্ভিস নিন।
একজন দক্ষ ভেটেরিনারি ডাক্তারের সাথে কাজ করুন।
কারণ—
ডাক্তারের বিকল্প নেই।
আর—
চিকিৎসা নয়, সঠিক ব্যবস্থাপনাই লাভের চাবিকাঠি। 💙🐔📚









10/06/2026

পুকুরে পানির পি এইচ এবং এমোনিয়া পরীক্ষা করলাম।
এমোনিয়া নাই তবে পানির পি এইচ কম আছে।৬.৫ আছে।লাগবে ৭.৫-৮.৫।চুন দিতে হবে শতাংশে ১-১.৫কেজি।আমাদের লাল মাটি এসিডিক।

09/06/2026

রানিক্ষেত হলে কি করব?
একটা সিদ্ধান্তই লাভ লস নির্ভর করে।

১।ওজন যদি ১১০০গ্রাম বা তার বেশি হয় তাহলে বিক্রি।
২।বয়স যদি ২১দিনের কম হয় তাহলে ভ্যাক্সিন দিতে হবে।

৩।ব্রয়লার ছাড়া কালারবার্ড /সোনালী/কক হলে অবশ্যই ভ্যাক্সিন দিতে হবে যদি বিক্রির মত ওজন না হয়।

৪।লেয়ার হলে বিক্রি না করে ভ্যাক্সিন দিতে হবে।

৫।ভ্যাক্সিন আক্রান্ত হবার ১ম বা ২য় দিন করতে হবে।
৬।কোন স্ট্রেইনের ভ্যাক্সিন হবে তা অবস্থা বুঝে ডাক্তার সিদ্ধান্ত নিবে।
৭।রানিক্ষেত নরমালি ২ ধরণের
এক্টা আছে যা সহজেই ডায়াগ্নোসিস করা যায় আবার আরেকটা আছে যা সহজে বুঝা যায় না।ভুল হবার ঝুকি থাকে।অভিজ্ঞ ডাক্তার বুঝবে।কাজেই ডাক্তারের অধীনে থেকে মুরগি পালন করুন।

নোট:
১-৩দিনের অবস্থা ডাক্তার বিবেচনা করে খামারীকে জানাবে।
ভ্যাক্সিন দিলেও ৩দিন দেখে মুরগির অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ভালর দিকে গেলে থাকবে
না হলে বিক্রি।

নোট: অনেকেই না বুঝে রানিক্ষেত হয়নি কিন্তু রানিক্ষেত মনে করে বিক্রি করে দেয় আবার অনেকে বুঝতে পারেনা ৩-৫দিন হয়ে যায়। যখন অনেক বেশি মারা যায়।খাবার কমে যায়,অসুস্থ হয় তখন আর কিছু করার থাকেনা
২-১০ লাখ টাকাও লস হয়ে যায় মুরগির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে।
সার্ভিস নিন ভাল থাকুন।
সব রোগ ভাল হয় না এবং চিকিৎসাও হয় না।তবে সেটা ডায়াগ্নোসিসই ডাক্তারের কাজ।





08/06/2026

মাছ এখন চালাক হয়ে গেছে।

Address

Boteshwar, Belabo, Narshingdi
Dhaka
1640

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Poultry Doctors BD । Dr.Md Shuhorab Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Poultry Doctors BD । Dr.Md Shuhorab Hossain:

Share

Category