PET and VET CARE

PET and VET CARE Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PET and VET CARE, Veterinarian, pabna sadar, Dhaka.

বিড়ালের খাদ্য হিসাবে ডিম - করণিয় ও বর্জনিয় : ….......…...........................১) ডিম কি বিড়ালকে খাওয়ানো যাবে? উত্তর -...
10/10/2025

বিড়ালের খাদ্য হিসাবে ডিম - করণিয় ও বর্জনিয় :
….......…...........................
১) ডিম কি বিড়ালকে খাওয়ানো যাবে?
উত্তর - হ্যাঁ সুপার ফুড ডিম বিড়ালের খাদ্য তালিকায় যুক্ত হলে বিড়ালের পুষ্টির অভাবজনিত অনেক সমস্যার-ই সমাধান হবে।

২) কিভাবে খাওয়াতে হবে?
উত্তর - কোন প্রকার মসলা, লবণ, দুধ, তেল ছাড়া সিদ্ধ ডিম খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াতে হবে।. কাঁচা, অর্ধ সিদ্ধ, ভাজা ডিম খাওয়ানো যাবে না।

৩) কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে?
উত্তর - যদি ডিমে বিড়ালের এলার্জি দেখা দেয় তাহলে বন্ধ করে দিতে হবে। Individual Hypersensitivity এর কারণে যদি চুলকানি, পাতলা পায়খানা কীংবা বমি হয় সেক্ষেত্রে ডিম খাওয়ানো যাবে না। ]

৪) মানুষের মত প্রতি দিন ডিম খাওয়ানো যাবে কী না?
উত্তর - সপ্তাহে ১-২ দিন খাওয়াতে হবে, প্রতিদিন নয়।

৫) বিড়ালকে কি একটা আস্ত ডিম খাওয়ানো যাবে?
উত্তর - কোন অবস্থাত্ই একটা বিড়ালকে একটা আস্ত মুরগী/হাঁসের ডিম খাওয়ানো যাবে না । 1-3 কেজি ওজনের জন্য আধা চা চামচ, ৩-৫ কেজি ওজনের বিড়ালকে ১ চা চামচ, ৬-৮ কেজি ওজনের বিড়ালের জন্য ২ চা চামচ ডিম ভর্তা খাওয়াতে হবে।
বিশ্ব ডিম দিবসের প্রেরণা হিসাবে নিজের ডিম খান এবং আপনার বিড়ালকে খেতে দিন। Adopted Cat কীংবা Orphan Cat গুলি বেশী লাভবান হবে। দূর হবে Stunted growth, Muscle Wasting, Rickets/Osteomalacia, Anorexia Syndrome এবং Hair fall এর মত সমস্যা।

17/07/2025

বিড়ালের FIP কিভাবে হয়?

বিড়ালরা সাধারনত একটি সাধারণ ভাইরাসের (FECV – Feline Enteric Coronavirus) সংস্পর্শে আসে, যা মূলত পেটে ঢুকে আন্ত্রিক কোষে (enterocytes) প্রবেশ করে।

👉 এই ভাইরাস সাধারণত হালকা ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা সৃষ্টি করে, যা নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায় এবং অনেক সময় ধরা পড়ে না।

কিন্তু কিছু বিড়ালের দেহে এই ভাইরাসের S প্রোটিন জিনে মিউটেশন (পরিবর্তন) হয়।
🔄 তখন ভাইরাসটি ম্যাক্রোফেজ/মনোসাইটে (immune cell) প্রবেশ করতে পারে এবং সেখানে সংক্রমণ ছড়িয়ে FIP (Feline Infectious Peritonitis) সৃষ্টি করে।

এই পরিবর্তিত ভাইরাসটি শরীরের ইমিউন কোষের ভেতরেই বংশবৃদ্ধি করে, তাই আর মলের মাধ্যমে অন্য বিড়ালে ছড়ায় না।

এখন আপনাদের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন ঘুরছে🤔 সব বিড়ালেরই কি FIP হতে পারে?

FIP হবে কি না তা নির্ভর করে বিড়ালের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উপর:

1️⃣ যদি শক্তিশালী সেল-মিডিয়েটেড ইমিউন রেসপন্স (T-cell নির্ভর প্রতিরক্ষা) থাকে, তাহলে বিড়ালের শরীর ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং FIP হয় না।

2️⃣ কিন্তু যদি অ্যান্টিবডি (হিউমোরাল) রেসপন্স বেশি হয়, তাহলে ভাইরাস ধ্বংস না হয়ে বরং অ্যান্টিবডি-ভাইরাস কমপ্লেক্স তৈরি হয়, যা রক্তনালীতে vasculitis বা প্রদাহ তৈরি করে। তখন শরীরে পানি জমতে শুরু করে — একেই বলে wet FIP (স্যাতস্যেত ধরনের FIP)।

3️⃣ আবার, যদি ইমিউন রেসপন্স মাঝারি ধরনের হয়, তাহলে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে ইমিউন কোষ জমে গুটি বা দানা (granuloma) তৈরি করে — একে বলে dry FIP (শুষ্ক ধরনের FIP)।

যেসব বিড়ালের FIP হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে:

🐱 FCoV ভাইরাস বহনকারী বিড়াল:
যে বিড়ালের শরীরে Feline Coronavirus (FCoV) আছে, তারা FIP রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনায় থাকে।

🏠 একাধিক বিড়াল একসাথে থাকা পরিবেশে (multi-cat household):
যেসব বাড়িতে একাধিক বিড়াল থাকে, সেখানে FCoV ছড়ানোর হার অনেক বেশি (প্রায় ৯০–১০০%)। তাই সেসব বিড়ালের FIP হওয়ার ঝুঁকিও বেশি।

🧒 কম বয়সী বিড়াল (

12/07/2025

ক্যাট ফ্লু (Cat Flu) – বিস্তৃত আলোচনা (চিকিৎসা ছাড়া)

---

১. পরিচিতি ও রোগের প্রকৃতি

ক্যাট ফ্লু হলো বিড়ালের একটি খুবই সাধারণ কিন্তু বিপজ্জনক ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের রোগ। প্রধানত ভাইরাসগুলো—Feline Herpesvirus (FHV-1) এবং Feline Calicivirus (FCV)—এ রোগের কারণ। এই রোগে সাধারণত নাক, গলা ও চোখ আক্রান্ত হয় এবং কখনো কখনো শরীরের অন্যান্য অংশেও প্রভাব পড়ে।

---

২. রোগ সৃষ্টির কারণ ও ছড়ানোর পথ

ভাইরাস সংক্রমণ: রোগটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায় যা আক্রান্ত বিড়ালের চোখ, নাক, লালা, হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।

পরিবেশগত সংক্রমণ: খাবারের পাত্র, বিছানা, খেলনা, জামাকাপড় ইত্যাদি মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে।

মানব হাত ও জামাকাপড়: আক্রান্ত বিড়ালের সঙ্গে স্পর্শের পর অপর বিড়ালের কাছে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

মায়ের দুধ: মা থেকে নবজাতক বিড়ালে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভবনা থাকে।

---

৩. লক্ষণসমূহ (Signs & Symptoms)

হাঁচি ও কাশি

নাক ও চোখ দিয়ে পানি পড়া

চোখ লালচে ও ফোলা

নাক বন্ধ হয়ে শ্বাসকষ্ট

মুখে আলসার (বিশেষ করে Calicivirus এর ক্ষেত্রে)

খাওয়া কমে যাওয়া

জ্বর

দুর্বলতা ও অলসতা

বাচ্চা বিড়ালে বমি ও ডায়রিয়া

---

৪. রোগের ছড়ানো ও সংক্রমণের ঝুঁকি

সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ দূষিত করে

একসাথে থাকা অনেক বিড়ালের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়

বাচ্চা ও দুর্বল বিড়ালের জন্য বিশেষ ঝুঁকি রয়েছে

ভাইরাস শ্বাসনালীতে দীর্ঘদিন থাকতে পারে এবং পুনরায় সক্রিয় হতে পারে

---

৫. চিকিৎসা ছাড়া রোগের ফলাফল (Prognosis Without Treatment)

রোগ দীর্ঘস্থায়ী হয় ও জটিলতা বাড়ে

শ্বাসকষ্ট ও চোখের সমস্যা বৃদ্ধি পায়

পানিশূন্যতা ও দুর্বলতার কারণে অবস্থা খারাপ হয়

সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ বাড়ে

ছোট বাচ্চা বিড়ালের মৃত্যু হতে পারে

ভাইরাস পরিবেশে ছড়িয়ে অধিক বিড়ালকে আক্রান্ত করে

---

৬. করণীয় ও এড়ানো উচিত এমন কাজ (Do’s and Don’ts Without Medical Treatment)

করণীয় (Do’s)

অসুস্থ বিড়ালকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা

নাক-চোখ নিয়মিত পরিষ্কার করা

গরম, আরামদায়ক, শান্ত পরিবেশ রাখা

পর্যাপ্ত পানি ও নরম খাবার খাওয়ানো

হাত নিয়মিত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

রোগ ছড়িয়ে পড়া রোধে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা করা

এড়ানো উচিত (Don’ts)

একসাথে অনেক বিড়াল রাখা

ঠান্ডা বা অপ্রস্তুত পরিবেশে রাখা

অশুভ এবং দূষিত পরিবেশে রাখার ফলে রো

12/07/2025

# #বিড়ালের ডিওয়ার্মিং (Deworming) # #

বিড়ালের ডিওয়ার্মিং (Deworming) করা হয় মূলত অন্ত্রের পরজীবী (কৃমি) নিয়ন্ত্রণের জন্য। কৃমি বিড়ালের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

#কেন ডিওয়ার্মিং প্রয়োজন?

1. স্বাস্থ্য রক্ষা: কৃমি বিড়ালের খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ করে, ফলে বিড়াল দুর্বল হয়ে পড়ে।

2. ওজন কমে যাওয়া: কৃমির সংক্রমণে বিড়াল ওজন হারাতে পারে।

3. বমি ও ডায়রিয়া: অনেক সময় কৃমির কারণে হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়।

4. গোবর বা মলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া: কৃমি মানুষের শরীরেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।

5. ত্বক ও লোমের স্বাস্থ্য ভালো রাখা: কৃমির কারণে বিড়ালের লোম নিস্তেজ ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

# #কখন ডিওয়ার্মিং করতে হবে?

**ছোট বিড়ালছানা:

২, ৪, ৬ এবং ৮ সপ্তাহ বয়সে

এরপর প্রতি ১ মাস পর একবার (৬ মাস বয়স পর্যন্ত)

**প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল:

প্রতি ৩ মাস পর একবার

যদি কৃমির লক্ষণ দেখা যায় তবে দ্রুত ভেটেরিনারির পরামর্শ নিতে হবে।

** গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা বিড়াল:

গর্ভকালীন ও দুগ্ধদান চলাকালীন সময়ে ভেটেরিনারির পরামর্শ অনুযায়ী ডিওয়ার্মিং করা উচিত।

# #বিড়ালের শরীরে পোকা (পরজীবী) কেন হয়?

বিড়ালের শরীরে বাহ্যিক (External) ও অভ্যন্তরীণ (Internal) পরজীবী হতে পারে, যা বিভিন্ন কারণে সংক্রমিত হয়।

১. বাহ্যিক পরজীবী (External Parasites) বা ত্বকের পোকা

(ক) ফ্লি (Fleas) বা মাছি জাতীয় পোকা

#কারণ:
√ সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে।

√ আশপাশের পরিবেশে (মাটি, কার্পেট, বিছানা) ফ্লির ডিম থাকলে।

#লক্ষণ:

√ অতিরিক্ত চুলকানি, ত্বকে লালচে দাগ।

√ ঘন ঘন শরীর কামড়ানো বা লোম চাটানো।

√ ছোট কালো দানাদার ময়লার মতো বস্তু (ফ্লির মল)।

(খ) টিক (Ticks) বা উকুন জাতীয় পোকা

#কারণ:

√ কুকুর বা অন্যান্য সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে আসলে।

√ ঘাস বা ঝোপঝাড়ে গেলে টিকের সংক্রমণ হতে পারে।

#লক্ষণ:

√ শরীরে শক্ত, গোলাকার পোকা দেখা যায়।

√ অতিরিক্ত চুলকানি ও ত্বকের প্রদাহ।

(গ) মাইটস (Mites) বা খোস-পাচড়া পোকা

#কারণ:

√ অপরিষ্কার পরিবেশে থাকা।

√ সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে এলে।

#লক্ষণ:

√ ত্বকের শুষ্কতা, লোম পড়া, কানের ভিতরে ময়লা জমা।

√ কানের মাইট হলে কালচে ময়লা ও অতিরিক্ত চুলকানি।

২. অভ্যন্তরীণ পরজীবী (Internal Parasites) বা অন্ত্রের কৃমি

#কারণ:

√ দূষিত খাবার ব

04/12/2024
30/11/2023

Welcome everyone to
"Pet and Vet Care"

Address

Pabna Sadar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PET and VET CARE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category