03/08/2025
নতুনদের জন্য 😀
যাদের পালার বয়স ৬ মাস 🤪
কবুতরের বিনা পয়সার কামলা ও তার কাজ ঃ
************************************
গিরিবাজ পালকদের মনে আনন্দ 💖❤
শীতের আগমনি বার্তা ?? 💖💘💖
যারা গিরিবাজ কবুতর পালি তারা সারা বছর যে যা করি , শীতের আগে আমরা কবুতর নিয়ে কাজ শুরু করি .সময় দেই । নিজে ধান ধুই , খাবার মিলাই । সময় পেলে নিজে খাবার দেওয়ার চেষ্টা করি ।
যাদের কবুতরের মোল্টিং শেষ তারা অনেকেই আর ক দিন পর থেকেই কবুতর বাহিরে দেওয়া শুরু করবেন ।
এই সময় সতর্কতা ও করণীয় ঃ
************************************
১)অনেক দিন কবুতর আটকা থাকার পর , শরীর ভারি হয়ে যায় তাই খুব সাবধানে বাহিরে দেওয়া
২) কবুতর অনেক গুলি আছে যারা ছাড়ার পর বাসায় না বসে ডাঈড়েক ঊড়াল দেয় আর পরে যায় অন্য কোথাও তাই এদের একটু শরীর ভিজিয়ে বা পাণি স্প্রে করে / খাঁচার ভিতর গোসল করিয়ে বাহিরে দেওয়া ভালো তাতে তারা ছাদে থাকবে ।
৩) প্রথম থেকেই সকালে না ছেড়ে বীকালে ছেড়ে তারপর ৫/৭ দিন পর আছতে আছতে রোদের তাপ সহ্য করার ক্ষমতা বাড়িয়ে সকালে বাহিরে দেওয়া ভালো ।
কারন অনেকের কবুতর ই ছায়া জায়গাতে ৬/৭ মাস আটকা থাকে হঠাৎ কড়া রোদে অসুস্থ হতে পারে.
৪) ১০/ ১৫/২০ দিন শুধু বাহিরে দিবেন যখন নিজে ঊড়ে পর ফ্রি হবে আর আছতে আছতে খাবার ভারী থেকে হালকা দিবেন হঠাৎ প্রথমেই খাবার হালকা দিলে বডি ভেঙ্গে যাবে ও হালকা টোকা /নারা দিবেন চাপ বা ফ্লাগ দিবেন না । কবুতর ১/২/৫ চক্কর দিক অসুবিধা নেই ।
আছতে আছতে উড়া বাড়বে ।
তার পরের আওয়াজে ই বুঝবেন সে উড়ার জন্য প্রস্তুত.
৫) এই সময় কবুতর প্রথমে অল্প উড়েই হাপায় ৫ মিনিটে মণে হয় ৩ ঘণ্টা ঊড়লো । আর অল্প ঊড়ে শরীর ও ব্যাথা হয় ।যেমন আমরা ১ বছর পর হটাত ক্রিকেট বা ব্যাডমিন্টন খেল্লে যেমন লাগে জয়েন্ট ব্যাথা হয় তেমন ।
A)এই হাঁপানি কমাতে আগের দিন আস্ত ধইণ্ণা ও ছব ৩ লিটার পানিতে ১ মূঠ পরিমাণ ভিজিয়ে রেখে পরের দিন ঊড়ে নামলে রেস্ট দিয়ে তারপর খেতে দিন ।
B) ব্যাথা কমাতে গোল হলুদ বেটে বা অনেকে ঐ হলুদ কিছুক্ষণ পুড়িয়ে উপরের কালো আবরণ ফেলে ভিতরের অংশ বেটে ১ লিটার পানিতে ১ চা চামচ মিশিয়ে ঐ পাণি খাওয়ান অথবা অনেকেই ধানের সাথে মিশিয়ে খাওয়ান ইনশাআল্লাহ উপকার হবে ।
C) এই সময় কবুতর এর দিকে খেয়াল রাখা অনেক রোদে কবুতর অসুস্থ হয় , চোখ ঊঠে , শুকীয়ে যায় , হটাত খাওয়া বন্ধ করে , শুধু পাণি খায় , ঝীমায় তাদের আলাদা করে চিকিৎসা করে ১০/১৫ দিন পর বাহিরে দেওয়া ।
৬) ঊড়াণো কবুতর ণর মাদি আলাদা রাখা , পাশাপাশি খাঁচায় বা ণর মাদি কাছাকাছি না রাখা ।
৭) এই সময়ে নর মাদি মাঝে মাঝে ১/২ ঘন্টার জন্য একসাথে ছেড়ে রেখে মুসতির সুযোগ দিলে এদের গরম ভাব কমে ও শীতেও গরম কম হয়. বাড়ির প্রতি টান ও বাড়ে.
৮ ) ণর মাদি আলাদা ছাড়া প্রথম দিকে । প্রয়োজনে ণর ছেড়ে উড়িয়ে নামিয়ে আটকিয়ে তার পর মাদি ছাড়া / আজকে ণর ছাড়লেন কালকে মাদি ছাড়েন ।
৯) কবুতর পুরো ঊড়া শুরু করলে ণর মাদি একসাথে ঊড়াণ কিন্তু একসাথে ছাড়া রাখা যাবে নাহ ।
তাতে তারা চড়া মূষতি করে জোড়া খেয়ে ঊড়া বন্ধ করে পর বাড়ী দিয়ে ণেমে যায় ।
ঊড়ে নামলে বামে বা আড়ায় নামলেই ধাপটিতে ছিটা আদার বা খাবার দিয়ে কবুতর আটকে ফেলতে হবে । খুব কঠিন কিন্তু অভ্যাস করতে হবে ।
১০) কবুতর একই মাণ এর না হলে দুই / তিন ভাগে ঊড়াণ ঃ
পলির কবুতর বা প্রথম বাহিনী ঃ
***********************************
এরা থাকবে সব দিক থেকে ভালো ।অভিজ্ঞ ।
ঊড়বে ভালো , যেকোনো ঝাক এর সাথে মিশে বা অনেকক্ষণ ঊড়বে । অনেক সময় দেখা যায় শীতকালে আমাদের কবুতরের ঝাক এর সাথে অন্য কারো ঝাক মিশে বা পাল্লার কবুতর এসে মিশে যায় তখন আপনার কবুতর শক্তিশালি না হলে ওদের সাথে চলে যাবে ।
২ণ্ড বা মিডল গ্রুপ ঃ
***********************
যারা ১ম গ্রুপ থেকে একটু দুর্বল বা নতুন তাদের কে ২ণ্ড গ্রুপ এ রাখুন ।
পলির কবুতর ক্ষমতার অর্ধেক ঊড়া শেষ হলে বা বিভিন্ন ঝাক এর সাথে মিশে যখন আবার আলাদা হয়ে বাড়ির উপর আসবে অন্য ঝাকে আবার মিশার সুযোগ থাকবে নাহ তখন ছাড়বেন ।
তৃতীয় বাহিনী ঃ
২/৪ টি কবুতর রাখুন যারা শুধু ছাদ থেকে বাম পর্যন্ত উড়তে পাড়বে ।
কবুতর নামার সময় হলে অনেক সময় বামে কবুতর দিতে হয় , তখন এদের কাজে লাগে ।
আলাদা খাঁচা রাখুন যারা বাজের থাবা খেয়ে আহত হবে বা অনেকের পালক পরে যায় বা কিনারের পর কাঁচা থাকে তাদের ঐখাণে রাখার জন্য ।
তারা ফূল ফিট হলে মূল খাঁচায় দিবেন ।
১০) টস বা ধাপ ছাড়া বা ধাপ এ ধাপ এ ছাড়া বা জাত বাছাই করা বা সঠিক জোড়া নির্বাচন ঃ
**********************************************************************************************
প্রথমে ১/২ দিন কবুতর ছাড়ার খাঁচায় ভরে ২০/৩০ মিনিট রেখে আবার ছাদে ছেড়ে দিন ।
না হলে প্রথম খাঁচায় ভরলে অনেক অস্থির হয় লাফালাফি করে ।
যদি ঝাক ছোটো করতে না চান তবে শীত এর মাঝামাঝি বা শেষ এর দিকে কিছু কবুতর বাড়ি থেকে ১ কিলো করে ২/৪ টা ধাপ বা ছাড়তে পারেন আপনার বাড়ির সব জাত থেকে ২/১ পিস করে ।
১/২ কিলো দূরে ২/৩ টা দিলে প্রথম দিকে তারা জানলো বাড়ি থেকে দূরে তাদের ছাড়া হচ্ছে । তারা মানসিক প্রস্তুতি নিলো ।
তারপর ৫ কিলো করে ২/৪ টা দিয়ে ৫/৭ কিলো করে আগানো ।
এক ধাপ থেকে আরেক ধাপ ২ দিন ৫০ কিলো পর্যন্ত ৫০ এর উপড়ে হলে ২/৩ দিন পর পর হলে পাল্লা ভালো হয় ।
সঠিক জোড়া মিলানো ও নির্বাচন ও এর গুরুত্ব ঃ
*****************************************************
কবুতর পালায় সব থেকে কঠিন অধ্যায় ।
ভালো কবুতর অনেকের কাছেই আছে কিন্তু কার সাথে কার জোড়া ভালো মিলবে বা ভালো ফলাফল আসবে তা অনেকেই জানি না , আমি নিজে ও জানি নাহ বা বুঝি না ।
দুই জন ৬০ কিলো জয় করা কবুতর জোড়া দিলেই যে তাদের বাচ্চা আসবে তার গ্যারান্টি নাই ।
সঠিক কবুতর জোড়া মিলানো আমরা যারা বূঝীণা তারা কি করতে পারি ঃ
**************************************************************************
নিজেদের পছন্দ মতো বা যা বুঝি তাই জোড়া দিয়ে ২ জোড়া বাচ্চা নিয়ে আবার আরেক ণর মাদি দিয়ে জোড়া মিলিয়ে তাদের ২ জোড়া বাচ্চা নেই ।
তারপর এদের রেকর্ড রাখি কার বাচ্চা কোণ্টা ।
তারপর খেয়াল করি কার বাচ্চা উড়তে গিয়ে হারায় , কার বাচ্চা ভালো ঊড়ে ? টস এ আসে ?
যার টা ভালো করবে আলহামদুলিল্লাহ তার জোড়া ই সঠিক , ঐ জোড়া দিয়ে বাচ্চা নেই কাজে লাগবে ।
ভূড়কী কি ?
************
অনেক সময় আমরা উড়ানোর ঝাক ছাড়ার পর দেখি কোণো কবুতর দুর্বল বা কানি পর ঝামেলার কারণে ভালো ভাবে উড়তে পারে না বা সব কবুতর ণেমে গেছে ১/২ জন ণামে নাই বা পাল্লা থেকে কবুতর এসে ণামে না , তখন বামে ২/৪ টা কবুতর দিয়ে ছিপ দিয়ে বামের ণীচ দিয়ে খোঁচা মারা জাতে ঐ কবুতর শুধু বাম থেকে একটু লাফ দিয়েই আবার বাম এ বসে পড়বে ।
তখন ঐটা দেখে ঐ কবুতর নেমে যায় ।
সাধারণ বা গরিবের কবুতরের খাবার ঃ
*****************************************
আমি সাধারণত উড়ানোর কবুতরকে খাবার দেই (আমার কবুতর ভালো ঊড়ে নাহ )
৮০ % ধান
১৫% রেজা
৫% গম + ভূট্টা ভাঙা+ ছোলা +.....অন্যান্য ।
টেপি ধান বেষ্ট
( কিন্তু সাবধান অনেকেই টেপিতে পোলাউর ধানের মতো একটি ধান মিক্স করে যাতে কবুতর গরম হয়ে যায় যা দেখতে কিছুটা টেপির মতো কিন্তু আরও ছোট )
ধান ঘিগজ ধান হলেও ভালো ।
আপনার বাজেট কম হলে নরমাল ধান খাওয়ান
অনেকে ১০ আইটেম ও খাওয়ায় ?
ভালোর শেষ নেই ।
আমি বলি THE BEST RULE IS NO RULE ???
বলা সহজ করা বা পাওয়া কঠিন ঃ
***********************************
আমরা দেখি যে ভালো করে বা জিতে সে শিকান্দার
যে খারাপ করে বা হারে তাকে বলি চকিদার ।
কিন্তু ভালো মাণ সম্পন্ন ভাবে যে হারে সেও কিন্তু অনেক শ্রম দিয়ে হারে , তাকে অসম্মান করার কিছু নেই ।
আজ কারো কবুতর ঊড়লোণাহ কিন্তু কাল যে ঊড়বে নাহ তা কি করে বলি ।
তাই যার কবুতর ভালো করে তার রুল ই রুল । তার নিয়ম ই ভালো ।
আজকে যার কবুতর ৩০ মিনিট উরে সে বুঝে ২ ঘণ্টা উরা কত কঠিন ।
আজকে যার কবুতর ১০ কিলো থেকে আসে নাহ সে বুঝে ৫০ কিলো থেকে কবুতর আসা কতো কঠিন ।
আমি এমন মানুষ দেখেছি যার কবুতর ৩/৪ ঘণ্টা ঊড়ে ছাড়লে আসে খাবার দেয় শুধু গম ????
অনেক কিছুই আমাদের জানার বাহিরে বুঝার বাহিরে ঘটে ।
বিশ্বাস রাখুন আল্লাহ সব ই পারেন ।
খাবারে অতিরঞ্জন ঃ
*************************
অনেকে ধান এ মাখন বা ঘি মিশায় তারপর রোদে শুকায় তার পর ঐ ধান কবুতরকে খাওয়ায় ।
অনেকে ফলের জূষ খাওয়ায় ।
অনেকে খাবারে ১০/১৫ আইটেম হোমাড় কবুতর এর মতো খাওয়ায় ।
অনেকে শীতে তিসি , সরিষা, কুসুম ফূল এর বীচি সূর্য মূখী ফূল এর বীচি দেয় খাবার এর সাথে এতে কবুতর উপড়ে ঊঠে কম কিন্তু নীচে বা মিডিয়াম লেভেল এ দৌড়ায় বা মোচড়ায় বা খেলে ।
আমার মতে আগে বুঝার চেষ্টা করুন ওদের কি দরকার , কোন খাবার কি কাজ করে জানার বা বুঝার চেষ্টা করুন নতুবা ভালো না হয়ে খারাপ হবে , আশীর্বাদ এর পরিবর্তে অভিশাপ হবে ।
আসুন আমরা কবুতরের মালিক না হয়ে বন্ধু হই ।
মাদক বা নেশার সাথে কবুতরের সম্পর্ক ও ক্ষতিকর দিক ঃ
****************************************************************
অনেকে নেশা জাতীয় খাবার আফিম ,গাজার বীচি , মদ ও দেয় যা অনেক সময় হিতে বিপরীত হয় ,কবুতর কোথাও থেকে ছাড়ার পর দিক রেখে অন্য দিকে চলে যায় ।অনেক সময় বাড়ির উপড়ে এসে চলে যায় । আর ঐ কবুতর ধরা পড়ার পর বেশি দিন বাঁচে নাহ ।
সাময়িক ভালো হলে ও দীর্ঘ মেয়াদ এ ফল খারাপ হয় ।
কবুতরের কালা পাণি ঃ
************************
অনেক গোপন , রহস্য ঘেরা এই কালা পাণি , অনেকে জানেন , নিজের জন্য বানান বা অনেকে বিক্রি ও করে ।
অনেকের টায় কবুতর উপড়ে ঊঠে ও ভালো ঊড়ে ।
অনেকের টায় কবুতর মিডিয়াম লেবেল এ থাকবে ভালো ঊড়বে ।
জাণা যায় এতে ১৫-২০ আইটেম থাকে , যা কবুতর এর খাবার হজম করায় , শারীরিক শক্তি বাড়ায় ।
হলুদ বা ঘোলা পানি ঃ
***********************
অনেকেই পানিতে মাঠা বা মাঠার পানির সাথে , আখের গুড় মিশিয়ে অল্প তাল্মিস্রি মিশিয়ে খাওয়ায় ।
তারা জানালো এতে কবুতর ভালো উরে ক্লান্ত কম হয় ।
আসলে যেমন ওস্তাদ এর অভাব নেই , নিয়ম এর ও শেষ নেই ।
মুল কথা হল আপনি কি করলেন বা খাওয়ালেন তা নয় , আপনার কবুতর ভালো থাকল কিনা ? বা ভালো রেসালট করল কিনা তাই মুল বিষয় ।
গোলাপী পাঊডাড় ঃ
********************
অনেক গোপন , রহস্য ঘেরা এই পাঊডাড় যা কিনা আবিষ্কারক এর কাছের মানুষ কিণে নিতে পারে ।
যা কবুতর যারা ছাড়ে বা বাজী খেলে তারা অনেকে ব্যাবহার করেন ।
অনেকে বলে এই পাঊডাড় দিলে ৫০ কিলো থেকে এসে ও কবুতর নরমাল থাকে ।
গরিবের কালা পাণি ঃ
**********************
আপনি আমলকী , হরতকি, বহেরা শুকনা কিণে ৩/৪ পিস ১ লিটার পানিতে আগের দিন ভিজিয়ে রেখে তা পরের দিন খাবার পাণি হিসাবে খাওয়ান ।
অথবা হামদর্দ এর কাড়মীণা + সিনকারা ১ লিটার এ ২+২ মিলি মিশিয়ে খাবার পাণি হিসাবে খাওয়ান ভালো ফল পাওয়া যায় ।জাতে হজম শক্তি বাড়ে , শারীরিক দুর্বলতা কমে যায় ।
অতি সন্ন্যাসী তে গাজন নষ্ট ঃ
***********************************
অনেকে আছেন যাকে পাণ তার পরামর্শ নেন ???
সবার টা নিয়ে ফল হয় খুব খারাপ , আরও কারণ ভালো পরামর্শ দেওয়ার মানুষ নেই ।
জাণে সবাই বলে না কেঊ ।
তাই যে কারো ১ জন ভালো মানুষের পরামর্শ নিন ।
💖💘💖
শেষ কথা ঃ
অতিরঞ্জিত কিছু না করা ই ভালো ।
ন্যাচারাল বা সাধারণ ভাবে করা বা পালা ই উচিৎ ।
আমার আপনার সাধ আর সাধ্য এর মধ্যে যা পারি অতোটুকু করা ই ভালো ।
মনে রাখবেন সব পরামর্শ, সব খাবার, সব কালা পানি,সব বিদেশী ঔষধ সবার জন্য বা সবার কবুতরের জন্য না 💘
সব কিছুই সময় পরিমান ও অবস্থার উপর নির্ভরশীল
জানুন বুঝুন শিখুন এর পর প্রয়োগ করুন
কি পাই কবুতর পেলে ঃ
************************
মনের শান্তি ।
যতই মন খারাপ হোক ওদের কাছে গেলে ভালো লাগে ।
আমি কাজের জন্য ওদের টাইম দিতে পাড়ীণা তবুও পালি , সকালে একবার দেখি , যতো রাতেই বাড়ি ফিরি ওদের না দেখলে ঘূম হয়না । আর যেদিন ছুটি পাই ঐ দিন ঈদ ।
ওদের চাওয়া পাওয়া কম । অরা স্বার্থ বূঝে না , বূঝে না আমাদের মানুষ গুলার রাজনীতি ।
বিঃ দঃ ঃ
আমার স্বল্প জাণা থেকে বলা , ভুল থাকা স্বাভাবিক.ভূল থাকলে পরামর্শ দিন , শুধরে নিবো শিখবো ইনশাআল্লাহ ।
আমার কবুতরকে সময় দিতে না পারায়
নিজের মেধা ভালো না হওয়ায়
ওস্তাদ না থাকায় ভালো শিখতে পারিনাই ।
তবে শেখার আগ্রহ আছে , আজীবন শিখতে চাই । আজীবন ছাত্র থাকতে চাই ।
P. C. তারিক