Pigeon Bangladesh - কবুতর বাংলাদেশ

Pigeon Bangladesh - কবুতর বাংলাদেশ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pigeon Bangladesh - কবুতর বাংলাদেশ, Pet Supplies, Dhaka.

20/02/2022
16/08/2021
12/08/2021

কবুতরকে কেন শান্তির প্রতিক বলা হয়?

পৃথিবীতে এত পাখি থাকতে কবুতরকে শান্তির প্রতিক বলা হয় কেন?

পৃথিবীর অনেক দেশের বিভিন্ন সম্মেলন শুরু করার আগে সভাপতি বা প্রধান অতিথি কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের সূচনা করেন। আবার অনেক মন্ত্রিসভার সপথ অনুষ্ঠান শুরু হয় কবুতর উড়িয়ে। এর কারণ হিসেবে বলা হয় কবুতর শান্তির প্রতিক, তাই কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের শান্তি কামনা করা হয়। এসব দেখে আমাদের মনে প্রশ্ন উদয় হয়, এত পাখি থাকতে কবুতরকে কেন শান্তির প্রতিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়?

আজ থেকে প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে প্রাচিন মিশরে প্রথম কবুতরকে গৃহপালিত পাখি হিসেবে পোষা শুরু হয়। তাহলে বুঝতেই পারছেন কবুতর কত কাল আগে থেকেই আদুরে পাখি হিসেবে মানুষের মনে স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থে কবুতরকে নিয়ে কাহিনী রচিত আছে, এর পাশাপাশি লোখমুখে প্রচলিত প্রাচিন লোকসাহিত্যে কবুতরের অনেক কাহিনী পাওয়া যায়।

যেমন প্রেমিকের চিঠি কবুতর ঠোঁটে নিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে নিয়ে যায়। আগেকার দিনে রাজা বাদশাহরা কবুতর দিয়ে চিঠি আদানপ্রদান, এই কাহিনী গুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই কবুতরকে শান্তির প্রতিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

১। গ্রিক রূপকথায় কবুতর শান্তির প্রতিক।

গ্রিক দেবী আফ্রোদিতি হলো প্রেম ও রোমাঞ্চের দেবী। আফ্রোদিতির জন্ম হয় কবুতর টানা রথের উপর। আফ্রোদিতি কবুতর খুব পছন্দ করতেন। তার চারপাশে বেশিরভাগ সময় কবুতর ঘোরাঘুরি করতো।বিভিন্ন সময় তার হাতে কবুতর থাকতো। এই কারণে প্রাচিন গ্রিসের লোকজন কবুতরকে শান্তির প্রতিক মনে করতো।

২। এজটেক ধর্মে কবুতর শান্তির প্রতিক।

প্রাচীন এজটেক সভ্যতার মানুষরা মনে করতো নবী নূহ (আঃ) এর সময় মহাপ্লাবন সংঘটিত হয়। মহাপ্লাবন শেষে পৃথিবী থেকে পাপ দূর হলে দেবি জোচিকুইজাল কবুতরের রূপ ধারণ করে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।এই দেবি হলো মানবতার জননী। এই কারণে এজটেক সভ্যতার আমলে কবুতর শান্তির প্রতিক বিবেচনা করা হতো।

৩। হিন্দু পুরানে কবুতর।

হিন্দু পুরানে কবুতর প্রেম ও কামের দেবতা কামদেবের বাহন হলো কবুতর।তাই প্রাচিন ভারতের কিছু অঞ্চলের মানুষ কবুতর শান্তির প্রতিক মনে করতো।

৪। বাইবেলের বর্ণনায় কবুতর শান্তির প্রতিক।

বাইবেলের বর্ণনায় কবুতর শান্তির প্রতিক বলা হয়। বাইবেলের বর্ণনা হতে পাওয়া যায়। নবী নূহ (আঃ) তার উম্মতের পাপকার্যে বিরক্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে পৃথিবীকে পাপ মুক্ত করার আবেদন করেন। নূহ আঃ এর আবেদনের প্রেক্ষিতে মহান সৃষ্টিকর্তা নূহ (আঃ) কে নৌকা তৈরি করার জন্য আদেশ করেন।সৃষ্টিকর্তার আদেশে সাড়া দিয়ে নূহ (আঃ) কাঠের একটি বিরাট নৌকা তৈরি করেন।নৌকা তৈরী হয়ে গেলে তিনি প্রত্যেকটা জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সংগ্রহ করেন এবং নৌকায় তোলেন। সৃষ্টিকর্তার আদেশে আকাশ থেকে অনবরত বৃষ্টিপাত হতে থাকে।

টানা ৪০ দিন বৃষ্টিপাতের ফলে পৃথিবীর সমস্ত ভূভাগ নিমজ্জিত হয়। এবার নূহ (আঃ) স্থলভাগের খোঁজ করার জন্য নৌকা থেকে একটি কাক বাইরে প্রেরণ করেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন পার হলেও কাকটি আর ফিরে আসে না।

দ্বিতীয়বার নূহ (আঃ) একটি সাদা কবুতরকে স্থলভাগের খোঁজ নেওয়ার জন্য নৌকা থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেন। কবুতরটি কয়েকদিন পর একটি জলপাই গাছের শাখা তার ঠোঁটে নিয়ে নৌকায় ফিরে আসে। এটা দেখে নূহ (আঃ) বুঝতে পারেন যে আশপাশে কোথাও স্থল ভাগ আছে এবং পৃথিবী আর পানির নিচে ডুবে নাই। এ কারণে সাদা কবুতর শান্তির প্রতিক হিসেবে ধরা হয়।

বাইবেলের আরেকটি বর্ণনায় পাওয়া যায়,

নবী যিশুর কাছে প্রিয় ছিল সাদা কবুতর। শান্তির দূত সাদা কবুতরের রূপে পৃথিবীতে অবতরণ করে।এ কারণে সাদা কবুতর শান্তির প্রতিক হিসেবে ধরা হয়।

৫। লোকসাহিত্যে কবুতর শান্তির প্রতীক।

প্রাচীন এশিয়ায় দুইজন শক্তিশালী রাজা ছিলেন।দুই রাজার শক্তির ভারসাম্য ছিল। শক্তি-সামর্থ্য, সৈন্য, অস্ত্রশস্ত্র এবং বুদ্ধিতে উভয় রাজা ছিলেন সমানে সমান। একদিন দুই রাজার মধ্যে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে গেল। যথাসময়ে উভয় রাজা যুদ্ধের ডাক দিলো এবং নির্দিষ্ট যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্য-সামন্ত জড়ো করল। প্রথম রাজা যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধের সমস্ত পোশাক পরিধান করার পর রাজা মাথার শিরনাস্ত্র পরার জন্য তৈরি হলেন। কিন্তু তিনি কিছুতেই শিরোনাস্ত্র খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর দেখলেন তার শিরোনাস্ত্রের উপর কবুতর বাসা বেধেছে। রাজার মা রাজাকে কবুতরের বাসা ভাঙতে নিষেধ করলেন। রাজা মাতৃ আজ্ঞা পালন করে কবুতরের বাসা ভাঙ্গা থেকে বিরত থাকলেন। তিনি শিরোনাস্ত্র ছাড়াই যুদ্ধক্ষেত্রে রওয়ানা হলেন। দ্বিতীয় রাজা প্রথম রাজা কে খালি মাথায় যুদ্ধ করতে দেখে যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেন। দ্বিতীয় রাজার প্রস্তাবে প্রথম রাজা সম্মত হলেন এবং আলোচনায় বসলেন।

দ্বিতীয় রাজা প্রথম রাজা কে খালি মাথায় যুদ্ধ করার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। প্রথম রাজা কবুতরের ঘটনাটি খুলে বললেন। দ্বিতীয় রাজা ঘটনাটি শুনে ভাবলেন যে রাজা কবুতরের জন্য নিজের মাথার শিরোনাস্ত্র ত্যাগ করে যুদ্ধক্ষেত্রে খালি মাথায় উপস্থিত হয় তার মত মহৎ মানুষের সাথে যুদ্ধ করা ঠিক নয়। দুইজন রাজাই যুদ্ধ বন্ধ করলেন এবং শান্তি স্থাপন করলেন।এ কারণে প্রাচীন এশিয়ায় কবুতর শান্তির প্রতিক হিসেবে ধরা হয়।

৬। ইসলাম ধর্মে কবুতরের সম্মান

মক্কার কাফেরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার সাহাবী হযরত আবু বকর (রাঃ) কে সাথে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। এই ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে হিজরত নামে পরিচিত। নবীকে ধরার জন্য তার পিছে পিছে কাফেরদের শক্তিশালী দল ঘোড়া নিয়ে তাড়া করতে থাকে।

একসময় কাফেরদল নবীর কাছাকাছি হলে, নবী আবুবকর কে সঙ্গে নিয়ে পাহাড়ের একটি গুহায় আশ্রয় নেন। তার আশ্রয় নেওয়ার পর গুহার মুখে কবুতর বাসা বানায় এবং ডিম পাড়ে। কাফের দল নবী কে খুঁজতে খুঁজতে নবীর আশ্রয় গ্রহণ করা গুহার সামনে চলে আসে। তারা কবুতরের বাসা এবং ডিম দেখে অনুমান করে এই গুহায় অনেকদিন থেকে কোন মানুষ প্রবেশ করেনি। তাই তারা আর না খুঁজেই ফেরত চলে যায়।

এভাবে নবীজি সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ এবং কবুতরের বুদ্ধিমত্তায় কাফেরদের হাত থেকে রক্ষা পান। এ কারণে ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা কবুতরকে শান্তির প্রতিক হিসেবে মনে করে।

12/08/2021

ফষ্টার কবুতরের বিভিন্ন সমস্যা এবং স্থায়ী সমাধান।

বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে সহস্রাধিক কবুতরের বানিজ্যিক খামার। এসব খামারে কবুতরের বাচ্চা লালনপালন বা অত্যাধিক বাচ্চা উৎপাদন এর লক্ষ্যে বেশিরভাগ খামারিদের ব্রিডিং কবুতরের পাশাপাশি ফষ্টার কবুতর পালন করতে দেখাযায়।

ফষ্টার নিয়ে বিস্তারিত পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে সেটি দেখে নিবেন।

অনেক সময় দেখা যায় দীর্ঘদিনের পরিক্ষিত ভালো মানের ফষ্টার কবুতর হঠাৎ ডিমে তা দিতে অনিহা দেখাচ্ছে কিংবা ঠিকমতো বাচ্চাকে খাওয়াতে চাইছে না বা ডিম রেখে উঠে যাচ্ছে কিংবা ডিম ভেঙে ফেলছে। তাদের জন্য মুলত আজকের এই পরামর্শ। এমন পরিস্থিতিতে ফষ্টার কবুতর গুলি মিনিমাম ৬০ দিনের জন্য খাঁচা থেকে বের করে ফ্লাইং জোনে ছেড়ে দিন। এবং ভিটামিনের নামে উত্তেজক জাতীয় মেডিসিনের পানি বন্ধ করে দিন, যেমন ADE 3, ই সেল।

পরিবর্তে ফ্লাইং জোনে থাকা কালীন সময়ে টক্সস্লিন বাইন্ডার, জিংক ক্যালসিয়াম , লিকুইড ভিটামিন ডি, এবং লেবুর পানি নরমাল খাবারের সাঙ্গে পরিবেশন করুন। কারন এই কবুতর গুলির দীর্ঘদিন খাঁচায় বন্দী থেকে শরীরে এক ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ফ্যাট সৃষ্টি হয়, এবং নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়।
ঘাটতি ভিটামিন গুলোর মধ্যে রয়েছে। বি কমপ্লেক্স, বি ১, বি২, বি৬, বি১২, ক্যালসিয়াম,ও ভিটামিন ডি।

এই ঘাটতি গুলোর পুরণ করার সাথে সাথে শারীরিক এক্সারসাইজ ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে পারলেই এই সমস্যা থেকে পার্মানেন্ট সমাধান পাওয়া সম্ভব।

12/08/2021

কবুতর পালনে কিছু কমন সমস্যা & সহজ সমাধান।

কবুতর পালন করতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন সময়ে ছোট খাটো কিছু সমস্যার সম্মুখীন হই। আসলে এসব সমস্যার সমাধান খুবই সহজ এবং নাম নামমাত্র টাকা খরচ করে করা সম্ভাব। আজ আমরা এমনি কিছু ছোট ছোট সমস্যা এবং সমাধান আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। চলুন তাহলে আর দেরি না করে সমস্যা এবং সমাধান গুলো জেনে নেয়া যাক।

🌼সমস্যাঃ-১। কবুতর থাকার জায়গার সমস্যা, এই সমস্যার সাথে সম্মুখীন হন নাই এমন কবুতর পালক পাওয়া খুবই কঠিন। আমি নিজেও সেম সমস্যায় প্রায় সময়ই পরি। পছন্দ হলো নিয়া আসলাম বাট রাখার জায়গা নাই।

১ নং সমস্যার সমাধানঃ- থাকার খোপের ৭০% কবুতর কিনবেন৷ মানে খোপ ১০ টা হলে ৭ জোড়া কবুতর কিনবেন এর বেশী কখনোই না। কিনার আগে অবশ্যই খোপ/খাঁচা বাড়াবেন। ৩০% খোপ খালি রাখতে হবে কারণ বেবী উঠলে রাখতে হবে,কিছু মেল আছে এগ্রেসিভ হয়ে যায় বেবী ফুটলে তখন আলাদা করে রাখতে হবে, কবুতরের রেস্টে দেবার জন্য আলাদা রাখতে হবে।
বিঃদ্রঃ খাঁচা যত সম্ভব বড় সাইজ দিবেন৷ আমরা খাঁচা কিনার সময় ছোট সাইজ কিনি যার ফলে ব্রীডিং সমস্যা হয়।

🌼সমস্যাঃ- ২। খাঁচা খালি দেখলেই কিনার ইচ্ছে।

২ নং সমস্যার সমাধানঃ- এর অদৌ কোন সমাধান নাই আপনাকে ধৈর্য্য ধরা ছাড়া।কিনে খাঁচা ভরার চেয়ে হোমব্রীড গুলা দিয়া খাঁচা ভরান এতে মনের প্রশান্তি পাবেন।

🌼সমস্যাঃ-৩। বেবীর গ্রোথ কম হওয়া বা বেবীর সাইজ ছোট বড় হওয়া।
৩ নং সমস্যার সমাধানঃ- বেবী ফুটার ৭-৮ দিন থেকে খেয়াল করতে হবে কোনটাকে কম খাওয়াচ্ছে কিনা, যেটাকে কম খাওয়ায় ওইটাকে রাইস সেলাইন ঘন করে তৈরী করা ১০-৩০ মিলি(সাইজ অনুযায়ী) ২-৩ বার দেয়া।প্যারেন্টস কে মাল্টি ভিটামিন, মিনারেলস, গ্রীট সাপ্লাই নিশ্চিত করা। (এক্ষেত্রে সাইটে পূর্বের একটি আরটিকেল রয়েছে " বেবি ছোট/বড় হবার কারন ও প্রতিকার") এটি দেখে নিতে পারেন।

🌼সমস্যাঃ-৪। বেবী একটু বড় হলে খাবার হজম কম হওয়া।
৪ নং সমস্যার সমাধানঃ- বেবীর বয়স ১৫ দিন থেকে ২ মাস হওয়া পর্যন্ত ২-৩ দিন গ্যাপ গ্যাপে এনজাইম দেয়া, লিভার টনিক দেয়া প্যারেন্টস কে।
লিকুইড এনজাইম বাজারে কিনতে পাওয়া যায় আবার পোড়া মাটি গ্রীটের সাথে মিক্স করেও প্রাকৃতিক এনজাইম সাপ্লাই নিশ্চিত করতে পারেন।
বিঃদ্রঃ ঠান্ডা লাগলে / অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হলেও খাবার হজম না হতে পারে সেক্ষেত্রে অন্যান্য সিনড্রোম & ড্রপিং দেখে কবুতরকে মেডিসিন দিতে হবে।

🌼সমস্যাঃ- ৫। কবুতরের বেবীর পক্স
৫ নং সমস্যার সমাধানঃ- এখানে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ শ্রেয়।
যাতে পক্স না হয় এজন্য সবচেয়ে বেশী জরুরী লফট নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হাড়ী পরিষ্কার রাখা, খাঁচায় মশারী ব্যাবহার করা, কয়েল ব্যাবহার বা অন্য কোন প্রাকৃতিক উপায়ে করে মশা নিয়ন্ত্রণ করা। ( পক্স সমস্যার প্রকৃতিক সমাধান এবং খামারে মশা নিয়ন্ত্রণ করার উপায় পোস্ট দুটি দেখতে পারেন)
যদি পক্স উঠেই যায় খোটাখুটি করা যাবে না যত খুটবেন তত বড় হবে।
দয়া করে আগরবাতি,কয়েল,এসিড ইত্যাদি দিয়ে গোটা পুড়াবেন না এটা অত্যান্ত অমানবিক আচরণ। এরচেয়ে গোটায় খাওয়ার লবণ হালকা করে চেপে ধরে রাখবেন ১ মিনিট দৈনিক ১ বার। তবে খোঁটাখুঁটি করিয়েন না । আপেল সিডার ভিনেগার থাকলে তুলায় ভিজিয়ে লাগায়া দিয়েন দিনে ২-৩ বার
৬-৭ দিন পর এমনি শুকায়া পরে যাবে।

উপরের সবগুলাই ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা মাত্র এরচেয়ে ভালো উপায়ও অবশ্যই আছে ওগুলাও কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন।

12/08/2021

কবুতর পালনে একজন খামারির সতর্কতা ও করনীয়ঃ

একজন খামারিকে আনেক বিষয় মাথায় রেখে খামার পরিচালনা করতে হয়। আদর্শ খাবার,পরিস্কার পানি সরবরাহ এর পাশাপাশি যেমন তাকে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সতর্ক হতে হয় তেমনি খামারে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ প্রবেশ করতে না পারে সেদিকেউ খেয়াল রাখাটা জরুরী। একজন খামারির সব থেকে গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো খামারে বায়ো-সিকিউরিটি বা জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।জৈব নিরাপত্তা হলো খামার যেকোন প্রকার রোগের জীবাণু,ভাইরাস এমনকি ক্ষতিকর প্রাণী দ্বারা আক্রান্ত না হওয়ার সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা।খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে খামার অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ বালাই থেকে আনেকটাই নিরাপদে থাকবে।

খামারির সতর্কতা মূলক কাজঃ

১. খামারে কবুতর ছাড়া অন্য যেকোন পাখি বা প্রানীর প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
২. খামারে যেন জালালী কবুতর না ঢুকে,এমনকি কবুতর যেন জালালী কবুতরের সাথে না মিশে-এই ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখবেন জালালী কবুতর অনেক রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
৩. খামারে ইদুর,তেলাপোকা এসব নিয়ন্ত্রণ করবেন।
৪. নতুন কবুতর কিনে এনে কখনই তাকে সরাসরি খামারে ঢুকাবেন না,কবুতর টিকে আলাদা রেখে পর্যবেক্ষন করবেন । এই সময়ে কবুতরটিকে টিমসেন বা কোন জীবাণুনাশক দিয়ে ভালো করে গোসল করাবেন।যে কোন এসিডিফাইয়ার দিয়ে এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল কোর্স করাবেন। নতুন কবুতরটি ঠিক ভাবে খাচ্ছে কিনা,ড্রপিং কেমন খেয়াল করবেন। সোজা কথায় কবুতরটির মধ্যে কোন রোগের লক্ষণ আছে কিনা গভীর ভাবে অনুসন্ধান করবেন।যদি সব ঠিক-ঠাক থাকে তবেই খামারে উঠাবেন।
৫. কবুতর এর ঘর, খাঁচা,দাপড়ি,খাবার পাত্র,পানির পাত্র,ট্রে,বাম অর্থাৎ সমস্ত কিছু মাসে কমপক্ষে ২ দিন জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করবেন।
৬. কবুতরের হাট কিংবা দোকান থেকে ফিরার পর বা অন্য কারো খামার থেকে আসার পর সরাসরি নিজের খামারে ঢুকবেন না। সম্ভব হলে গোসল করে অথবা জীবাণুনাশক দিয়ে হাত-পা ধুয়ে তবেই খামার ঢুকবেন। কমপক্ষে সাবান দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে কাপড় পালটে তারপর খামারে যাবেন।
৭. খামার ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যান্ডেল এর ব্যবস্থা করে রাখবেন, বাইরে ব্যবহৃত জুতা স্যান্ডেল নিয়ে খামার প্রবেশ করবেন না।
৮. কোন গেষ্ট খামার পরিদর্শন করতে আসলে হাত-পা জীবাণুনাশক দিয়ে জীবানু মুক্ত করে তবেই খামারে ঢুকাবেন।
৯. কোন কবুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা অসুখের লক্ষন দেখা দিলে,তাকে যত দ্রুত সম্ভাব খামার থেকে সরিয়ে আলাদা রাখবেন।সুস্থ হলে আবার জীবানুমুক্ত করে খামারে আনবেন।
৯. খাবার দোকান থেকে কিনে আনার পর ভাল করে ঝেড়ে ৩ - ৪ ঘন্টা রৌদ্রে শুকিয়ে সংরক্ষন করবেন।
১০. রোগাক্রান্ত কোন কবুতর মারা গেলে তা অবশ্যই মৃত কবুতরটি মটিতে পুতে ফেলবেন।
১১. ভ্যাকসিন দেওয়ার পর যদি অবশিষ্ট থাকে তবে সেটা সিরিজ্ঞ সহ মাটির নিচে পুতে ফেলবেন।
১২. ওষুধ প্রয়োগের মেয়াদ কাল শেষ হলে রা গুরা ওষুধ চাপ ধরে গেলে তা মাটিতে পুতে ফেলুন।

খামার পরিচালনায় করনীয় বিষয়ঃ

১. খামারে পর্যাপ্ত আলোবাতাসের ব্যবস্থা করুন।
২. আগে জানুন পরে কবুতর সংগ্রহ করুন।
৩. কবুতর কে ভালোমানের গ্রিড,খাবার,পরিস্কার পানি পরিবেশন করুন।
৪. মাঝে মাঝে কবুতর কে কিছু সময়ের জন্য রোদে রাখুন।
৫. সপ্তাহে কমপক্ষে ১ দিন কবুতর কে গোছল এর ব্যবস্থা করুন।
৬. ব্রিডিং কবুতর কে নিদিষ্ট সময় পর পর কমপক্ষে ১৫/৩০ দিন এর রেস্ট দিন।
৭. নিদিষ্ট সময় পর পর ক্রিমি কোর্স করান।
৮. নিদিষ্ট সময় পর পর টিকাদান এর ব্যবস্থা করুন।
৯. কবুতর কে প্রাকৃতিক উপাদান যেমনঃ রসুন,কালোজিরা,তুলসিপাতা,আদা,ইত্যাদি খেতে দিন।
১০. ডিমে থাকা কবুতর কে বিনা কারনে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন।
১১. নিয়মিত কবুতর এর ড্রপিং( পায়খানা) পর্যবেক্ষন করুন।
১২. কবুতর অসুস্থ হলে অভিঙ্গ কারো পারমর্শ নিন।
১৩. রোগ হলেই একচাটিয়া এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
১৪. শীতের দিনে করনীয় কাজ গুলো করুন।
১৫. ঔষধ এর উপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার এর প্রতি জোর দিন।
১৬. কবুতর এর খামার নিয়মিতভাবে পরিস্কার করুন।
১৭. মাসিক কোর্স যথাযথ ভাবে সম্পুর্ণ করুন।

উপরোক্ত বিষয়াবলি যথাযথভাবে সম্পাদন এর মাধ্যমে আপনার খামার কে অনাকাঙ্ক্ষিত রোগবালাই ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন।

কবুতর এর বিভিন্ন জাত ও কিছু জাতের কবুতর এর নামঃ গৃহপালিত বা পোষা পাখিদের মধ্যে কবুতর অন্যতম। সুপ্রাচীনকাল থেকে শখের জন্য...
12/08/2021

কবুতর এর বিভিন্ন জাত ও কিছু জাতের কবুতর এর নামঃ

গৃহপালিত বা পোষা পাখিদের মধ্যে কবুতর অন্যতম। সুপ্রাচীনকাল থেকে শখের জন্য কবুতর পালন করা হচ্ছে। ইদানিং অনেকে কবুতর পালনকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ বিকল্প আয়ের উৎস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কবুতরেরর জাত বা ধরনগুলো নির্দিষ্ট নয়। বিভিন্ন রং, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, চোখ ইত্যাদি এর ওপর ভিত্তি করে নামকরণ বা জাত ঠিক করা হয়। এছাড়া ক্রস ব্রিডিং -এর মাধ্যমেও নতুন জাত তৈরি হয়ে থাকে।এর মধ্যে কিছু জাতের কবুতর আমাদের দেশে পালন করা হয়ে থাকে।পৃথিবীতে প্রায় ১১০০ প্রজাতির কবুতর রয়েছে, এর মদ্যে বাংলাদেশে ৮০/১০০ জাতের কবুতর পাওয়া যায়।চলুন কিছু কবুতর এর নাম জানা যাক।

National pigeon Association ( NPA) কতৃক নিবন্ধিত কবুতর সমূহ ছবিতে দেয়া হয়েছে-

তবে আমরা আমাদের দেশের কবুতর এর জাত গুলোকে চারটি ভাগে ভাগ করে কিছু নাম তুলে ধরতে চেষ্টা করবো।
১. দেশী জাতের কবুতরঃ
২. গিরিবাজ বা হাইফ্লায়ার জাতের কবুতরঃ
৩. ফেন্সি জাতের কবুতরঃ
৪. রেসারঃ

দেশী জাতের কবুতরঃ
১. গোলা
২. দেশি গিরিবাজ
৩. জালালি

গিরিবাজ বা হাইফ্লায়ার জাতের কবুতরঃ

হাইফ্লায়ার কবুতর বলতে আমরা গিরিবাজ এর জাত টা কেই বুঝি। আমাদের দেশে অনেক ধরনের গিরিবাজ পাওয়া যায় কিন্তুু এর প্রধান উৎপতি ভারতে। ভারতে এর নাম টিপলার। আমাদের দেশে দুটো কারনে এই কবুতর পালন করা হয় ১ রেসঅথবা পাললা দেওয়ার জন্য আর ২ হাইফ্লাইং এর জন্য।
কিছু জাতের গিরিবাজ হাইফ্লাইং এর জন্য বিশ্বে বিখ্যাত যেমনঃ ইন্ডিয়ান কালদম, পাকিস্তানি টেডি( ফ্লাইং টাইম ১২ ঘন্টা+). সারা পৃথিবীতে হাই-ফ্লায়ার কবুতরের ক্ষেত্রে পাকিস্তানি গিরিবাজ বিখ্যাত ।

এই কারনে গিরিবাজ জাত কে দুইটা ভাগে ভাগ করবোঃ

(ক) সাধারন জাত
(খ) হাইফ্লায়ার জাত।

সাধারন গিরিবাজ জাতঃ

১. বাঘা
২. চুইনা
৩. কাগজি
৪. সুয়াচন্দন
৫. ঝাকগলা
৬. দোবাজ
৭. ঘিয়া-সুল্লি
৮. লাল-সুল্লি
৯. ঝাক
১০. লালদম
১১. জিরা গলা
১২. খাকি
১৩. সুরমা খাকি
১৪. লাল খাকি
১৫. সবজি
১৬. সবুজ গলা
১৭. কালোগলা
১৮. খয়রা গলা
১৯. লাল পেটি
২০. ময়না ঝাক
২১. লাল গলা
২২. কালো মসালদম
২৩. সিলবার মসালদম
২৪. কালদম
২৫. চিলা
২৬. খয়েরি চিলা
২৭. অরেন্জ চিলা
২৮. কলো চিলা
২৯. গোল্ডেন চিলা
৩০. সিলভার গররা
৩১. কালো গররা
৩২. লাল গররা
৩৩. হলুদ গররা
৩৪. সবজি গররা
৩৫. প্লেন
৩৬. মাকসি
৩৭. সুন্দরী
৩৮. কাজকরা
৩৯. বাবরা
৪০. নাপতা
৪১. গেন্দা
৪২. রাজশাহী গিরিবাজ

হাইপ্লায়ার গিরিবাজ জাতের কবুতরঃ

১. টেডি
২. কালদম
৩. পাংখি,
৪. জিরাগলা
৫. লাল চিলা
৬. সাহজাহান পুরি
৭. সাহারান পুরি
৮. নিলা
৯. গোল্ডন
১০. রামপুরি
১১. বেনারস
১২. শিয়াল কুটি
১৩. আলী ওয়ালা
১৪. বাঙ্কা
১৫. বাতেরী
১৬. চাপরায়
১৭. চাট ওয়ালা
১৮. চিনা
১৯. চোলা
২০. ডাব ওয়ালা
২১. দেওয়ান ওয়ালা
২২. দোভাজ
২৩. ফকির গুল
২৪. ফিরোজপুরী
২৫. গালে
২৬. হারে
২৭. ইমাম দিন
২৮. জনশিরা
২৯. কালে মু
৩০. কামাগার
৩১. কাসনি
৩২. কাসুরী
৩৩. কাটাং
৩৪. লাল-শিরা
৩৫. মোশন ওয়ালা
৩৬. নীল দুমা
৩৫. পট্টি ওয়ালা
৩৬. সালেতা
৩৭. সারকী
৩৮. শিকরা
৩৯. পঁয়ত্রিশ ওয়ালা
৪০. শুরাহ
৪১. ওয়েছি
৪২. জাগ চিনি
৪৩. জাগ
৪৪. জিরা
৪৫. জংলী

ইত্যাদি

ফেন্সি জাতের কবুতরঃ

সারা পৃথিবীতে প্রায় ৫০০ জাতের ফেন্সি কবুতর রয়েছে এটা মুলত বিদেশী কবুতর। আমাদের দেশে কেউ বা শখের বসে কেউ বা বানিজ্যিক ভাবে ফেন্সি কবুতর এর খামারগরে তুলেছেন।নিচে কিছু ফেন্সি কবুতর এর নাম তুলে ধরলাম, এর মদ্যে কিছু জাতের কবুতর এখন আমাদের দেশে পাওয়া যায়।

1. Fantail ( ফ্যানটাইল)
2. Frillback( ফ্রিলব্যাক)
3. Jacobin( জ্যাকোবিন)
4. Lahore(লাহোর)
5. Trumpeter(ট্রামপেটর)
6. English Trumpeter.(ইংলিশ ট্রামপেটর)
7. Archangel(অস্চান্জেল)
8. Danish (ড্যানিস)
9. Suabian( সুয়াবিআন)
10. Saxon(স্যাক্সন)
11. Field Pigeon(ফিল্ড পিজন)
12. Starling(স্ট্যারলিং)
13. Swallow(স্লো)
14. Thuringen Field Pigeon( টুরিংযেন ফিল্ড পিজন)
15. Ice Pigeon(আইচ পিজন)
16. Aachen Lacquer( আ্যাচেন ল্যাকোয়ার)
17. Shield (স্লিড)
18. OwlAfrican (আফ্রিকান আউল)
19. OwlChinese (চাইনিজ আউল)
20. OwlItalian (ইটালিয়ান আউল)
21. OwlOld German (ওল্ড জার্মান আউল)
22. OwlOriental (ওরিয়েন্টাল আউল)
23. FrillTurbit( ফ্রিলতুরবিট)
24. American Show Racer( আমেরিকান সো রেসার)
25. Dragoon(ড্রাগন)
26. English Carrier( ইংলিশ ক্যারিয়ার)
27. German Beauty Homer( জার্মান বিউটি হোমার)
28. Homing pigeon( হাউস পিজন)
29. English Pouter( ইংলিশ পোটার)
30. Brunner Pouter(ব্রুনার পোটার)
31. Gaditano Pouter
32. Holle Cropper(হোলিক্রোপার)
33. Horseman Pouter(হাস্রম্যান পোটার)
34. Norwich Cropper( নরউইস ক্রোপার)
35. Pigmy Pouter( পিগমিপোটার)
36. Pouter( পোটার)
37. Voorburg shield
38. CropperOld ( ক্রোপারওল্ড)
39. German Croppers( জার্মান ক্রোপ)
40. Polish (পলিস)
41. Short-faced Tumbler( সট ফেজ ট্যামবোলার)
42. English Long-faced (ইংলিশ লং ফেজ)
43. TumblerEnglish (ইংলিশ ট্যামবোলার)
45. Helmet(হেলমেট)
46. English Magpie(ইংলিশ ম্যাগপাই)
47. Nun(নান)
48. Armenian Tumbler( আর্মেনিয়ান ট্যামবোলার)
49. Australian Performing Tumbler( আস্ট্রেলিয়ান পারফরমিং ট্যামবোলার
50. Danzig Highflyer( দানজিং হাই ফ্লায়ার)
51. Donek(ডোনেক)
52. RollerTippler( রোলার ট্রিপলার)
53. Carneau( কার্নেউ)
54. French( ফ্রেন্স)
56. Mondain
57. King( কিং)
58. Runt(রান্ট)
59. Strasser( স্ট্রেসার)
60. Muki( মুকী)
61. Shekhar(শেখর)
62. Amarican Bombai(আমেরিকান বোম্বাই)
63. Bagdadi Homa( বাগদাদী হোমা)
64. Indian Noton(ভারতীয় লোটন)
65. Hena Pouter(হেনা পোটার)
67. Bokhara(বোখরা)
69. Magpai( ম্যাগপাই)
70. Butterfly (বাটার ফ্লাই)
ইত্যাদি

রেসারঃ

রেসার বা রেসিং হোমার বিশেষ এর ধরনের ব্রিড করা কবুতর যা শুধু রেসিং এর জন্যে উদ্ভাবন করা হয়েছে । এর বিশেষ ক্ষমতা হল এর “হোমিং অ্যাবিলিটি” বা বাড়ি চিনে ফিরে আসার দক্ষতা । তাছাড়া প্রচন্ড শক্তিশালী এই কবুতর ঘন্টার পর ঘন্টা বিশ্রাম না নিয়েই উড়তে পারে ।
বাংলাদেশে মুলত
১. মিলি, ব্লু-বার
২. ব্লু-বারলেস
৩. ব্লু-চেকার
৪. ব্ল্যাক
৫. ব্ল্যাক-চেকার
৬. হোয়াইট
৭. রেড-বার
৮. রেড-বারলেস
৯. রেড-চেকার
১০. গ্রিজেল
জাতের জাতের রেসার পাওয়া যায়।

এছরাউ আরো আনেক জাতের কবুতর রয়েছে।আগামি পোষ্টে চেষ্টা করবো পরিচিত কিছু জাত এর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার জন্য আশা করি সাথে থাকবেন ।

প্রয়োজনীয় পোষ্ট পেতে আমাদের ব্লগটি Follow করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকবেন এবং কোথাও ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।

আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।

আল্লাহ হাফেজ

স্ট্যাডি ও তথ্য সংগ্রহঃ বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল,পিজন রিলেটেড বই,ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা,বিভিন্ন খামারি ও ভেটেরিয়ানদের পরামর্শ।

তথ্য সংগ্রহে এবং লেখকঃ-
জাকারিয়া হাসান এমরান

Love 💗
11/08/2021

Love 💗

1st Prize Winners ZLU 2018Top Pigeons sponsors the 1st Prize Winners project of the ZLU. Also this year we become many e...
11/08/2021

1st Prize Winners ZLU 2018

Top Pigeons sponsors the 1st Prize Winners project of the ZLU. Also this year we become many expected, but also unexpected winners celebrate triumphs. The films have been commissioned from Top Pigeons and the ZLU and designed by Falco Ebben and his company Pigeon Pixels. Each is worthwhile to watch and we have a way that you can just see the movies on this page. Have fun and try following the winners in 2018. https://www.youtube.com/watch?v=_41UZAxCFnw&fbclid=IwAR0_xnQ8c8fhi921PQZaP7Az6ImeAkezjCLF0hllhj1JrsZdMVaiu917sI8

SSC Result দুপুর ২টা থেকে ইন্টারনেট, মোবাইল এসএমএস ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবে।http://www.educationboard...
04/05/2017

SSC Result দুপুর ২টা থেকে ইন্টারনেট, মোবাইল এসএমএস ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবে।

http://www.educationboardresultsgovbd.org/

যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে।"

Education Board Result: Check HSC Result / Alim Exam, SSC result, Dakhil result, JSC result 2017, JDC result Marksheet at www.educationboardresults.gov.bd.

06/02/2017

শুভ সকাল
صباح الخير
Good Morning
আজ রবিবার
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
২৪ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গা ব্দ
এখন শীতকাল
আজকের সূর্যোদয় ৬:৩৮ ও সূর্যাস্ত ৫:৪৬ মিনিটে
সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pigeon Bangladesh - কবুতর বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category