19/01/2017
দয়া করে বুঝার চেষ্টা করবেন।
রাসুলুল্লাহ (দঃ) হাজির ও নাযির ঃ
হজরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত,
ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ ﻣﺎ ﻛﻨﺖ ﺗﻘﻮﻝ ﻓﻰ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ .
" মুনকার নকীর বলবেনঃ উপস্থিত এই ব্যক্তি মুহাম্মদ
(দঃ) সম্পর্কে তুমি কি বলাবলি করতে?"
(মিশকাতঃ ১/৪৫ পৃষ্টা -হাঃনংঃ ১২৬,সহীহ
বোখারীঃ ৩/২০৫ পৃ,হাঃনংঃ ১৩৩৮, সহীহ
মুসলিমঃ ৪/২২০০ পৃ হাঃনংঃ৭০/১৮৭০,সুনানে নাসায়ী(কুবরা)ঃ
৪/৯৭,সুনানে আবু দাউদঃ ৫/১১৪,হাঃনংঃ ৪৭৫২)।
এই হাদিস থেকে বুঝা গেলো, প্রশ্নোত্তরের
সময় রাসুলুল্লাহ (দঃ) কবরে হাজির হন।
উক্ত হাদিস প্রসঙ্গে ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতী
(রহঃ) বলেনঃ
ﻗﺎﻝ ﺍﻟﻨﺒﻮﻱ ﻗﻴﻞ ﻳﻜﺸﻒ ﻟﻠﻤﻴﺖ ﺣﺘﻰ ﻳﺮﺍ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﻫﻰ ﺑﺸﺮﻯ ﻋﻈﻴﻤﺔ ﻟﻠﻤﺆﻣﻦ ﺍﺫﺍ ﺻﺢ .
" ইমাম নববী (রহঃ) বলেনঃ বর্ণিত আছে,
মৃতব্যক্তির দৃষ্টি থেকে আবরণ উঠিয়ে নেওয়া
হয়। এমনকি সে নবী কারিম (দঃ) কে উপস্থিত
দেখতে পায়।আর এটা মুমিনদের জন্য সুসংবাদ।যদি
সে সঠিক পথে থাকে।
(শরহে সুনানে ইবনে মাজাহঃ ১/৩১৬ পৃষ্টা)।
হজরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত,
ﻧﻌﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺯﻳﺪﺍ ﻭﺟﻌﻔﺮ ﻭﺍﺑﻦ
ﺭﻭﺍﺣﺔ ﻟﻠﻨﺎﺱ ﻗﺒﻞ ﺍﻥ ﻳﺄﺗﻴﻪ ﺧﺒﺮﻫﻢ ﻓﻘﺎﻝ ﺍﺧﺬ ﺍﻟﺮﺍﻳﺔ ﺯﻳﺪ
ﻓﺎﺻﻴﺐ ﺛﻢ ﺍﺧﺬ ﺟﻌﻔﺮ ﻓﺎﺻﻴﺐ ﺛﻢ ﺍﺧﺬ ﺍﺑﻦ ﺭﻭﺍﺣﺔ
ﻓﺎﺻﻴﺐ ﻭﺍﻳﻨﺎﻩ ﺗﺬﺭﻓﺎﻥ ﺣﺘﻰ ﺍﺧﺬ ﺍﻟﺮﺍﻳﺔ ﺳﻴﻒ ﻣﻦ
ﺳﻴﻮﻑ ﺍﻟﻠﻪ ﺣﺘﻰ ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻬﻢ .
" হজরত জায়েদ, জাফর,ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) প্রমূখ
সাহাবীগণের শাহাদতবরণের সংবাদ যুদ্বক্ষেত্র
থেকে ফিরে আসার আগেই নবী কারিম (দঃ)
মদিনাবাসীদের জানিয়ে দিয়েছেন।তিনি (দঃ) বলেনঃ
পতাকা এখন জায়েদের (রাঃ) হাতে।তিনি শহীদ হয়ে
গেলেন।অতঃপর জাফর (রাঃ) পতাকা
নিলেন এবং শহীদ হয়ে গেলেন।এবার ইবনে
রাওয়াহা নিলেন। অতঃপর শহীদ হয়ে গেলেন।
এসময় উনার (দঃ) চক্ষু মোবারকদ্বয় অশ্রুবিজরিত
হয়েছিল।শেষপর্যন্ত পতাকা নিলেন
আল্লাহর তরবারি খ্যাত খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)। অতঃপর
আল্লাহ তাদের বিজয়দান করলেন।
(সহীহ বোখারীঃ ৭/৫১২-হাঃনংঃ ৪২৬২,মিশকাতশরীফঃ
৪/৩৮৪-হাঃ ৫৮৮৯)
এই হদিস দ্বারা প্রমাণিত,রাসুল (দঃ) শতমাইল দূর মদিনা
থেকে মুতা যুদ্বের ময়দান দেখার মাধ্যমে হাজির।
আরেক হাদিসে এসেছে,
হজরত উকবা বিন আমির (রাঃ) হতে
বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ (দঃ) ইরশাদ করেছেনঃ
ﻭﺍﻥ ﻣﻮﻋﺪﻛﻢ ﺍﻟﺤﻮﺽ ﻭﺍﻧﻰ ﻻﻧﻈﺮ ﺍﻟﻴﻪ ﻣﻦ ﻣﻘﺎﻣﻰ
" নিশ্চয় হাউজে কাউছার আমার এবং তোমাদের
সাক্ষাৎকারের স্থান।যা আমি আমার অবস্থান অর্থাৎ
এখান থেকে দেখতে পাচ্ছি।
(সহীহ বোখারীঃ ৭/৩৪৮-হাঃনংঃ ৪০৪২,সহীহ মুসলিমঃ
৪/১৭৭৫-হাঃনংঃ ৩০/২২৯৬,সুনানে নাসায়ী(কুবরা)ঃ ৪/৬১-হাঃ
১৯৫৪,মুসনাদে আহমদ ঃ ৪/১৪৮,মিশকাতঃ ৪/৪০২-হাঃনংঃ
৫৯৫৮)।
রাসুল (দঃ) মদিনায় অবস্থান করে হাউজে
কাউছার দেখছেন।অর্থাৎ তিনি হাউজে কাউছারেও
হাজির।
ইমাম কাজী আয়াজ মালেকী (রহঃ) একটি
হাদিস সংকলন করেছেন।রাসুলুল্লাহ (দঃ) ইরশাদ
করেছেনঃ
ﺍﻥ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻓﻰ ﺍﻟﺒﻴﺖ ﺍﺣﺪ ﻓﻘﻞ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ
ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻨﺎ ﻭﻋﻠﻰ ﻋﺒﺎﺩ ﺍﻟﻠﻪ
ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ .
" যখন ঘরে কেউ থাকবেনা।তখন প্রবেশের
সময় বলবেঃ হে নবী! আপনার প্রতি সালাম।আপনার
উপর আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকত বর্ষিত
হোক এবং আল্লাহর ওলীগণের উপর।"
(শিফা শরীফঃ ২/৪৩ পৃষ্টা)।
এই হাদিসের ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী কারী
(রহঃ) বলেন ঃ
ﺍﻯ ﻻﻥ ﺭﻭﺣﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﺣﺎﺿﺮ ﻓﻰ ﺑﻴﻮﺕ ﺍﻫﻞ ﺍﻻﺳﻼﻡ
" কেননা রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর রুহ মোবারক
প্রত্যেক মুসলমানের ঘরে ঘরে হাজির থাকে।"
(শরহুশ শিফাঃ ২/১১৮ পৃ,দারুল কুতুব ইলমিয়্যাহ,বৈরুত)।
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতী (রাঃ) (ওফাতঃ৯১১
হিজরী) বলেন ঃ
ﺍﻟﻨﻈﺮ ﻓﻰ ﺍﻋﻤﺎﻝ ﺍﻣﺘﻪ ﻭﺍﻻﺳﺘﻐﻔﺎﺭ ﻟﻬﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﺴﻴﺄﺕ
ﻭﺍﻟﺪﻋﺎﺀ ﺑﻜﺸﻒ ﺍﻟﺒﻼﺀ ﻋﻨﻬﻢ ﻭﺍﻟﺘﺮﺩﺩ ﻓﻰ ﺍﻗﻄﺎﺭ ﺍﻻﺭﺽ
ﻟﺤﻠﻮﻝ ﺍﻟﺒﺮﻛﺔ ﻓﻴﻬﺎ ﻭﺣﻀﻮﺭ ﺟﻨﺎﺯﺓ ﻣﻦ ﻣﺎﺕ ﻣﻦ ﺻﺎﻟﺢ
ﺍﻣﺘﻪ . ﻓﺎﻥ ﻫﺬﻩ ﺍﻻﻣﻮﺭ ﻣﻦ ﺟﻤﻠﺔ ﺍﺷﻐﺎﻟﻪ ﻓﻰ ﺍﻟﺒﺮﺯﺥ ﻛﻤﺎ
ﻭﺭﺩﺕ ﺑﺬﺍﻟﻚ ﺍﻻﺣﺎﺩﻳﺚ ﻭﺍﻵﺛﺎﺭ .
" উম্মতের বিবিধ কর্মকান্ডের প্রতি দৃষ্টি
রাখা,তাদের পাপরাশির জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা,তাদের
বালা-মুসিবত থেকে রক্ষার জন্য দোয়া
করা,পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে
আনাগোনা করা ও বরকত দান করা এবং নিজ উম্মতের
কোন নেক বান্দার ওফাত হলে জানাজায় হাজির হওয়া।
এগুলো হচ্ছে হুজুর (দঃ)
এর শখের কাজ।অন্যান্য হাদিস থেকেও এসব
বর্ণনার সমর্থন পাওয়া যায়।
( আল হাভী লিল ফাতাওয়াঃ ২/১৮৪-৮৫,দারুল ফিকর
ইলমিয়্যাহ,বৈরুত)।
বিশ্ববিখ্যাত মুফাসসির আল্লাম ইসমাইল হাক্কী
(রহঃ) বলেনঃ
ﻗﺎﻝ ﺍﻻﻣﺎﻡ ﺍﻟﻐﺰﺍﻟﻰ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻭﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﻋﻠﻴﻪ
ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻟﻪ ﺍﻟﺨﻴﺎﺭ ﻓﻰ ﻃﻮﺍﻑ ﺍﻟﻌﻮﺍﻟﻢ ﻣﻊ ﺍﺭﻭﺍﺡ ﺍﻟﺼﺤﺎﺑﺔ
ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻢ ﻟﻘﺪ ﺭﺁﻩ ﻛﺜﻴﺮ ﻣﻦ ﺍﻻﻭﻟﻴﺎﺀ .
" হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজালী (রহঃ) বলেন ঃ হুজুর
(দঃ) উনার সাহাবায়ে ইকরামের রুহ মোবারক সাথে
নিয়ে জগতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের ক্ষমতা
রাখেন।তাই অনেক আউলিয়া ইকরাম উনাকে
দেখেছেন।"
(তাফসীরে রুহুল বয়ানঃ ১০/৯৯ পৃ,সূরা মুলকঃ২৯ নং
আয়াত)।
অন্য হাদীস শরীফে এসেছে,রাসুলুল্লাহ (দঃ)
ইরশাদ করেছেনঃ
ﺍﺫﺍ ﺩﺧﻞ ﺍﺣﺪﻛﻢ ﺍﻟﻤﺴﺠﺪ ﻓﻠﻴﺴﻠﻢ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺛﻢ ﺍﻟﻴﻘﻞ : ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﻓﺘﺢ ﻟﻰ ﺍﺑﻮﺍﺏ ﺭﺣﻤﺘﻚ .
" যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ
করবে,তখন সে যেন নবী কারিম (দঃ) এর উপর
সালাম দেয়।অতঃপর "আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা
রাহমাতিকা" এই দোয়াটি বলবে।"
(সুনানে দারেমীঃ২/৮৭৬-হাঃ ১৪৩৪,সুনানে ইবনে
মাজাহঃ ১/২৫৪-হাঃ ৭৭২-ওহাবী আল বানি এই হাদিসটিকে
সহীহ বলেছে।,সুনানে বায়হাকী (কোবরা)ঃ২/
৬১৯-হাঃ ৪৩১৭/৪৩১৯,সুনানে আবু দাউদঃ ১/১২৬-হাঃ
৪৬৫,সুনানে নাসায়ীঃ ১/৪০৪- হাঃ ৮১০)।
উপমহাদেশের সর্বজনশ্রদ্বেয় আলেম
আল্লামা শায়খ আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিস দেহলভী (রহঃ)
বলেনঃ
ﻭﺭﺃﻳﺘﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻰ ﺍﻛﺜﺮ ﺍﻻﻣﻮﺭ ﺑﻴﺪﻯ ﺍﻯ
ﺻﻮﺭﺗﻪ ﺍﻟﻜﺮﻳﻤﺔ ﺍﻟﺘﻰ ﻛﺎﻥ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﻣﺮﺓ ﺑﻌﺪ ﻣﺮﺓ ﻓﺘﻔﻄﻨﺖ
ﺍﻥ ﻟﻪ ﺧﺎﺻﺔ ﻓﻰ ﺗﻘﻮﻳﻢ ﺭﻭﺣﻪ ﺑﺼﻮﺭﺓ ﺟﺴﺪﻩ ﻋﻠﻴﻪ
ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻭﺍﻧﻪ ﺍﻟﺬﻯ ﺍﺷﺎﺭ ﺍﻟﻴﻪ ﺑﻘﻮﻟﻪ ﺍﻥ ﺍﻻﻧﺒﻴﺎﺀ ﻻ ﻳﻤﻮﺗﻮﻥ
ﻭﺍﻧﻬﻢ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻓﻰ ﻗﺒﻮﺭﻫﻢ ﻭﻫﻢ ﻳﺤﺠﻮﻥ ﻭﺍﻧﻬﻢ ﺍﺣﻴﺎﺀ .
" আমি রাসুলুল্লাহ (দঃ) কে অধিকাংশ দ্বীনি ব্যাপারে
উনার নিজ আকৃতিতে আমার সম্মুখে বারবার
দেখেছি।এতে আমি উপলদ্বি করলাম যে,উনার রুহ
মোবারকের এমন বিশেষ শক্তি রয়েছে যে,তা
উনার নিজস্ব আকৃতি ধারণ করতে পারে।এটা রাসুলুল্লাহ
(দঃ) এই হাদিসের ইঙ্গিতঃ
নবিগণ মরাবস্থায় নন,বরং উনারা নিজ নিজ কবর শরীফে
নামাজ আদায় করেন এবং হজ্ব ও করেন। আর উনারা
জীবিত। "
(ফয়জুল হারামাঈনঃ ২৪৫ পৃষ্টা)।
বর্তমান দেওবন্দী ওহাবীরা যাকে পীরানে
পীর-গুরু মানে, হজরত ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে
মক্কী (রহঃ) উনার প্রসিদ্ব গ্রন্থ " শামায়েলে
ইমদাদিয়্যাহ"তে বলেছেনঃ
ﺍﻟﺒﺘﮧ ﻭﻗﺖ ﻗﯿﺎﻡ ﮐﮯ ﺍﻋﺘﻘﺎﺩ ﺗﻮﻟﺪ ﮐﺎ ﻧﮧ ﮐﺮﻧﺎ ﭼﺎﮨﺌﮯ - ﺍﮔﺮ
ﺍﮨﺘﻤﺎﻡ ﺗﺸﺮﯾﻒ ﺁﻭﺭﯼ ﮐﺎ ﮐﯿﺎ ﺟﺎﺋﮯ ﻣﻀﺎﺋﻘﮧ ﻧﮩﯿﯽ -
ﮐﯿﻮﻧﮑﮧ ﻋﺎﻟﻢ ﺧﻠﻖ ﻣﻘﯿﺪ ﺑﺰﻣﺎﻥ ﻭ ﻣﮑﺎﻥ ﮨﮯ - ﻟﯿﮑﻦ ﻋﻠﻢ
ﺍﻣﺮ ﺩﻭﻧﻮﮞ ﺳﮯ ﭘﺎﮎ ﮨﮯ - ﭘﺲ ﻗﺪﻡ ﺭﻧﺠﮧ ﻓﺮﻣﺎﻧﺎ ﺫﺍﺕ
ﺑﺎﺑﺮﮐﺎﺕ ﮐﺎ ﺑﻌﯿﺪ ﻧﮩﯿﯽ -
" মীলাদ শরীফে ক্বিয়ামের সময় হুজুর (দঃ)
ভুমিষ্ট হচ্ছেন এমন বিশ্বাস রাখা উচিত নয়।আর যদি তিনি
মাহফিলে তাশরীফ আনছেন এমন বিশ্বাস রাখা
হয়,তাহলে অসুবিধা নেই।কারণ এই নশ্বর জগত কাল ও
স্থানের সাথে সম্পৃক্ত। আর পরকাল স্থান-কাল এর
সম্পর্ক থেকে মুক্ত।"
( শামায়েলে ইমদাদিয়্যাহঃ ১০৩ পৃষ্টা,মকতুবায়ে
থানবী,দেওবন্দ)।
তিনি অন্য কিতাবে আরো বলেন ঃ
ﺭﮨﺎ ﯾﮧ ﺍﻋﺘﻘﺎﺩ ﮐﮧ ﻣﺠﻠﺲ ﻣﻮﻟﺪ ﻣﯿﯽ ﺣﻀﻮﺭ ﭘﺮ ﻧﻮﺭ ﺻﻠﯽ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﯿﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺭﻭﻧﮏ ﺁﻓﺮﻭﺯ ﮨﻮﺗﮯ ﮨﯿﯽ - ﺍﺳﯽ ﺍﻋﺘﻘﺎﺩ ﮐﻮ
ﮐﻔﺮ ﻭ ﺷﺮﮎ ﮐﮩﻨﺎ ﺣﺪ ﺳﮯ ﺑﮍﮨﻨﺎ ﮐﯿﻮﻧﮑﮧ ﯾﮧ ﺍﻣﺮ ﻣﻤﮑﻦ
ﻋﻘﻼ ﻭ ﻧﻘﻼ - ﺑﻠﮑﮧ ﺑﻌﺪ ﻣﻘﺎﻣﺎﺕ ﭘﺮ ﺍﺱ ﮐﺎ ﻭﻗﻮﻉ ﺑﮩﯽ ﻭ
ﮨﻮﺗﺎ ﮨﮯ -
" এই আক্বীদা ও বিশ্বাস রাখা যে,মিলাদ
মাহফিলে হুজুর পুরনুর (দঃ) উপস্থিত হন,এটাকে কুফর
ও শিরক বলা,সীমালঙ্ঘন করা ছাড়া আর কিছুই নয়।
কেননা,এই বিষয়টি যুক্তিভিত্তিক ও শরীয়তের
দলীলের আলোকে সম্ভব।এমনকি অনেক
ক্ষেত্রে বাস্তবে তা ঘটে ও থাকে।
( কুল্লিয়াতে ইমদাদিয়্যাহঃ ১০৩ পৃষ্টা,মকতুবাতে
থানবী,দেওবন্দ)।