07/01/2025
Rabies ( জলাতঙ্ক)
জলাতঙ্ক এমন একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা একইসাথে মানুষ ও প্রাণি উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ রোগ। এ রোগে আক্রান্ত মানুষ/ প্রাণির মৃত্যু মোটামুটি নিশ্চিত। তাই মানুষ ও প্রাণীর চিকিৎসা বিজ্ঞানে এ রোগটিকে খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়
★ জলাতঙ্ক বাহক সাধারনত বিড়াল, কুকুর, শেয়াল ইত্যাদি। এসব বাহক প্রাণির লালার মাধ্যমে সাধারণত অন্যান প্রানি ( গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি) ও মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ায়।
★ বাহক বা আক্রান্ত প্রানি যদি অন্য প্রানিকে কামড় বা আঁচড় দেয় যার মাধ্যমে আক্রান্ত প্রানির লালা অন্যের সুস্থ দেহে যেতে পারে। এবং সে সুস্থ মানুষ বা প্রানি আক্রান্ত হবে।
★ সাধারণত এ ভাইরাসটি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে এবং কোনোরকম রোগ লক্ষন প্রকাশ করে না।
আক্রান্ত মানুষ বা প্রানি, রোগের বিভিন্ন স্টেজে ভিন্ন রকম লক্ষন প্রকাশ করে। লালা ঝড়া, পানি দেখে ভয় পাওয়া, অত্যন্ত পাগলাটে আচরন, কামড় বা আঁচড় দেওয়ার প্রবনতা সহ বিভিন্ন লক্ষন দেখা যায়।
★ ভাইরাসটি তাপ ও ক্ষারীয় পদার্থের প্রতি সংবেদনশীল। তাই কামড় বা আঁচড় দেওয়া স্থান ভালো করে সাবান দিয়ে ধৌত করলেই অনেকাংশেই ভাইরাসটি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
তবে যদি কোনো কারনে স্নায়ু টিস্যুর সংস্পর্শে চলে আসে তাহলে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা বেড়ে যায়
★ জলাতঙ্ক আক্রান্ত মানুষ বা প্রানির নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা এখনও আবিষ্কার হয় নি। তাই মৃত্যুই তার একমাত্র সমাধান।
তবে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিরোধ গড়ার জন্য মানুষ ও প্রানির জন্য রয়েছে ভেক্সিন।
প্রি- এক্সপোজার : ভাইরাসটির সংস্পর্শে যাওয়ার পূর্বে টিকা দেওয়া হয় যাতে পরবর্তীতে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
পোস্ট - এক্সপোজার: ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসার পরপর( যত দ্রুত সম্ভব) দেওয়া হয়।
*** যারা পোষা প্রানি পালন করেন তাদের প্রতি আহ্বান নিজে এবং আপনার প্রানিটিকে সুস্থ রাখতে আজই চলে আসুন আপনার নিকটস্থ ভেটেরিনারি ক্লিনিকসে।
আমাদের কাছে বিড়াল ও কুকুরের জন্য রেবিস প্রতিরোধী টিকা পাওয়া যাচ্ছে। ফুরিয়ে যাবার আগে দ্রুত সংগ্রহ করে নিন।
বি. দ্র.: হোম ভিজিট এভেইলএবল।
যোগাযোগ : ০১৭৬২৬১৫৭১৩