18/10/2025
🖼️সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো-
Regional Workshop on AMR Awareness & Veterinary Antimicrobial Stewdship Program.
🏵️প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, মাননীয় সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
🌻বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম, মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
🏵️অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- জনাব ড. মো. আবু সুফিয়ান, সম্মানিত মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা।
🔆এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য বিজ্ঞানী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগে কর্মরত বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তাবৃন্দসহ আমন্ত্রিত প্রায় দেড় শতাধিক অংশীজন।
🌿⛔⛔⛔⛔⛔⛔⛔⛔⛔🌿
কি ভয়ানক! কি সাংঘাতিক!😱
ডাক্তার আছে কিন্তু ঔষধ নাই❗
AMR (এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স)
পরিস্থিতি নিয়ে কি কিছু অনুমান করতে পারছেন? বিশ্ববাসী সম্মিলিতভাবে সচেতন না হলে করোনার চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয় আসন্ন। করোনার তো তবুও ভ্যাক্সিন আছে, AMR এর জন্য কিন্তু কিছুই নেই, শুধু সচেতনতা ছাড়া। চিকিৎসা করার মত কার্যকরী কোন ঔষধ (Antibiotics) অবশিষ্ট থাকবে না ডাক্তারের হাতে! CS test (Cultural Sensitivity test) এ সকল এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট দেখাচ্ছে!
👉কল্পনা করতে পারেন❓
চোখের সামনেই সামান্য রোগে মারা যাবে আত্নীয়-পরিজন। আমি-আপনি, মানুষ কিংবা প্রাণী কেউই এই ঝুঁকির বাহিরে নয়। এন্টিবায়োটিকস এর যথেচ্ছ ব্যবহারই (ওভার বা আন্ডারডোজ, ভুল কোর্স ইত্যাদি) এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে মানব সভ্যতাকে। একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো মানুষ বা প্রাণী কিন্তু এন্টিবায়োটিকের প্রতি রেজিস্ট্যান্ট হয় না, রেজিস্ট্যান্স হয় নির্দিষ্ট জীবানুটি, যাকে কোন ঔষধ ব্যবহার করেও মেরে ফেলা যায় না। ধরা যাক, আপনি একজন সচেতন মানুষ ,অর্গানিক খাদ্য খান, মানসম্মত জীবনযাপন করেন, নিজের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর সঠিক ব্যবহার করেন, তাহলে কি আপনি নিরাপদ? উত্তর হলো কখনোই না। বরং আরও বেশি ঝুঁকিতে আছেন। সভ্যতা ততক্ষণই ঝুঁকিতে, যতক্ষণ আমরা সকল মানুষ সচেতন হবো না।
বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং এর পেনিসিলিন আবিষ্কার এর পর থেকে এই পর্যন্ত অনেক এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার হয়েছে, হয়েছে ব্যবহারও। কিন্তু এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পরিমান সময়ের সাথে অনেক অনেক কমে গেছে। এখন হাতে গোনা কয়েকটি Key, Watch ও Reserve গ্রুপের এন্টিবায়োটিক আছে আমাদের হাতে। AMR, MDR, TDR, CS test , Superburg এগুলো আলোচনার বিষয় ও অনুধাবণের ব্যাপার।
জীবানু কিভাবে রেজিস্ট্যান্স এর ক্ষমতা অর্জন করে❓
✅সংক্ষেপে বললে-
১- মানুষ বা প্রাণীর দেহে রোগসৃষ্টিকালীন ও ভুল চিকিৎসাকালীন সময়ে ।
২- কোন উৎস থেকে পরিবেশে নির্গত হওয়া এন্টিবায়োটিক এর রেসিডিও থেকে।
৩- রেজিস্ট্যান্ট জীবানুর পরবর্তী বংশধর হিসাবে জন্মগতভাবে (উত্তরাধিকার সূত্রে)।
৪- T2 ফার্য ভাইরাসের মাধ্যমে (এক জীবানু থেকে অন্য জীবানু)।
মানুষ সাধারণত বন্যপ্রাণী, পোকামাকড়, খামারের প্রাণী, পোষা প্রাণী, খাদ্যাভাস কিংবা দূষিত পরিবেশের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে রোগাক্রান্ত হয়।
মানুষের স্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্য যেহেতু ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই বিশ্ব নেতৃবৃন্দ initiative এর মাধ্যমে বিশ্বকে বসবাস্যযোগ্য রাখার সুদুরপ্রসারি উদ্যোগ নিয়েছেন।
আমি আপনি হয়তোবা পার হাল্কা পেয়ে যাবো AMR এর প্রভাব থেকে। কিন্তু আমাদের সন্তান কিংবা পরবর্তী প্রজন্ম কি রক্ষা পাবে এই বিপর্যয় থেকে?
কি হবে আমাদের উত্তর তাদের কাছে?
তাই আসুন কবি সুকান্তের মত করে বলি-
"এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।"
🌷ধন্যবাদ💝