খামার বাড়ি

খামার বাড়ি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খামার বাড়ি, Animal shelter, Pakerhat, Dinajpur.

আলহামদুলিল্লাহ ২মাস ১৯ দিনে অনেক বড়ো হয়েছে এবং মোটাতাজা হয়েছে প্রথম ছবি ৮জানুয়ারী ২০২৬দ্বিতীয় ছবি আজ সকালের
28/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ ২মাস ১৯ দিনে অনেক বড়ো হয়েছে এবং মোটাতাজা হয়েছে
প্রথম ছবি ৮জানুয়ারী ২০২৬
দ্বিতীয় ছবি আজ সকালের

10/02/2026

আমার প্রতিসকালের কাজ🤩

আলহামদুলিল্লাহ আবারও ৩টি ষাঁড় বাছুর কিনলাম। কেনা মূল্য ১লক্ষ আট হাজার টাকা। তারিখ : 01/02/2026
01/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ আবারও ৩টি ষাঁড় বাছুর কিনলাম।
কেনা মূল্য ১লক্ষ আট হাজার টাকা।
তারিখ : 01/02/2026

01/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ আবারও ৩টি ষাঁড় বাছুর কিনলাম।
01/02/2026

দেশি মুরগির বাচ্চা ১-৩০দিন পালন পদ্ধতি ডিম থেকে ফুটে বের হোলে,মায়ের তাপের নিচে রাখবে শুকিয়ে যায় যেন ভালো কোরে।নাভি কাঁচা...
26/01/2026

দেশি মুরগির বাচ্চা ১-৩০দিন পালন পদ্ধতি
ডিম থেকে ফুটে বের হোলে,মায়ের তাপের নিচে রাখবে শুকিয়ে যায় যেন ভালো কোরে।নাভি কাঁচা থাকলে নিউমোনিয়া হওয়ার সম্ভবনা বেশি।পানির সাথে লেবু বা লাইসোভিট দেন এনার্জি পাবে,,
এরপর খাবার হিসেবে ৩০দিন পর্যন্ত সোনালি স্টাটার ফিড খেতে দিন।এ খাবারে মুরগির বাচ্চা বড় হবার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি আছে।গ্রোথ হরমোন থাকে।ভাত,ধান,গম,চাল বা চালের খুদ এগুলো দিবেন না।
বাচ্চার পেছনে মল বা ঠান্ডা লাগলে সেফা-1 দিয়ে কোর্স করাবেন ৩-৫দিন লিটারে ১গ্রাম।
৭দিন বয়সে রানিক্ষেত bcrdb ভ্যাক্সিন দিবেন।৯-১০দিন বয়সে গামবোরো ভ্যাক্সিন দেন
১২দিন -১৬দিন পর্যন্ত এমাইনো ভেট প্লাস দেন গ্রোথ ভালো হবে ওজন বাড়বে,পাখা ঝুলে যাওয়া শুকিয়ে যাওয়া রোধ করবে।১৮-১৯দিনে গামবোরো ভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ টা দিবেন।একই ভ্যাক্সিন দ্বিতীয় বার দেয়াই বুস্টার।
২১-২২দিনে রানিক্ষেত bcrdb বুস্টার ডোজ টা দিবেন একই নিয়মে বাচ্চার ১চোখে।২৩-২৬দিন পর্যন্ত থায়াবিন দেন লিটারে ১গ্রাম।কারন মুরগির বাচ্চা টাল রোগ প্রতিরোধে এ ঔষধ টা ব্যবহার করবেন।৩৫দিন বয়সে ফাউল পক্স ভ্যাক্সিন দিবেন।ভ্যাক্সিন দেয়ার আগ পর্যন্ত মশার কামড় থেকে বিরত রাখেন নাহয় গুটি বসন্ত হবে।
৩৫-৪০দিনে কৃমি মুক্ত করেন।
©️

কারো লাগলে নিতে পারেন।±8801822452047
25/01/2026

কারো লাগলে নিতে পারেন।
±8801822452047

31-12-2025 তারিখে 68000 কেনা হয়ছে |
08/01/2026

31-12-2025 তারিখে 68000 কেনা হয়ছে |

07/01/2026
06/01/2026
রানীক্ষেত ও গাম্বুরোর সরাসরি চিকিৎসা নেইতবে 👉 পানি ফার্মেন্টেশন দিয়ে সাপোর্টিভ কেয়ার দিলে মৃত্যুহার কমে, রিকভারি দ্রুত...
04/01/2026

রানীক্ষেত ও গাম্বুরোর সরাসরি চিকিৎসা নেই
তবে 👉 পানি ফার্মেন্টেশন দিয়ে সাপোর্টিভ কেয়ার দিলে মৃত্যুহার কমে, রিকভারি দ্রুত হয় মুরগি মারা বন্ধ হয়ে যায়।
🛑 সব ধরনের মুরগির রানীক্ষেত ও গাম্বুরো
💧 পানি ফার্মেন্টেশন দিয়ে সাপোর্টিভ চিকিৎসা (লিস্ট)
✅ কখন এই পদ্ধতি ব্যবহার করবেন
✔️ হঠাৎ খাওয়া বন্ধ
✔️ পানির মতো পায়খানা
✔️ দুর্বল, ঝিমুনি
✔️ ভ্যাকসিন নেওয়া সত্ত্বেও সমস্যা
💧 ফার্মেন্টেড পানির বেসিক ফর্মুলা (২০ লিটার)
পরিষ্কার পানি – ২০ লিটার
ইস্ট – ৫০–১০০ গ্রাম
আখের গুড় / চিনি – ৩০০–৫০০ গ্রাম
লবণ – ১৫–২০ গ্রাম
ভিনেগার – ১৫–২০ মি.লি.
ফিডের সাথে বায়োটি প্রতি কেজিতে ৭/৮ গ্রাম মিকচার করে খাওয়াবেন, এবং তার সাথে সেভর্গাড প্রতি কেজি ফিডের সাথে ৩/৪ গ্রাম মিকচার করে খাবেন।
⏱️ ফার্মেন্টেশন সময়:
গরমে: ৮–১২ ঘণ্টা
শীতে: ১২–১৮ ঘণ্টা
🐔 রানীক্ষেত হলে পানির সাথে কী যোগ করবেন
✔️ ভিটামিন C (স্ট্রেস কমাতে)
✔️ মাল্টিভিটামিন
✔️ ইলেক্ট্রোলাইট
✔️ প্রোবায়োটিক (যদি থাকে)
📌 খাওয়ানোর নিয়ম:
একটানা ৩–৫ দিন
অন্য কোনো পানি দেবেন না
🐥 গাম্বুরো হলে পানির সাথে কী যোগ করবেন
✔️ ভিটামিন C + E
✔️ গ্লুকোজ / ইলেক্ট্রোলাইট
✔️ প্রোবায়োটিক (অবশ্যই)
✔️ হালকা ফার্মেন্টেশন (খুব টক নয়)
📌 লাভ:
ডিহাইড্রেশন কমে
ইমিউন সিস্টেম সাপোর্ট পায়
মৃত্যুহার কমে
🚨 খুব গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
❌ অ্যান্টিবায়োটিক ফার্মেন্টেড পানির সাথে মেশাবেন না
❌ খুব টক পানি দেবেন না
❌ অসুস্থ মুরগি আলাদা রাখুন
❌ ভ্যাকসিনের বিকল্প মনে করবেন না
💉 শেষ কথা
“রানীক্ষেত ও গাম্বুরো সারানো যায় না,
কিন্তু সঠিক পানি ফার্মেন্টেশন
মুরগিকে মরতে দেয় না!” 🐔💧 #পানি_ফার্মেন্টেশন
#রানীক্ষেত
#গাম্বুরো





কপি পোস্ট

খামারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।না জানার কারনে অনেক বড় বড় ভুল চোখের সামনে থাকলেও আমরা দেখতে পাই না।★ দুধ দেয়া গাভী...
08/12/2021

খামারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।
না জানার কারনে অনেক বড় বড় ভুল চোখের সামনে থাকলেও আমরা দেখতে পাই না।
★ দুধ দেয়া গাভীর খাদ্য নির্ধারনে জানতে হবেঃ-
১. দৈনিক শক্তির চাহিদা
২. দৈনিক ক্রুড প্রোটিনের চাহিদা
৩. দৈনিক ফাইবার বা আঁশের চাহিদা
৪. দৈনিক ড্রাই ম্যাটারের চাহিদা ( যা মোট ওজনের সর্বোচ্চ ৪%. অর্থাৎ ৩০০ কেজি ওজনের জন্য ১২ কেজি)
★ মূল হিসাবঃ (৩০০ কেজি, ১০ লিটার দুধ, ল্যাক্টেশনের ১ম ভাগ)
১. শক্তির হিসাবঃ
৩০০ কেজি ওজনের জন্য দরকার= ৩৬ মেগাজুল
১০ কেজি দুধের জন্য (১০x৫.৪) = ৫৪ মেগাজুল
মোট শক্তি দরকার = ৯০ মেগাজুল
২. ক্রুড প্রোটিনের হিসাবঃ
৩০০ কেজি ওজনের জন্য দরকার = ২৮৮ গ্রাম
১০ কেজি দুধের জন্য (১০x৮৫) = ৮৫০ গ্রাম
লাইভ ওয়েট ম্যানেজমেন্ট এর জন্য= ২৪০ গ্রাম
মোট ক্রুড প্রোটিন দরকার = ১৩৭৮ গ্রাম
৩. ফাইবারের হিসাবঃ
ক্রুড ফাইবার (CF)= কমপক্ষে ১৭%
নিউট্রাল ডিটারজেন্ট ফাইবার (NDF)= কমপক্ষে ৩০%
অ্যাসিড ডিটারজেন্ট ফাইবার (ADF) = কমপক্ষে ১৯%
৪. ড্রাই ম্যাটারের হিসাবঃ (সর্বোচ্চ ৪%)
৩০০ কেজির ৪% =১২ কেজি
★ উপরের হিসাব থেকে আমরা বুঝলাম- ৩০০ কেজি ওজনের ১০ লিটার দুধ দেয়া গাভীর দৈনিক ৯০ মেগাজুল শক্তি ও ১৩৭৮ গ্রাম ক্রুড প্রোটিন দরকার যা সর্বোচ্চ ১২ কেজি ড্রাই ম্যাটার ও কমপক্ষে ১৭% ক্রুড ফাইবার (বা ৩০% NDF ও ১৯% ADF) এর ভেতর সরবরাহ করতে হবে।
★ রাফেজ ও দানাদার কোনটি কতটুকু খাওয়াবেন তা নির্ধারণের আগে খামারী ও বিশেষজ্ঞদের ২টি চরমপন্থী দলের সাথে পরিচিত হওয়া দরকারঃ-
১. প্রথম দল- সাইলেজ বিপ্লবীঃ
কেউ কেউ সাইলেজকে এতটাই ভালবেসে ফেলেছেন যে- একদিন শুধু সাইলেজ দিয়েই এদেশে গাভী পালা হবে- অন্যকিছু লাগবে না- দানা খাদ্য লাগবে না- এরূপ দিবা স্বপ্ন দেখেন। এরাই সাইলেজ বিপ্লবী।
সাইলেজ অত্যন্ত ভাল জিনিস। সাইলেজ এর সংজ্ঞাই হল- এটা সংরক্ষিত ঘাস- ব্যস এততুকুই। একে গাভীর জন্য মান্না-সালওয়া মনে করে ১০ টাকা কেজিতেও কিনতে রাজি হয়ে গেলে কিন্তু বিপদ। কারণ ঘাসের কেজির দাম যা- সাইলেজের কেজির দাম তার চেয়ে খুব একটা বেশী হওয়া যৌক্তিক নয়।
শুধু সাইলেজে কেন গাভী পালা যাবে না তা ব্যাখ্যা করছি।
শুধু শক্তির হিসাব করলে সর্বোচ্চ ভাল মানের ভুট্টার মিল্কিং স্টেজের ১ কেজি সাইলেজে শক্তি আছে ৩.২৪ মেগাজুল। তাহলে ৯০ মেগাজুল শক্তি পেতে সাইলেজ লাগবে ২৮ কেজি। আর ২৮কেজি সাইলেজে ক্রুড প্রোটিন আছে (২৮x২২=) ৬১৬ গ্রাম, ড্রাই ম্যাটার আছে (২৮x৩০০গ্রাম=) ৮.৪কেজি
তাহলে সাইলেজ বিপ্লবীরা উত্তর দিনঃ-
১. ২৮কেজি সাইলেজ কি ৩০০ কেজি গাভীর পেটে আটবে??
যদি ধরে নেই আটবে, তাহলেঃ-
২. ক্রুড প্রোটিন পেল ৬১৬গ্রাম, বাকী (১৩৭৮-৬১৬) = ৭৬২ গ্রাম ক্রুড প্রোটিন কি গাভী স্বপ্নে পাবে? নাকি মুখ দিয়েই দিতে হবে??
৩. ২৮ কেজি ঠেসে খাওয়াতে পারলেও তো ড্রাই ম্যাটার ১২ কেজি হয় না। হয় মাত্র ৮.৪ কেজি।
৪. আবার যদি ক্রুড প্রোটিন দিয়ে হিসাব করি- ১৩৭৮ গ্রাম ক্রুড প্রোটিন পেতে ভূট্টা সাইলেজ লাগবে (১৩৭৮÷২২) = ৬৩ কেজি। তো ভাই, ৬৩ কেজি সাইলেজ ৩০০ কেজির গরুকে একদিনে খাওয়া চাইলে গরুর আরও ২টা পেট ভাড়া করা লাগবে।
অতএব বোঝা গেল শুধু রাফেজ দিয়ে বানিজ্যিক খামারের দুধের গাভীর পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়।
★ হ্যা গাভী পালা সম্ভব- যদি আপনার উচ্চ মানের লিগিউম জাতীয় ঘাসের ১০০ বিঘা উঁচু জমি থাকে- তবে আপনি ১০০টি গাভী ছেড়ে দিলেন- তাদের দুধের ক্যাপাসিটি হয়তো ২০লিটার- কিন্তু তারা আপনাকে ৪-৫ লিটার দিল- ২/৪ টা মরে গেল- ২/৪ টা বন্ধ্যা হয়ে গেল। কোন বাড়তি খরচ লাগলো না। দুর্ভিক্ষের সময়ও তো মানুষ-গরু বেঁচে থাকে- সবতো আর মরে যায় না। অভিযোজন ক্ষমতা বলে তো একটা ব্যাপার আছে।
ভারতবর্ষের ভাল ভাল ৮-২৭ টি জাতের সমন্বয়ে আমাদের দেশী গরু কিন্তু এই দুর্ভিক্ষ ফরমুলাতেই তৈরী হয়েছে- এ যেন বিবর্তনের উলটো পথে হাটা।
২. দ্বিতীয় দল- দানাপ্রেমীঃ
দানাপ্রেমীরা সাইলেজ বিপ্লবীদের মত এত সরব নয়। তারা ঘাস দরকার (বিচার মানি) কিন্তু কই পাবো (তালগাছ আমার) বলে দানার সাথে বড়জোর খড় আর তুলা খাওয়ান।
শুধু দানা দিলে কি দাড়াচ্ছে?
ভালমানের দানা খাদ্য পেতে হলে ৯০% ড্রাই ম্যাটারের ১৮% ক্রুড প্রোটিন হিসাবে প্রতি কেজি দানা খাদ্যে ১৬২ গ্রাম ক্রুড প্রোটিন থাকতে হবে। তাতে শক্তি পাওয়া যাবে কেজিতে ১০-১১ মেগাজুল।
তাতে ৯০ মেগাজুল শক্তি পেতে ৯ কেজি বা ১৩৩৮ গ্রাম প্রোটিন পেতে ৮.৫ কেজি খাদ্য লাগছে।
শক্তি ও প্রোটিনের হিসাব না হয় মিললো কিন্তু ড্রাই ম্যাটার ও ফাইবার তো একেবারেই হচ্ছে না। ১৭% ক্রুড ফাইবার (অথবা ৩০% NDF ও ১৯% ADF) না হলে গরুর পরিপাকতন্ত্র কাজ করবে না। গরুর পেট খালি থাকবে- রুমেন না ভরায় (Rumen fill effect) গরুর পেরিস্টালসিস হবে না- অ্যাসিডোসিস ডেভেলপ করবে- পেট ফুলে গরু মরবে।
অতএব শুধু দানাতেও চলবে না। আর বেশী পরিমানের দানার সাথে ফাইবার ও ড্রাই ম্যাটার যোগ করার জন্য যদি শুধু খড় ও তুলা যোগ করা হয় তবে শক্তি-ক্রুড প্রোটিন-ফাইবার-ড্রাই ম্যাটার যদিওবা মিলে ভিটামিন, মিনারেল, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টন্স- এসবের এতটাই ঘাটতি পড়ে যায় যে গাভীটি দ্রুতই তার প্রজনন ক্ষমতা ও আয়ু হারিয়ে ফেলে।
অতীতে শহর ও শহরতলির উচ্চমূল্যে দুধ বেচা কিছু খামারি “All in, all out” ফর্মুলাতে লাভের মুখ দেখলেও খড়ের উচ্চমূল্যের কারনে এখন তাদের এই ব্যবসাও হুমকির সম্মুখীন। দীর্ঘমেয়াদে নিজের ঘাস/সাইলেজ ছাড়া ডেইরী খামার করা তাই একেবারেই অনুচিত। খামার করে বড় হয়েছেন- শত শত গাভী পালছেন- কিন্তু ঘাস/সাইলেজ খাওয়ান না- এরকম একজনও বড় খামারী এদেশে দেখাতে পারবেন না।
★ ( “All in, all out” ফর্মুলা হল- দক্ষতার সাথে ন্যায্য মূল্যে ২০-২৫ লিটারের গরু কিনে তাকে শুধু বেশী বেশী দানা খাবার ও খড় বা তুলা খাইয়ে সবটুকু দুধ উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা। যদি গাভীটি আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে কনসিভ করল তবে তাকে খামারে রাখা আর কনসিভ না করলে বা কনসিভ করতে দেরী হলে ৮ মাসের মাথায় নতুন, অতি উৎসাহী ক্রেতা দেখে বেচে দেয়া। এ ধরনের খামারির নিজের ঘরের গাভী খুব একটা তৈরি হয় না- সবসময় কেনা বেচার উপর থাকেন।)
★ অতএব রাফেজ ও দানা দুটোই দরকার। এখন প্রশ্ন হল কোনটি কতটুকু দরকার? বিভিন্ন ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এদুটিই সর্বনিম্ন ৪০% থেকে সর্বোচ্চ ৬০% (ড্রাই ম্যাটারের) রাখলেই ফাইবার- ভিটামিন- মিনারেল- মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস মোটামুটি পাওয়া যায়। ভিটামিন- মিনারেল যতটুকু বাকি থাকে সেটা সাপ্লিমেন্ট দিয়ে পূরনযোগ্য। তাই ৪০-৬০% এর মধ্যে দানা ও রাফেজ কে রাখলে নতুনদের জন্য শুধু শক্তি ও ক্রুড প্রোটিন এর হিসাব করলেই চলবে।
★ চলুন তাহলে রাফেজ ও ১৮% ক্রুড প্রোটিনের দানা খাদ্য দিয়ে রেশন সাজাইঃ-
১২ কেজি ড্রাই ম্যাটারের ৪০-৬০% হল ৪.৮ – ৭.২ কেজি।
★ ধরুন, ৫ কেজি ড্রাই ম্যাটারের নেপিয়ার ঘাস খাওয়াবো। তাহলে ঘাস লাগছে (৫ কেজি ÷ ২৫০ গ্রাম) = ২০ কেজি।
শক্তি পাচ্ছি (২০x২=) ৪০ মেগাজুল।
ক্রুড প্রোটিন পাচ্ছি (২০x২৫=) ৫০০ গ্রাম।
সুতরাং শক্তি বাকি রইলো (৯০-৪০=) ৫০ মেগাজুল।
ক্রুড প্রোটিন বাকি রইলো (১৩৭৮-৫০০=) ৮৭৮ গ্রাম।
তাহলে ৫.৫ কেজি দানা খাদ্য দিলে (৫.৫x১০=) ৫৫ মেগাজুল শক্তি ও (৫.৫x১৬২=) ৮৯১ গ্রাম ক্রুড প্রোটিন হচ্ছে- অর্থাৎ চাহিদা পূরণ হচ্ছে।
ঘাসের সাইলেজ দিয়ে হিসাবটিও মোটামুটি একই রকম। ঘাসে পুষ্টি কম থাকলে দানার পরিমান বাড়বে।
★ যদি ৪.৫ কেজি ড্রাই ম্যাটারের ভুট্টা সাইলেজ দিতে চাই তবে লাগবে (৪.৫কেজি ÷ ৩০০গ্রাম) = ১৫ কেজি।
কিন্তু শুধু ভুট্টা সাইলেজ খাওয়ালে ১৮% ক্রুড প্রোটিনের দানা খাদ্য দিয়ে হিসাব মেলানো যায় না। কারণঃ-
১৫ কেজিতে শক্তি (১৫x৩.২৪=) ৪৮.৬ মেগাজুল।
ক্রুড প্রোটিন (১৫x২২=) ৩৩০ গ্রাম।
সুতরাং শক্তি বাকি (৯০-৪৮.৬) = ৪১.৪ মেগাজুল।
ক্রুড প্রোটিন বাকি (১৩৭৮-৩৩০) = ১০৪৮ গ্রাম।
তাহলে, ৪ কেজি দানা খাদ্য দিলে শক্তি পূরন হয় কিন্তু ক্রুড প্রোটিন হয় (৪x১৬২=) ৬৪৮ গ্রাম অর্থাৎ ৪০০ গ্রামই বাকী থেকে যায়।
আবার ৬.৫ কেজি দিলে ক্রুড প্রোটিন (৬.৫x১৬২) = ১০৫৩ গ্রাম পূরন হয়। কিন্তু শক্তি বেড়ে যায় কমপক্ষে ২৫ মেগাজুল। যা গাভীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তাই হিসাব মিলাতে হলে ৩ কেজি দানা খাদ্য দিয়ে ৩০ মেগাজুল শক্তি ও ৪৮৬ গ্রাম ক্রূড প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে বাকী ১১.৪ মেগাজুল শক্তি ও ৫৬২ গ্রাম ক্রুড প্রোটিনের চাহিদা পূরনের জন্য ১৩০০ গ্রাম সয়াবিন মিল প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে দেয়া আবশ্যক।
তাহলে এই ৪৩০০ গ্রাম দানা খাদ্য আর ১৮% (DM) ক্রুড প্রোটিন থাকে না- হয়ে যায় ২৭% (DM) ক্রুড প্রোটিন।
ব্যাপারটি ভেবে দেখেছেন কি? চিন্তা-ভাবনা না করে শুধু ভুট্টা সাইলেজ খাইয়ে গেলেই কি চলবে? প্রচলিত খড়- ঘাসে এই উচ্চশক্তি-নিম্ন প্রোটিন জনিত সমস্যা হয় না। ভুট্টা সাইলেজ আমাদের দেশে নতুন- এ ব্যাপারে চিন্তাভাবনাও কম হয়েছে। খাওয়াতে হবে বুঝেশুনে-অন্ধের মত নয়।
সংগ্রহীত তথ্য।

♦♦হৃষ্টপুষ্ট করণে গরুর বাসস্থান নির্মান:-গোয়ালঘর নির্মানের জন্য উঁচু সমতল ভুমি,যেখানে বৃষ্টির পানি জমে না এবং জমলেও নিষ্...
15/11/2021

♦♦হৃষ্টপুষ্ট করণে গরুর বাসস্থান নির্মান:-
গোয়ালঘর নির্মানের জন্য উঁচু সমতল ভুমি,যেখানে বৃষ্টির পানি জমে না এবং জমলেও নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা আছে এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে।
♦♦এছাড়া নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে গোয়াল ঘর নির্মান করতে হবে.!!!
♠★>> প্রাণীর সাস্থ্য ও আরাম।
♠★>> সহজপাপ্য নির্মান সামগ্রী ব্যবহার।
♠★>> উপযুক্ত সাস্থ্যসম্মত নিয়মাবলী পালন করার সুবিধা।
♣♣>গোয়ালঘর যেমন হবে:-
♦১।★>> গোয়ালঘর সাধারণত দক্ষিণামুখী হওয়া ভাল।
♦২।★>> গোয়ালঘর সমতল ভুমি হতে ১ফুট উঁচুতে শুকনাস্থানে হতে হবে।
♦৩।★>> মেঝে হালকা ঢালু থাকবে যাতে সহজেই গরুর চনা (প্রস্রাব) কিনারে চলে যায় এবং ঘর শুকনো থাকে।
♦৪।★>> একচালা ঘরের উচ্চতা সাধারণত ৮-১০ ফুট এবং দুচালা ঘরের মধ্যবর্তী উভয় চালের শীর্ষদেশ ১২-১৪ ফুট এবং ঢালু অংশের উচ্চতা ৭ ফুট
হওয়া প্রয়োজন.!!!
♦৫।★>> ঘরের ভিতরে বয়স্ক গরুর জন্য অন্তত ৪ ফুট প্রশস্ত ও ৭-৮ ফিট দৈর্ঘ্য জায়গা প্রয়োজন।
খাবার পাত্রের জায়গা বাদে.!!
এবং গোয়ালঘরের ময়লা অপসারণের ড্রেনের জন্য ১ ফিট জায়গা রাখতে হবে।
(খেয়াল রাখবেন,ড্রেন যেন চাঁদের মত করে করা হয়,কোন ভাবেই স্কয়ার ড্রেন করা ঠিক নয়।)
♦৬।★>> ৪/৫ টা গরু হলে এক সারিতে রাখা যেতে পারে,এজন্য একচালা ঘরই যথেষ্ট।
♦৭।★>> ৮/১০ বা আরো বেশি গরু হলে দুচালা ঘর নির্মাণ করতে হবে এবং গরুকে দুসারিতে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
♦৮।★>> উভয় সারির গরুর সম্মুখে খাদ্য দেওয়ার জন্য কমন খাবার পাত্র থাকবে।
এক্ষেত্রে উভয় সারির গরুর পিছনের ভাগ বহির্মুখী এবং সামনের ভাগ অন্তর্মুখী থাকবে।
খেয়াল রাখতে হবে গরুর খাবার পাত্র যাতে বেশি উঁচু না হয়।
♦৯।★>> সংকর জাতের গরু অধিক গরমে কাতর,
তাই গোয়ালঘর শীতল রাখার জন্য ঘরে সিলিং ফ্যান ও উত্তরে দক্ষিণে খোলা আলো বাতাস পূর্ন হতে হবে।
♦১০।★>> শীতকালে প্রয়োজনে গরুর গায়ে ছালা ও মেঝেতে শুকনো খড়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
♦১১।★>> গরুর সাস্থ্য সুরক্ষায় খাবার পাত্র ব্যবহার ও তা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
♦১২।★>> সময়মত গরুর গোবরসহ অন্যান্য বর্জ্য অপসারণ করতে হবে।
♦১৩।★>> গোয়ালঘরের আশেপাশের ঝোপঝাড় কেটে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে,যাতে মশা মাছির উপদ্রব কম হয়।
♦১৪।★>> গেয়ালঘরের আশেপাশে যেন কোথাও পানি জমে না থাকে,
জমে থাকলে মশা মাছির উপদ্রব বাড়বে।
♦১৫।★>> মাঝেমাঝে গোয়াল ঘরের ফ্লোর, দেয়াল ও গোয়ালঘরের আশেপাশে জীবাণুনাশক স্প্রে করে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।

Address

Pakerhat
Dinajpur
5231

Telephone

+8801822452047

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খামার বাড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to খামার বাড়ি:

Share

Category