HeartLock Petwork Hive

HeartLock Petwork Hive মানুষ তো প্রাণের সেতুবন্ধ তৈরী করতে চাই।
সৃষ্টিকর্তার দেয়া প্রকৃতিতে সকলের ই সমান অধিকার রয়েছে।

বিড়াল কি মিষ্টি কুমড়া খেতে পারে? 🐱🎃আমার বন্ধু তপুর বিড়াল 'পুম্বা'র কথা বলি। পুম্বা এমনিতে ভীষণ চঞ্চল, কিন্তু হঠাৎ একদিন ...
29/03/2026

বিড়াল কি মিষ্টি কুমড়া খেতে পারে? 🐱🎃
আমার বন্ধু তপুর বিড়াল 'পুম্বা'র কথা বলি। পুম্বা এমনিতে ভীষণ চঞ্চল, কিন্তু হঠাৎ একদিন দেখা গেল ওর পেটে বেশ সমস্যা। পুম্বা কিছুই খেতে পারছিল না, আর কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ও খুব অস্থির হয়ে পড়েছিল। 😿
আমরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু ভেট (VET) তখন অদ্ভুত এক পরামর্শ দিলেন। তিনি বললেন, "পুম্বার খাবারের সাথে অল্প একটু সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়া মিশিয়ে দিন।" আমরা তো অবাক! বিড়াল আবার মিষ্টি কুমড়া খাবে নাকি?
কিন্তু ম্যাজিকের মতো কাজ হলো! পুম্বা শুধু পছন্দ করেই খেলো না, মাত্র দু-তিন দিনেই ওর হজমের সমস্যা একদম ভোজবাজির মতো উধাও হয়ে গেল। ✨
কেন মিষ্টি কুমড়া আপনার বিড়ালের জন্য ভালো? * হজমশক্তি বাড়ায় 🌀: এতে প্রচুর ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া—উভয় সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ ⚖️: কুমড়া খেলে পেট দ্রুত ভরে যায়, তাই যে বিড়ালগুলোর ওজন বেশি, তাদের জন্য এটি দারুণ ডায়েট।
ভিটামিনের উৎস 🥕: এতে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং পটাশিয়াম বিড়ালের চোখ ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
খাওয়ানোর নিয়ম: সবসময় মনে রাখবেন, বিড়ালকে সেদ্ধ বা পিউরি করা কুমড়া দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। সাথে মাছ অথবা মুরগিও সিদ্ধ করে দেয়া যাবে।এতে লবণ, চিনি বা কোনো মশলা মেশানো যাবে না। 🚫🧂
আপনার বিড়াল কি কখনও মিষ্টি কুমড়া চেখে দেখেছে? কমেন্টে জানান আপনার অভিজ্ঞতার কথা!
#মিষ্টিকুমড়া #বিড়ালেরযত্ন
তথ্যসূত্র: গুগল থেকে নেয়া।

দুঃখজনক
29/03/2026

দুঃখজনক

28/03/2026

মায়াবী

Dinner Time
26/03/2026

Dinner Time

দুষ্ট বাবুর মিষ্টি ঘুম
26/03/2026

দুষ্ট বাবুর মিষ্টি ঘুম

চারপেয়ে প্রাণের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধের জন্য আর কত শত আয়োজন করলে মানুষের মনে মায়া জাগানো যাবে? আরও কত দেরী হবে সুদিন আ...
13/03/2026

চারপেয়ে প্রাণের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধের জন্য আর কত শত আয়োজন করলে মানুষের মনে মায়া জাগানো যাবে? আরও কত দেরী হবে সুদিন আসতে? আজ নিজের সতীর্থদের পাশে নিজেই দাঁড়িয়ে গেলো একটি বোবা প্রাণ। সাথে ছিলো ওদের হয়ে কথা বলার জন্য কিছু মানুষ।
বি দ্রঃ আমি কোনো একক সংগঠনের কর্মী নই। তাই কেও ট্যাগ না লাগালে খুশি হবো।
ধন্যবাদ

07/02/2026

ওনি কিন্তু মি: টবি। ফস্টার ক্যাট আমাদের। ওকে নিয়ে আগেও লিখেছিলাম। ওর আলাদা গল্প ও তুলে ধরেছিলাম। এই মহাশয় এর থাকার কথা ছিলো ফস্টার এর রুমে। কিন্তু না ওনি সেখানে থাকবেন না। অন্যদের সাথে ওর বনিবনা তেমন হয় না বলা চলে। তাই থাকে আমাদের সাথে বিছানায়। সারাদিন সে কোলে থাকতে পারবে এমন বিল্লু।
আল্লাহ্ ভালো রাখুক বাচ্চাটাকে।

 # রাস্তার নীরব যোদ্ধা, যে যোদ্ধার জন্য চাইলেও কিছুই করতে পারি না আমরা সকলেই।রাতের বেলা ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে চোখ দুটো জ্ব...
28/01/2026

# রাস্তার নীরব যোদ্ধা, যে যোদ্ধার জন্য চাইলেও কিছুই করতে পারি না আমরা সকলেই।

রাতের বেলা ভাঙা দেয়ালের ফাঁকে চোখ দুটো জ্বলে উঠলে আমরা অনেকেই ভয় পাই। কিন্তু সেই চোখের পেছনে যে কতটা ভয়, কতটা নিঃসঙ্গতা, সেটা কি কখনো ভেবে দেখেছি?

😺বিড়াল।

ছোট্ট এক প্রাণ। কিন্তু লড়াইটা তার অসীম।

অনেক জায়গার কুকুর পায় মানুষের ভালোবাসা। পথের মোড়ে মোড়ে বিস্কিট, রুটি, কেক দেয় অনেকেই। মানুষ থামে, ডাকে, মাথায় হাত বুলায়। কুকুর লেজ নাড়ায়, মানুষ হাসে। একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। রাস্তার ময়লা খেয়েও কুকুর বাঁচে, কারণ মানুষ তার পাশে আছে।

কিন্তু বিড়াল?

বিড়াল একা।

ওর স্বভাবটাই এমন যে মানুষের কাছে সহজে ধরা দেয় না। আর সে কারণেই মানুষও চাইলেও অনেক সময়ে তেমন কিছু করতেও পারে না। বিড়াল মানে কুসংস্কার, বিড়াল মানে অশুভ, বিড়াল মানে অবিশ্বাস। এই ট্যাগ গুলো বয়ে বেড়ায় ও, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এখনও।

আর শত্রু?

কুকুর তো আছেই। একটা বিড়াল যখন খাবারের খোঁজে বের হয়, তখন পাঁচটা কুকুর মিলে তাড়া করে। প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ছুটতে হয় গাছে, ছাদে, দেয়ালে। খাবার জোটে না, জোটে শুধু আতঙ্ক।

তারপর আছে মানুষ। না, সব মানুষ খারাপ নয়। কিন্তু যারা খারাপ, তারা এতটাই খারাপ যে বিড়ালের জীবনটা নরক বানিয়ে দেয়। ঢিল মারা, লাঠি দিয়ে তাড়ানো, বাচ্চা বিড়াল ছুঁড়ে মারা — এসব তো নিত্যদিনের গল্প।

বিড়াল কিন্তু কাউকে কষ্ট দিতে চায় না। ওর দরকার শুধু একটু খাবার, একটু আশ্রয়। কিন্তু সেটুকুও জোটে না সহজে।

বৃষ্টির রাতে যখন রাস্তার বিড়াল ভিজতে থাকে, কুকুর তখন কোনো দোকানের চালের নিচে শুয়ে থাকে নির্ভয়ে। বিড়াল? ওকে লুকাতে হয় এমন জায়গায় যেখানে কেউ তাড়াবে না, কিন্তু বৃষ্টিও ঢুকবে।

ওরা কথা বলতে পারে না।

কিন্তু চোখ দুটো বলে দেয় — "বাঁচতে চাই।"

ওকে মারার দরকার কী?

ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়া একটা প্রাণকে তুমি কেন আরও ভয় দেখাতে হবে?

বিড়াল আমাদের প্রকৃতির অংশ।

ছোট্ট এক যোদ্ধা, যে প্রতিদিন লড়ে যাচ্ছে বেঁচে থাকার জন্য।

কুকুরের মতো সে সকল মানুষের আদর পায় না।

কিন্তু বেঁচে থাকার অধিকার তো তারও আছে, তাই না?


ভয় দেখানোর বদলে একটু ভালোবাসা দাও।

ওরাও বাঁচতে চায়, আপনি , আমি আমরা যেমন চাই।

ব্যস্ত নগরীর পিচঢালা রাস্তা, চারদিকে হাজারো মানুষের ছোটাছুটি আর নানান শব্দের মেলা । এই শহরের ঠিক কোন গলিতে রাস্তার পাশে ...
22/01/2026

ব্যস্ত নগরীর পিচঢালা রাস্তা, চারদিকে হাজারো মানুষের ছোটাছুটি আর নানান শব্দের মেলা
। এই শহরের ঠিক কোন গলিতে রাস্তার পাশে সে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছে। মনে হচ্ছে যেন রাস্তার কালো ধুলোর চাদর গায়ে জড়িয়ে এক টুকরো পাথর পড়ে আছে।
ওর চারপাশ দিয়ে কয়েক মিলিমিটার দূরত্বে রিকশার চাকা আর মানুষের পা যাচ্ছে, কিন্তু ওর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এই তীব্র কোলাহলই এখন ওর কাছে ঘুমপাড়ানি গান। ওর পাতলা কান দুটো মাঝে মাঝে সামান্য কেঁপে ওঠে—হয়তো স্বপ্নে সে দেখছে কোনো এক অচেনা হাত পরম মমতায় তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।
মানুষের কাছে এটা কেবল 'রাস্তার কুকুর', কিন্তু ওর কাছে এই তপ্ত রাস্তাটাই এক টুকরো নিরাপদ আশ্রয়। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে আরও একটু কুঁকড়ে যায়। শহরের এই যান্ত্রিকতার ভিড়ে ওর ওই শান্ত ঘুমটাই যেন সবচেয়ে বড় এক নীরব প্রতিবাদ।
ভালো থাকুক এই প্রাণগুলো। ওরা ও তো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি।

ওরা মুখ ফুটে বলতে পারে না, কিন্তু ওদের কাঁপুনী সব বলে দেয়। 🐾❄️রাত ৪টা তখন, থার্মোমিটারে পারদ তখন ১০ ডিগ্রির নিচে। আমরা হ...
05/01/2026

ওরা মুখ ফুটে বলতে পারে না, কিন্তু ওদের কাঁপুনী সব বলে দেয়। 🐾❄️

রাত ৪টা তখন, থার্মোমিটারে পারদ তখন ১০ ডিগ্রির নিচে। আমরা হয়তো কম্বলের নিচে গুটিসুটি মেরেও যখন শীত তাড়াতে পারছিলাম না।ঠিক তখন জানলার বাইরে একটা তীক্ষ্ণ আর্তনাদ আমাদের ঘুমটা কেড়ে নিল। জানলা দিয়ে উঁকি দিতেই দেখেই বসলাম দূরের ল্যাম্পপোস্টের নিচে একটা মা কুকুর তার তিনটে ছানাকে নিয়ে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছে। মা-কুকুর টা বারবার ছানাগুলোকে নিজের পেটের নিচে ঢোকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে, যেন নিজের শরীরের সামান্য উষ্ণতা দিয়ে ওদের এই হাড়কাঁপানো হিম থেকে বাঁচাতে পারে।
আমাদের কাছে শীত মানে উৎসব বা নতুন সোয়েটার হলেও, ওদের কাছে এই রাতগুলো হলো স্রেফ বেঁচে থাকার এক নিষ্ঠুর লড়াই।
আসলে পিচঢালা রাস্তাটা যখন বরফের মতো ঠাণ্ডা হয়ে যায়, তখন এক টুকরো ছেঁড়া চটের বস্তা কিংবা একটা পুরনো ফেলে দেওয়া কার্টনও ওদের কাছে রাজপ্রাসাদ মনে হয়। কাল সকালে হয়তো আমরা আবার রোদে পিঠ দিয়ে কফি খাব, কিন্তু ওই ছোট ছানাগুলো কি কালকের রোদটা দেখার সুযোগ পাবে? ওদের তো মুখ ফুটে বলার ক্ষমতা নেই, কিন্তু ওদের কাঁপতে থাকা শরীর আর কুঁকড়ে যাওয়া ভঙ্গিটা সবটুকু আর্তনাদ বুঝিয়ে দেয়। আমরা ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে কত হাজারো খবর দেখি, অথচ আমাদের দরকার ঠিক ওপাশেই এক মুঠো উষ্ণতার অভাবে কয়েকটা প্রাণ নিভে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকে।
আজ যদি আপনার সামর্থ্য থাকে, তবে আলমারির নিচে পড়ে থাকা পুরনো কোনো কাপড় কিংবা বারান্দার কোণের অব্যবহৃত চাদরটা ওদের জন্য বাড়িয়ে দিন। রাস্তার কোনো একটা কোণে ওই পাতলা কাপড়টা বিছিয়ে দিলে হয়তো একটা মা তার ছানাকে নিয়ে অন্তত এই একটা রাত নিশ্চিন্তে ঘুমানোর সুযোগ পাবে। বিশ্বাস করুন, গভীর রাতে ওদের ওই কৃতজ্ঞ চোখের চাউনি আপনার রাতের ঘুমটাকেও অনেক বেশি শান্তিময় করে তুলবে।
মানুষ হিসেবে এই সামান্য মানবিকতাটুকু কি আমরা দেখাতে পারি না?
বি দ্রঃ লিখা কাল্পনিক

ডাস্টবিনের পাশে ফেলে আসা এক টুকরো দীর্ঘশ্বাস 🐾💔ঘড়িতে তখন রাত দুইটা। সারাদিন ল্যাপটপে কাজ সেরে যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্...
05/01/2026

ডাস্টবিনের পাশে ফেলে আসা এক টুকরো দীর্ঘশ্বাস 🐾💔

ঘড়িতে তখন রাত দুইটা। সারাদিন ল্যাপটপে কাজ সেরে যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি, ঠিক তখনই নিস্তব্ধতা চিরে একটা সরু কান্নার শব্দ কানে আসে। জানলা দিয়ে নিচে তাকাতেই দেখলাম, আবছা ল্যাম্পপোস্টের আলোয় একটা হাড়-জিরজিরে বিড়াল ডাস্টবিনের একটা শক্ত পলিথিন ছেঁড়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। হয়তো ভেতরে কোনো উচ্ছিষ্টের গন্ধ পেয়েছে।

একটু পরেই দেখলাম, বিড়ালটা কিছু না পেয়ে ক্লান্ত হয়ে চলে যাচ্ছে। পেটটা পিঠের সাথে একদম লেপটে আছে। আমরা যখন রেস্তোরাঁয় গিয়ে 'অতিরিক্ত' অর্ডার করি আর তৃপ্তির ঢেকুর তুলে অর্ধেক খাবার ফেলে আসি, তখন ঠিক সেই মুহূর্তে এই জানলার ওপাশেই কেউ একজন অল্প একটু খাবারের অপেক্ষায় রয়েছে।
আমি রান্নাঘরে গিয়ে ফ্রিজ খুলে বিকেলের বেঁচে যাওয়া সামান্য একটু মাছ আর ভাত একটা ওয়ান-টাইম প্লেটে নিয়ে নিচে গেলাম।প্রথমে ও ভয়ে পিছিয়ে গেল; হয়তো ভাবছে আমি মারতে এসেছি। কারণ এই শহরের পাথুরে দেয়ালগুলো ওদের শুধু তাড়াই দিয়েছে, কতজন ই বা আপন করে ওদেরকে। কিন্তু যখন প্লেটটা সামনে রাখলাম, বিড়ালটা যেভাবে খাবার খেতে লাগলো সেটা দেখে নিজের অজান্তেই চোখটা ভিজে এল।
আসলে আমরা হাজারো সোশ্যাল জাস্টিস আর মানবিকতার কথা বলি, অথচ ঘরের ঠিক পাশেই একটা প্রাণ একমুঠো খাবারের অভাবে নিভে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। আমাদের কাছে যেটা স্রেফ 'উচ্ছিষ্ট' বা 'বেঁচে যাওয়া খাবার', ওদের কাছে সেটাই জীবন। আমরা কি পারি না রাতের খাবার শেষে বেঁচে যাওয়া অংশটুকু ডাস্টবিনে না ফেলে একটা পরিষ্কার জায়গায় ওদের জন্য রেখে দিতে?
বিশ্বাস করুন, খাবারটুকু খেয়ে যখন ও জিব দিয়ে মুখটা মুছে আমার দিকে একটা শান্ত চাউনি দিল, মনে হলো পৃথিবীর সমস্ত দামী পারফিউমের চেয়েও ওই তৃপ্তির মুহূর্তটা বেশি দামী। মানুষ হিসেবে আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব তো তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা এই অবলা প্রাণগুলোর পাশে দাঁড়াতে শিখব।
আজ রাতে আপনার ঘরের বাইরেও হয়তো কেউ এমন খাবারের খোঁজে ডাস্টবিন হাতড়াচ্ছে। আপনি কি পারবেন ওদের জন্য সামান্য একটু হাত বাড়িয়ে দিতে?
বি দ্রঃ লেখা কাল্পনিক ছিলো, আর ছবির বিড়ালটা ও সে নয়। আমাদের সামনে এমন পড়লে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিয়েই আসি। লিখা গুলো দেয়া হয় শুধুমাএ কিছু মানুষের বিবেক কে জাগ্রত করার জন্য।

শীতের সকালে (১/১/২০২৬)
02/01/2026

শীতের সকালে (১/১/২০২৬)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HeartLock Petwork Hive posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category