Feed master Bangladesh.

Feed master Bangladesh. Quality support service is my Ethics

Coccidiosis, a parasitic intestinal infection, poses significant challenges in poultry production, including newly harve...
04/06/2025

Coccidiosis, a parasitic intestinal infection, poses significant challenges in poultry production, including newly harvested maize, due to its impact on feed intake, digestive health, and overall bird performance. These challenges include decreased feed efficiency, increased mortality, and potential secondary infections due to immunosuppression. Additionally, the development of drug resistance and the need for alternative control strategies add to the complexity.
Specific Challenges:
Reduced Feed Intake and Efficiency:
Coccidiosis can lead to a decrease in feed intake and a lower feed conversion ratio (FCR), resulting in slower growth and poorer overall production.
Increased Mortality:
Severe coccidiosis can cause bloody enteritis and high mortality rates, especially in young birds.
Secondary Infections:
Coccidiosis can weaken the immune system, making birds more susceptible to other infections, such as bacterial or viral diseases.
Drug Resistance:
Long-term use of anticoccidial drugs can lead to the development of drug resistance in the parasite, requiring alternative control methods.
Economic Losses:
Coccidiosis causes significant economic losses in the poultry industry due to treatment costs, lost production, and reduced bird value.
Nutrient Absorption Problems:
Coccidiosis can impair the absorption of essential nutrients, including vitamins and minerals, further hindering growth and overall health.
Intestinal Damage:
The parasite can damage the intestinal lining, leading to inflammation, oxidative stress, and a compromised gut barrier.
Addressing the Challenges:
Vaccination:
Vaccines can provide protection against coccidiosis by stimulating the immune system to recognize and fight the parasite.
Anticoccidial Drugs:
Anticoccidial drugs can help control coccidiosis by killing the parasite, but their long-term use can lead to drug resistance.
Alternative Strategies:
Researchers are exploring alternative strategies for coccidiosis control, such as using natural compounds, prebiotics, and probiotics.
Improved Management Practices:
Proper sanitation, hygiene, and biosecurity measures can help prevent the spread of coccidiosis.

20/11/2021
01/01/2017

Happy New year 2017.

27/11/2016

Many factors affect feed quality and often there is quality loss in the silo. The feed does not always flow well out the silo and a combination of heat and moisture can even lead to decay. The Swedish company Mafa reinvented the silo to counteract these problems.

01/09/2016

Treatment of fowl cholera;( mild affected)
Oxytetracyclin 7 days /1ltr.
Imboost@ 1ml/1ltr for 5 days.
Sulprimvet /1ltr for 5 days.

একটি গুরুত্বপূর্ণ পোলট্রি পালন নির্দেশিকা।
27/08/2016

একটি গুরুত্বপূর্ণ পোলট্রি পালন নির্দেশিকা।

জার্মান শব্দ ব্রুড থেকে ব্রুডিং শব্দটি এসেছে। যার অর্থ তাপ দেওয়া। বাচ্চা অবস্থায় মুরগী তার শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। কারণ এই সময়ে তাদের তাপনিয়ন্ত্রণকারী অঙ্গগুলো পরিপুর্ণতা লাভ করে না এবং পালকগুলো

বিকশিত না হওয়ায় তাপ ধরে রাখতে পারে না। তাই মুরগীর বাচ্চার তাপনিয়ন্ত্রণকারী অঙ্গগুলো পরিপুর্ণতা লাভ করা পর্যন্ত তাপ দেওয়া হয়। একদিনের বাচ্চাকে কৃত্রিম উপায়ে তাপ দিয়ে লালন পালন করাকে ব্রুডারে বলে। বাচ্চার সঠিক ব্রুডারে করার উপর মুরগী পালনে সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

শীতকালে কতগুলো মুরগী এক সাথে ব্রুডিং করা উচিত ঃ

আমাদের দেশে অধিকাংশ খামারী সাধারণত: বৈদ্যুতিক লাইট দিয়ে ব্রুডিং করে থাকে। শীতকালে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে শুধুমাত্র বিদ্যুতের সাহায়্যে সঠিকভাবে ব্রুডিং করা যায় না। বৈদ্যুতিক লাইট দিয়ে গরমকালে একটা হোভারের নীচে ৫০০ বাচ্চা এক সাথে ব্রুডিং করা যায়। কিন্তু শীতকালে ৫০০ বাচ্চা এক সাথে ব্রুডিং করলে পর্যাপ্ত তাপ পায় না। ফলে মুরগী বাচ্চার বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। তাই শীতকালে বৈদ্যুতিক লাইট দিয়ে ব্রুডিং করলে একটা হোভারের নীচে ২৫০-৩০০ বাচ্চা এক সাথে ব্রুডিং করা উচিত।

শীতকালে কত দিন ব্রুডিং করা উচিত ঃ
ব্রুডিং এর সময় কতদিন তাপ দিতে হবে তা নির্ভর করে স্থান, কাল এবং আবহাওয়ার উপর। সাধারণতঃ শীতকালে ৩ - ৪ সপ্তাহ মুরগীর বাচ্চাকে তাপ দেওয়া হয় (লেয়ার) । ব্রয়লারে ৭দিন।

ব্রুডারের তাপমাত্রা সঠিক আছে কিনা তা কিভাবে বুঝবো ঃ

ব্রুডারের তাপমাত্রা সঠিক আছে কিনা তা বাচ্চার আচরণ দেখে বুঝে নিতে হবে। বাচ্চার আচরণ দেখে ব্রুডিং তাপমাত্রা বুঝার উপায়-

১. তাপমাত্রা কম হলে বাচ্চা গুলি ব্রুডারের নীচে গাদাগাদি হয়ে থাকবে এবং কিচিরমিচির করবে।
২. তাপমাত্রা বেশী হলে বাচ্চা গুলি চিকগার্ডের গা ঘেষে জমা হয়ে থাকবে এবং মুখ হা করে নিঃশ্বাস নিবে এবং মাথা ও ডানা ঝুলে পড়বে।
৩. তাপমাত্রা সঠিক থাকলে বাচ্চা গুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে, চঞ্চল মনে হবে, মৃদু শব্দ করবে এবং স্বাভাবিকভাবে খাদ্য ও পানি গ্রহণ করবে।

ব্রুডার ঘরের তাপমাত্রা ঃ
বয়স ফারেনহাইট সেলসিয়াস
প্রথম সপ্তাহ ৯৫০ ফাঃ ৩৫ সেলঃ
দ্বিতীয় সপ্তাহ ৯০০ ফাঃ ৩২ সেলঃ
তৃতীয় সপ্তাহ ৮৫০ ফাঃ ২৯ সেলঃ
চতুর্থ সপ্তাহ ৮০০ ফাঃ ২৬ সেলঃ

শীতকালে কিভাবে ভাল ব্রুডিং করা যায় ঃ

১. ঘরের উপরের দিকে ১ -১.৫ ফুট জায়গা ফাঁকা রেখে ঘরের পর্দা দিয়ে সমস্ত ঘর ঢেকে দিতে হবে। ব্রড়িং এর সময় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনের জন্য ঘরের উপরের দিকে ফাঁকা স্থানে এবং দরজার নেটে পর্দা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ব্রুডারে এর সময় প্রতি ৪-৫ ঘন্টা পর পর পর্দা উঠিয়ে ঘরের কার্বন-ডাই অক্সাউড যুক্ত বাদাস বের করে দিতে হবে এবং অক্সিজেনযুক্ত বাতাস ঘরে প্রবেশ করাতে হবে।
২. বাচ্চা আসার দুই দিন আগে ঘরের মাঝখানে চিকগার্ড স্থাপন করে তার ভিতর ২-৩ ইঞ্চি পুরু করে ধানের তুষ বিছাতে হবে।
৩. চিকগার্ডের মাঝখানে হোভার টানিয়ে প্রতি বাচ্চার জন্য ২ ওয়াট হিসাবে বৈদ্যুতিক বাতি হোভারের সাথে স্থাপন করতে হবে। চিকগার্ডের চারদিকে চিকগার্ড থেকে ৩ ফুট দূরে পর্দা টানিয়ে দিতে হবে।
৪. চিকগার্ডের ভিতর ধানের তুষের উপর খবরের কাগজ বা ছালার চট বিছিয়ে দিতে হবে এবং খবরের কাগজ বা ছালার চটের উপর চিক ফিডার (প্রতি ৫০টি বাচ্চার জন্য ৩০ ইঞ্চি লম্বা ১টি চিকস ফিডার) এবং চিক ড্রিংকার (৫০টি বাচ্চার জন্য ২ লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ছোট চিক ড্রিংকার) দিতে হবে।
৫. ঘরের সিলিং এর সাথে ১ ওয়াট/ ৫বর্গফুট হিসাবে বৈদ্যুতিক বাতি দিতে হবে যেন মুরগীর বাচ্চা খাদ্য ও পানি ভালভাবে দেখতে পারে।
৬. বাচ্চা আসার কমপক্ষে ১২ ঘন্টা আগে গ্যাস ব্রোডার বা হোভারের বাতি চালু করে ব্রোডারের নীচের কাগজ বা ছালার চট গরম করতে হবে।
৭. ব্রুডারে বাচ্চা ছেড়ে দেওয়ার পর বাচ্চার আচরণ পরীক্ষা করতে হবে এবং দুর্বল ও অসুস্থ বাচ্চা থাকলে তা আলাদা করে ব্রুডারে করতে হবে।
৮. প্রথম ২-৩ ঘন্টা শুধু ফুটানো হালকা গরম পানি খাওয়ার পর চিনি বা গ্লুকোজ, ভিটামিন-সি, ইলেকট্রোলাইট মিশ্রিত পানি দিতে হবে।
৯. বাচ্চা ব্রুডারে ছেড়ে দেওয়ার পর পরেই ব্রয়লার র্স্টাটার ফিড দিতে হবে।
১০. প্রতি দুই ঘন্টা পর পর বাচ্চার তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে, বিশেষভাবে রাতে ও সকালবেলা অবশ্যই বাচ্চার তাপমাত্রা ঠিক আছে কি-না তা পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রতিটি বাচ্চা গ্যাস ব্রোডার বা হোভারের নীচে যায় কি-না তা লক্ষ্য করতে হবে।
১১. যদি তাপমাত্রা কম থাকে তাহলে হ্যাজাক বা স্টোভ বা বৈদ্যুতিক হিটার বা কয়লার আগুন হোভারের নীচে রেখে তাপমাত্রা বাড়াতে হবে। কিন্তু ফার্মে যেন পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল করে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে
১২. প্রথম ১০ দিন লিটার হিসাবে কাঠের গুড়া ব্যবহার না করে ধানের তুষ ব্যবহার করতে হবে।

ব্রুডারে কিভাবে তাপমাত্রা বাড়ানো যায়

যদি ব্রুডারে তাপমাত্রা কম থাকে তাহলে নিুলিখিত উপায়ে তাপমাত্রা বাড়ানো যায়। যেমন-

১. বৈদ্যুতিক হিটার ঃ হোভারের ঠিক নীচে তুষের উপর ইট রেখে ইটের উপর হিটার (১০০০-৩০০০ ওয়াটের কয়েল) বসিয়ে দিতে হবে। হিটারের আগুনে যেন বাচ্চা মারা না যায় সেজন্য হিটারের উপর তারের জাল বসিয়ে দিতে হবে।
২. হ্যাজাক লাইট বা কেরোসিনের স্টোভ ঃ ব্রুডারে তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য বৈদ্যুতিক বাল্বের সহযোগি হিসাবে হ্যাজাক লাইট বা কেরোসিনের স্টোভ ব্যবহার করা যায়। তবে এক্ষেত্রে ব্রুডারে যেন ধোঁয়া না হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

৩. চিকগার্ডের উপর চটের ব্যবহার ঃ চিকগার্ড এবং হোভারের উপর বাঁশের কঞ্চি বসিয়ে হোভার থেকে ৭-৮ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে বাঁশের কঞ্চি উপর ছালার চট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। কিন্তু ব্রুডারে যেন পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল করে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

৪. কয়লার আগুন দিয়ে তাপমাত্রা বাড়ানোর উপায়ঃ

ক) ২ থেকে ২.৫ ফুট উচুঁ একটি টিন নিতে হবে।
খ) ছাই বের করার জন্য টিনের নীচে এক দিকে ২ ইঞ্চি ী ৪ ইঞ্চি পুরু করে ছিদ্র করে দিতে হবে।
গ) ছিদ্রের উপরের দিকে রড দিতে হবে যেন কয়লা নীচে পড়ে না যায়।
ঘ) তাপ বের হওয়ার জন্য টিনের চারদিকে ছিদ্র করে দিতে হবে।
ঙ) টিনের উপরের দিকে ২ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে টিনের ভিতর কয়লা দিতে হবে।
চ) কয়লায় আগুন দেওয়ার পর ধোয়া উৎপাদন শেষ হলে টিনটি চিকগার্ডের ভিতর হোভারের নীচে ইটের উপর বসিয়ে দিতে হবে।
ছ) ধোঁয়া সেডের বাহিরে বের করে দেওয়ার জন্য টিনের মুখে ঢাকনা দিয়ে ঢাকনার সাথে একটা পাইপ এমনভাবে আটকে দিতে হবে যেন পাইপের মুখ সেডের বাহিরে থাকে।

এম এস সীট দিয়ে বিশেষভাবে তৈরী ড্রাম যার উপরের মুখ খোলা এবং নীচের প্রান্ত এম এস সীট দিয়ে আটকানো। যার উচ্চতা ১৮ ইঞ্চি, পরিধি ৬০ ইঞ্চি এবং ড্রামটি ধরার জন্য দুইপার্শ্বে হাতল আছে। ড্রামের উপর দিকে ড্রামের পরিধি বরাবর ৬ ইঞ্চি লম্বা ৬টি ফ্যাট বার আটকিয়ে ফ্যাট বারের উপর একটি ঢাকনা বা স্যান্ড ট্রে বসাতে হবে। ঢাকনার উপর দিকে কিনারা বরাবর ১ ইঞ্চি পরিমান একটি সাপোর্ট লাগানো থাকে যা বালি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ড্রাম থেকে বের হওয়া তাপ চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়াই উক্ত ঢাকনার কাজ। ঢাকনার উপর বালি দিয়ে তাপকে দক্ষতার সাথে ব্যবহার করাও ঢাকনার কাজ। ড্রামের নীচ থেকে ১-৫ ইঞ্চি উপরে একটি ছিদ্র থাকে। ছিদ্র দিয়ে ভুমির সমান্তরালভাবে ৬ ইঞ্চি লম্বা ২ ইঞ্চি ব্যাসের একটি সাপোর্ট লাগানো থাকে। যার সাহায্যে ১ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা একটি শক্ত বাশঁ ছিদ্রমুখ দিয়ে ঢুকিয়ে ড্রামের মাঝখান বরাবর পেীছানো যায়।

যেভাবে ড্রাম ব্যবহার করবেন

ড্রামটি সমতল জায়গায় স্থাপন করে ড্রামের নীচে ২ ইঞ্চি পরিমান ছাই দিতে হবে।ছাইয়ের উপর ৩ ইঞ্চি পরিমান কাঠের গুড়া দিতে হবে। ড্রামের মাঝখানে একটি মোটা বাশঁ খাড়াভাবে স্থাপন করতে হবে। এবার ড্রামের পার্শ্বের ছিদ্র পর্যন্ত মধ্যম প্রকৃতির কাঠের গুড়া দিতে হবে এবং ছিদ্র পথে দেড়ফুট লম্বা বাশঁটি প্রবেশ করাতে হবে। অন্য একটি বাশঁ দিয়ে কাঠের গুড়া চাপ দিয়ে আটোসাটো করতে হবে। এভাবে ড্রামের মুখ থেকে ২-৩ ইঞ্চি নীচ পর্যন্ত কাঠের গুড়া দিয়ে ড্রামটি ভর্তি করতে হবে। কাঠের গুড়ার উপর ১-১.৫ ইঞ্চি ছাই দিয়ে ১ লিটার পানি সমভাবে ছাইয়ের উপর ছিটিয়ে দিতে হবে। উপরের বাশঁটি আস্তে আস্তে ঘুরাতে হবে এবং বাশঁটি আলতো হলে টেনে তুলতে হবে যাতে মাঝ বরাবর একটি সুড়ঙ্গ তৈরী হয়। এরপর নীচের বাশঁটি টেনে বের করতে হবে যাতে মাঝের সুড়ঙ্গের সাথে খ আকৃতির সংযোগ তৈরী হয়। এভার মাঝের সুড়ঙ্গ পথে ৫০-১০০ মি. লি. কেরোসিন ঢেলে দিয়ে দিয়াশলাই এর কাঠিতে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে। ড্রামের আগুন ঠিকভাবে জ্বলে উঠার পর স্যান্ড-ট্রে বা ঢাকনাটি ড্রামের উপর বসিয়ে দিতে হবে।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ঃ
তাপ বেশী পেতে ড্রামের উপরে হোভার দিয়ে ঢেকে দেয়া যেতে পারে এবং তাপমাত্রা কমানোর জন্য ঢাকনাটি সরিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া চিক গার্ড ছোট বা বড় করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

ব্রুডারে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি-না তা বুঝার জন্য বাচ্চার ক্রপ ও পা পরীক্ষা করা হয়। ব্রুডারে বাচ্চা ছাড়ার ৩ ঘন্টা পর ব্রুডার থেকে ১০০ বাচ্চা তুলে নিয়ে বাচ্চার ক্রপ ও পা পরীক্ষা করতে হবে। যদি ক্রপ মোলায়েম ও খাবারে পূর্ণ থাকে এবং পা মৃদু গরম থাকে তাহলে বুঝতে হবে ব্র“ডারের তাপমাত্রা ঠিক আছে।

যে সব কারণে বাচ্চার ক্রপ খালি থাকে
১. অতিরিক্ত গরম / ঠান্ডা,
২. অপর্যাপ্ত ড্রিংকার ও ফিডার
৩. অপর্যাপ্ত আলো
৪. বাচ্চার ঘনত্ব
৫. খারাপ লিটার

যে সব কারণে বাচ্চার পা ঠান্ডা থাকে
১. কম পুরুত্বের লিটার
২. অপর্যাপ্ত ব্রুডারে
৩. অপর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন
৪. ভিজা মেঝে
৫. খোলা দরজা

ব্রুডিং তাপমাত্রা কম হলে মুরগীর কি কি ক্ষতি হতে পারে ঃ
১. ব্রুডিং তাপমাত্রা কম হলে বাচ্চার দেহের কুসুম ঠিকমত শোষন হবে না, ফলে বাচ্চা ই. কলাই ( E. coli), সালমোনেলা এবং অন্যান্য জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হবে।
২. বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে।
৩. তাপমাত্রা কম হলে বাচ্চা গুলি এক জায়গায় জড়োসড়ো হয়ে থাকবে এবং খাদ্য ও পানি কম খাবে। ফলে বাচ্চার দেহের বৃদ্ধি কম হবে এবং এফ.সি.আর বৃদ্ধি পাবে।
৪. বাচ্চা ছোট বড় হবে।
৫. বাচ্চার মৃত্যুহার বেড়ে যাবে।
৬. ভ্যাকসিন ব্যবহার করেও ভাল ফল পাওয়া যাবে না।
৭. কম তাপমাত্রার ফলে বাচ্চা শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য খাদ্যকে ভেঙ্গে শুধু তাপ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করবে, ফলে দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
৮. তাপমাত্রার জন্য বাচ্চার পরিপাকতন্ত্র এবং অন্যান্য তন্ত্রের বৃদ্ধি সঠিকভাবে হবে না।

Courtsey:- Dr. Musa Kalimullah
Sr. AGM
Customer Service
Nourish Poultry & Hatchery Ltd

ডিম বেশি করে খান। বুদ্ধি বাড়ান।
17/08/2016

ডিম বেশি করে খান। বুদ্ধি বাড়ান।

আপনি এত কম ডিম-মাংস খান?

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) -এর দেয়া তথ্য মতে একজন সুস্থ-সবল মানুষের জন্য মাংসের বার্ষিক প্রয়োজন ৫৬ কেজি এবং ডিম ৩৬৫টি। অথচ আমরা সারা বছরে গড়ে জনপ্রতি মাংস খাই মোটে ৩.৬৩ কেজি আর ডিম খাই মাত্র ৪৫-৫০ পিস।

16/08/2016

ফীডের দাম বৃদ্ধি করা হল, কারণ বাচ্চা দাম কম। কে বাঁচবে খামারীদেরকে, নীরব সরকার , অসহায় আমরা। এরপর ও সংগ্রাম চলছে, চলবেই।

10/08/2016

Gout in poultry.
Treatment:
Goutliv/Nephrocare/ Nephryl@1/1 2 times for 5 data.
Biocolistin/ampicol@1/1. 24 he a day for 5 days.
PH one time daily for single DOSAGE.

04/07/2016

আপনি এত কম ডিম-মাংস খান?

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) -এর দেয়া তথ্য মতে একজন সুস্থ-সবল মানুষের জন্য মাংসের বার্ষিক প্রয়োজন ৫৬ কেজি এবং ডিম ৩৬৫টি। অথচ আমরা সারা বছরে গড়ে জনপ্রতি মাংস খাই মোটে ৩.৬৩ কেজি আর ডিম খাই মাত্র ৪৫-৫০ পিস।

16/02/2016

45 bags, 1000 chicks and 1850 kg weight, visiting after farm fed with A+ feed. So comments and choice is yours.

Address

Senapolli, Ashulia, Savar
Dhaka
1344

Telephone

+8801739864370

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Feed master Bangladesh. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Feed master Bangladesh.:

Share

Category