02/06/2022
Flea/উকুন
Worm/ কৃমি
কৃমি হওয়ার কারনসমুহ :
দেহে কৃমি থাকলে বিড়াল অসুস্থ হয়ে পড়ে আর তাই একে প্রতিরোধ করা খুবই জরুরী। বিভিন্ন কারনে কৃমি হতে পারে। যেমন-
কৃমির ডিমযুক্ত মাটি এবং গাছ খাওয়ার মাধ্যমে।
কৃমির ডিমযুক্ত মলের মাধ্যমে।
বিড়ালের গায়ে Flea থাকলে এবং তা পাকস্থলিতে গেলে।
মা বিড়ালের যদি কৃমি থাকে তাহলে তার দুধ খেলে বাচ্চাদের কৃমি হয়।
ইঁদুর ও পাখি শিকার করে তা খেলে।
সুতরাং কৃমি যাতে না হয় তাই বিড়ালকে আলাদা যত্ন নিতে হবে। কাঁচা মাংস, মাটি যাতে না খায় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, Flea মুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে এবং নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে।
কৃমি হওয়ার লক্ষনসমুহ :
বাহ্যিক পরজীবী যেমন Tick ও Flea আমরা দেখতে পাই। কিন্তু কৃমি সহজে চোখে পড়ে না, শরীরের অভ্যন্তরে থেকে বিড়ালের শারীরিক অসুস্থতার কারন হয়ে দাঁড়ায়। বিড়ালের কৃমি হলে কিছু লক্ষন দেখে বোঝা যায় আবার অনেক সময় লক্ষন দেখা দেয় না। নিচের লক্ষনগুলো দেখলে বুঝতে হবে কৃমি হয়েছে –
বিড়ালের ডায়রিয়া হয়।
পায়খানার মধ্যে কৃমি দেখা যায় এবং মলদ্বার (a**s) এর কাছে দেখা যায়।
বিড়াল বারবার a**s চাটে।
খাবার খেতে চায় না, অরুচি হয়।
পেট ফুলে যায়।
ওজনহীনতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
বমির সাথে কৃমি পরে ও কাশি হয়।
এই লক্ষনগুলো দেখলে বোঝা যায় বিড়ালের কৃমি হয়েছে। তখন বিড়ালকে Deworming অর্থাৎ কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।
বিড়ালের বয়স যদি ২মাস এর বেশি হয় তাহলে Delentin সিরাপ 1ml করে পরপর ২দিন খাওয়াতে হবে। তবে বয়সের তুলনায় ওজন কম হলে 0.60 ml করে খাওয়াতে হবে। এই ওষুধ শুধুমাত্র গোলকৃমি দূর করে।
এছাড়া Helminticide-L (Deworming Tablet for Pet) অবশ্যই Vet এর পরামর্শে ওজন অনুযায়ী খাওয়াতে হবে। এই ওষুধ সব ধরনের কৃমি দূর করে।
তবে সবসময় Vet এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ানো উচিৎ। তাই Vet এর পরামর্শ অনুযায়ী প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর বিড়ালকে deworming করলে বিড়াল কৃমিমুক্ত থাকে।