Urban Farmers Bangladesh

Urban Farmers Bangladesh Urban Farmers Bangladesh is based in Bangladesh that works for growing or producing food in cities of Bangladesh.

**এই মূল্য তালিকার ভিতরের এবং বাইরের যে কোনো প্রকারের পণ্য অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বারে:017174225990171742259...
08/10/2021

**এই মূল্য তালিকার ভিতরের এবং বাইরের যে কোনো প্রকারের পণ্য অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বারে:

01717422599
01717422599(Whatsapp)

পণ্যের মূল্য প্রতি সপ্তাহে হালনাগাদ করা হয় ।

চুই ঝাল:

৮০০-১৩০০ টাকা প্রতি কেজি

মাংস:

*ইমু পাখি*
***মূল্য: প্রতি কেজি ২৫০০ টাকা।

*গরু*
**মূল্য: প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা।

*গরু( boneless)*
***মূল্য: প্রতি কেজি ৭৭৫ টাকা।

*ছাগল*
***মূল্য: প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা।

*ছাগল( boneless)*
****মূল্য: প্রতি কেজি ১০০০ টাকা।

*ভেড়া*
****মূল্য: প্রতি কেজি ৮০০ টাকা।

*ভেড়া( boneless)*
*****মূল্য: প্রতি কেজি ৯০০ টাকা।

*গরুর কলিজা*
**মূল্য: প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা।

*গরুর পা*
***মূল্য: প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা।

*গরুর মাথা*
***মূল্য: প্রতি কেজি ৪০০ টাকা।

*গরুর ভুড়ি*
**মূল্য: প্রতি কেজি ৪০০ টাকা।

*কবুতর*
**মূল্য: প্রতি জোড়া ২৫০ টাকা।

*দেশি মুরগি*
**মূল্য: প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা।

*সোনালী মুরগি*
**মূল্য: প্রতি কেজি ২৮০ টাকা।

*কক মুরগি*
**মূল্য: প্রতি কেজি ২৮০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগী
**মূল্য: প্রতি কেজি ১৪০ টাকা ।

*পাতি হাঁস*
**মূল্য: প্রতি কেজি ২৫০ টাকা।

*কোয়েল*
**মূল্য: ৭৫ টাকা /জোড়া

*কাকড়া*
**মূল্য: ৩০০ টাকা /কেজি

মাছ:

*ইলিশ*
***মূল্য: প্রতি কেজি ১২০০ টাকা।

*গলদা*
*০৫ - ০৮ পিস প্রতি কেজিতে।
*মূল্য: ১০৫০ টাকা।
*
০৯ - ১২ পিস প্রতি কেজিতে।
মূল্য: ৮৫০ টাকা।

১৪ - ১৮ পিস প্রতি কেজিতে।
মূল্য: ৭২০ টাকা।

*বাগদা*
*১৪ - ১৬ পিস প্রতি কেজিতে।
*মূল্য: ১১৫০ টাকা।
২০ - ২২ পিস প্রতি কেজিতে।
মূল্য: ৯০০ টাকা।

*হরিনা*
*বড় সাইজের প্রতি কেজির
*মূল্য: ৬৫০ টাকা।
মাঝারি সাইজের প্রতি কেজির
মূল্য: ৫৮০ টাকা।

*দেশি কই*
*১৪ - ১৬ পিস প্রতি কেজিতে।
*মূল্য: ৭০০ টাকা।
২০ - ২৫ পিস প্রতি কেজিতে।
মূল্য: ৬২০ টাকা।

*দেশি শিং*
*বড় সাইজ প্রতি কেজি।
*মূল্য: ৮২০ টাকা।
মাঝারি সাইজ প্রতি কেজি।
মূল্য: ৬৫০ টাকা।

*দেশি মাগুর*
*বড় সাইজ প্রতি কেজি।
*মূল্য: ৮৫০ টাকা।
মাঝারি সাইজ প্রতি কেজি।
মূল্য: ৭০০ টাকা।

*ভেটকি*
*৫০০ - ৮০০ গ্রাম প্রতি পিস।
*মূল্য: প্রতি কেজি: ৪৯০ টাকা।

*৯০০ - ১৫০০ গ্রাম প্রতি পিস।
মূল্য: প্রতি কেজি: ৫৫০ টাকা।

২ - ৫ কেজি প্রতি পিস।
মূল্য: প্রতি কেজি: ৫৮০ টাকা।

*গ্রাসকার্প*
*৫-৮ কেজি প্রতি পিস।
মূল্য: প্রতি কেজি ২৮০ টাকা।

*পাঙ্গাস*
*১ - ১.৮ কেজি প্রতি পিস।
*মূল্য: প্রতি কেজি ১৭৫ টাকা।
২ - ২.৮ কেজি প্রতি পিস।
মূল্য: প্রতি কেজি ২২৫ টাকা।

তেল:

খাঁটি সরিষার তেল ২৫০ টাকা/কেজি

খাঁটি তিলের তেল ২৮০ টাকা/কেজি

রাইস ব্রান তেল ৯৫০/৫ লিটার

চারার দাম:

ফুল কাটিং:

জবা কাটিং ৬০ টাকা
রঙ্গন দেশি ৬০ টাকা
হাসনাহেনা ৬০ টাকা
গন্ধরাজ ৬০ টাকা
বাগান বিলাস ৯০ টাকা
চেরি ফুল ৬০ টাকা
চন্দ্রমল্লিকা ৬০ টাকা
শিউলি ৪৫ টাকা
কন্ঠ মুকুট ১১০ টাকা
টাইম ফুল ৪৫ টাকা

শোভা বর্ধন চারা:

এরিকা পাম ৭৫ টাকা
দেবদারু চারা ৭৫ টাকা
পাতাবাহার ৭৫ টাকা
মেহেদী কাটিং ৭৫ টাকা
দুরন্ত কাটিং ৭৫ টাকা
সাইকাস কাটিং ১২০ টাকা
ক্যাকটাস কাটিং ১২০ টাকা
পার্ক রিয়া কাটিং ৯০ টাকা
বটলি কাটিং ১১০ টাকা

ওষুধ চারা:
বহেড়া চারা ৪৫ টাকা
অর্জুন চারা ৪৫ টাকা
নিম চারা ৪৫ টাকা

**তালিকার বাইরের পণ্যের অর্ডারের ক্ষেত্রে দাম পুর্ব নির্ধারিত হবেনা। অর্ডার করলে যথাসময়ে দাম জানানো হবে এবং তা চলতি বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই হবে।

**খুলনার শহরের ভিতর সার্ভিস চার্জ ৫০ টাকা।

**খুলনা শহরের বাইরে সার্ভিস চার্জ আলোচনা সাপেক্ষে।

**খুলনাতে ২৪ ঘন্টার ভিতরে ডেলিভারি চাইলে ইমারজেন্সি ডেলিভারি হিসেবে ১০০ টাকা ডেলিভারি চার্জ দিতে হবে।

**এই মূল্য তালিকার ভিতরের এবং বাইরের যে কোনো প্রকারের পণ্য অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বারেঃ

01717422599
01717422599(Whatsapp)

খুলনার ভেতর খাঁটি গরুর দুধ হোম ডেলিভারি পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01688473945
16/09/2021

খুলনার ভেতর খাঁটি গরুর দুধ হোম ডেলিভারি পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01688473945

শোভা বর্ধন চারা:এরিকা পাম 75 টাকাদেবদারু চারা 75 টাকাপাতাবাহার 75 টাকামেহেদী কাটিং 75 টাকাদুরন্ত কাটিং 75 টাকাসাইকাস কাট...
14/09/2021

শোভা বর্ধন চারা:

এরিকা পাম 75 টাকা
দেবদারু চারা 75 টাকা
পাতাবাহার 75 টাকা
মেহেদী কাটিং 75 টাকা
দুরন্ত কাটিং 75 টাকা
সাইকাস কাটিং 120 টাকা
ক্যাকটাস কাটিং 120 টাকা
পার্ক রিয়া কাটিং 90 টাকা
বটলি কাটিং 110 টাকা

ওষুধ চারা:
বহেড়া চারা 45 টাকা
অর্জুন চারা 45 টাকা
নিম চারা 45 টাকা

ফুল কাটিং:

জবা কাটিং 60 টাকা
রঙ্গন দেশি 60 টাকা
হাসনাহেনা 60 টাকা
গন্ধরাজ 60 টাকা
বাগান বিলাস 90 টাকা
চেরি ফুল 60 টাকা
চন্দ্রমল্লিকা 60 টাকা
শিউলি 45 টাকা
কন্ঠ মুকুট 110 টাকা
টাইম ফুল 45 টাকা

খুলনার ভেতর চারা হোম ডেলিভারি পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01688473945

অর্জুন গাছের যত ঔষধি গুন্!ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত। বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থা...
14/09/2021

অর্জুন গাছের যত ঔষধি গুন্!

ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত। বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর একজন চিকিত্‍সক থাকা একই কথা। এর ঔষধি গুণ মানব সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবত করার ভেষজ রস হিসেবে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়। তারপর যতদিন যাচ্ছে অর্জুনের উপকারী দিক ততই উদ্ভাসিত হচ্ছে। অর্জুন এমনি এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বহু যুগ ধরে।

এটি কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia arjuna , সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে।
গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলানো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহবাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল উঠানো যায়। ফল দেখতে কামরাঙ্গার মত, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে।
অর্জুনের কিছু উপকারী দিক বর্ণনা করা হলো:

অর্জুন চা:
অর্জুন গাছের ছাল থেকে 'অর্জুন চা' তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

হৃদরোগ:
অর্জুনের প্রধান ব্যবহার হৃদরোগে। অর্জুন ছালের রস কো-এনজাইম কিউ-১০ সমৃদ্ধ। এই কো-এনজাইম কিউ-১০ হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে। বাকলের রস ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল লেভেল কমায়। অর্জুনের ছাল বেটে রস খেলে হৃদপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে। বাকলের ঘন রস দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেলে হৃদরোগ এবং বুক ধড়ফড় কমে যায়। বাকলে রস না থাকলে শুকনো বাকলেরগুঁড়া ১-২ গ্রাম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। হৃদপিন্ডের দুর্বলতা ও সাধারণ দুর্বলতায় এক মাস নিয়মিত সেবন করে যাওয়া আবশ্যক।

অ্যাজমা:
অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

ক্ষয়কাশে:
অর্জুন ছালের গুঁড়া, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাশি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে দিতেন। অর্জুনের ছালের ‍গুড়াবাসক পাতার রসে ভিজিয়ে ঘি মধু মিশিয়ে খেলে কাশির উপকার পাওয়া যায়।

রক্তক্ষরণ:
রক্তক্ষরণে ৫-৬গ্রাম ছাল রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেকে পানি খেলে আরোগ্য হয়।

হাড় মচকে গেলে বা চিড় খেলে:
অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে মচকানো জায়গায় লাগিয়ে বেঁধে রাখলে সেরে যায়। তবে সেই সাথে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধা চামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভালো হয়।

বুক ধড়ফড়:
যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রক্তচাপ নেই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি জলের সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকাল বেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে যেন বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লো-ব্লাড প্রেসারে উপযুক্ত নিয়মে তৈরি করে খেলেও অবশ্য প্রেসার বাড়বে।

রক্তে নিম্ন চাপ:
অর্জুনের ছালের রস বা বিচূর্ণ ফল রক্তচাপ কমায়, মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভার সিরোসিস টনিক হিসেবে কাজ করে।

রক্তপিত্তে:
মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে। সেক্ষেত্রে ৪-৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে জলটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ফোঁড়া:
ফোঁড়া হলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ফোঁড়া ফেটে যায়, তারপর পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

হাঁপানি:
হাঁপানিতে অর্জুন ফল টুকরো করে তামাকের মত ধোঁয়া টানলে উপকার হয়।

ক্ষত বা ঘা:
শরীরে ক্ষত বা ঘা হলে, খোস-পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছালের ক্বাথ দিয়ে ধুয়ে ছালের মিহি গুঁড়া জল দিয়ে মিশিয়ে লাগালে দ্রুত ঘা সেরে যায়।

কানের ব্যথায়:
কানের ব্যথায় অর্জুন ব্যবহার করা হয়। কচি পাতার রস কানের ভিতরে দুই ফোঁটা করে দিলে কানের ব্যথা ভালো হয়।

যৌন রোগ:
যাদের মধ্যে যৌন অনীহা দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়। এছাড়া যাদের শুক্রমেহ আছে তারা অর্জুন ছালের গুঁড়া ৪-৫ গ্রাম ৪-৫ ঘণ্টা আধা পোয়া গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে, তারপর ছেঁকে ওই পানির সাথে ১ চামচ শ্বেতচন্দন মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।এছাড়া চর্ম রোগেও অর্জুন ব্যবহুত হয়।

শ্বেত :
শ্বেত বা রক্ত প্রদরে ছাল ভিজানো পানি আধ চামট কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে রোগের উপশন হয়।

হার্নিয়া:
হার্নিয়াতে অর্জুন ফল কোমরে বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা পাতার রস সেবনে আমাশয় রোগ ভাল হয়।

রক্ত আমাশয়ে:
কাচাঁ অর্জুনের ছাল ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে ভালোভাবে পিষে ছাগলের দুধ বা ঠাণ্ডা পানিসহ দিনে দুবার খেলে রক্ত আমাশয়ে বিশেষ উপকারী।

হজম ক্ষমতা বাড়ায়:
অর্জুন খাদ্য হজম ক্ষমতা বাড়ায়। খাদ্যতন্ত্রের ক্রিয়া স্বাভাবিক স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়।

মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহে :
অর্জুনের ছাল মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এটি মাড়ির রক্তপাত বন্ধ করে। এছাড়াও অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে।

এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। ইদানিং DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।

অর্জুন গাছের পরিচিতি বংশবিস্তার চাষাবাদ ও ব্যবহার-

অর্জুন একটি পত্রঝরা মাঝারি ধরনের বৃক্ষ। পরিণত বয়সে একটি গাছ ১০-১৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। গোড়ায় অধিমূল আছে। গাছের কাণ্ড একধিক ভাঁজ বা স্তর যুক্ত। বাকল পাতলা স্তরে বিভক্ত। পাতা লম্বাটে ৭.৫ – মে সে. মি. ফুল হলুদাভ ও স্পাইক সোজা এবং ফুলের পাপড়ি নাই। ফল লম্বাটে ৫টি ভাজ ও পাখায় বিভক্ত।

বিস্তৃতি- ভারত, পাকিস্তান,শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ অর্জুনের আদি নিবাস। বাংলাদেশের সর্বত্রই পাওয়া যায়। বন কম দেখা যায়। বিশেস করে নিচু ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় অর্জুন ভাল জন্মে।

বীজ সংগ্রহ করার সময়- ফেব্রুয়ারি- মার্চ।

বীজের ওজন: প্রতি কেজিতে ৩০০ থেকে ৫০০টি বীজ থাকে।

ব্যবহার্য: প্রধানত- ছাল,তবে ক্ষেত্রবিশেষে পাতা ও ফল।

বীজ সংগ্রহ ও চারা উত্তোলন ও রোপন: স্যাঁতস্যাঁতে ও ঊর্বর দোআঁশ মাটি এ গাছ চাষের জন্য উপযুক্ত। গাছে বৈশাখ–আষাঢ় মাসে ফুল ফুটে এবং পৌষ –ফাল্গুন মাসে ফল পাকে। তখন বীজ সংগ্রহ করে পালি ব্যাগে চারা উত্তোলন করা হয়। পরিপক্ক ফল থেকে বীজ সংগ্রহের পর তা ভালভাবে রৌদ্রে শুকিয়ে ৬-১২মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। অর্জুনের বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা যায়। সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে পরিপক্ক ফল হতে বীজ সংগ্রহ করা হয়। বীজ বপনের পূর্বে ৪৮ ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরবর্তীতে বীজতলায় বীজ বপন করা হয়। বীজতলার মাটি ও গোবরের অনুপাত হবে ৩ : ১ । তাছারা পলিব্যাগে একটি মিশ্রন পূঁতে চারা উৎপাদন করা যায়। নয় মাস বয়সের অঙ্কুরিত চারা বীজতলা বা নার্সারী থেকে সংগ্রহ করে রোপন করা হয়।

উপযোগী আবহাওয়া ও মাটি- বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে অর্জুন গাছ কম-বেশি দেখা যায়। বিশেষত রাস্তার দুপাশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনাঞ্চলে প্রচুর জন্মে থাকে। আর্দ ও নাতিশীতোষ্ঞ আবহাওয়া অর্জন গাছের জন্য উপযোগী। সাধারনত দো-আঁশ মাটিতে এ গাছটি ভালো হয়ে থাকে। বর্ষার শুরুতেই নির্দিষ্ট স্থানে রোপন করতে হয়।

ছালসংগ্রহ ও সংরক্ষন পদ্ধতি- পরিপক্ক গাছ থেকে ছাল উঠিয়ে ( সংগ্রহ করে ) ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হয়। অতঃপর ৪-৫দিন রৌদ্রে শুকিয়ে চটের বস্তায় ভরে শুষ্ক স্থানে রেখে দিলে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় এবং কার্যকারিতা অটুট থাকে। তাছাড়া বীজ পুরোপুরিভাবে পরিপক্ক গাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়। অতঃপর সংগৃহীত বীজ ভালোভাবে রৌদ্রে শুকিয়ে বায়ুরোধী পাত্রে রেখে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।

সাধারণ ব্যবহার: কাঠ খুবই শক্ত। কাঠ গৃহনির্মাণ,গরুর গাড়ির চাকা, কৃষি উপকরণ,জলযান, নৌকা,দাড়,মাস্তুল,খনি ও নলকূপ খননে ব্যবহৃত হয়। বাকল থেকে আহরিত ট্যানিন চামড়াতে ব্যবহৃত হয়। বাকল থেকে হৃদরোগের ওষুধ , পাতার রস আমাশয় রোগের ওষুধ এবং পাতা তসর রেশম পোকার খাদ্য।

অর্জুন চারা প্রতি পিস ৬০ টাকা।

অর্জুন চারা হোম ডেলিভারি পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01688473945

 #বহেড়া গাছের পরিচিতিবহেড়া নাম প্রায় সর্বত্র প্রসিদ্ধ। বহেড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia balerica ত্রিফলার অন্যতম ফল বহেড়...
14/09/2021

#বহেড়া গাছের পরিচিতি

বহেড়া নাম প্রায় সর্বত্র প্রসিদ্ধ। বহেড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia balerica ত্রিফলার অন্যতম ফল বহেড়া।
এই ফলের আরেক নাম বিভিতকি, তবে বহেড়া নামেই বেশি পরিচিত। এই গাছের জন্ম ভারতবর্ষে। কথিত আছে,হিন্দু ধর্মের দেবরাজ ইন্দ্র অমৃতের সন্ধানে যখন সমুদ্র মত্থন করেছিলেন,সেই সময় এক ফোঁটা অমৃত পৃথিবীতে পড়ে যায়। আর সেই অমৃতের ফোঁটা হতেই বহেড়া গাছের জন্ম।

বাংলাদেশের বনাঞ্চল ও গ্রামে এই গাছের দেখা মেলে।বহেড়া গাছ উচ্চতায় ৬০-১০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় অর্থাঁৎ খুবই বড় গাছ। গাছের গুড়িও অনেক লম্বা। এর বাকল ধূসর ছাই রঙের। পাতা কাঁঠাল পাতার মতো মোটা, লম্বায় প্রায় ৫ ইঞ্চি। এর ফুল ডিম্বাকৃতির প্রায় ১ ইঞ্চির মতো লম্বা। কাঁচা পাকা বহেড়া ফলের রঙ সবুজ থাকে। পেকে গেলে লাল যার। পর শুকিয়ে ক্রমশ বাদামী। ফলের বাইরের আবরন মসৃণ ও শক্ত এবং ভেতরে একটি মাত্র শক্ত বীজ থাকে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের ভেতর এর ফল পেকে যায়। শীত কালে এর ফল পুষ্ট হয়, তারপর নিজ থেকেই গাছ থেকে খসে পড়ে। এ গাছের ফল দু’রকমের হয়-এক প্রকার গোল, আরেকটি ডিম্বাকৃতির। এর ফল ও ফলের শাস ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বহেড়া ফল উপমহাদেশের প্রাচীনতম আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিশেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। কথিত আছে, প্রতিদিন বহেড়া ফল ভিজানো এক কাপ পানি খেলে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়। বহেড়া বিশেষ ভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আসুন, জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধি গুন গুলো-

🌿 হজমশক্তি বাড়াতে:
বহেড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। এ ফলের খোসা ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। পানির সঙ্গে এ গুঁড়ো দিনে দুবার খেয়ে যান। ক্ষুধামান্দ্য তাড়াতেও একই প্রণালি অনুসরণ করতে পারেন।
🌿 শ্লেষ্মা নিরাময়ে:
প্রথমে বহেড়া পিষে নিন। এর সঙ্গে গরম ঘি মিশিয়ে আবার গরম করে নিন। শেষে মধু দিয়ে খেয়ে ফেলুন। পাশাপাশি সর্দি-কাশি তাড়াতেও বহেড়া বেশ উপকারে আসে।

🌿 আমাশয় থেকে দূরে থাকতে:
আমাশয়ে ভুগছেন? তাহলে প্রতিদিন সকালে বহেড়ার গুঁড়ো মেশানো পানি খেয়ে যান। উপকার পাবেন।

🌿 কফ:
আধা চা চামচ বহেড়া চূর্ণ ও ঘি একসাথে গরম করে তার সাথে মধু মিশিয়ে চেটে খেলে কফের সমস্যা কমে যায়।

🌿 হাঁপানি থেকে মুক্তি পেতে:
বহেড়া বীজের শাঁস ২ ঘণ্টা অন্তর চিবিয়ে খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী এ পদ্ধতি মেনে চলুন।

🌿 কৃমি নাশ করে:
পেটে কৃমি হয়েছে? হাতের কাছে সমাধান হিসেবে বহেড়া রয়েছে।

🌿 ডায়রিয়া প্রতিকারে:
ডায়রিয়া হলে বহেড়ার খোসা পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। অল্প মাত্রায় খেলে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় না। তবে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে খাওয়া উচিত।

🌿 অনিদ্রা রোগে:
রাতের পর রাত নির্ঘুম কেটে যায়? এখন থেকে চমত্কার ঘুমের জন্য বহেড়া খেয়ে যান।

🌿 ফোলা কমাতে:
শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেছে এবং ব্যথা লাগছে? এবার তাহলে বহেড়ার ছাল বেটে নিন। একটু গরম করে এ ছাল দিয়ে ফুলে যাওয়া স্থানে প্রলেপ দিন। ব্যথা ও ফোলা কমে যাবে।

🌿 শ্বেতি থেকে বাঁচতে:
বহেড়ার বিচির শাঁসে তেল থাকে। এ তেল দিয়ে শ্বেতি স্থানে প্রলেপ দেয়া যেতে পারে। আশা করা যায়, অল্প দিনের মধ্যে রঙ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

🌿 চুল পাকা প্রতিরোধে:
অনেকেই আছে যাদের অকালে চুল পেকে যায়। বহেড়া ফলের বিচি বাদ দিয়ে শুধু খোসা নিয়ে পানি দিয়ে ভালো ভাবে মসৃণ করে বাটুন ,এবার বাটা মিশ্রণটি এক কাপ পানিতে গুলে সেই পানি ছেঁকে নিন।এবার সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে উপকার পাওয়া যাবে।

🌿 অকালে টাক পড়া:
যাদের মাথায় অকালে টাক পড়েছে তারা বহেড়ার বিচির শাঁস অল্প পানিতে মিহি করে বেটে টাকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

🌿 বিবিধ ব্যবহার:
বহেড়ার কাঠ বেশ শক্তপোক্ত। এ কাঠ সহজে পানিতে পচে না। এ কারণে নৌকা তৈরিতে বহেড়ার ব্যবহার দেখা যায়।

বহেড়া চারা হোম ডেলিভারি পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01688473945

14/09/2021
Healthy is wealthy
14/09/2021

Healthy is wealthy

UFB
14/09/2021

UFB

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Urban Farmers Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category