Voice of truth and rights

Voice of truth and rights A platform for truth, awareness, and justice. We raise our voice for what’s right and meaningful. Follow us to stay informed and empowered.

আমি এমন একজন মানুষ, যে জানি চুপ করে থাকলে হয়তো নিজের লাভ হবে, কারো অপছন্দের পাত্রও হবনা, ঝামেলাও এড়ানো যাবে। তবুও অন্যায়...
25/05/2026

আমি এমন একজন মানুষ, যে জানি চুপ করে থাকলে হয়তো নিজের লাভ হবে, কারো অপছন্দের পাত্রও হবনা, ঝামেলাও এড়ানো যাবে। তবুও অন্যায় দেখলে বা সত্য কথা বলার প্রয়োজন হলে নীরব থাকতে পারি না। কারণ আমার কাছে সুবিধার চেয়ে সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

“আমি নিখুঁত নই, ভুলও করি। তবুও অন্যায়কে অন্যায় আর সত্যকে সত্য বলার চেষ্টা করি।”

24/05/2026

জিডির তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অসহযোগিতা: এক ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা

গত ২০ মে ২০২৫ তারিখে আমি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ২৪৭৭) করি। জিডিতে আমি অনলাইন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের নামে সংঘটিত একটি প্রতারণার ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করি এবং আইনগত সহায়তা কামনা করি।

জিডি করার সময় আমাকে আশ্বস্ত করা হয় যে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন নাগরিক হিসেবে আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং অন্তত তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করবে।
কিন্তু জিডি করার পর বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও তদন্তের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ পাইনি। ফলে আজ আমি নিজ উদ্যোগে জিডির তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে জিডির কপিটি পাঠাতে বলেন। আমি তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সঙ্গে সঙ্গে জিডির কপি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিই।
এরপর প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পুনরায় ফোন করি। কিন্তু আমার ফোনকল আর রিসিভ করা হয়নি। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাইনি।
একজন ভুক্তভোগী হিসেবে আমার প্রশ্ন হলো, যদি অভিযোগকারী নিজেই বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো উত্তর না পান, তাহলে তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা কোথায় করবেন? একটি জিডি করার পর তদন্তের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানার অধিকার কি একজন নাগরিকের নেই?
আমি বুঝি যে পুলিশের ওপর কাজের চাপ রয়েছে এবং প্রতিদিন অসংখ্য অভিযোগ নিয়ে কাজ করতে হয়। কিন্তু একজন অভিযোগকারীকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে দেওয়া কিংবা তার ফোনকলের কোনো জবাব না দেওয়া জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশিত আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গড়ে ওঠে তাদের পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে। কিন্তু যখন একজন ভুক্তভোগী দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও কোনো তথ্য জানতে পারেন না এবং যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পান না, তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে হতাশা ও অনাস্থা তৈরি হয়।

আমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাই, আমার জিডির বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও জবাবদিহিতার বিষয়টি আরও কার্যকর করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিক এ ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন।

ন্যায়বিচার চাই, বিশেষ সুবিধা নয়।

— একজন প্রতারণার শিকার নাগরিক।

যখন মনে হচ্ছিল সব শেষ...কখনো কি এমন হয়েছে, আপনি কোনো কিছু হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন? মনে হয়েছে, এত দোয়া করেও কিছুই পেলাম ন...
23/05/2026

যখন মনে হচ্ছিল সব শেষ...
কখনো কি এমন হয়েছে, আপনি কোনো কিছু হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন? মনে হয়েছে, এত দোয়া করেও কিছুই পেলাম না? বুকভরা কষ্ট নিয়ে ভাবছেন— “আল্লাহ কেন আমার কাছ থেকে এটা নিয়ে নিলেন?”
ঠিক তখনই কুরআনের একটি আয়াত হৃদয়ে আশার আলো জ্বালায়—
“আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কল্যাণ দেখেন, তবে তিনি তোমাদের কাছ থেকে যা নেওয়া হয়েছে তার চেয়েও উত্তম কিছু তোমাদের দান করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” — সূরা আল-আনফাল, ৮:৭০
এই আয়াত যেন প্রতিটি কষ্টে থাকা মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সান্ত্বনার বার্তা। যারা হারিয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে, প্রতারিত হয়েছে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে গভীরভাবে আহত হয়েছে— তাদের জন্য এই আয়াত বলে:
“তুমি যা হারিয়েছ, তা-ই তোমার গল্পের শেষ নয়। আমি চাইলে তার চেয়েও সুন্দর কিছু তোমাকে দিতে পারি।”
আল্লাহর নেওয়ার মধ্যেও থাকে দেওয়ার প্রস্তুতি
আমরা সাধারণত হারানোটা দেখি, কিন্তু আল্লাহ দেখেন সামনের পথ। কখনো কোনো সম্পর্ক ভেঙে যায়, কোনো স্বপ্ন পূরণ হয় না, কাঙ্ক্ষিত চাকরি মেলে না, কিংবা প্রিয় কোনো জিনিস হাতছাড়া হয়ে যায়। তখন মনে হয় সবকিছু শেষ।
কিন্তু অনেক সময় বছর কয়েক পরে ফিরে তাকিয়ে মানুষ বুঝতে পারে— যে জিনিসটির জন্য সে কেঁদেছিল, সেটি না পাওয়াই ছিল তার জন্য সবচেয়ে বড় কল্যাণ।
আল্লাহ কখনো অকারণে কিছু কেড়ে নেন না। তাঁর প্রতিটি ফয়সালার পেছনে থাকে এমন হিকমত, যা আমরা তখন বুঝতে না পারলেও একদিন স্পষ্ট হয়ে যায়।
হৃদয়ের অবস্থা বদলালে ভাগ্যও বদলে যায়
আয়াতে আল্লাহ বলেছেন:
“আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কল্যাণ দেখেন...”
এখানেই লুকিয়ে আছে পরিবর্তনের রহস্য।
মানুষ আপনার চেহারা, সম্পদ বা অবস্থান দেখে বিচার করতে পারে। কিন্তু আল্লাহ দেখেন আপনার অন্তর, আপনার নিয়ত, আপনার কান্না এবং আপনার ফিরে আসা।
যখন একজন বান্দা আন্তরিকভাবে তাওবা করে, ধৈর্য ধরে, আল্লাহর উপর ভরসা রাখে এবং ভালো থাকার চেষ্টা করে— তখন আল্লাহ এমনভাবে তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেন, যা সে কখনো কল্পনাও করেনি।
শেষ মানেই শেষ নয়
অনেক সময় আমরা ভাবি—
“আমার জীবন শেষ হয়ে গেছে।”
“এখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়।”
“আমি সব হারিয়ে ফেলেছি।”
কিন্তু কুরআন আমাদের শেখায়, আল্লাহর কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
যিনি মৃত জমিনে বৃষ্টি নামিয়ে জীবন ফিরিয়ে দেন, তিনি ভাঙা হৃদয়েও নতুন স্বপ্ন জাগিয়ে তুলতে পারেন। তিনি অন্ধকার রাতের পর ভোর আনেন, দীর্ঘ কষ্টের পর প্রশান্তি দেন এবং অশ্রুর পর হাসি ফিরিয়ে দেন।
আল্লাহর প্রতিদান সবসময় উত্তম
আল্লাহ শুধু ফিরিয়ে দেন না, অনেক সময় তিনি তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করেন।
হয়তো—
হারানো সম্পর্কের বদলে উত্তম মানুষ,
ব্যর্থতার বদলে সাফল্য,
অপমানের বদলে সম্মান,
কষ্টের বদলে প্রশান্তি,
হতাশার বদলে ঈমানের দৃঢ়তা দান করেন।
তাই দেরি দেখে হতাশ হবেন না। কারণ আল্লাহর সময় কখনো ভুল হয় না।
রহমতের দরজা কখনো বন্ধ হয় না
আয়াতের শেষ অংশে আল্লাহ বলেন:
“আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
এ যেন আশা হারিয়ে ফেলা প্রতিটি মানুষের জন্য নতুন করে বেঁচে ওঠার আহ্বান।
আপনি যত ভুলই করে থাকুন না কেন, যত দূরেই চলে যান না কেন— যদি সত্যিকার অর্থে আল্লাহর দিকে ফিরে আসেন, তিনি আপনাকে ফিরিয়ে দেবেন না।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় এত বেশি আনন্দিত হন, যেমন মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া উট ফিরে পেয়ে একজন মানুষ আনন্দিত হয়। (সহিহ মুসলিম)
তাই মনে রাখুন...
আল্লাহ আপনাকে ভুলে যাননি।
আপনার দোয়া শুনছেন।
দেরি মানেই প্রত্যাখ্যান নয়।
কষ্ট মানেই শাস্তি নয়।
হয়তো আল্লাহ আপনাকে আরও সুন্দর কিছুর জন্য প্রস্তুত করছেন।
যখন বুক ভেঙে যাবে, তখন আল্লাহর কাছে হাত তুলুন। যখন চোখে পানি আসবে, তখন সিজদায় মাথা রাখুন। যখন পথ বন্ধ মনে হবে, তখন আরও বেশি করে তাঁর দরজায় কড়া নাড়ুন।
কারণ একদিন আপনি নিজেই বুঝবেন— যে বিষয়টিকে আপনি ক্ষতি ভেবেছিলেন, সেটিই ছিল আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় রহমতের শুরু।
হয়তো আজ আপনার চোখে অশ্রু আছে, কিন্তু আগামীকাল আল্লাহ সেই অশ্রুকেই হাসিতে বদলে দিতে পারেন। তাই আশা হারাবেন না; আপনার রব এখনও সবকিছু বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। 🤍🌿

একদিন আল্লাহ আপনাকে দেখিয়ে দেবেন, কেন এই কষ্টকর অপেক্ষার প্রয়োজন ছিল। তাই আপাতত দোয়া করতে থাকুন। দরজা না খোলা পর্যন্ত...
23/05/2026

একদিন আল্লাহ আপনাকে দেখিয়ে দেবেন, কেন এই কষ্টকর অপেক্ষার প্রয়োজন ছিল। তাই আপাতত দোয়া করতে থাকুন। দরজা না খোলা পর্যন্ত তাতে কড়া নাড়তে থাকুন। বিলম্বের কল্যাণের উপর বিশ্বাস রাখতে থাকুন। সর্বোপরি, সবকিছুর সঠিক সময় একমাত্র আল্লাহই জানেন।
মানুষ স্বভাবতই চায় তার প্রার্থনার উত্তর দ্রুত পেতে, তার কষ্ট দ্রুত দূর হোক এবং তার কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি তাড়াতাড়ি অর্জিত হোক। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাঁর অসীম জ্ঞান ও হিকমত অনুযায়ী সবকিছুর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমরা বর্তমান দেখি, কিন্তু তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সবকিছু জানেন। তাই অনেক সময় যে বিষয়টি আমরা আজ চাইছি, সেটি যদি এখনই পেয়ে যাই তবে হয়তো তা আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। আর যে বিষয়টি পেতে দেরি হচ্ছে, সেই বিলম্বের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় কল্যাণ।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হতে পারে তোমরা কোনো বিষয়কে অপছন্দ কর, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে তোমরা কোনো বিষয়কে ভালোবাসো, অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।” (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬)
দোয়া কখনোই বিফলে যায় না। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“বান্দার দোয়া কবুল হতে থাকে, যতক্ষণ সে গুনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য দোয়া না করে এবং তাড়াহুড়া না করে।” সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, তাড়াহুড়া কী? তিনি বললেন, “সে বলে: আমি দোয়া করেছি, আমি দোয়া করেছি, কিন্তু আমার দোয়া কবুল হতে দেখছি না। অতঃপর সে হতাশ হয়ে দোয়া করা ছেড়ে দেয়।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৩৫)
অর্থাৎ, দোয়ার উত্তর দেরিতে আসছে বলে দোয়া বন্ধ করে দেওয়া একজন মুমিনের কাজ নয়। বরং দোয়া চালিয়ে যাওয়া, আল্লাহর প্রতি সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করাই প্রকৃত ঈমানের পরিচয়।
নবী ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের দিকে তাকালে আমরা অপেক্ষার অসাধারণ শিক্ষা পাই। তিনি শৈশবে ভাইদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কূপে নিক্ষিপ্ত হন, দাস হিসেবে বিক্রি হন, অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি থাকেন। বছরের পর বছর কষ্ট ও অপেক্ষার পর আল্লাহ তাঁকে মিসরের ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। যদি তাঁর জীবনের কোনো একটি কষ্টকর অধ্যায় না ঘটত, তবে হয়তো সেই মহিমান্বিত পরিণতিও আসত না। তখন তিনি বুঝেছিলেন, প্রতিটি বিলম্ব ও প্রতিটি পরীক্ষার পেছনেই ছিল আল্লাহর নিখুঁত পরিকল্পনা।
নবী মূসা (আ.)-এর ঘটনাও একই শিক্ষা দেয়। ফিরআউনের অত্যাচার থেকে মুক্তির জন্য তিনি ও তাঁর অনুসারীরা অপেক্ষা করেছিলেন। যখন সামনে সমুদ্র আর পেছনে শত্রুসেনা, তখন সবাই ভেবেছিল সব শেষ। কিন্তু সেই মুহূর্তেই আল্লাহ সমুদ্র দ্বিখণ্ডিত করে এমন পথ খুলে দিলেন, যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। মানুষের চোখে যখন সব দরজা বন্ধ, আল্লাহ তখনও নতুন দরজা খুলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
আমাদের জীবনেও এমন অনেক ঘটনা ঘটে, যার অর্থ আমরা তখন বুঝতে পারি না। একটি চাকরি না পাওয়া, একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া, একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়া বা দীর্ঘদিন কোনো দোয়া কবুল না হওয়া—এসব কারণে আমরা হতাশ হয়ে পড়ি। কিন্তু কিছুদিন বা কয়েক বছর পরে ফিরে তাকিয়ে অনেকেই উপলব্ধি করেন, “আলহামদুলিল্লাহ, তখন যা চেয়েছিলাম তা পেলে আজ হয়তো আমি আরও বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতাম।” তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে আল্লাহর বিলম্ব আসলে প্রত্যাখ্যান নয়; বরং উত্তম সময়ের জন্য সংরক্ষণ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“দোয়ার মাধ্যমে হয়তো বান্দাকে তাৎক্ষণিকভাবে তার চাওয়া দেওয়া হয়, অথবা তা আখিরাতের জন্য সঞ্চিত রাখা হয়, কিংবা সমপরিমাণ কোনো বিপদ তার থেকে দূর করে দেওয়া হয়।” (মুসনাদ আহমাদ)
তাই যখন আপনার মনে হবে যে অপেক্ষা খুব দীর্ঘ হয়ে গেছে, তখন স্মরণ করুন—আল্লাহ নীরব থাকলেও উদাসীন নন। তিনি আপনার কান্না দেখেন, আপনার কষ্ট জানেন এবং আপনার প্রতিটি দোয়া শুনছেন। হয়তো তিনি আপনাকে এমন কিছু দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা আপনার কল্পনারও বাইরে।
সুতরাং দোয়া থামাবেন না, ধৈর্য হারাবেন না, আর আল্লাহর ফয়সালার প্রতি আস্থা হারাবেন না। কারণ একদিন আপনি নিজেই দেখবেন, কেন এই অপেক্ষা প্রয়োজন ছিল। তখন বুঝবেন, প্রতিটি বিলম্বের আড়ালে ছিল তাঁর অপার রহমত, হিকমত ও কল্যাণ। আর তখন হৃদয় থেকে বেরিয়ে আসবে একটাই কথা—
“হে আল্লাহ! আমি তাড়াহুড়া করেছিলাম, কিন্তু আপনার পরিকল্পনাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর।” 🤍

22/05/2026
27/03/2026

প্রবাসীরা টাকার মেশিন না।
প্রবাসীদের জন্য তিনটি পরামর্শ।

18/03/2026

বাদ দেন বাদ দেন বলা বাদ দেন।

মুখে দাঁড়ি আর পেন্ট শার্ট পরিধান করলেই পুরুষ হওয়া যায়না।

My Gray Head Lady gouldian finch.
03/09/2024

My Gray Head Lady gouldian finch.

14/08/2024

মাশাআল্লাহ।

Lady Gouldian Finch.
19/06/2024

Lady Gouldian Finch.

Sea Green Parrot Finch.Show Post.
14/06/2024

Sea Green Parrot Finch.
Show Post.

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of truth and rights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Voice of truth and rights:

Share