28/05/2026
পিংপং ডিপ্লোমেসি আছে, পান্ডা ডিপ্লোমেসি আছে, উলফ ওয়ারিয়র ডিপ্লোমেসি আছে, ক্রিকেট ডিপ্লোমেসিও আছে।
বাংলাদেশ এবার শুরু করলো নতুন এক অধ্যায় — Buffalo Diplomacy।
একটা অ্যালবিনো মহিষ, যার চেহারায় অনেকেই খুঁজে পেয়েছে ট্রাম্পের ছায়া।লোকাল হাসি-তামাশা পেরিয়ে বিষয়টা পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়, এমনকি ট্রাম্পের নিজের টুইট পর্যন্ত।
তারপর যখন কুরবানির জন্য মহিষটা কেনা হলো, তখনই রাষ্ট্র বুঝে গেল —এটা আর শুধু মহিষ না, এটা “সফট পাওয়ার” এর সম্ভাবনা।
তাই কুরবানি না দিয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণ,
হয়তো নিছক পশুপ্রেম না, বরং ওয়াশিংটনের দিকে পাঠানো এক নিঃশব্দ কূটনৈতিক হাসি।
রাজনীতিতে কখন কোন জিনিস প্রতীকে পরিণত হয়, সেটা কেউ জানে না।কখনো একটা বল, কখনো একটা পান্ডা, আর কখনো… একটা মহিষ। 🐃
In my opinion, it’s a smart move.
Don’t know whether it was really planned as a diplomatic message or simply done for preservation, whatever the reason is, the outcome still carries symbolism.
NB: I’m a newbie in international relations and diplomacy, but I’m sharing my opinion based on whatever little knowledge I have. So please don’t take it the wrong way. Those who understand foreign diplomacy will understand it better.